বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৪৬ এম
ঢাকা, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ইতালিতে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত পাঁচ জনের পরিচয় শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট।
বাংলাফ্যাক্টের তথ্য অনুযায়ী, ইতালিতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত পাঁচ জনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে।
হামলার বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তাদের শনাক্ত করা হয়েছে। বাংলাফ্যাক্ট অনুসন্ধান টিমের মতে, শনাক্তকৃত সকলেই ইতালিতে আওয়ামী লীগ এবং ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয়।
বাংলাদেশে ২৪ জুলাইয়ে দুনিয়া কাঁপানো আন্দোলন নির্মূলে আওয়ামী সরকারের পরিচালিত হত্যা গণহত্যার বিরুদ্ধে এবং শিক্ষার্থীদের দাবি পক্ষে সোচ্চার ছিলেন খ্যাতিমান অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন।
বর্তমানে একটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে ইতালিতে অবস্থান করছেন আজমেরী হক বাঁধন। সেখানে তার ভাইয়ের সাথে রাস্তায় বের হলে বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীদের দ্বারা হেনস্তার শিকার হন তিনি। এই ঘটনার পর দেশ ও বিদেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি উঠেছে।
ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো জানাচ্ছে, ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশ ও প্রবাস থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট এবং কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বাংলাদেশকে ঘিরে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব অপতথ্য বিশেষ করে বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং ২৪ এর আন্দোলনে অংশ নেওয়া দল ও সংগঠনকে লক্ষ্য করে ছড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি, সাম্প্রতিক নানা বিষয়ে বিএনপি ও বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করা হচ্ছে।
‘বাংলাফ্যাক্ট’ প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ পিআইবি’র ফ্যাক্টচেক, মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম, যারা নিয়মিত ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই করে সত্য তুলে ধরে এবং গণমাধ্যম ও সংবাদ নিয়ে গবেষণা করে।
বাংলাদেশের ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান বাংলাফ্যাক্ট ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া শত শত ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে। বাংলাফ্যাক্ট বর্তমানে বাংলাদেশে চলমান গুজব এবং ভুয়া খবর, অপতথ্য প্রতিরোধ এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে, যাদের কাছে ৩৯ পোটলা গাঁজা এবং আট পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায়, উপজেলার পশ্চিম চেঁচরি ও পশ্চিম আউড়া গ্রামে এই অভিযানগুলো পরিচালিত হয়।
পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, পশ্চিম চেঁচরি গ্রামের মৃত সুলতান মোল্লার ছেলে মতিউর রহমান মোল্লাকে ৩৯ পোটলা গাঁজাসহ আটক করা হয়েছে। কাঁঠালিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আলতাফ হোসেনসহ পুলিশের একটি দল এই অভিযানটি পরিচালনা করে।
অন্যদিকে, পশ্চিম আউড়া গ্রামে পৃথক অভিযানে আট পিস ইয়াবাসহ অন্তর হাওলাদার ও মো. জাহিদুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে। অন্তর হাওলাদার ওই গ্রামের হুমায়ুন হাওলাদারের ছেলে এবং জাহিদুল ইসলামের বাবার নাম রব, যা পুলিশ সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, এসআই মোহন ও এএসআই আলতাফ হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা সেনানিবাসের কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে ২য় চিফ অব আর্মি স্টাফ (সিএএস) কাপ প্রফেশনাল গলফ টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টুর্নামেন্টের বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। পুরস্কার বিতরণ শেষে প্রধান অতিথি উপস্থিত সবার উদ্দেশে মূল্যবান বক্তব্য প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এ ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন দেশের গলফ অঙ্গনের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং এ আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
এই টুর্নামেন্টের প্রফেশনাল বিভাগে অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে জনাব মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন এবং জনাব আকবর হোসেন রানারআপ হন। অন্যদিকে, অ্যামেচার বিভাগে মো. শরিফ হোসেন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ গলফ ফেডারেশনের মহাসচিব, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও জয়েন্ট সেক্রেটারি; বাংলাদেশ প্রফেশনাল গলফার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ও মহাসচিব; ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ; আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ; কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবের কর্মকর্তাগণ এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আজ মঙ্গলবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে যে ক্ষতি হচ্ছে, তা কেবল ঘরবাড়ি, রাস্তা, বাঁধ অথবা ফসলের ক্ষয়ক্ষতিতে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের মৃত্যু, শারীরিক অক্ষমতা, মানসিক স্বাস্থ্যঝুঁকি, পুষ্টিহীনতা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও পরিচয় হারানো, পেশাগত সংকট এবং সামাজিক বন্ধন ভেঙে যাওয়াও জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম বড় ক্ষতি। এই ক্ষতির অর্থ দিয়ে সম্পূর্ণ মূল্যায়ন বা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব নয়। বিশেষজ্ঞরা তাই স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার বাজেট ও পরিকল্পনায় ‘নন-ইকোনমিক লস’ অন্তর্ভুক্ত করার তাগিদ দিয়েছেন।
‘ফলাফল থেকে পদক্ষেপে: অ-অর্থনৈতিক ক্ষতি ও ক্ষয়ক্ষতি পূরণের পথ এবং নীতি সমন্বয় জোরদারকরণ’ শীর্ষক এক সভায় বক্তারা এই তাগিদ প্রদান করেন। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) খুলনায় সিএসএস আভা সেন্টারে বেসরকারি সংস্থা জাগ্রত যুব সংঘ-জেজেএস’র উদ্যোগে ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ স্পেশাল ইনিশিয়েটিভ’ প্রকল্পের আওতায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মো. মঞ্জুর আলম।
এ সময় জেজেএস’র নির্বাহী পরিচালক এটিএম জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. সালমা বেগম, উন্নয়ন অধ্যয়ন ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. হাসান হাওলাদার, কুয়েটের অধ্যাপক ড. আনজুম তাবাসসুম, বেলার সমন্বয়কারী মাহফুজুর রহমান মুকুল, আইআরভি’র সমন্বয়কারী কাজী জাভেদ খালিদ পাশা, খুলনা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুরাইয়া সিদ্দিকা।
এ সময় উপকূলীয় অঞ্চল থেকে খুলনা শহরে এসে বস্তিতে বসবাসকারী কিছু বক্তা তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন, যেমন ময়না আক্তার, আয়শা আক্তার মেঘলা, লাবনী আক্তার, আছিয়া সুলতানা এবং অ্যাডাম ফাউন্ডেশনের মো. জিল্লুর রহমান।
আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পায় জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ক্ষয়ক্ষতি, যা আর্থিকভাবে মূল্যায়ন করা কঠিন। বিশেষ করে মৃত্যু, শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি, বসতভিটা ও আবাসস্থল হারানো, পেশাগত পরিচয়ের সংকট, সামাজিক ও পারিবারিক বন্ধন দুর্বল হয়ে যাওয়া এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হারানোর বিষয়গুলো।
বক্তারা স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নন-ইকোনমিক লসকে গুরুত্ব দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের বাজেট ও পরিকল্পনায় এই বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
আলোচনায় আরও উঠে আসে, বাস্তুচ্যুতির কারণে শিশুদের শিক্ষা ব্যাহত হচ্ছে। দারিদ্র্যের চাপে শিশুশ্রম ও বাল্যবিয়ের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যঝুঁকি, রোগব্যাধি এবং শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতিও ঘটছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ