ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুই বছরে ১৬৭৯ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইন করেছে আসাম


দুই বছরে ১৬৭৯ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইন করেছে আসাম

ভারতের আসাম রাজ্য সরকার গত দুই বছরে ১ হাজার ৬৭৯ জনকে বাংলাদেশে ‘পুশ ইন’ বা জোর করে ঠেলে পাঠিয়েছে। এর মধ্যে আসামের ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল (এফটি) কর্তৃক ‘বিদেশি’ ঘোষিত ১৯৩ জন নাগরিকও রয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ের মধ্যে এসব ব্যক্তিকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে। আসাম সরকারের পক্ষ থেকে রাজ্য বিধানসভায় দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক তথ্যের ভিত্তিতে এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়েছে। অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্টের (এআইইউডিএফ) বিধায়ক বদরুদ্দিন আজমলের এক প্রশ্নের জবাবে আসামের মুখ্যমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বিধানসভায় এই তথ্য জানান।

আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে

আসাম সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে পাঠানো ১ হাজার ৬৭৯ জনকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে একদলকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ডিপোর্ট’ করা হয়েছে, একদলকে ‘সেন্ট ব্যাক’ হিসেবে ফেরত পাঠানো হয়েছে এবং অন্য দলটিকে ‘এক্সপেলড’ বা বহিষ্কার করা হয়েছে। এই ব্যক্তিদের মধ্যে ১৯২ জনকে আসামের ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল ‘বিদেশি’ হিসেবে ঘোষণা করেছিল। এ ছাড়া মরিয়ম বেগম নামের এক শিশুকন্যাকেও তার মায়ের সঙ্গে সীমান্তের ওপারে পাঠানো হয়েছে, যার মা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক ঘোষিত বিদেশি ছিলেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালের মে মাস থেকে আসাম সরকার ঘোষিত বিদেশিদের ‘পুশ ব্যাক’ বা জোর করে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে পাঠানোর নীতি গ্রহণ করে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক আলোচনা বা সমন্বয় করা হয়নি। এরপর ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে দীর্ঘদিন অকার্যকর থাকা ইমিগ্র্যান্টস (এক্সপালশন ফ্রম আসাম) অ্যাক্ট–১৯৫০ পুনরুজ্জীবিত করার ঘোষণা দেয় আসাম সরকার। পরে এ বিষয়ে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) তৈরি করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই বিতর্কিত আইনটি প্রয়োগ করা হয়।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই আইনের আওতায় বহিষ্কার করে বাংলাদেশে পাঠানো ৬৭ জন ঘোষিত বিদেশির মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৯ জন মধ্য আসামের নগাঁও জেলার বাসিন্দা। এ ছাড়া পশ্চিম আসামের কোকরাঝাড় থেকে ১৬ জন, বারপেতা থেকে সাতজন, চিরাং ও কার্বি আংলং থেকে চারজন করে, ডিমা হাসাও ও হোজাই থেকে তিনজন করে, কামরূপ (গ্রামীণ) ও ধুবড়ি থেকে দুজন করে এবং আরও কয়েকটি জেলা থেকে একজন করে ব্যক্তিকে পাঠানো হয়েছে। বাকি ১২৬ জন ঘোষিত বিদেশিকে ‘রিপ্যাট্রিয়েটেড’ বা ‘সেন্ট ব্যাক’ শ্রেণিতে রাখা হয়েছে।

এদিকে বিধায়ক বদরুদ্দিন আজমল জানতে চেয়েছিলেন, বাংলাদেশে পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে কতজন গুয়াহাটি হাইকোর্ট বা সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেছিলেন। জবাবে আসাম সরকার জানিয়েছে, উচ্চ আদালতে কোনো আপিল বিচারাধীন থাকলে কোনো চিহ্নিত অভিবাসীকে প্রত্যাবাসন করা হয় না। তবে যাদের ইতিমধ্যে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে, তাদের কেউ আগে হাইকোর্ট বা সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেছিলেন কি না, সে বিষয়ে সরকারের কাছে কোনো তথ্য নেই।

আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৭৭.৭ শতাংশ, ১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ

এর আগে সোমবার (১৩ জুলাই) ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন। বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ গুয়াহাটি হাইকোর্টের ২৭টি রায় বাতিল করেন। ওই রায়গুলোতে ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালের এমন সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছিল, যেখানে আবেদনকারীদের অনুপস্থিতিতেই একতরফা বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাঁদের বিদেশি ঘোষণা করা হয়েছিল।

সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছেন, নাগরিকত্ব নির্ধারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক বিষয় অবশ্যই ন্যায্য, আইনসম্মত ও যুক্তিসঙ্গত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে হবে। আদালত এই ২৭টি মামলাই সংশ্লিষ্ট ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে পুনর্বিচারের জন্য ফেরত পাঠিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে তিন দফা দাবিতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৫ পি.এম


চট্টগ্রামে তিন দফা দাবিতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, যেখানে তারা সড়ক অবরোধ করে তিন দফা দাবিতে আন্দোলন করেছেন। এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বাতিল করার, ১২ ও ১৩ জুলাইয়ের প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করা শিক্ষার্থীদের জন্য পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা এবং বৃষ্টিতে নষ্ট বা হারিয়ে যাওয়া প্রবেশপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দ্রুত সরবরাহের দাবিতে তারা এই কর্মসূচি পালন করেছেন।

মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে নগরের ষোলশহর এলাকায় চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সামনে বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা মিলিত হন এবং সড়ক অবরোধ করেন। এর পর বিকেল তিনটায় আন্দোলনের সমাপ্তি ঘোষণা করে তারা সড়ক ছেড়ে চলে যান।

পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহেদুল ইসলাম বলেন, শিক্ষাবোর্ডের সামনে কিছু শিক্ষার্থী বিভিন্ন দাবি নিয়ে অবস্থান নিয়েছিল। পরে তাদের সঙ্গে আলোচনা করে সড়ক থেকে সরে যেতে বলা হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী নুরুল আমিন জানিয়েছেন, বর্তমানে চলমান বন্যা, জলাবদ্ধতা ও যোগাযোগ সংকটের কারণে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছানো নিরাপদ হচ্ছে না। এজন্য সকলের জন্য সমান সুযোগ দিতে পরীক্ষা স্থগিত করা প্রয়োজন বলে তারা মনে করেন।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন যে, প্রতিকূল পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য জানা সত্ত্বেও তাদের প্রতি অত্যাচার করা হচ্ছে। তারা একসঙ্গে দাবি জানাচ্ছেন যে, সারাদেশে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা গ্রহণ করার পাশাপাশি কোনো নির্দিষ্ট এলাকার জন্য ভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাবির আইবিএ ও বেক্সিমকো ফার্মার মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৬ পি.এম


ঢাবির আইবিএ ও বেক্সিমকো ফার্মার মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) এবং বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। শীর্ষক একটি এক্সিকিউটিভ প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামের লক্ষ্যে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এই স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।

নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর পরিচালক অধ্যাপক ড. আবু ইউসুফ মো. আব্দুল্লাহ এবং বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের প্রধান অপারেটিং কর্মকর্তা রাব্বুর রেজা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা জানিয়েছেন, শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগ দেশের ওষুধশিল্প খাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের জন্য এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় আইবিএ ওই প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম পরিচালনা করবে।

ওষুধ শিল্পে কর্মরত কর্মকর্তাদের ব্যবসায় প্রশাসন, নেতৃত্ব, ব্যবস্থাপনা ও ফার্মাসিউটিক্যাল বিজনেস বিষয়ে আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পেশাগত সক্ষমতা উন্নয়নই এই প্রোগ্রামের মূল লক্ষ্য।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিটির প্রতিটি ব্যাচের মেয়াদ হবে প্রায় ছয় মাস, যেখানে ৪০টি সেশনের মাধ্যমে মোট প্রায় ১২০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে দুই বছর মেয়াদে মোট চারটি ব্যাচ পরিচালিত হবে এবং প্রতিটি ব্যাচে সর্বোচ্চ ৪০ থেকে ৪৫ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করবেন।

প্রশিক্ষণে আইবিএর শিক্ষক ও শিল্পখাতের অভিজ্ঞ জ্যেষ্ঠ নির্বাহীরা রিসোর্স পারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

লেকচার, কেস স্টাডি, গ্রুপ এক্সারসাইজ, কর্মশালা ও উপস্থাপনার মাধ্যমে এই প্রশিক্ষণ পরিচালিত হবে। সফলভাবে কোর্স সম্পন্নকারীদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে সনদপত্র প্রদান করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানে ভারী বৃষ্টিতে ছাদের ধস, নারীসহ ১০ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৯ পি.এম


পাকিস্তানে ভারী বৃষ্টিতে ছাদের ধস, নারীসহ ১০ জনের মৃত্যু

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখтунখাওয়া প্রদেশে যখন ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছিল, তখন একটি বাড়ির ছাদ ধসের ঘটনায় নারীসহ অন্তত ১০ জন মারা গেছেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দেশটির প্রাদেশিক সরকারের বরাত দিয়ে এই ঘটনা জানানো হয়েছে। খবরটি এসেছে আরব নিউজের মাধ্যমে।

প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ জানায়, খাইবার পাখতুনখাওয়ার কোহাত জেলার লাচি তহসিলের মালাগিন এলাকায় গত রাতের তীব্র বর্ষণের একপর্যায়ে একটি বাড়ির ছাদ ধসে পড়ে। ঘটনার পরেই উদ্ধারকর্মীরা দ্রুতভাবে ধ্বংসস্তূপের নীচ থেকে হতাহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠান।

খাইবার পাখতুনখাওয়ার তথ্যমন্ত্রী শফি জানান, ‘একটি অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনায় নারীসহ ১০ জনের প্রাণহানির ঘটনাটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক।’ তিনি আরো জানান, দেশটির উদ্ধারকারী সংস্থা ‘রেসকিউ ১১২২’-এর কর্মীরা অত্যন্ত দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেছেন। আহত ব্যক্তিরা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে প্রাদেশিক সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়।

পাকিস্তানে বার্ষিক মৌসুমি জলবায়ুর প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা প্রদেশগুলোর মধ্যে একটি হলো খাইবার পাখতুনখাওয়া। এই অঞ্চলের গ্রামীণ মানুষদের একটি বড় অংশ এখনো কাদামাটি ও পুরনো ভাঙাচোরা ইটের তৈরি জরাজীর্ণ বাড়িতে বসবাস করেন। দীর্ঘস্থায়ী বৃষ্টির সময় এসব বাড়ি সহজেই ধসে পড়ে। এছাড়া, এখানে পাহাড়ি এলাকা হওয়ার কারণে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকিও অনেক বেশি।

পাকিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিএমএ) তথ্য অনুযায়ী, গত ২৬ জুন থেকে শুরু হওয়া মৌসুমের বৃষ্টি এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দুর্ঘটনায়, দেশজুড়ে এখন পর্যন্ত ২৬ জনের মৃত্যুও হয়েছে এবং ৯১ জন আহত হয়েছেন।

সরকারি এই পরিসংখ্যান আরও জানানোর পাশাপাশি, এবারের মৌসুমের বৃষ্টির মধ্যে আবহাওয়া-সংশ্লিষ্ট মৃত্যুর প্রায় অর্ধেক ঘটনাই ঘটেছে ঘরবাড়ি ধসের কারণে। চলমান এই দুর্যোগের মধ্যে খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে ইতিমধ্যে ৭৫টি বাড়ি আংশিক বা সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এর মধ্যে ২৮টি বাড়ি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যার উন্নতি পাঁচ জেলায়, রংপুরে পরিস্থিতি নিয়ে সতর্কতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০১ পি.এম


বন্যার উন্নতি পাঁচ জেলায়, রংপুরে পরিস্থিতি নিয়ে সতর্কতা

দেশের পাঁচটি জেলায় চলমান বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে বলে জানিয়েছে বন্যা তথ্য কেন্দ্র। একই সঙ্গে রংপুর বিভাগে তিনটি জেলায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে থাকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

আজ মঙ্গলবার, বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী (দায়িত্বরত কর্মকর্তা) নুসরাত জাহান জেরিন স্বাক্ষরিত ‘বৃষ্টিপাত ও নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাস'-এ এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বন্যার পূর্বাভাসে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সিলেট, সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনা জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থেকে ধীরে ধীরে উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে উত্তরাঞ্চলীয় নীলফামারী ও লালমনিরহাট জেলার তিস্তা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।

তবে রংপুর বিভাগের কয়েকটি জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা রয়েছে।

আজকের বন্যা সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে যে, রংপুর জেলায় তিস্তা নদীর কাউনিয়া স্টেশনে সাময়িকভাবে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এ কারণে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির উদ্ভব হতে পারে।

এ ছাড়া গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলায় তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীসমূহ সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। এ কারণে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

বিপৎসীমার ওপরে নদ-নদীর পানি দেশের নদ-নদীর পাঁচটি স্টেশনে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, তিস্তা নদীর ডালিয়া (নীলফামারী); সুরমা নদীর ছাতক (সুনামগঞ্জ); কুশিয়ারা নদীর মারকুলি (সুনামগঞ্জ); ফেঞ্চুগঞ্জ (সিলেট) এবং সোমেশ্বরী নদীর কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) স্টেশনে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাসে বন্যা তথ্য কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী ৭২ ঘণ্টায় দেশের অভ্যন্তরে এবং উজানে ভারতের আসাম, মেঘালয়, অরুনাচল এবং পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশে মাঝারি থেকে মাঝারি-ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।

এদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তর মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উত্তরাংশে সক্রিয় এবং দেশের অন্যত্র মোটামুটি সক্রিয় ও উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় বিরাজমান রয়েছে। এমন অবস্থায় দেশের সব বিভাগে আগামী ২৪ ঘণ্টায় বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া কোথাও ভারি বর্ষণ হওয়ার আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সেই সঙ্গে দেশজুড়ে তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি।

এখন পর্যন্ত বন্যা আক্রান্ত ৮ জেলায় ৫৪ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এক সংবাদ সম্মেলনে আজ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৬ লাখের বেশি মানুষ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%