মোঃ শরীফ উদ্দিন (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
০৯:১৫ পি.এম
অবশেষে দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের সাংবাদিক ও বাংলাদেশ প্রেসক্লাব নাসিরনগর শাখার আহ্বায়ক সাংবাদিক নিহারেন্দু চক্রবর্তী।
নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে তিনি স্ত্রীকে সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। তিনি জানান, তাঁর সহধর্মিণীর নাম সুমা চক্রবর্তী। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর এলাকার বাসিন্দা মতিলাল চক্রবর্তীর কন্যা। বর্তমানে তাঁদের পরিবার নরসিংদীতে বসবাস করছেন।
সাংবাদিক নিহারেন্দু চক্রবর্তী জানান, গত ৬ জুলাই ২০২৬ নরসিংদীতে পারিবারিকভাবে তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। পরিবারের বাস্তবতা, মায়ের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা এবং আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে বিয়ের অনুষ্ঠান একেবারেই নীরবে সম্পন্ন করতে হয়েছে।
স্ট্যাটাসে তিনি আরও লেখেন, বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে তাঁর মা একাই সংসারের সব দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বয়স, শারীরিক অসুস্থতা এবং মানসিক কষ্ট সত্ত্বেও তিনি পরিবারের সব কাজ করে যাচ্ছেন। মায়ের এই কষ্ট দেখে অপরাধবোধ থেকেই তিনি সংসারের দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং একজন সাধারণ, সাদাসিধে মেয়েকে জীবনসঙ্গিনী হিসেবে বেছে নেন।
তিনি বলেন, স্বপ্ন ছিল ঘটা করে বিয়ে করবেন, বন্ধু, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। কিন্তু সময়, পারিবারিক পরিস্থিতি ও অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে বিয়ের গেট, গায়ে হলুদ, বরযাত্রী, বৌভাত কিংবা অন্য কোনো আনুষ্ঠানিক আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। এমনকি অনেক ঘনিষ্ঠ মানুষকেও বিষয়টি জানাতে পারেননি।
এ কারণে তিনি সবার কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করে ভবিষ্যতে সামর্থ্য হলে একটি বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
স্ট্যাটাসের শেষাংশে সাংবাদিক নিহারেন্দু চক্রবর্তী লিখেছেন, যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং আনন্দের খবরটি ছড়িয়ে দিয়েছেন, তাঁদের প্রতি তিনি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন। পাশাপাশি তিনি নিজের ও তাঁর সহধর্মিণীর জন্য সকলের দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করেছেন, যেন তাঁদের নতুন দাম্পত্য জীবন সুখী, সুন্দর ও কল্যাণময় হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী স্বাস্থ্য খাতের টেকসই রূপান্তর এবং নাগরিকদের জন্য সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারের এবং বেসরকারি খাতের কার্যকর সমন্বয়ের পাশাপাশি উদ্যোক্তাবৃত্তির (এন্টারপ্রেনারশিপ) ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
আজ রাজধানী ঢাকার একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘পাথওয়েজ টু হেলথ এন্টারপ্রেনারশিপ ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি বিশেষ অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায়) ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। স্বাস্থ্য খাতের সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অংশীজনরা অনুষ্ঠানে যোগদান করেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, কেবল বাজেট বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না। বিদ্যমান সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের যৌথ উদ্যোগ, আলোচনা এবং দিকনির্দেশনা ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবে। তিনি স্বাস্থ্য খাতের জন্য একটি দূরদর্শী ও কার্যকর পরামর্শমূলক জোট গঠনের উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
কিছু বলার সময়, তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশে দক্ষ উদ্যোক্তা, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, বেসরকারি হাসপাতাল এবং শক্তিশালী ওষুধ শিল্প রয়েছে। এবারের বাজেটে ওষুধ শিল্পের অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট (এপিআই) উন্নয়নমূলক বড় ধরনের সহায়তা এবং পৃথক জোন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে, এই সক্ষমতাকে মূল স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সঙ্গে কীভাবে আরো কার্যকরভাবে একীভূত করা যায়, সেটিই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে চিকিৎসা ব্যয়ের বড় অংশ জনগণকে নিজস্ব অর্থ থেকে বহন করতে হয়। এ ব্যয় কমিয়ে সবার জন্য সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারি এবং বেসরকারি খাতের কার্যকর অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা জরুরি।
তিনি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিটি নাগরিকের অধিকার বলে উল্লেখ করেন। সরকার প্রাথমিক ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার ওপর জোর দিচ্ছে। গ্রামীণ পর্যায়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে প্রায় ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত সরকারি অবকাঠামো নির্মাণের পরিবর্তে বেসরকারি খাতের সুযোগ-সুবিধা ও দক্ষতাকে কাজে লাগানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আরও জানান, দেশে মেডিকেল যন্ত্রপাতি উৎপাদনে দেশি এবং বিদেশি উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে এবারের বাজেটে উল্লেখযোগ্য প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে, যা ইতোমধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
তিনি আরও বলেন, সুযোগ এবং সঠিক নীতিমালা পেলে বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বের অন্যতম সেরা উদ্যোক্তা হতে পারে। বর্তমান সরকার বেসরকারি খাতের নেতৃত্বাধীন প্রবৃদ্ধিতে বিশ্বাসী। জনগণের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্ব, নীতিগত সহায়তা এবং উদ্যোক্তাদের উদ্যোগ দেশের স্বাস্থ্য খাতে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতি, ডাটাবেজে অননুমোদিত প্রবেশ, সংঘবদ্ধভাবে পরীক্ষা-সংক্রান্ত অপরাধ এবং নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের মতো অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রেখে গৃহীত হয়েছে ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশন্স (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’।
জনৈক প্রতিবেদক থেকে জানা যায়, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন।
পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়ে যায়। সংশোধিত আইনটি ১৯৮০ সালের ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশন্স (অফেন্সেস) অ্যাক্ট’-কে যুগোপযোগী করে। প্রায় ৪৫ বছর আগে প্রণীত ওই আইনে নকল, প্রশ্নফাঁস, জাল সনদ ও অন্যান্য অনিয়ম প্রতিরোধের ব্যবস্থা থাকলেও বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ মোকাবেলায় নতুন নতুন বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
নতুন আইনে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, পরীক্ষার ডাটাবেজে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ, হ্যাকিং, তথ্য পরিবর্তন, পরীক্ষার রেকর্ডে কারসাজি বা যেকোনো ধরনের ডিজিটাল জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
এ ছাড়া আইনের মাধ্যমে ‘অর্গানাইজড এক্সামিনেশন ক্রাইম’ নামে নতুন অপরাধ যুক্ত করা হয়েছে। পাবলিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের অসদুপায় অবলম্বনে সহায়তা করার উদ্দেশ্যে লিখিত বা মৌখিক চুক্তি করা, প্রস্তাব দেওয়া কিংবা সংঘবদ্ধভাবে নকল বা প্রতারণার সুযোগ তৈরির চেষ্টা করলেও সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
এতোদিন পর্যন্ত, সংশোধিত আইনে পরীক্ষা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্র বা হলে প্রবেশ করাকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি নির্দেশনা ইচ্ছাকৃতভাবে অমান্য করলেও পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে।
আইনে উল্লেখ থাকবে, শাস্তির আওতায় আসবে ইচ্ছাকৃতভাবে উত্তরপত্রে অতিরিক্ত বা কম নম্বর দেওয়া পরীক্ষকদের। এই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড প্রদান করা যাবে। তবে শাস্তি দেওয়ার আগে তৃতীয় একজন পরীক্ষকের মাধ্যমে নম্বরের অসংগতি নিশ্চিত করতে হবে।
প্রশ্ন সংক্রান্ত কাজে যুক্ত প্রতিষ্ঠান ও সেবাদাতা সংস্থার দায়ও নির্ধারণ করা হয়েছে সংশোধিত আইনে। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান পরীক্ষা-সংক্রান্ত অপরাধে সহায়তা করে অথবা যোগসাজশে জড়িত হয়, তাহলে অর্থদণ্ড, লাইসেন্স স্থগিত, কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি অথবা কালো তালিকাভুক্ত করার ব্যবস্থা নিতে পারে।
নতুন আইনে তথ্যদাতা বা হুইসেলব্লোয়ারদের সুরক্ষার বিধান রাখা হয়েছে। অপরাধের বিষয়ে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় গোপন রাখা এবং তাঁদের বিরুদ্ধে হয়রানি বা প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। এ সুরক্ষা লঙ্ঘনে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
আইনের মাধ্যমে বলা হয়েছে যে, কোনো শিশু যদি এ আইনের অধীনে অপরাধে জড়িত হয়, তাহলে তার বিচার শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী পরিচালিত হবে। মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য এসব অপরাধকে আমলযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। মহানগর এলাকায় মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং মহানগরের বাইরে জ্যেষ্ঠ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট এসব মামলার বিচার করবেন। বিচার কার্যক্রম ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন হবে।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে উল্লিখিত হয়েছে যে, প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরীক্ষা-সংক্রান্ত অপরাধের প্রবণতাও বৃদ্ধি পেয়েছে। সুতরাং, পাবলিক পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিদ্যমান আইন সংশোধন অপরিহার্য হয়ে পড়েছিল। সাইবার অপরাধের মাধ্যমে পরীক্ষার ডাটাবেজে অননুমোদিত প্রবেশ ও ডিজিটাল ম্যানিপুলেশনকে অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সাথে ডিজিটাল জালিয়াতিতে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান এবং সংঘবদ্ধ পরীক্ষা জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ সংশোধিত আইনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুর পৌর শহরের পাঁচ রাস্তার মোড় এলাকায় এক আইনজীবীর চেম্বারে অভিযান চালিয়ে পাইপগান, ককটেল সদৃশ বস্তু, গুলি, পেট্রোল ও বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে জামালপুর সদর থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জামালপুর সদর থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল আজ মঙ্গলবার পৌর শহরের পাঁচ রাস্তার মোড় সংলগ্ন একটি চেম্বারে ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানকালে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ কামরুল হাসান মনির চেম্বারে তল্লাশি চালিয়ে ২টি পাইপগান, ৬টি ককটেল সদৃশ বস্তু, ৯ মিলিমিটার পিস্তলের ৪ রাউন্ড গুলি, শটগানের ৪ রাউন্ড গুলি, ২ বোতল পেট্রোল, ৬ বোতল বিদেশি মদ এবং একটি খালি বিদেশি মদের বোতল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তবে অভিযানের সময় আইনজীবী মোহাম্মদ কামরুল হাসান মনি কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না এবং কাউকে আটক করা হয়নি।
পুলিশের দাবি, উদ্ধার হওয়া আলামত জব্দ করা হয়েছে এবং ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আজ সাভারে অবস্থিত কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামার পরিদর্শন করেছেন। ছবিটি : মন্ত্রণালয়।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উল্লেখ করেছেন, সরকার দেশি জাতের গবাদিপশুর উন্নয়ন এবং খামারের ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে যাচ্ছে।
আজ তিনি সাভারে অবস্থিত কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামার পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামারে উৎপাদিত নিজস্ব ঘাসই এখানে গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা একটি ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেন, উন্নত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে খামারের উৎপাদনশীলতা ও কার্যকারিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে প্রত্যাশিত ফলাফল সহজে অর্জন করা যায়।
পরিদর্শনকালে তিনি খামারের বাছুর (ক্যাফ) সেকশন, ডেইরি ফার্ম, পাবনা ক্যাটল ইউনিট, মীরকাদিম ইউনিট, হলস্টেইন-ফ্রিজিয়ান ইউনিট, কৃত্রিম প্রজনন (এআই) ল্যাবরেটরি, ব্রিডিং বুল ইউনিট এবং শতভাগ আমেরিকান ফ্রিজিয়ান বুল স্থানগুলো পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি দেশি জাতের গবাদিপশুর উন্নয়ন, পশুখাদ্য উৎপাদন, খামার ব্যবস্থাপনা এবং সার্বিক অবকাঠামোগত কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
এই পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামারের পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম এবং খামারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ