০১:০০ এম
মানসিক চাপ, অনিয়মিত খাবার গ্রহণ, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে চুল দুর্বল হয়ে পড়ে। বর্তমানে অধিকাংশ মানুষেরই চুল পড়ার সমস্যা বেড়ে গেছে। চুল পড়া বন্ধে এবং নতুন চুল গজাতে অনেকেই দামি শ্যাম্পু ব্যবহার করে থাকেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘরোয়া কিছু উপাদান নিয়মিত চুলের তেলের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করলে চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করবে।
গবেষণায় এমন তিনটি উপাদানের উল্লেখ আছে, যা চুলের বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে। প্রথমেই রয়েছে রোজমেরি। রোজমেরি একটি সুগন্ধি ভেষজ উদ্ভিদ। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, রোজমেরি স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে চুলের গোড়ায় বেশি পুষ্টি পৌঁছায় এবং নতুন চুল গজানোর পরিবেশ তৈরি হয়। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, নিয়মিত ব্যবহার করলে এটি চুল পাতলা হওয়ার সমস্যাও কিছুটা কমাতে পারে।
দ্বিতীয় উপাদান হল মেথি। আমাদের রান্নাঘরে সহজেই পাওয়া যায় এই মশলা। মেথিতে প্রচুর প্রোটিন, আয়রন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এগুলি চুলের গোড়াকে শক্ত করতে সাহায্য করে। এর পাশাপাশি চুল ভাঙা এবং অতিরিক্ত ঝরে পড়ার সমস্যাও কিছুটা কমতে পারে।
আরও পড়ুন: ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে সাধারণ ছুটি ঘোষণা
তৃতীয় উপাদান হল কারি পাতা। এই পাতায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান। এগুলি চুলের পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে। অনেকেই মনে করেন, নিয়মিত ব্যবহার করলে চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ে এবং অকালপক্ক চুলের সমস্যাও কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে।
ব্যবহার পদ্ধতি হিসেবে প্রথমে নারকেল তেল বা আপনার ব্যবহৃত অন্য কোনও চুলের তেল হালকা গরম করতে হবে। তারপর তাতে কয়েকটি রোজমেরি পাতা, এক চামচ মেথি এবং কিছু কারি পাতা দিয়ে কয়েক মিনিট ফুটিয়ে নিতে হবে। এরপর তেলটি ঠান্ডা করে ছেঁকে বোতলে ভরে রাখতে হবে। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার এই তেল মাথার ত্বকে ভালোভাবে ম্যাসাজ করে লাগাতে পারেন। কিছুক্ষণ বা সারা রাত রাখার পর পরদিন শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধুমাত্র তেল লাগানোই যথেষ্ট হবে না। চুল ভালো রাখতে সুষম খাবার খাওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান করা, নিয়মিত ঘুমানো এবং মানসিক চাপ কমানোও জরুরি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন