প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অবশেষে দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের সাংবাদিক ও বাংলাদেশ প্রেসক্লাব নাসিরনগর শাখার আহ্বায়ক সাংবাদিক নিহারেন্দু চক্রবর্তী।
নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে তিনি স্ত্রীকে সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। তিনি জানান, তাঁর সহধর্মিণীর নাম সুমা চক্রবর্তী। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর এলাকার বাসিন্দা মতিলাল চক্রবর্তীর কন্যা। বর্তমানে তাঁদের পরিবার নরসিংদীতে বসবাস করছেন।
সাংবাদিক নিহারেন্দু চক্রবর্তী জানান, গত ৬ জুলাই ২০২৬ নরসিংদীতে পারিবারিকভাবে তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। পরিবারের বাস্তবতা, মায়ের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা এবং আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে বিয়ের অনুষ্ঠান একেবারেই নীরবে সম্পন্ন করতে হয়েছে।
স্ট্যাটাসে তিনি আরও লেখেন, বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে তাঁর মা একাই সংসারের সব দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বয়স, শারীরিক অসুস্থতা এবং মানসিক কষ্ট সত্ত্বেও তিনি পরিবারের সব কাজ করে যাচ্ছেন। মায়ের এই কষ্ট দেখে অপরাধবোধ থেকেই তিনি সংসারের দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং একজন সাধারণ, সাদাসিধে মেয়েকে জীবনসঙ্গিনী হিসেবে বেছে নেন।
তিনি বলেন, স্বপ্ন ছিল ঘটা করে বিয়ে করবেন, বন্ধু, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। কিন্তু সময়, পারিবারিক পরিস্থিতি ও অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে বিয়ের গেট, গায়ে হলুদ, বরযাত্রী, বৌভাত কিংবা অন্য কোনো আনুষ্ঠানিক আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। এমনকি অনেক ঘনিষ্ঠ মানুষকেও বিষয়টি জানাতে পারেননি।
এ কারণে তিনি সবার কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করে ভবিষ্যতে সামর্থ্য হলে একটি বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
স্ট্যাটাসের শেষাংশে সাংবাদিক নিহারেন্দু চক্রবর্তী লিখেছেন, যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং আনন্দের খবরটি ছড়িয়ে দিয়েছেন, তাঁদের প্রতি তিনি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন। পাশাপাশি তিনি নিজের ও তাঁর সহধর্মিণীর জন্য সকলের দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করেছেন, যেন তাঁদের নতুন দাম্পত্য জীবন সুখী, সুন্দর ও কল্যাণময় হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন