বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০১:৩১ পি.এম
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, আমরা চাই না বাংলাদেশের মাটি প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে ব্যবহার হোক। একইসঙ্গে, প্রতিবেশীরা আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাক, সেটাও আমরা চাই না।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেট উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চিফ হুইপ এ কথা বলেন।
চিফ হুইপ আরো বলেন, ভারতে যে হারে মসজিদ ভাঙা হয়, বাংলাদেশে কি সে হারে মন্দির ভাঙা হয়? প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরের বিষয়ে ভারত কীভাবে নিয়েছে, সেটি যদি সবাই তাদের কর্মকাণ্ডে নজর দেয়, তাহলে সবার বুঝতে অসুবিধা হবে না।
বাজেট নিয়ে নূরুল ইসলাম বলেন, সরকারের দেয়া বাজেটকে বিরোধীদলও গ্রহণ করেছে। সুতরাং, এ বাজেট বাস্তবায়নে দলমত নির্বিশেষে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
এসময় তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সংশোধনে সংসদের ভেতরে-বাইরে সরকার ও বিরোধীদল একসঙ্গে কাজ করবে।
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর কবে খুলে দেয়া হবে জানতে চাইলে চিফ হুইপ জানান, তিনি এ বিষয়ে কোনো তথ্য জানেন না।
চিফ হুইপ তিস্তা মহাপরিকল্পনাকে দেশ বাঁচানোর প্রকল্প হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, উত্তরাঞ্চলের সাধারণ মানুষ যেন কৃষিকাজে প্রয়োজনীয় পানি পায়, সেজন্য প্রধানমন্ত্রী তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর তিনটি এলাকায় বিশেষ মাদকবিরোধী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আটজন মাদক কারবারি ও সেবনকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে এই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত র্যাব-১-এর সিপিসি-১, সিপিসি-২, সিপিসি-৩ এবং সদর কোম্পানি যৌথভাবে মেরুল বাড্ডা, ভাটারা ও খিলক্ষেত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু হাসান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী তাদের অপরাধের প্রকৃতির ভিত্তিতে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেন।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন মো. শামিম মিয়া (৩২), মো. জয় (২৩), মো. মিনকুল ইসলাম (৩৫), অভিজিত দেবনাথ (৩৯), মো. ছাব্বির হোসেন শিপন (২৩), মো. শাহদাত হোসেন (৩০), মো. স্বপন মিয়া (৪০) ও মো. মিলন (৩৩)।
র্যাব-১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ আলম জানিয়েছেন, সরকারের মাদকের বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতির অংশ হিসেবে পরিচালিত এই অভিযানে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্যও উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরো জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি মাদক নির্মূলে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতে অব্যাহত রাখা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির-সাঈদ ইরাভানি সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে হত্যার বিষয়ে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হুমকির প্রতিবাদ জানিয়ে জাতিসংঘে একটি চিঠি দিয়েছেন।
ইরাভানি বলেন, জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, নিরাপত্তা পরিষদ ও সাধারণ পরিষদের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজের এই হুমকি হলো ইরানের শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে পরিচালিত একটি ‘পরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের নীতির’ অংশ।
তিনি অভিযোগ করেন, ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের অবৈধ আগ্রাসনের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামরিক কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে হামলা এবং এসব কর্মকাণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ও সহযোগিতা এই নীতিরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইরাভানি আরো বলেন যে, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হওয়ায় ইসরায়েল দায়মুক্তির সুযোগ পাচ্ছে।
তিনি সতর্ক করে জানান, ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো শত্রুতামূলক পদক্ষেপের উপযুক্ত জবাব দেবে তেহরান। চিঠিতে তিনি আরও যোগ করেন যে, জাতিসংঘ সনদ অনুযায়ী দায়িত্ব পালনে নিরাপত্তা পরিষদের ব্যর্থতা দায়মুক্তির সংস্কৃতিকে শক্তিশালী করেছে।
এর ফলে ইসরায়েল রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদকে স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে, যা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করছে।
এদিকে, ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যের জন্য দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ছয় দিনব্যাপী এই কর্মসূচি ইরানের পাঁচটি শহরের পাশাপাশি প্রতিবেশী ইরাকের দুটি শহরেও অনুষ্ঠিত হবে।
শনিবার তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা নামাজ কমপ্লেক্সে খামেনির মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য রাখা হবে এবং সোমবার তেহরানের রাজপথে জানাজা ও শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৭ জুলাই মরদেহ নেওয়া হবে পবিত্র শহর কুমে। পরে ইরাকের নাজাফ ও কারবালা শহরেও শোকানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
সবশেষে ৯ জুলাই খামেনির মরদেহ ইরানে ফিরিয়ে এনে তার জন্মশহর মাশহাদে দাফন করা হবে। শেষকৃত্যে দেশ-বিদেশ থেকে লাখো মানুষ অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের ধারণা, এতে দেড় থেকে দুই কোটি শোকাহত মানুষ উপস্থিত হতে পারেন। এ উপলক্ষে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে পুলিশ।
এ ছাড়া রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান, ভারত, জর্জিয়া ও কিউবাসহ ৩০টির বেশি দেশের প্রতিনিধি এবং ৯০টি দেশের ধর্মীয় নেতারা অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফও এর আগে দেশটির পার্লামেন্টে দেওয়া ভাষণে শেষকৃত্যে অংশ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘদিনের আন্দোলন, দাবি ও প্রত্যাশার অবসান ঘটিয়ে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা থেকে ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন উপজেলা বাঙ্গরা বাজার গঠন করা হয়েছে।
প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) সভায় বুধবার (১ জুলাই) এ প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়। এর ফলে বাঙ্গরা ও মুরাদনগর জুড়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা নতুন উপজেলা প্রতিষ্ঠাকে এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্নপূরণ হিসেবে দেখছেন।
নিকারের অনুমোদনের মাধ্যমে মুরাদনগর উপজেলার ২২টি ইউনিয়নের মধ্যে শ্রীকাইল, আকুবপুর, আন্দিকোট, পূর্বধইর পূর্ব, পূর্বধইর পশ্চিম, বাঙ্গরা পূর্ব (সদর), বাঙ্গরা পশ্চিম, চাপিতলা, রামচন্দ্রপুর উত্তর ও টনকীসহ ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে বাঙ্গরা বাজার উপজেলা।
উপজেলা অনুমোদনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, হাটবাজার ও গ্রামাঞ্চলে আনন্দের জোয়ার বয়ে গিয়েছে। বিভিন্ন স্থানে আনন্দ মিছিল, মিষ্টি বিতরণ ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ তাদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে। অনেকেই এটিকে বাঙ্গরা অঞ্চলের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় দিন হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।
স্থানীয়দের মতে, এতদিন তাদের প্রশাসনিক সেবা গ্রহণের জন্য প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে মুরাদনগর উপজেলা সদরে যেতে হতো। একটি কাজ সম্পন্ন করতেই অনেক সময় পুরো দিন ব্যয় হয়ে যায়। নতুন উপজেলা প্রতিষ্ঠার ফলে সরকারি বিভিন্ন সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাবে এবং সময় ও অর্থ দুটোই সাশ্রয় হবে বলে তাদের প্রত্যাশা।
বাঙ্গরাকে উপজেলা করার দাবিতে গত কয়েক বছর ধরে ১০টি ইউনিয়নের জনগণ ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন, সভা ও সমাবেশ এবং গণসচেতনতামূলক নানা কর্মসূচি পালন করে চলেছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে উপজেলা বাস্তবায়নের জন্য প্রাথমিক প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয়। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ বিষয়টি এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। অবশেষে নিকারের অনুমোদনের মধ্য দিয়ে তাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটে।
বাঙ্গরা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেন বলেন, ‘বাঙ্গরাকে উপজেলা করা ছিল আমাদের প্রাণের দাবি। ২০১৪ সালে ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে বাঙ্গরা থানা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আজ উপজেলা অনুমোদন পাওয়ায় পুরো এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। বিভিন্ন স্থানে মিষ্টি বিতরণ করা হচ্ছে।’
মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ আলম সরকার ও যুবদল নেতা চঞ্চল রায়হান বলেন, ‘প্রায় এক দশকের আন্দোলনের ফসল আজকের এই উপজেলা।’ তারা এ উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি তাদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
ঐতিহ্য কুমিল্লার সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ইমরুল বক্তব্য রাখেন, ‘জাতীয় কবির স্মৃতিকে ধারণ করে নতুন উপজেলার নাম ‘নজরুল নগর’ রাখা হলে অঞ্চলটি যেমন গর্বিত হবে, তেমনি কবির প্রতিও যথাযথ সম্মান জানানো হবে।’
এনসিপি কুমিল্লা উত্তর জেলা আহ্বায়ক গোলাম কিবরিয়া সরকার বলেন, ‘দলমত নির্বিশেষে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই বাঙ্গরা উপজেলার অনুমোদন এসেছে। নতুন উপজেলা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রশাসনিক সেবার পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সারা দেশের মতো কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে শুরু হয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা। প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীরা উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। তবে এই বছর বোর্ডের অধীনে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর ঝরে পড়া নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টায় বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষার মাধ্যমে বোর্ডের আওতাধীন কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুর জেলার ৪৬৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ১৯৩টি পরীক্ষা কেন্দ্রের মাধ্যমে একযোগে এই পরীক্ষা শুরু করেছে। মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯৫ হাজার ৬৮ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৩৭ হাজার ৭০৫ জন এবং ছাত্রী ৫৭ হাজার ৩৬৩ জন। সে হিসেবে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৬৫৮ জন বেশি।
বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১ লাখ ২২ হাজার ৪১১ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন এবং ফরম পূরণ করেছে, তবে শেষ পর্যন্ত ৯৫ হাজার ৬৮ জন পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। বিভিন্ন কারণে পরীক্ষার আগেই ২৭ হাজার ৩৪৩ জন শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে।
বিপুলসংখ্যক ঝরে পড়া শিক্ষার্থী শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, অর্থনৈতিক সংকট, পারিবারিক সমস্যা, অল্প বয়সে বিয়ে, কর্মসংস্থানে যুক্ত হওয়া, নিয়মিত ক্লাসে অনুপস্থিতি এবং পরীক্ষার উপযুক্ত প্রস্তুতির অভাবসহ বিভিন্ন কারণ এই ঝরে পড়ার পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।
এদিকে, পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড, জেলা প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, কেন্দ্র পরিচালনা, পরীক্ষার্থীদের নির্বিঘ্ন প্রবেশ, কক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং সার্বিক তদারকিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আহসান পারভেজ বলেন, ‘এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্র পরিচালনা, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, পরীক্ষার্থী প্রবেশ, কক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারিসহ প্রতিটি বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা সচল রাখা, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে আইপিএসের ব্যবস্থা রাখা এবং ডিজিটাল মনিটরিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায়ও বিকল্প প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।’
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, কেন্দ্র সচিব এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিটি কেন্দ্রের আশপাশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। একই সাথে পরীক্ষার সময় যানজট এড়াতে জেলা পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
বোর্ড কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে, প্রশাসন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় এ বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও স্বচ্ছ পরিবেশে সম্পন্ন হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ