ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

চসিকের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৮২টি খেলার মাঠ গড়ার উদ্যোগ : প্রশাসক


চসিকের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৮২টি খেলার মাঠ গড়ার উদ্যোগ : প্রশাসক

চট্টগ্রাম নগরীতে খেলাধুলার পরিবেশ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাংয়ের মতো সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রাখার উদ্দেশ্যে ৪১টি ওয়ার্ডে ৪১টি খেলার মাঠ গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। চসিক প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন ভবিষ্যতে পর্যায়ক্রমে মাঠের সংখ্যা বাড়িয়ে ৮২টিতে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেছেন।

শনিবার (৭ নভেম্বর) নগরীর আগ্রাবাদ জাম্বুরি মাঠ ও কয়েকটি সড়কের উন্নয়ন এবং সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

চসিক প্রশাসক বলেন, ‘চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৪১টি ওয়ার্ডে ৪১টি খেলার মাঠ গড়ে তোলার যে উদ্যোগ নিয়েছি, সেটি বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। ইতোমধ্যে ১১টি খেলার মাঠ প্রস্তুত হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও মাঠ গড়ে তুলে এই সংখ্যা ৮২টিতে উন্নীত করতে চাই।’

আরও পড়ুন: ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বড় সুখবর দিল বিআরটিএ

ডা. শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, ‘আমরা মাদক চাই না, সন্ত্রাস চাই না, চাঁদাবাজি চাই না, কিশোর গ্যাং চাই না। শুধু মুখে এসবের বিরুদ্ধে কথা বললে হবে না। তরুণদের জন্য খেলাধুলার উপকরণ ও বিনোদনের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে দিতে হবে।’

তিনি উল্লেখ করেন, তরুণদের জন্য মাঠ ও খেলাধুলার সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে তারা অপরাধের পথ ছেড়ে সুস্থ ও সুন্দর জীবনের দিকে এগিয়ে আসবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিসেম্বরে দেশে আসার সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৪ পি.এম


ডিসেম্বরে দেশে আসার সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম মন্তব্য করেছেন, ‘ডিসেম্বরে কোনো আপার এ দেশে আসার সুযোগ নেই, আমরা প্রস্তুত আছি।’

তিনি শনিবার দুপুরে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে শিক্ষার্থীদের ভাবনা কার্যক্রমের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘আগামী ডিসেম্বর মাসে মনে হয় কেউ দেশে আসতে চাচ্ছে। আপনারা কি প্রস্তুত আছেন? জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে যেভাবে প্রস্তুত ছিলাম, এবারও কি সেভাবে প্রস্তুত আছি? এবার কি আগের চেয়ে বেশি হবে না কম হবে?’

তিনি উল্লেখ করেন, ‘আগেরবার আমরা অনেক উদারতা দেখিয়েছি। আমরা ক্ষমা করে দিয়েছিলাম। আমরা বলেছিলাম, ওসমান হাদির ভাষায়, শত্রুর প্রতি আমরা ইনসাফ করব, ন্যায়বিচার করব। কিন্তু গত দুই বছরে আমরা কোনো বিচার পাইনি। আমরা ওসমান হাদি হত্যার বিচার পাইনি। জুলাইয়ে আমাদের যেসব ভাই-বোন শহীদ হয়েছেন, তাঁদের হত্যারও বিচার পাইনি।’

নাহিদ ইসলাম বলেন, বিচার না পেলে জনগণ নিজেরাই প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। তিনি বলেন, ‘মানুষ যদি ন্যায়বিচার না পায়, তখন জনগণ নিজেই প্রতিরোধ শুরু করে। ডিসেম্বর আমাদের প্রতিরোধের মাস, আমাদের বিজয়ের মাস। একাত্তরে বিজয় লাভ করেছি, চব্বিশেও বিজয় লাভ করেছি। ২০২৬ সালেও বিজয় লাভ করব ইনশাআল্লাহ। আগামী সব ডিসেম্বরেই বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা বিজয় লাভ করবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়জীবন শুধুমাত্র ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার গঠনের সময় নয়, বরং দেশ ও সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালনের সময়ও। বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসন, পরিবহন ও শ্রেণিকক্ষ সংকট নিরসনে রাষ্ট্র ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দায়িত্ব নিতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতেও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা রাখতে হবে।

তিনি বলেন, বিগত সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে র‌্যাগিং, ছাত্র নির্যাতন, গেস্টরুম ও গণরুম সংস্কৃতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ওপর নিপীড়ন চালানো হয়েছে। এসবের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও স্বাধীনতা রক্ষা করতে হবে।

ছাত্রসংগঠনগুলোর ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শুধুমাত্র নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল ও উপহার দিয়ে মন জয় করাই ছাত্রসংগঠনের কাজ নয়। শিক্ষার্থীদের আবাসন, পরিবহন ও শ্রেণিকক্ষ সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে আন্দোলন করা এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করাই প্রকৃত ছাত্ররাজনীতির দায়িত্ব।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ গঠন, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, আধিপত্যবাদ প্রতিরোধ এবং গণতন্ত্র নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। শিক্ষার্থীদের যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে জাতীয় ছাত্রশক্তির নোবিপ্রবি শাখার আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মহারাষ্ট্রে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে শেখ পদবিধারীদের নামের সংখ্যা সর্বাধিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৪ পি.এম


মহারাষ্ট্রে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে শেখ পদবিধারীদের নামের সংখ্যা সর্বাধিক

ভারতের মহারাষ্ট্রে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় ‘শেখ’ পদবিধারী ভোটারদের নাম সবচেয়ে বেশি বাদ পড়েছে। রাজ্যটির ভোটার তালিকা থেকে এই পদবির ৭ লাখ ৫৩ হাজার ৯৭৮ জনের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। সাবার ইনস্টিটিউটের প্রাথমিক বিশ্লেষণে এই তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাদ পড়া ভোটারদের মধ্যে মুসলিম নামধারীদের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি। রাজ্যজুড়ে মোট ২ কোটি ৬ লাখ ৮০ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। তাদের মধ্যে ৩০ লাখ ২০ হাজার ১৭৩ জন মুসলিম নামধারী, যা বাদ পড়া মোট ভোটারের ১৪ দশমিক ৬ শতাংশ।

অন্যদিকে, আদমশুমারির তথ্য অনুযায়ী, মহারাষ্ট্রের মোট জনসংখ্যায় মুসলিমদের আনুমানিক হার ১২ দশমিক ১ শতাংশ। অর্থাৎ, জনসংখ্যার তুলনায় ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়াদের মধ্যে মুসলিম নামধারীদের হার বেশি দেখা যাচ্ছে।

মুম্বাইয়ে এই ব্যবধান আরও বেশি। সেখানে বাদ পড়া ভোটারদের ২১ দশমিক ৩ শতাংশ মুসলিম নামধারী। মহারাষ্ট্রের অন্যান্য অংশে এ হার ১৩ দশমিক ২ শতাংশ।

পদবিভিত্তিক তালিকায় শেখের পর পাটিল পদবির ভোটারদের নাম বাদ পড়েছে ৪ লাখ ৮৩ হাজার ৫২৬ জন। এছাড়া, খান পদবির ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৬৪৯, যাদব পদবির ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৭৯৬ এবং পাওয়ার পদবির ২ লাখ ৭৪ হাজার ৬০৭ জন ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাদ পড়া শেখ পদবিধারীদের ৮৮ শতাংশের ক্ষেত্রে মৃত্যুর কারণ উল্লেখ করা হয়নি। বরং তাদের স্থায়ীভাবে অন্যত্র চলে যাওয়া, অনুপস্থিত থাকা বা খুঁজে না পাওয়া এবং আগে থেকেই অন্যত্র ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত থাকার মতো কারণ উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদ পড়া শেখ পদবিধারীদের মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ মুম্বাইয়ের বাসিন্দা। তাদের মধ্যে ৪৭ শতাংশ নারী। মহারাষ্ট্রের ২৮৮টি বিধানসভা কেন্দ্রেই এই পদবির ভোটারদের নাম বাদ পড়েছে। সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছে মুম্বরা-কালওয়া কেন্দ্রে।

তবে সাবার ইনস্টিটিউট সতর্ক করে বলেছে, শুধুমাত্র পদবির তালিকা দেখে ধর্মীয় বা বর্ণভিত্তিক লক্ষ্যবস্তু করার প্রমাণ হিসেবে বিষয়টিকে বিবেচনা করা যাবে না। এই তালিকা মূলত বাদ পড়া ভোটারদের মধ্যে কোন পদবি কত বেশি প্রচলিত, তা তুলে ধরে; নির্দিষ্ট কোনো সম্প্রদায়ের মোট ভোটারের কত অংশ বাদ পড়েছেন, তা নয়।

মুসলিম নামধারী ভোটারদের বিষয়ে ইনস্টিটিউটের পৃথক বিশ্লেষণে তালিকা থেকে বাদ পড়াদের মধ্যে তাদের সামগ্রিক উপস্থিতির চিত্র উঠে এসেছে।

সূত্র: মাকতুব মিডিয়া

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোলা চরফ্যাশনের ১১ নং রসুলপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় মোঃ কামরুজ্জামান শাহীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এইচ এম নোমান চরফ্যাশন

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১০ পি.এম


ভোলা চরফ্যাশনের ১১ নং রসুলপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় মোঃ কামরুজ্জামান শাহীন

 

দীর্ঘ ৩৫ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, জনসেবা ও এলাকার উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয়

ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার ১১ নং রসুলপুর ইউনিয়নে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মোঃ কামরুজ্জামান শাহীন।

শশীভূষণ অঞ্চলে স্থানীয় নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা ও বিকাশে ভূমিকা রাখা এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের রয়েছে দীর্ঘ ৩৫ বছরের রাজনৈতিক পথচলা। রাজনৈতিক জীবনে তাঁকে বিভিন্ন মামলা, হামলা, নির্যাতন ও নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। তারপরও রাজনৈতিক আদর্শ, ধৈর্য ও মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় নিয়ে তাঁর পথচলা অব্যাহত রয়েছে।

দলের দুর্দিনের একজন নেতা ও পেশাদার সাংবাদিক

মোঃ কামরুজ্জামান শাহীন শুধু একজন রাজনৈতিক কর্মী নন, তিনি একজন পেশাদার সাংবাদিক। এই কথাটা তিনি নিজের লেখায় কখনো উল্লেখ করেননি, কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী।

যে সময় দলের কঠিন সময় ছিল, যখন পুরো জেলায় বিএনপির নির্যাতিত নেতাকর্মীদের পাশে কেউ দাঁড়াতে সাহস পেত না, যখন দলের কোনো প্রোগ্রামের খবর ছাপতে কোনো সাংবাদিক কলম ধরতো না, সেই কঠিন সময়ে তিনি তার কলমের মাধ্যমে দলের সকল প্রোগ্রামের খবর, নির্যাতিত নেতাকর্মীদের তথ্য তুলে ধরেছেন।

তিনি ছিলেন দলের দুর্দিনের কলম-সৈনিক। আজ যারা দলের কাছে অনেক প্রিয়, সেই সময় তারা কেউ ছিলেন না। তাই আশা করি, দল তার এই ত্যাগ, সাহস আর সাংবাদিকতার মূল্যায়ন করবে এবং তাকে নমিনেশন দিয়ে সম্মানিত করবে।

আগামী নির্বাচনে বিএনপির পক্ষ থেকে শেষ পর্যন্ত কাকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যায়নি। তবে মোঃ কামরুজ্জামান শাহীন দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। তাঁর প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, ত্যাগ, সাংগঠনিক ভূমিকা ও এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বিবেচনা করে দল তাঁকে মনোনয়ন দেবে।

চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে যেসব বিষয়ে গুরুত্ব দিতে চান

মোঃ কামরুজ্জামান শাহীন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ১১ নং রসুলপুর ইউনিয়নকে একটি শান্তিপূর্ণ, আধুনিক, উন্নত ও জনবান্ধব ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

তাঁর পরিকল্পনা ও অঙ্গীকারের মধ্যে রয়েছে—

১. দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও অবৈধ দখলদারির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা।

২. সালিশ-বাণিজ্য বন্ধ করে নিরপেক্ষ ও ন্যায়ভিত্তিক বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় কাজ করা।

৩. সাধারণ মানুষকে হয়রানি, জুলুম, অন্যায় ও প্রভাবশালীদের দৌরাত্ম্য থেকে রক্ষায় ভূমিকা রাখা।

৪. ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন করা।

৫. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করা।

৬. মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে কাজ করা।

৭. দরিদ্র, অসহায়, বিধবা, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সরকারি সহায়তা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

৮. স্বাস্থ্যসেবা ও জরুরি চিকিৎসা সহায়তা সহজলভ্য করার উদ্যোগ নেওয়া।

৯. যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রেখে খেলাধুলা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা।

১০. ইউনিয়নের খাল, জলাশয় ও সরকারি সম্পত্তি অবৈধ দখলমুক্ত রাখতে উদ্যোগ নেওয়া।

১১. জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ ইউনিয়ন পরিষদের সেবায় হয়রানি ও অনিয়ম বন্ধে কাজ করা।

১২. গ্রাম্য বিরোধ ও পারিবারিক সমস্যায় নিরপেক্ষভাবে ন্যায়সংগত সমাধানে সহযোগিতা করা।

১৩. নারী, শিশু ও অসহায় মানুষের নিরাপত্তা এবং মর্যাদা রক্ষায় সচেষ্ট থাকা।

১৪. দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের জন্য সমান অধিকার ও সেবার পরিবেশ নিশ্চিত করা।

মানুষের প্রত্যাশা, উন্নয়নের স্বপ্ন

একটি ইউনিয়নের প্রকৃত উন্নয়ন শুধু রাস্তাঘাট নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং মানুষের নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার, শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করাও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

মোঃ কামরুজ্জামান শাহীন মনে করেন, জনপ্রতিনিধি হওয়ার মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মানুষের সেবা করা, মানুষের অধিকার রক্ষা করা এবং এলাকার সমস্যা সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করা।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি রসুলপুর ইউনিয়নের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চান। তবে দলীয় মনোনয়নের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিএনপির নীতিনির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট নেতৃত্বের ওপর নির্ভর করছে।

এখন দেখার বিষয়, আগামী নির্বাচনে বিএনপি কাকে দলীয় মনোনয়ন দেয় এবং ১১ নম্বর রসুলপুর ইউনিয়নের মানুষ তাঁদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব হিসেবে কাকে বেছে নেন।

মোঃ কামরুজ্জামান শাহীনের প্রত্যাশা জনগণের ভালোবাসা, দলের সমর্থন এবং সকলের সহযোগিতা নিয়ে একটি দুর্নীতিমুক্ত, মাদকমুক্ত, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত রসুলপুর ইউনিয়ন গড়ে তোলা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় চেতনা ও দেশপ্রেম জাগ্রত করতে হবে নতুন প্রজন্মের মাঝে -প্রবীর কুমার বিশ্বাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কবির হোসেন, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:১২ পি.এম


জাতীয় চেতনা ও দেশপ্রেম জাগ্রত করতে হবে নতুন প্রজন্মের মাঝে -প্রবীর কুমার বিশ্বাস

জাতীয় জীবনে ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব অপরিসীম। নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম, জাতীয় চেতনা ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত করতে জাতীয় দিবসগুলোর প্রকৃত তাৎপর্য তুলে ধরতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা সরকারি ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রবীর কুমার বিশ্বাস।

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা সরকারি ডিগ্রি কলেজে আলোচনা সভা, রচনা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে কলেজের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি আরও বলেন, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও ঐক্য বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। ঐক্যবদ্ধ থাকলে যেকোনো সংকট ও প্রতিকূলতা সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মোকাবিলা করা সম্ভব। আমাদের জাতীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য ও স্বাধীনতার চেতনার সঙ্গে ঐক্য ও সংহতির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, মেধা ও মনন বিকাশের পাশাপাশি দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। তিনি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান এবং ভবিষ্যতে আরও বেশি শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আলমগীর হাসান।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল সালাম, প্রভাষক বিষ্ণুপদ মণ্ডল, আব্দুর রশিদ খান এবং শিক্ষক পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক প্রভাষক মোরাদ হোসেন তালুকদার প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে শিক্ষক পরিষদের কোষাধ্যক্ষ জেনারুল ইসলাম, সদস্য মো. মুকুলসহ কলেজের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভা শেষে রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%