ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আরাকান আর্মির হাতে ৩ জেলে আটক, সাগরে ঝাঁপ দিয়ে ফিরলেন দুজন


আরাকান আর্মির হাতে ৩ জেলে আটক, সাগরে ঝাঁপ দিয়ে ফিরলেন দুজন

কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদীর বঙ্গোপসাগর মোহনা থেকে তিন জেলেকে নৌকাসহ নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি।

এ সময়, নৌকা থেকে সাগরে ঝাঁপ দিয়ে এক ঘণ্টা সাঁতার কেটে ফিরে এসেছেন আরও দুই জেলে।

শনিবার দুপুরে, নাফ নদীর নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকা থেকে তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয় বলে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী জানান।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেরা হলেন- টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপের জালিয়াপাড়া এলাকার লেডা মিয়ার ছেলে জসিম উদ্দিন (৩০), মমতাজ মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ ইসমাইল (২৭) এবং মোহাম্মদ আইয়ুবের ছেলে হারুন।

সাঁতরে পালিয়ে আসা দুজন হলেন- জালিয়াপাড়া এলাকার নুর আলি ও মো. শরীফ।

শাহপরীর দ্বীপ জালিয়াপাড়া নৌঘাট কমিটির সভাপতি আব্দুল গণি বলেন, সকালে পাঁচ জেলে নাফ নদীতে মাছ ধরতে যায়। মাছ ধরে আসার সময়, মিয়ানমার সীমান্ত থেকে একটি স্পিডবোট তাদেরকে ধাওয়া করলে দুজনে সাগরে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতার কেটে বাংলাদেশের ভূখণ্ড গোলারচরে আসে। বাকি তিন জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি। এর আগে ওই এলাকা থেকে ২০-২৫ জেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আব্দুল গণি বলেন, ‘নাফ নদী ও সাগরে মাছ শিকার এখন আমাদের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সবসময় জেলেদের মাঝে আরাকান আর্মির আতঙ্ক কাজ করে। সুযোগ পেলেই তারা স্পিডবোটে এসে অস্ত্রের মুখে আমাদের ধরে নিয়ে যায়।’

আরও পড়ুন: কেন্দুয়ায় পাচারের সময় ৩২ বস্তা সার জব্দ, চালক পালিয়েছে

পালিয়ে আসা নুর আলি বলেন, ‘আরাকান আর্মি মিয়ানমারে নিয়ে বেশি নির্যাতন করে। তাই জীবন বাজি রেখে সাগরে ঝাঁপ দিয়েছি। গোলারচরে আসার পর অন্য জেলেরা আমাদের উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেয়।’

আরেক জেলে মো. শরীফ বলেন, ‘সাগর থেকে মাছ ধরে আসার সময় এক সঙ্গে ছয়-সাতটি নৌকাকে ধাওয়া করে আরাকান আর্মি। আমাদের নৌকাটি ছোট হওয়ায় স্পিডবোট নিয়ে ধাওয়া করে ধরে ফেলে।’

সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান বলেন, জালিয়াপাড়ার তিন জেলেকে আরাকান আর্মি ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি তিনি শুনেছেন। এ বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী বলেন, ‘তিন জেলেকে আরাকান আর্মি ধরে নিয়ে যাওয়ার খবরটি জানতে পেরেছি। বিষয়টি নিয়ে বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। জেলেদের ফেরত আনার বিষয়ে পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অরুণাচল নিয়ে চীনের টানাটানির মধ্যেই ভারতের নতুন পদক্ষেপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৩ পি.এম


অরুণাচল নিয়ে চীনের টানাটানির মধ্যেই ভারতের নতুন পদক্ষেপ

অরুণাচল নিয়ে ভারত এবং চীনের মধ্যে আবারও মুখোমুখি সূচনা হয়েছে। চীনের বিভিন্ন সময়ের নাম পরিবর্তনের উদ্যোগের মোকাবেলায়, এবার ভারত সরকার অরুণাচল প্রদেশের ২৭টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানকে সরকারি মানচিত্রে আনুষ্ঠানিকভাবে সংযুক্ত করেছে।

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুক্রবার (৭ আগস্ট) জানায়, অরুণাচল প্রদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে স্থানগুলোকে তাদের নির্ধারিত নামসহ সরকারি মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ইন্ডিয়া টুডে’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এসব স্থানগুলোর সঠিক শনাক্তকরণ এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিই এই উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য। ভারতীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অরুণাচল প্রদেশের ২৭টি স্থান ও ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য সার্ভে অব ইন্ডিয়ার সরকারি মানচিত্রে তাদের নামসহ চিহ্নিত করা হয়েছে।

নয়াদিল্লির এই পদক্ষেপে মূল কথা হলো চীনের নাম পরিবর্তনের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার প্রতি ভারতীয় সরকারের প্রতিরোধ। বেইজিং অরুণাচলকে 'জাংনান' নামে অভিহিত করেছে এবং নানা স্থানকে নতুন নামে তালিকাভুক্ত করার কাজ করছে। ভারত বরাবরই চীনের এই উদ্যোগগুলোকে প্রত্যাখ্যান করে এসেছে। দেশের দৃঢ় বিশ্বাস হলো, এ ধরনের নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে অরুণাচল প্রদেশের অধিকারহীনতার বাস্তবতা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

সরকারি মানচিত্রে চিহ্নিত স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বা এলএসি-সংলগ্ন লংজু। ১৯৫৯ সালে চীনা বাহিনী ওই এলাকায় প্রবেশ করার পর ভারত-চীন সীমান্ত উত্তেজনার প্রথম কেন্দ্র হয়ে ওঠে লংজু। এছাড়া, আপার সুবানসিরি জেলার কাছের মাজা গ্রামও এই তালিকায় রয়েছে।

তালিকায় আরও রয়েছে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি উচ্চ পার্বত্য গিরিপথ—জো লা, রিজা লা ও পুকুর লা—মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৯৬২ সালের ভারত-চীন যুদ্ধের অন্যতম প্রথম সংঘর্ষের স্থান থাগ লাওকেও আনুষ্ঠানিকভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

চাংলাং জেলার জয়রামপুরও তালিকায় রয়েছে। পূর্ব অরুণাচল ও মিয়ানমার সীমান্তের দিকে নিরাপত্তা বাহিনীর চলাচলের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত। নয়াদিল্লি জানিয়েছে, এসব স্থান তাদের নির্ধারিত নাম ও অবস্থানসহ সার্ভে অব ইন্ডিয়ার সরকারি মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর আগে, চীন ২০১৭ সালে অরুণাচল প্রদেশের ছয়টি স্থানের নতুন নামের প্রথম তালিকা প্রকাশ করেছিল। পরে ২০২১ সালে ১৫টি এবং ২০২৩ সালে আরও ১১টি স্থানের নাম পরিবর্তনের তালিকা প্রকাশ করা হয়।

ভারত সরকারের বক্তব্য হলো, ভারতীয় ভূখণ্ডের জন্য চীনের দেওয়া তথাকথিত কাল্পনিক নাম কোনোভাবে বাস্তব পরিস্থিতি পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে না। এ ধরনের পদক্ষেপ দুই দেশের সম্পর্কের উন্নয়ন প্রচেষ্টাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পিলারে দোতলা বাসের ধাক্কা, আহত ২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৪ পি.এম


এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পিলারে দোতলা বাসের ধাক্কা, আহত ২

রাজধানীর ফার্মগেটে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে র‍্যাম্পের পিলারের সঙ্গে বিআরটিসির একটি দোতলা বাসের ধাক্কা লেগে দুই জন আহত হয়েছেন।

এটি শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় ঘটে। ফার্মগেট মোড় ঘুরতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি পিলারের সঙ্গে ধাক্কা দিলে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার ফলে বিআরটিসির দোতলা বাসের ছাদের অংশ এবং এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ফার্মগেটে নামার র‍্যাম্পের একটি পিলারের অংশ সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছিলেন, অন্য যানবাহনকে ওভারটেক করতে গিয়ে বাসটি পিলারের গা ঘেঁষে যাওয়ার সময় ছাদের অংশ পিলারে ধাক্কা লাগে। এর ফলে বাসটির দ্বিতীয় তলায় যারা ছিলেন, তাদের মধ্যে দুজন আহত হন।

দুর্ঘটনার পর দ্রুত সময়ের মধ্যে ট্রাফিক পুলিশ বিষয়টি সামলানোর জন্য সেখানে পৌঁছে বাসটিকে সরিয়ে ফেলায় যানচলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কমলনগরে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে মানববন্ধন, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শোরাফ উদ্দিন, রামগতি-কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৮ পি.এম


কমলনগরে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে মানববন্ধন, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

মাদক ও জুয়া থেকে মুক্ত একটি সমাজ গড়ার দাবিতে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চর কাদিরা ইউনিয়নে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (তারিখ) বিকেল ৫টার দিকে চর কাদিরা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চর বসু পোলসংলগ্ন আছিয়া বাপের সমাজ এলাকায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। গ্রীন বয়েজ স্পোর্টিং ক্লাব অ্যান্ড হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশন ও স্থানীয় এলাকাবাসী যৌথভাবে কর্মসূচির আয়োজন করে।

বিকেল ৫টা বৈঠকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন আয়োজক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। এই মিছিলটি এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে আছিয়া বাপের সমাজ এলাকায় এসে শেষ হয়। পরে সেখানে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, মাদক ও জুয়া একটি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য ভয়াবহ ক্ষতির কারণ। বিশেষ করে, মাদকের বিস্তার তরুণদের বিপথগামী করছে। এর ফলে পারিবারিক অশান্তি, সামাজিক অবক্ষয় ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বাড়ছে।

তাই মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন। বক্তারা আরও বলেন, চর কাদিরা ইউনিয়নসহ পুরো কমলনগর উপজেলাকে মাদক ও জুয়ার ভয়াবহতা থেকে মুক্ত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

একসঙ্গে, মাদক ও জুয়ার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।

প্রতিবাদ সমাবেশে চর কাদিরা আলোর কাফেলার সভাপতি মো. রেদোয়ান হোসেন, চর কাদিরা ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আকবার হোসেন আরজু হাওলাদার, মাওলানা মোহাম্মদ মোহন, চর ঠিকা মোহাম্মদীয়া মাদ্রাসার শিক্ষক ও ইমাম মুফতি মুজাম্মেল হকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাওলানা হারুন আর রশিদ। কর্মসূচির শেষে এলাকার শান্তি, সমৃদ্ধি এবং দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা কারী আনোয়ার হোসেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম সফর উপলক্ষে নিরাপত্তা পরিকল্পনায় নিয়োজিত অফিসার-ফোর্সদের ব্রিফিং অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সাকিব চৌধুরী চট্টগ্রাম

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০০ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম সফর উপলক্ষে নিরাপত্তা পরিকল্পনায় নিয়োজিত অফিসার-ফোর্সদের ব্রিফিং অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি থানা এলাকার বিভিন্ন ভেন্যু পরিদর্শন উপলক্ষে গৃহীত সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নিয়োজিত অফিসার-ফোর্সদের উদ্দেশ্যে পৃথকভাবে ব্রিফিং প্রদান করেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার জনাব মো. মাসুদ আলম, বিপিএম মহোদয় এবং জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে হাটহাজারী থানাধীন পার্বতী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, ফটিকছড়ি এলাকার ফটিকছড়ি সরকারি কলেজ এবং বাঁশখালী এলাকার আব্দুর রশিদ কমিউনিটি সেন্টার, নির্ধারিত তিনটি ভেন্যুতে নিরাপত্তা দায়িত্বে নিয়োজিত অফিসার-ফোর্সদের জন্য পৃথক ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।

ব্রিফিংকালে পুলিশ সুপার মহোদয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সফরকে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্ন রাখতে গৃহীত নিরাপত্তা পরিকল্পনার যথাযথ বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল অফিসার-ফোর্সকে সর্বোচ্চ সতর্কতা, পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা, নিষ্ঠা ও পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে অর্পিত দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন।

এদিকে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে তিনটি ভেন্যু ও আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে ভেন্যুগুলোতে প্রাণবন্ত পরিবেশ বিরাজ করে। এ সময়, পুলিশ সুপার মহোদয় নির্ধারিত ভেন্যু পরিদর্শন করেন এবং উপস্থিত সাধারণ জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ সফরকে ঘিরে, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সতর্কতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনবান্ধব ও সেবামূলক পরিবেশ বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%