০২:৪৭ পি.এম
অভিভাবকদের উদ্বেগ উৎকন্ঠা দেখা যাচ্ছে হাম বিশেষায়িত আইসিইউয়ের সামনে অপেক্ষারত। নতুন আতঙ্ক হচ্ছে লাইফ সাপোর্ট। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নেয়ার পরেও যেহেতু সুস্থতা প্রাপ্ত হচ্ছে না, তাই তারা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। তবে কিছু অভিভাবকের মধ্যে অবহেলার অনুভূতি রয়েছে। কেউ প্রথমে এ বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেননি, আবার কেউ এই জটিল রোগের পরিস্থিতির পরেও টিকা নেননি।
চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, সিভিয়ার নিউমোনিয়ার কারণে অনেক শিশুর লাইফ সাপোর্ট লাগছে। এটি ফুসফুস বিকল করে দিতে পারে। অসুস্থতা ঠেকাতে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী পুষ্টিকর খাবার, ভিটামিন ও জিংক খাওয়ানোর কথাও বলা হচ্ছে।
চার মাসের আদিয়ানের জন্য মানবিক চিত্র দেখা যাচ্ছে মো মাসুদের। আদিয়ান ৯ দিন ধরে হাম নিয়ে যুদ্ধ করছে। ৮ দিন আইসোলেশন ওয়ার্ডে থাকার পর আজ তাকে আইসিইউতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রাখতে হচ্ছে লাইফ সাপোর্টেও। এই পরিস্থিতি আদিয়ানের পরিবারে এক অন্ধকার নেমে এসেছে।
আরও পড়ুন: ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক
হাসপাতালে ভর্তি অধিকাংশ শিশুর সঙ্গেও অন্যান্য শারীরিক জটিলতা রয়েছে। কেউ দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পরও যে গুরুত্ব দেয়নি, তারাই এই সংকটাপন্ন অবস্থার মুখোমুখি হয়েছে। আরও ভয়ংকর বিষয় হলো, হাম এত গুরুতর হওয়ার পরও অনেক অভিভাবক টিকা নেননি।
চিকিৎসকরা যোগ করেন, যারা আগে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছিল, তাদের মধ্যে কেউ কেউ আবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালমুখী হচ্ছেন। এর জন্য মূল কারণ হিসেবে তারা সিভিয়ার নিউমোনিয়াকে চিহ্নিত করেছেন। যা শিশুর ফুসফুসকে বিকল করে দিতে পারে।
বাড়ি ফেরার পর পুনরায় অসুস্থতা ঠেকাতে চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিকর খাবার, ভিটামিন ও জিংক খাওয়ানোর।
১৫ মার্চ থেকে দেশের পরিস্থিতি alarming হয়েছে; হাম ও উপসর্গে মৃত্যু ছাড়িয়ে গেছে ৬৩০ এবং আক্রান্ত হয়েছে ৯০ হাজার।
আরও পড়ুন: সারাদেশে হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১,৪৬৬
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন