ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

কনসার্টে স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ ম্যাডোনার


কনসার্টে স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ ম্যাডোনার

গেল শুক্রবার (৫ জুন) রাতে ম্যানহাটনের আপার ওয়েস্ট সাইডের ঐতিহ্যবাহী বিকন থিয়েটারে উপস্থিত হয়েছিলেন পপ সম্রাজ্ঞী ম্যাডোনা এবং তার ভক্তরা। প্রেক্ষাপট ছিল তার বহুল প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র ‘কনফেশনস টু – দ্য ফিল্ম’র প্রিমিয়ার।

স্ক্রিনিং শেষে, এই পপ কুইন এবং ছবির পরিচালক জুটি ডেভিড টোরো ও সোলোমন চেজ দর্শকদের সাথে মুখোমুখি হয়ে একটি বিশেষ প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনার দায়িত্ব নিয়েছিলেন অ্যান্ডারসন কুপার, যিনি জনপ্রিয় সঞ্চালক জিমি ফ্যালনের পরিবর্তে শেষ মুহূর্তে এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

ম্যাডোনা এবং তিনি চারজনের আড্ডা জমে ওঠার পর চলচ্চিত্র, শুটিং সেটের সৃজনশীল অভিজ্ঞতা, ম্যাডোনার তারকাখ্যাতি এবং সময়ের সঙ্গে তার বিবর্তনের গল্প নিয়ে আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন: এনসিপি কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, দুর্বৃত্তদের হামলা

কথার একটি পর্যায়ে, কুপার দর্শকদের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনের দিক দিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং জানান, মিলনায়তনে প্রবেশ করা প্রতিটি মানুষের ফোন একটি বিশেষ ‘ইয়ন্ডার পাউচ’-এ লক করে রাখা হয়েছিল। অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার আগে ফোন খোলার কোনো উপায় ছিল না।

এ প্রসঙ্গে ম্যাডোনা মন্তব্য করেন, বর্তমান যুগে মানুষের মধ্যে সবকিছু ফ্রেমবন্দি বা রেকর্ড করার এক নতুন এবং ‘অদম্য ক্ষুধা’ তৈরি হয়েছে। এর ফলে আমাদের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এসেছে। তিনি বলেন, ‘আমি এই পৃথিবীতে এসেছি কাজ করতে, শুধু দর্শক হয়ে অন্যের জীবন দেখতে নয়।’

ম্যাডোনা কোচেলা মিউজিক ফেস্টিভ্যালের উদাহরণও দেন, যেখানে তিনি তরুণ পপ তারকা সাবরিনা কার্পেন্টারের সঙ্গে পারফর্ম করেছিলেন। অভিজ্ঞতাটি দারুণ হলেও তাঁর কাছে বিষয়টি অদ্ভুত ও ভীতিকর ছিল।

ম্যাডোনা জানান, মঞ্চ থেকে যখনই তিনি সামনে তাকান, মানুষের মুখের চেয়ে হাজার হাজার মোবাইলের স্ক্রিনই বেশি চোখে পড়ে। তাঁর মতে, যেকোনো ধরনের নাচ বা পারফরমেন্স আসলে মানুষের সঙ্গে মহাবিশ্বের এবং একে অপরের মধ্যে এক ‘গভীর আদিম মেলবন্ধন’ তৈরি করে। তবে বর্তমান মোবাইল সংস্কৃতির কারণে মানুষ মুহূর্তের গভীরে ডুবে না গিয়ে তা ক্যামেরাবন্দি করতে ব্যস্ত থাকে, যা এই পরম সত্যটিকে নষ্ট করে দিচ্ছে।

আরও পড়ুন: মোটরসাইকেলের সামনে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট বাধ্যতামূলক করেছে বিআরটিএ

অনুষ্ঠানের শেষ মুহূর্তে দর্শকদের উদ্দেশ্যে বিদায়ী বার্তা জানতে চাইলে, ম্যাডোনা বিনয়ের সঙ্গে বলেন, ‘আপনাদের ওই বিরক্তিকর ফোনগুলো এবার পকেটে রাখুন এবং একে অপরের সঙ্গে মন থেকে সংযুক্ত হোন।’

আগামী ৮ জুন ইউটিউবে অফিশিয়ালি প্রিমিয়ার হতে যাচ্ছে ‘কনফেশনস টু – দ্য ফিল্ম’। এরপর ৩ জুলাই ওয়ার্নার রেকর্ডসের ব্যানারে মুক্তি পাবে ম্যাডোনার বহুল প্রতীক্ষিত স্টুডিও অ্যালবাম ‘কনফেশনস টু’। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে, এই গায়িকা আগামী মাসগুলোতে বেশ কিছু চমকপ্রদ সারপ্রাইজ পারফরমেন্সের আভাস দিলেও, নতুন কোনো কনসার্ট ট্যুর নিয়ে এখনো কিছু জানাননি। আপাতত, তার পরবর্তী মেগা পারফরমেন্স আগামী ১৯ জুলাই নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে, ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালের জমকালো আয়োজনে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লেবানন হামলায় রেডলাইন ক্রস ! ইসরাইলকে কি মানচিত্র থেকে মুছে দেবে ইরান?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এম এ সাঈদ

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৫৮ এম


লেবানন হামলায় রেডলাইন ক্রস ! ইসরাইলকে কি মানচিত্র থেকে মুছে দেবে ইরান?

কূটনীতিকরা টেবিলে বসেছিলেন। বিশ্বকে বলা হচ্ছিল উত্তেজনা কমছে। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের বাস্তবতা আবারও প্রমাণ করল, এই অঞ্চলে কূটনীতির টেবিল আর যুদ্ধক্ষেত্রের মধ্যে দূরত্ব কখনো কখনো মাত্র কয়েক মিনিটের। আজ কি মধ্যপ্রাচ্যে আবারো দাবানলের মতো জেগে উঠছে যুদ্ধের আগুন?

যুদ্ধবিরতির আলোচনা চলছিল। কিন্তু এই আলোচনাকে কোন গুরুত্ব না দিয়ে লেবাননে ক্রমাগত হামলা চালিয়ে ঘরবাড়ি ধ্বংসের পাশাপাশি লেবানিজ নাগরিকদেরকে ফিলিস্তিনের গাজার মত হত্যার মাধ্যমে ইসরাইল মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে যেন আগুনে ঘি ঢালছিল। এমন সময় দুদিন আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরাইলকে সতর্ক করে বলেছিলেন, ইসরাইল যাতে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে হামলা না করে, এবং যদি হামলা করে সেটি হবে ইরানের রেড লাইন অতিক্রম করার সমান। আজ ইসরাইল সেটি অতিক্রম করেছে অর্থাৎ ইরানের দেওয়া রেডলাইন অতিক্রম করে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে হামলা চালিয়েছে।

এরপরপর-ই ইরানের সর্বোচ্চ সামরিক নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে হয়তো সম্ভাব্য ইজরাইলকে পাল্টা জবাব দেয়ার জন্য। কারণ তার লক্ষণ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। ইরানের আকাশ সীমা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে সেই সাথে সম্ভাব্য কাতার তার আকাশ সীমায় আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলো স্থগিত কিংবা রুট পরিবর্তন করার কথা জানা গেছে, অন্যদিকে ইরানি স্থানীয় তথ্য মতে ইরানের আকাশে ইরানি যুদ্ধ বিমান গুলোর গর্জন শোনা যাচ্ছে, এ থেকে যতটা অনুমান হচ্ছে তাতে ইরান তার দেয়া রেড লাইন অতিক্রম করায় ইসরাইলকে এবার চরম শিক্ষা দিতে ভয়াবহ হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং সেটা হয়তো শুরুও হয়ে যেতে পারে যখন তখন এই লেখা পর্যন্ত শুরুর খবর পাওয়া যায়নি তবে যেকোনো সময় শুরু হতে পারে। আর এবার এই হামলায় কি তবে ইসরাইলকে বিশ্বের মানচিত্র থেকে মুছে দিবে ইরান? কারণ বৈরুতে হামলার পর ইরানি সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পরিষদের একজনের বক্তব্য অত্যন্ত আক্রমণাত্মক এবং সবচেয়ে ভয়াবহ বলে মনে হয়েছে। তার কথায় তিনি ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু কে পরোক্ষ ইঙ্গিত করে পাগল কুকুরের গলায় রশি বাধার এখনই সময় বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।


লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরাইলের সাম্প্রতিক হামলা শুধু একটি সামরিক অভিযান নয়; এটি এমন একটি পদক্ষেপ, যা অনেকের মতে সরাসরি ইরানের ঘোষিত রেড লাইনের প্রতি চ্যালেঞ্জ। প্রশ্ন হচ্ছে, যদি কোনো রাষ্ট্র বছরের পর বছর একটি সীমারেখা টেনে দেয়, আর প্রতিপক্ষ বারবার সেই সীমারেখা অতিক্রম করে, তাহলে সেই সীমারেখার অস্তিত্ব কোথায়? সে ক্ষেত্রে কি ইরান এবার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে ইসরাইলকে বিশ্বের মানচিত্র থেকে মুছে দেবে? এটি হয়তো ইরানের জন্য একটি মোক্ষম সময় এমনটা মনে না করার কোন কারণ নেই। কারণ ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা জীবিত থাকাকালীন ইসরাইলকে মধ্যপ্রাচ্যের ক্যান্সারের সাথে তুলনা করে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তার মৃত্যুর পর তার যোগ্য উত্তরসূরী আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিও সাম্প্রতিক ইরান যুদ্ধের মধ্যে আবারো তেমন উক্তি পুনরায় করেছেন।

বৈরুতে হামলার পর যে ঘটনাগুলো দ্রুত ঘটতে শুরু করেছে, সেগুলোকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফ্লাইট রুট পরিবর্তন করেছে, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে অস্বাভাবিক সতর্কতা জারি হয়েছে, আঞ্চলিক বিমান চলাচল নতুন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে এবং একাধিক রাষ্ট্র নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা ও আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোও জানিয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে অনেক পর্যবেক্ষকের মনে প্রশ্ন জাগছে—তবে কি তেহরান এমন কোনো প্রতিক্রিয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা অতীতের সীমিত জবাবের তুলনায় অনেক বেশি বিস্তৃত হবে?

কারণ বিষয়টি এখন আর শুধু একটি বিমান হামলার নয়। বিষয়টি ইরানের কৌশলগত বিশ্বাসযোগ্যতার। যদি রেড লাইন অতিক্রমের পরও কোনো কার্যকর প্রতিক্রিয়া না আসে, তাহলে ভবিষ্যতে সেই রেড লাইনের রাজনৈতিক মূল্য কতটুকু থাকবে?
ইতোমধ্যে ইরানের বিভিন্ন পর্যায় থেকে কঠোর ভাষার বক্তব্য আসছে। বৈরুতে হামলার জবাবে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে এবং আরও ধারাবাহিক আঘাতের ইঙ্গিত দিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, সেই প্রতিক্রিয়া কি শুধুই প্রতীকী থাকবে, নাকি তা রূপ নেবে কথিত "অপারেশন ট্রু প্রমিস-৫" ধরনের বৃহত্তর সামরিক অভিযানে?
যদি তেহরান মনে করে যে বৈরুতে হামলার মাধ্যমে শুধু লেবানন নয়, বরং পুরো প্রতিরোধ অক্ষকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে, তাহলে তাদের জবাবও হয়তো শুধু একটি লক্ষ্যবস্তুতে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন, সাইবার সক্ষমতা এবং আঞ্চলিক মিত্রদের সমন্বয়ে এমন এক বহুমাত্রিক চাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার প্রভাব তেলআবিব থেকে শুরু করে সমগ্র অঞ্চলে অনুভূত হবে।

তবে আরেকটি বাস্তবতা রয়েছে। ইসরাইলও জানে, প্রতিটি সামরিক সাফল্যের একটি রাজনৈতিক মূল্য আছে। বৈরুতে হামলা যদি সত্যিই ইরানের কাছে অমার্জনীয় সীমালঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হয়, তাহলে স্বল্পমেয়াদি সামরিক অর্জন দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত ঝুঁকিতে পরিণত হতে পারে।

আজ মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে শুধু যুদ্ধবিমান উড়ছে না; উড়ছে অনিশ্চয়তা, শঙ্কা এবং সম্ভাব্য বৃহত্তর সংঘাতের ছায়া। বিমান রুট পরিবর্তন, আকাশসীমা সংকট, আন্তর্জাতিক উদ্বেগ—সবকিছু যেন একটি বড় ঝড়ের আগমনী বার্তা বহন করছে।
সুতরাং মূল প্রশ্নটি আর "ইরান প্রতিক্রিয়া জানাবে কি না" নয়। মূল প্রশ্ন হলো—ইরান কত বড় প্রতিক্রিয়া জানাবে?

বৈরুতের ধোঁয়া হয়তো একসময় মিলিয়ে যাবে। কিন্তু সেই ধোঁয়ার আড়ালে যে সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হচ্ছে, সেগুলোই নির্ধারণ করবে মধ্যপ্রাচ্যের পরবর্তী অধ্যায় কূটনীতির ভাষায় লেখা হবে, নাকি ক্ষেপণাস্ত্রের আগুনে।

আর যদি সত্যিই তেহরান সিদ্ধান্তে পৌঁছে থাকে যে, ইসরাইল কে দেয়া রেড লাইন আর পিছু হটার জন্য নয়, বরং কার্যকর করার জন্য, তাহলে বৈরুতের হামলাকে ভবিষ্যতে ইতিহাস হয়তো একটি নতুন আঞ্চলিক সংঘাতের সূচনা বিন্দু হিসেবেই স্মরণ করবে।

ইরানি জনগণ যে মধ্যপ্রাচ্যে প্রতিরোধের প্রতীক তা ইতিমধ্যেই প্রমাণ করেছে। ইরানের উপর মার্কিন ইজরায়েলের অবৈধ হামলার পর ইরানি জনগণের শতকরা ৮০ শতাংশ নাগরিক পশ্চিমা শক্তি কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কোন আলোচনার টেবিলে না গিয়ে ইরানকে যুদ্ধের মাধ্যমে এর সমাপ্তির জন্য সমর্থন জানিয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, যখন ইরান আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধ বিরতির মাঝেই একটি শান্তি চুক্তির আলোচনা চলছিল সেই সময়ও যে ইসরাইল সেই শান্তি চুক্তিকে তোয়াক্কা না করে ক্রমাগত লেবাননে ফিলিস্তিনের মতো ক্রমাগত হামলা চালিয়ে ধ্বংসলীলা চালিয়ে যাচ্ছিল এবং সর্বশেষ ইরানের রেডলাইন অতিক্রম করেছে, এর ফলে ইরান কর্তৃক ঘোষিত পাল্টা হামলায় কি তবে মানচিত্র থেকে মুছে যাবে ইসরাইল? ইরান কি তেমন হামলা শুরু করবে? মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে কি আবার গর্জন করবে যুদ্ধের দামামা! বাস্তবতা সময়েই বলে দেবে।
লেখকঃ সাংবাদিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলামিস্ট। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় বিশেষ পুলিশি অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:০৭ এম


যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় বিশেষ পুলিশি অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪ জন

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে পুলিশ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৪ জনকে গ্রেফতার করেছে।

যাত্রাবাড়ী থানা সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৬ জুন) থানা পুলিশের একাধিক দল এলাকায় অপরাধপ্রবণ বিভিন্ন স্থানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন মো. আলাউদ্দিন (৩১), মো. লিমন (৩০), মো. ইয়াসিন (৩০), মো. তারেক (২২), মো. জুয়েল (৪২), মো. রাসেল মুন্সি (৩০), মো. জুয়েল (৩২), আশিক (১৮), হৃদয় (২৮), মো. সামিউল (২০), মো. দেলোয়ার (২০), মো. কামাল হোসেন (৪০), মো. বাবু (২৭) এবং মো. বাপ্পী ঢালী (২৫)।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরাইলি বিমান ঘাঁটিতে ‘ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র’ হামলা চালিয়েছে আইআরজিসি!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:১৪ এম


ইসরাইলি বিমান ঘাঁটিতে ‘ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র’ হামলা চালিয়েছে আইআরজিসি!

রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটিতে, যা উত্তর ইসরাইলের হাইফা শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ।

আইআরজিসি তাদের এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবানন ও বৈরুতের দক্ষিণ উপশহরগুলোতে পরিচালিত ইসরাইলি হামলার ‘মূল কেন্দ্র’ ছিল এই বিমানঘাঁটি। সেজন্য এটিকে লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে রাখা হয়েছে।

এর আগে, আইআরজিসি জানায় যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব তারা গ্রহণ করেছিল এই শর্তে যে সেটি হবে ‘সব ফ্রন্টে কার্যকর একটি যুদ্ধবিরতি’। কিন্তু, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি তাদের।

আইআরজিসি আরও বলছে যে, লেবাননে নতুন করে হামলা চালানো হয়েছে এবং হরমুজ প্রণালী, ওমান সাগর ও ভারত মহাসাগরে ইরানের উপকূল ও জাহাজগুলোর ওপর বারবার আক্রমণ চালিয়ে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করা হয়েছে।

তারা আরও জানায়, চলমান কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ বজায় রেখেছে এবং সাম্প্রতিক দিনগুলোতে একাধিক সামরিক হামলা পরিচালনা করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আজ (সোমবার, ৮ জুন) রাতের অভিযান ছিল একটি সতর্কবার্তা।’ সেই সঙ্গে আইআরজিসি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানায়, ‘ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলার পুনরাবৃত্তি হলে আমাদের জবাব আরও ব্যাপক হবে।’

যা কিছু ঘটেছে, সে বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ইসরাইল বা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারীর পোশাক নয়, গুরুত্ব দিন নিজের আচরণ ও দায়িত্বে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২২ এম


নারীর পোশাক নয়, গুরুত্ব দিন নিজের আচরণ ও দায়িত্বে

জনসমক্ষে ছোট পোশাক পরা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন প্রণয়নের জন্য পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মারিয়াম নওয়াজের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন পাকিস্তানি গায়ক ফালাক শাবির। ফালাক শাবিরের এ মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের নেত্রী হিনা পারভেজ বাট। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে হিনা পারভেজ বলেন, ফালাক শাবিরের মতো মানুষরা কেন সবসময় নারীর পোশাক নিয়ে এত মগ্ন থাকেন, তা তিনি বুঝতে পারেন না। উদাহরণ টেনে বলেন, ইস্তাম্বুলের মতো শহরে নারীরা কী পরিধান করছেন তা নিয়ে কেউ কোনো মন্তব্য করে না। অথচ পাকিস্তানে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসে নারীদের পোশাক নিয়ে মন্তব্য করা শুরু করে দেন। হিনা পারভেজ বাট স্পষ্ট ভাষায় জানান, এ ধরনের সংকীর্ণ মানসিকতাই পাকিস্তানের অগ্রগতি এবং উন্নয়নের পথে অন্যতম বড় বাধা। তিনি দেশের মানুষকে অন্যের ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করে নিজেদের কাজে মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, মানুষ যদি অন্যের ব্যক্তিগত পছন্দে বাধা দেওয়া বন্ধ করে, তবে সমাজ সামগ্রিকভাবে অনেক বেশি উপকৃত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%