ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মার্কিন-ইসরাইলি হামলা প্রতিরোধে উপসাগরীয় দেশগুলোর ‘আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব’ আছে: ইরান


মার্কিন-ইসরাইলি হামলা প্রতিরোধে উপসাগরীয় দেশগুলোর ‘আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব’ আছে: ইরান

তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি আক্রমণের প্রেক্ষাপটে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করেছে যে, মার্কিন ও ইসরাইলি হামলা প্রতিরোধ করার জন্য উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিবেশী দেশগুলোর একটি ‘আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব’ রয়েছে।

এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘মার্কিন সামরিক বাহিনী এবং ইসরাইলকে তাদের ভূখণ্ড বা স্থাপনা ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে বৈরী কার্যকলাপের পরিকল্পনা, সংগঠন, বাস্তবায়ন বা সমর্থন করা থেকে বিরত রাখার জন্য এই অঞ্চলের সকল দেশের (বিশেষ করে পারস্য উপসাগরের দক্ষিণ উপকূলবর্তী দেশগুলোর) আইনগত ও নৈতিক দায়িত্ব পুনর্ব্যক্ত করেছে।’

একটি মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত করার প্রতিবাদে মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানে হামলা চালানোর কয়েক ঘণ্টা পরেই এই বিবৃতিটি আসে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প হেলিকপ্টারটি গুলি করে ভূপাতিত করার জন্য ইরানকে দায়ী করেছেন।

আরও পড়ুন: মিষ্টির আসনে উপনির্বাচনের জন্য এমপিদের স্বাক্ষরের তালিকা চায় ইসি

এদিকে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ‘ইরানের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষামূলক হামলা’-কে ইরানের অযৌক্তিক আগ্রাসনের একটি আনুপাতিক জবাব হিসেবে বর্ণনা করেছে।

পরে সেন্টকম হামলা সম্পন্ন করার ঘোষণা দিয়ে জানায়, এই হামলায় হরমুজ প্রণালীর নিকটবর্তী ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ভূমি নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এবং নজরদারি রাডার সাইটগুলোতে আঘাত হানা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এসব হামলার জবাবে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি गার্ড কোর জানায়, তারা বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের ওপর ড্রোন হামলা চালিয়েছে এবং তাদের ভাষায় মার্কিন ‘আগ্রাসন’ অব্যাহত থাকলে ‘আরও কঠোর জবাব’ দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। পরে তারা কুয়েত ও জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে আরও হামলার ঘোষণা দেয়।

সূত্র: ডন

আরও পড়ুন: সৌদির দাবি, ৫ ড্রোন ধ্বংসের মধ্যে ৪টি মদিনার দিকে ছিল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাম: নতুন আতঙ্ক লাইফ সাপোর্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৪৭ পি.এম


হাম: নতুন আতঙ্ক লাইফ সাপোর্ট

অভিভাবকদের উদ্বেগ উৎকন্ঠা দেখা যাচ্ছে হাম বিশেষায়িত আইসিইউয়ের সামনে অপেক্ষারত। নতুন আতঙ্ক হচ্ছে লাইফ সাপোর্ট। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নেয়ার পরেও যেহেতু সুস্থতা প্রাপ্ত হচ্ছে না, তাই তারা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। তবে কিছু অভিভাবকের মধ্যে অবহেলার অনুভূতি রয়েছে। কেউ প্রথমে এ বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেননি, আবার কেউ এই জটিল রোগের পরিস্থিতির পরেও টিকা নেননি।

চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, সিভিয়ার নিউমোনিয়ার কারণে অনেক শিশুর লাইফ সাপোর্ট লাগছে। এটি ফুসফুস বিকল করে দিতে পারে। অসুস্থতা ঠেকাতে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী পুষ্টিকর খাবার, ভিটামিন ও জিংক খাওয়ানোর কথাও বলা হচ্ছে।

চার মাসের আদিয়ানের জন্য মানবিক চিত্র দেখা যাচ্ছে মো মাসুদের। আদিয়ান ৯ দিন ধরে হাম নিয়ে যুদ্ধ করছে। ৮ দিন আইসোলেশন ওয়ার্ডে থাকার পর আজ তাকে আইসিইউতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রাখতে হচ্ছে লাইফ সাপোর্টেও। এই পরিস্থিতি আদিয়ানের পরিবারে এক অন্ধকার নেমে এসেছে।

হাসপাতালে ভর্তি অধিকাংশ শিশুর সঙ্গেও অন্যান্য শারীরিক জটিলতা রয়েছে। কেউ দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পরও যে গুরুত্ব দেয়নি, তারাই এই সংকটাপন্ন অবস্থার মুখোমুখি হয়েছে। আরও ভয়ংকর বিষয় হলো, হাম এত গুরুতর হওয়ার পরও অনেক অভিভাবক টিকা নেননি।

চিকিৎসকরা যোগ করেন, যারা আগে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছিল, তাদের মধ্যে কেউ কেউ আবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালমুখী হচ্ছেন। এর জন্য মূল কারণ হিসেবে তারা সিভিয়ার নিউমোনিয়াকে চিহ্নিত করেছেন। যা শিশুর ফুসফুসকে বিকল করে দিতে পারে।

বাড়ি ফেরার পর পুনরায় অসুস্থতা ঠেকাতে চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিকর খাবার, ভিটামিন ও জিংক খাওয়ানোর।

১৫ মার্চ থেকে দেশের পরিস্থিতি alarming হয়েছে; হাম ও উপসর্গে মৃত্যু ছাড়িয়ে গেছে ৬৩০ এবং আক্রান্ত হয়েছে ৯০ হাজার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শান্তিরক্ষায় ভবিষ্যতে আমাদের মিশনগুলো হবে আরও দূরদর্শী ও প্রযুক্তিনির্ভর: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৪৯ পি.এম


শান্তিরক্ষায় ভবিষ্যতে আমাদের মিশনগুলো হবে আরও দূরদর্শী ও প্রযুক্তিনির্ভর: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শান্তিরক্ষায় ভবিষ্যতে আমাদের মিশনগুলো হবে আরও আধুনিক, দূরদর্শী ও প্রযুক্তিনির্ভর।

এই লক্ষ্যে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন অথবা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার সশস্ত্র ও পুলিশ বাহিনীর আধুনিকায়নে পর্যায়ক্রমিকভাবে উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেছেন।

আজ সকালে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যারা আত্মত্যাগ করেছেন, আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসে সারা বিশ্বের সেই সাহসীদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।

তিনি জানান, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষাবাহিনীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ১৯৮৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশের ১৭৫ জন শান্তিরক্ষী শহীদ হয়েছেন। অনেকেই আহত হয়েছেন। তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। শুধুমাত্র বাংলাদেশের জন্য নয়, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষাবাহিনীর সদস্য হিসেবে শহীদদের এই আত্মদান, যুদ্ধবিরোধী ও শান্তিকামী মানুষের জন্য উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, তাদের এই আত্মত্যাগ প্রমাণ করে, শুধু মাতৃভূমির স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বই নয়, জাতিসংঘের পতাকাতলে শান্তিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে যে কোনো মূল্যে শান্তিরক্ষায় বদ্ধপরিকর।

কিন্তু এ পথ বন্ধুর ছিল জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বমঞ্চে যে গৌরব এবং কৃতিত্ব অর্জন করেছেন, তা সহজ ছিলো না। শত প্রতিকূলতা, সীমাবদ্ধতা এবং কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে এই মহান ও মানবিক দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে তাদের।

শান্তিরক্ষীদের উদ্দেশ্যে তারেক রহমান বলেন, পরিবার-পরিজন থেকে দূরে থেকে একটি প্রতিকূল পরিবেশে আপনারা নিষ্ঠা, সাহস ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় দায়িত্ব পালন করছেন। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় আপনাদের এই অবদানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই ভিডিওচিত্রের মাধ্যমে জাতিসংঘের শান্তি মিশনে দেশের সামরিক বাহিনীর অবদান তুলে ধরা হয়। একইসঙ্গে শহীদ হওয়া শান্তিরক্ষীদের পরিবার ও আহতদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এই সময়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ পর্যন্ত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের ২ লাখেরও বেশি শান্তিরক্ষী বিশ্বের ৪৩ টি দেশের প্রায় ৬৩ টি শান্তিরক্ষা মিশনে সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে প্রায় ৫ হাজার ৮৬০ বাংলাদেশি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ১০ টি শান্তিরক্ষা মিশনে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। হাইতিতে নতুন একটি মিশনে যোগ দেয়ার জন্যও প্রস্তুতি চলছে।

তিনি বলেন, পুরুষের পাশাপাশি বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের প্রায় ১১ শতাংশ নারী সদস্য সাহসের সঙ্গে যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে বিশ্ব শান্তি রক্ষায় আমাদের এই গৌরবের ইতিহাস একদিনে রচিত হয়নি। প্রায় চার দশক ধরে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনী একটি আস্থা ও নির্ভরতার নাম।

সশস্ত্রবাহিনী একটি দেশের স্বাধীনতা, সম্মান ও সাহসের প্রতীক জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের জন্মযুদ্ধে সেনাবাহিনীর ভূমিকা ছিল ঐতিহাসিক। সেনাবাহিনীর একজন মেজর বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এই গৌরব ও অহংকার আমাদের সশস্ত্রবাহিনীর জন্য অনন্ত প্রেরণার উৎস। তাই এই গৌরব যেন কোনোভাবেই ম্লান না হয় সেটি রক্ষা করা সশস্ত্রবাহিনীর কর্তব্য।

তিনি বলেন, তবে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে, দেশে সশস্ত্রবাহিনীর কিংবা সশস্ত্র বাহিনীকে নিয়ে কিছু অপতৎপরতা কখনো কখনো জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির কারণ হয়েছে। দেশে বিদেশে সশস্ত্রবাহিনীর ইমেজ বিনষ্ট করতে নানা তৎপরতাও বিদ্যমান ছিল। তবে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে ১৯৭৫ এর সাত নভেম্বর স্বাধীনতার ঘোষকের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী ঐক্যবদ্ধভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, এরপরও বিভিন্ন সময়ে নানারকম ঘটনায় সশস্ত্রবাহিনীর ঐক্য বিনষ্টের তৎপরতা চলেছে। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সশস্ত্রবাহিনীর ওপর সর্বগ্রাসী আঘাতটি এসেছিল। সেই আঘাতের ফলে বাংলাদেশে কি ঘটেছিলো সেটি আমাদের সবার জানা। তাই, ইউনিফর্মধারী বাহিনীর জন্য প্রধান বার্তাটি হলো, ‘প্রফেশনালিজম, ইউনিটি, ডিসিপ্লিন এবং চেইন অফ কমান্ড' ছাড়া সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে টিকে থাকা কঠিন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধুই অতীত চর্চা নয় বরং অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে বর্তমানে প্রতিটি রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের সামনে স্বমহিমায় নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। যারা সশস্ত্রবাহিনীতে দায়িত্ব পালন করছেন অথবা সরকারে বা জনপ্রশাসনে রয়েছেন, আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। আমরা দেশে বা বিদেশে যেখানে যে দায়িত্ব পালন করছি, সেই দায়িত্বটি যথাযথভাবে পালন করাই হোক আজকের দিনে আমাদের অঙ্গীকার।

বর্তমান বিশ্ব এক জটিল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, পরিবর্তিত ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ ও প্রযুক্তির দ্রুত বিবর্তনের ফলে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের চ্যালেঞ্জগুলো এখন অনেক বেশি বহুমুখী ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রথাগত যুদ্ধের পাশাপাশি সাইবার যুদ্ধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার, মিডিয়া অপপ্রচার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট নিরাপত্তা সংকট বিশ্বশান্তির নতুন অন্তরায়।

বাংলাদেশ সব সময় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং পারস্পরিক রাষ্ট্রীয় মর্যাদার নীতিতে বিশ্বাসী উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তাহলে আমাদের ভবিষ্যৎ মিশনগুলো হতে হবে আরও আধুনিক, দূরদর্শী এবং প্রযুক্তিনির্ভর। এমন পরিস্থিতিতে, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন অথবা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দায়িত্ব পালনের জন্য সশস্ত্র ও পুলিশ বাহিনী আধুনিক করতে সরকার পর্যায়ক্রমিকভাবে উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সংবিধানে বিশ্বশান্তি, আন্তর্জাতিক সহাবস্থান ও ন্যায়বিচারের প্রতি যে অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে, আমরা তা বজায় রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বাংলাদেশ যে কোনো আগ্রাসন ও সংঘাতের বিরুদ্ধে একটি নিরাপদ ও শান্তিময় পৃথিবী গড়ে তুলতে বহুপাক্ষিক কূটনীতি ও জাতিসংঘ সনদের প্রতি সম্পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা তাদের আন্তরিকতা, কর্তব্যবোধ এবং পেশাদারিত্বের গৌরবোজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠিত করেছে। শান্তিরক্ষা মিশনের প্রতিটি সদস্য বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বাংলাদেশের প্রতিনিধি, দেশের মান-সম্মানের বাহক। আশা করি, আগামী দিনেও যারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দায়িত্ব পালন করতে বিভিন্ন দেশে যাবেন, তারা একইভাবে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের সুনাম সমুন্নত রাখবেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধানসহ সশস্ত্রবাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী ২৯ মে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস পালিত হয়। কিন্তু এবার বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি থাকায় রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ ১০ জুন এটি পালিত হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝালকাঠিতে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি মূল্যায়ন সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৫২ পি.এম


ঝালকাঠিতে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি মূল্যায়ন সভা

ঝালকাঠিতে ইলিশ সম্পদের নিরাপত্তা, উন্নয়ন এবং টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত কার্যক্রম পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন সম্পর্কিত একটি সেমিনার আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ঝালকাঠি জেলা মৎস্য দপ্তরের আয়োজনেও এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং মৎস্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগের পরিচালকের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. আনিসুজ্জামান।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. এনামুল হকের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নীরোধ বরণ জয়ধর, ঝালকাঠি সদর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মঞ্জুরুল আলম, জেলা ক্ষুদ্র মৎস্য জেলে সমিতির সভাপতি কে এম জহিরুল ইসলামসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, মৎস্য বিভাগের কর্মচারী, মৎস্যজীবী প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজন।

সেমিনারে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় বাস্তবায়িত কার্যক্রম, অর্জন, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। জাতীয় মাছ ইলিশ দেশের অর্থনীতি, পুষ্টি ও জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত। জেলেদের সচেতনতা বৃদ্ধি, অভয়াশ্রম সংরক্ষণ, আইন প্রয়োগ এবং সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সমন্বিত উদ্যোগ জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন বলেন, ইলিশ দেশের গুরুত্বপূর্ণ মৎস্যসম্পদ। তিনি বলেন, ইলিশ সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে জাটকা রক্ষা, নিষিদ্ধ সময়ে মাছ আহরণ বন্ধ রাখতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি এ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসলামী ব্যাংকের বিষয়টি এখন রাজনৈতিক: গভর্নর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৫৩ পি.এম


ইসলামী ব্যাংকের বিষয়টি এখন রাজনৈতিক: গভর্নর

গভর্নর মোস্তাকুর রহমান জানিয়ে দিয়েছেন যে ইসলামী ব্যাংকের বিষয়টি এখন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে রয়েছে। তবে, তিনি আর্থিক খাতের স্বার্থে দ্রুত এটি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।

গত বুধবার (১০ জুন) তিনি ব্যাংকার্স সভায় এ কথা বলেন। সভার শেষে সাংবাদিকদের বিষয়টি জানান এবিবির সভাপতি মাসরুর আরেফিন।

ব্যাংকার্স সভায় এবিবির পক্ষ থেকে ইসলামী ব্যাংকের আন্দোলন নিয়ে উদ্বেগ জানানো হয়।

সবচেয়ে বড় ব্যাংকটির ক্ষেত্রে গ্রাহকের আস্থার সংকট অন্যান্য ব্যাংকেও পড়ার আশঙ্কা করছেন তারা। এই প্রেক্ষাপটে গভর্নর দ্রুত সমাধানের আশ্বাস প্রদান করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%