বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
১০:২৫ পি.এম
টানা ৮ মাস ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিতির কারণে সরকার রাজারবাগ পুলিশ টেলিকমের ডিআইজি বিপ্লব বিজয় তালুকদারকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে।
গতকাল বুধবার (২৪ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ জারি হয়।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি জানিয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, রাজারবাগ পুলিশ টেলিকমের (সংযুক্ত) ডিআইজি বিপ্লব বিজয় তালুকদার গত বছরের ৬ অক্টোবর থেকে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। তার এই কর্মকাণ্ড সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধি অনুযায়ী যথাক্রমে ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’ শাস্তিযোগ্য অপরাধের আওতায় পড়ে।
এ কারণে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিপ্লব বিজয় তালুকদারকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার যে তারিখ থেকে বরখাস্ত করা হলো সেই তারিখ থেকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।
বিপ্লব বিজয় তালুকদার ২০০১ সালে ২০তম বিসিএসের মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেছিলেন। ২০২৩ সালে তিনি ডিআইজি পদে পদোন্নতি পেয়েছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামে সংঘবদ্ধ চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ, যারা চুরি ও ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে ১৫৭টি মোবাইল ফোন, ৫টি ল্যাপটপ, নগদ টাকা এবং মোবাইল ফোনের আইএমইআই পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত বিশেষ মেশিন ও সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে জাহাঙ্গীর মনি (৫২), সোহেল উদ্দিন ওরফে পার্টি সোহেল (৩৫), আবু সাঈদ (৩৪), মো. শামীম (২৪) এবং সাইফুল ইসলাম (১৯)।
বৃহস্পতিবার নগরীর দামপাড়া পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত মিডিয়া সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন সিএমপির উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) মো. হাবিবুর রহমান প্রাং।
কোতোয়ালী থানার ওসি আবু জায়েদ মোহাম্মদ নাজমুন নূর বলেন, প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে হালিশহর থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে জাহাঙ্গীর মনিকে। পরে তার দেওয়া তথ্যের মাধ্যমে নন্দনকানন আবাসিক এলাকার একটি বহুতল ভবনের নিচতলায় অভিযান চালিয়ে মূলহোতা মুহাম্মদ সোহেল উদ্দিন ওরফে পার্টি সোহেল এবং তার চার সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়।
এই অভিযানে উদ্ধার করা হয় ২৪টি আইফোন, ১৩৩টি অন্যান্য ব্র্যান্ডের মোবাইল, ৫টি ল্যাপটপ, ২০১টি মোবাইল সিম কার্ড, ৪৪৫টি মোবাইলের কেসিং, মাইক্রোস্কোপ, মাল্টিপ্লাগ, বিভিন্ন চার্জার এবং আইএমইআই পরিবর্তনের মেশিন সহ ১ লাখ ১ হাজার ৫০০ টাকা।
তিনি আরও জানান, আসামিরা বিভিন্ন চোর ও ছিনতাইকারী চক্রের কাছ থেকে কম মূল্যে চোরাই মোবাইল সংগ্রহ করে। এরপর উন্নত ডিজিটাল ডিভাইস ও সফটওয়্যার ব্যবহার করে ফোনের আইএমইআই নম্বর ও কেসিং পরিবর্তন করে সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করতো, ফলে অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাদের ফোন সহজে ট্র্যাক করতে পারতেন না। গ্রেফতার আসামিরা প্রত্যেকেই পেশাদার অপরাধী। তাদের মধ্যে মূলহোতা পার্টি সোহেলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় চুরি ও ছিনতাইয়ের মোট ৮টি মামলা রয়েছে, এবং জাহাঙ্গীর মনির বিরুদ্ধে রয়েছে ৪টি মামলা। এছাড়া সহযোগী আবু সাঈদের বিরুদ্ধে গাজীপুরের বাসন থানায় একটি হত্যা মামলা রয়েছে। গ্রেফতার আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। চোর চক্রের বাকি সদস্যদের ধরার জন্য পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান ওসি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার প্রশাসনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) তিন বিচারক। এই আইনি পদক্ষেপ তারা গত বছর নিজেদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য নিয়েছেন। বিচারকদের দাবি করেছে, ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত সেসব নিষেধাজ্ঞা বেআইনি। গত বুধবার নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের একটি ফেডারেল আদালতে মামলাটি রুজু করেন কানাডার বিচারক কিম্বারলি প্রোস্ট, উগান্ডার বিচারক সলোমি বালুঙ্গি বোসা এবং বেনিনের বিচারক রেইন অ্যাডিলেড সোফি আলাপিনি-গানসু। তারা বলেন, বিচারকদের শাস্তি দেওয়া এবং তাদের ওপর চাপ প্রয়োগের উদ্দেশ্যেই এসব নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল। গত বছর আইসিসির একাধিক বিচারকের ওপর নজিরবিহীনভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ট্রাম্প প্রশাসন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি এবং আফগানিস্তানে মার্কিন সেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ তদন্তে একটি মামলার অনুমোদন দেওয়ার পর ওই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। নিষেধাজ্ঞার ফলে বিচারকদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সম্পত্তি ও সম্পদ জব্দ বা অবরুদ্ধ করা হয়। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন, অর্থ, পণ্য বা সেবা প্রদানসহ যেকোনও ধরনের ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থাপন থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়। ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত আইসিসির সদস্য রাষ্ট্রগুলোতে সংঘটিত গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধের বিচার করার আন্তর্জাতিক এখতিয়ার রয়েছে। এছাড়া জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কোনও ইস্যু আদালতের কাছে পাঠালে আইসিসি সে বিষয়ে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে। বর্তমানে আইসিসির ১২৫টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার বিচার করার ক্ষমতা রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া ও ইসরায়েলসহ কয়েকটি দেশ আদালতের কর্তৃত্ব স্বীকার করে না। মামলার নথিতে বলা হয়, “বিচারকদের আর্থিক ও ব্যক্তিগত স্বার্থকে লক্ষ্যবস্তু করে তাদের এবং আইসিসির বেঞ্চে থাকা সহকর্মীদের ওপর বিচারবহির্ভূত চাপ সৃষ্টি করার জন্য পরিকল্পিতভাবে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো, পূর্ববর্তী বিচারিক সিদ্ধান্তের জন্য তাদের শাস্তি দেওয়া এবং আইন ও তথ্যের ভিত্তিতে রায় দেওয়ার পরিবর্তে ব্যক্তিগত স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে বাধ্য করা।” সূত্র: আল-জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তীব্র দাবদাহে ইতালিতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ইতালির ১৭টি শহরে জারি করা হয়েছে রেড অ্যালার্ট। একই সময়ে, যুক্তরাজ্যে ৫০ বছরের ইতিহাস ভেঙে এক দিনে তিনবার জুন মাসের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড করা হয়েছে। তীব্র গরমের কারণে বেলজিয়ামে অনেক পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
চলতি বছরের জন্য এই তৃতীয়বারের মতো তীব্র তাপপ্রবাহে পুরো পশ্চিম ইউরোপ পুড়ছে। এদিকে, তীব্র গরমে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। ফ্রান্সের ৯৬টি অঞ্চলের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি জায়গায় রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। সরকারের তরফ থেকে নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার এবং সরাসরি সূর্যের আলো এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাজ্যে এবার এক দিনে তিনবার ভেঙেছে জুন মাসের ইতিহাসের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড। দেশটির দক্ষিণ উপকূলের হ্যাম্পশায়ারের গোসপোর্ট শহরে পারদ ৩৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছানোর পর আবহাওয়া অফিস নিশ্চিত করে এটি জুনের ইতিহাসের উষ্ণতম দিন।
এর আগে ১৯৭৬ সালের ঐতিহাসিক দাবদাহের সময়, ৩৫ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রেকর্ড হওয়া তথ্যটি ৫০ বছর ধরে অক্ষত ছিল। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় দেশটিতে জারি থাকা অত্যন্ত বিরল ‘রেড এক্সট্রিম হিট ওয়ার্নিং’ আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে, ইতালিতে তীব্র দাবদাহের কারণে কয়েজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ইতালির ১৭টি শহরে সর্বোচ্চ সতর্কবার্তা বা রেড অ্যালার্ট জারি করেছে প্রশাসন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবারের গরম এতটাই বিপজ্জনক যে কেবল শিশু বা বয়স্করাই নয়, সম্পূর্ণ সুস্থ ব্যক্তিরাও তীব্র স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছেন।
অস্বাভাবিক গরমের কারণে বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসের আইকনিক পর্যটন কেন্দ্র ‘অ্যাটমিয়াম’ প্রতিদিন বিকেলে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, ‘ওমেগা ব্লক’ নামের একটি বিশেষ বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থার কারণে ইউরোপের আকাশে গরম বাতাস আটকে যাচ্ছে এবং এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।
চরম পরিস্থিতিতে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় প্রবীণ নাগরিকদের জন্য নেওয়া হয়েছে একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। তীব্র গরম থেকে বাঁচতে শহরের বয়স্ক বাসিন্দাদের জন্য শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত সিনেমা হলগুলোতে বিনামূল্যে চলচ্চিত্র দেখার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে স্থানীয় প্রশাসনের তরফ থেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ উল্লেখ করেছেন যে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বসুন্ধারার পুত্র সোবহান দেশে ঢুকোর সাহস পাইনি। আনভীরকে দেখা যায়নি যে দেশে ঢুকতে পারে না। কিন্তু এই সরকার নির্বাচিত হয়ে আসার পর থেকে আমরা দেখতে পাচ্ছি, সোবহানের পুত্র সদর্পে দেশে ঢুকেছে।
বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই কথা বলেন। হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বসুন্ধারার বিরুদ্ধে মামলা করেছে। আমরা এই মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাই। আমরা জানতে চাচ্ছি আন্ডার টেবিল কোনো ধরণের সমঝোতা হয়েছে কিনা? যদি সমঝোতা না হয়ে থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধা কোথায়? এ বিষয়টি বাংলাদেশের মানুষের সামনে প্রকাশ করতে হবে।
তিনি বলেন, এই বসুন্ধরা গ্রুপ বিদেশে টাকা পাচার করেছে এবং মানুষের সম্পদ দখল করেছে। পাশাপাশি, মিডিয়ার মাধ্যমে আওয়ামী লীগের গুম, খুন ও হত্যার বৈধতা দেয়ার বিষয়টিও ফুটে উঠেছে। তাদের খুটির জোর কোথায় সেটাও আমরা জানতে চাই।
হাসনাত আবদুল্লাহ আরও জানান, য quienes গুম-খুনের বিরুদ্ধে বৈধতা অর্জন করেছে, তাদের বিএনপির পক্ষ থেকে কঠোর অবস্থান দেখতে চান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিশোধ পরায়ণ হননি, আমরা সেটাকে স্বাগত জানাই। তবে, প্রতিশোধ পরায়ণ না হওয়া এবং সুবিচার নিশ্চিত না করা এক বিষয় নয় বলে মনে করেন।
তিনি আরও বলেন, যেসব মিডিয়া ফ্যাসিবাদের পক্ষে বয়ান তৈরি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে সুবিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। আমরাও প্রতিহংসার কথা বলছি না।
হাসনাত আবদুল্লাহ জানাচ্ছেন, গত ১৭ বছর ব্যাংকগুলোর টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। সেই পাচার করা টাকা উদ্ধার করার জন্য এর জন্য সুস্পষ্ট কোনো পলেসি এখনো নেই। তিনি বলেন, ঋণ খেলাফিদের সাথে সংসদ শেয়ার করতে হয়, এজন্য আমরা লজ্জা পাই।
তিনি আরও জানান, সরকার দলের অনেকেই মাঝে মাঝে আমাদের কাছে এসে দুঃখ প্রকাশ করেন। তারা জানান, আমরা জেল খেটেছি, কষ্ট করেছি, আমাদের সন্তানদের সাথে থাকতে পারিনি। কিন্তু সরকার দলের কিছু কিছু মানুষ বসুন্ধরার অ্যাডভাইজর হিসেবে কাজ করছেন। তারা মিডিয়ার অ্যাডভাইজর হিসেবেও কাজ করেন, যে মিডিয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দেশদ্রোহী হিসেবে ফ্রেমিং করেছে। সংসদের ক্ষমতাশীন দলের অনেকেই এখানে যুক্ত। এটি শুধুমাত্র আমাদের জন্য নয়, বরং তাদের সহকর্মীদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটায়, সেটাও আমরা জানি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ