প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার প্রশাসনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) তিন বিচারক। এই আইনি পদক্ষেপ তারা গত বছর নিজেদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য নিয়েছেন। বিচারকদের দাবি করেছে, ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত সেসব নিষেধাজ্ঞা বেআইনি। গত বুধবার নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের একটি ফেডারেল আদালতে মামলাটি রুজু করেন কানাডার বিচারক কিম্বারলি প্রোস্ট, উগান্ডার বিচারক সলোমি বালুঙ্গি বোসা এবং বেনিনের বিচারক রেইন অ্যাডিলেড সোফি আলাপিনি-গানসু। তারা বলেন, বিচারকদের শাস্তি দেওয়া এবং তাদের ওপর চাপ প্রয়োগের উদ্দেশ্যেই এসব নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল। গত বছর আইসিসির একাধিক বিচারকের ওপর নজিরবিহীনভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ট্রাম্প প্রশাসন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি এবং আফগানিস্তানে মার্কিন সেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ তদন্তে একটি মামলার অনুমোদন দেওয়ার পর ওই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। নিষেধাজ্ঞার ফলে বিচারকদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সম্পত্তি ও সম্পদ জব্দ বা অবরুদ্ধ করা হয়। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন, অর্থ, পণ্য বা সেবা প্রদানসহ যেকোনও ধরনের ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থাপন থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়। ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত আইসিসির সদস্য রাষ্ট্রগুলোতে সংঘটিত গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধের বিচার করার আন্তর্জাতিক এখতিয়ার রয়েছে। এছাড়া জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কোনও ইস্যু আদালতের কাছে পাঠালে আইসিসি সে বিষয়ে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে। বর্তমানে আইসিসির ১২৫টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার বিচার করার ক্ষমতা রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া ও ইসরায়েলসহ কয়েকটি দেশ আদালতের কর্তৃত্ব স্বীকার করে না। মামলার নথিতে বলা হয়, “বিচারকদের আর্থিক ও ব্যক্তিগত স্বার্থকে লক্ষ্যবস্তু করে তাদের এবং আইসিসির বেঞ্চে থাকা সহকর্মীদের ওপর বিচারবহির্ভূত চাপ সৃষ্টি করার জন্য পরিকল্পিতভাবে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো, পূর্ববর্তী বিচারিক সিদ্ধান্তের জন্য তাদের শাস্তি দেওয়া এবং আইন ও তথ্যের ভিত্তিতে রায় দেওয়ার পরিবর্তে ব্যক্তিগত স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে বাধ্য করা।” সূত্র: আল-জাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন