ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি দেখতে মার্কিন সিনেটর ক্রিস মারফি সফর শুরু


মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি দেখতে মার্কিন সিনেটর ক্রিস মারফি সফর শুরু

মার্কিন সিনেটর ক্রিস মারফি মধ্যপ্রাচ্যে সফর শুরু করেছেন, যেখানে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধে ক্ষয়ক্ষতি সরেজমিনে দেখতে যাচ্ছেন। তার সফরের একটি প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে সংঘাত বন্ধে কাজ করছেন এমন ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা।

সফরের প্রথম অংশে মারফি কাতারে পৌঁছেছেন। পরবর্তীতে তিনি সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে যাবেন। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তিনি মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়া প্রথম ডেমোক্র্যাট সিনেটর হিসেবে নিজেকে উল্লেখ করেছেন।

মারফি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বার্তায় তার সফরের তিনটি প্রধান উদ্দেশ্য তুলে ধরেছেন।

আরও পড়ুন: বোম্বে হাইকোর্ট ইমরান খানের ভারত ছাড়ার নোটিশ স্থগিত করেছে

তিনি উল্লেখ করেন, প্রথমত, মার্কিন সিনেটের সদস্যদের জন্য সরেজমিনে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনাগুলোতে কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা দেখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও অন্যান্য স্থাপনায় হামলার ফলে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

দ্বিতীয়ত, কাতার ও সৌদি আরবের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করবেন মারফি। একই সঙ্গে সংঘাত বন্ধের প্রচেষ্টা সম্পর্কে তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করবেন তিনি।

তৃতীয়ত, উপসাগরীয় অঞ্চল নিয়ে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির বিষয়ে নতুন করে ভাবনার প্রয়োজন রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

মারফি বলেন, "যুদ্ধ যখন তীব্রভাবে চলছে, তখন দুই দলের মার্কিন সিনেট সদস্যদেরই মধ্যপ্রাচ্যে উপস্থিত থাকা গুরুত্বপূর্ণ।"

আরও পড়ুন: সুদানে স্বর্ণের খোঁজে শ্রমিকেরা জীবন ঝুঁকিতে, খনিতে প্রাণ হারাচ্ছেন

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক ও কূটনৈতিক স্থাপনা যুদ্ধের প্রভাবের মুখে পড়েছে। সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের পরিদর্শক দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ইরাক, ওমান ও জর্ডানে মার্কিন সামরিক স্থাপনার শত শত ভবন ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইতিহাদে ফিরছেন গুয়ার্দিওলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪১ এম


ইতিহাদে ফিরছেন গুয়ার্দিওলা

ম্যানচেস্টার সিটি ছাড়ার কয়েক মাস পর আবারও ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ফিরে আসছেন পেপ গুয়ার্দিওলা। তবে এবার তিনি সাইডলাইনে না থেকে, গ্যালারিতে বসে তার সাবেক ক্লাবের খেলা দেখবেন।

ইউরোপের গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গুয়ার্দিওলা আগামী ১৪ অক্টোবর চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে ম্যানচেস্টার সিটি বনাম প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) গ্যালারিতে উপস্থিত থাকবেন।

সিটি বর্তমানে প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের ১১৪টি অভিযোগের মুখোমুখি হয়েছে। ক্লাব ইতিমধ্যেই আপিল করেছে এবং তাদের দাবি, রায়ে “স্পষ্ট ও মৌলিক ভুল” রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে গুয়ার্দিওলা তার সাবেক ক্লাবের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।

সিটি-পিএসজি ম্যাচ দেখতে আসলে এটি গুয়ার্দিওলার প্রথম ইতিহাদ সফর হবে, প্রায় এক দশক ম্যানেজার থাকার পর। এই প্রত্যাবর্তনকে অনেকেই সিটির প্রতি গুয়ার্দিওলার সমর্থন ও ঐক্যের বার্তা হিসেবে দেখছেন।

ম্যাচটি শুধুমাত্র চ্যাম্পিয়নস লিগের জন্য নয়, বরং সিটির বর্তমান সংকটকালীন সময়ে প্রতীকী গুরুত্বও বহন করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাধারণ নাগরিকদের সামরিক প্রশিক্ষণ দেবে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৫১ এম


সাধারণ নাগরিকদের সামরিক প্রশিক্ষণ দেবে ইরান

ইরানের সেনাবাহিনী স্বেচ্ছাসেবী বেসামরিক নাগরিকদের সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, যা ‘জাতীয় প্রতিরক্ষা’ প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই তথ্যটি ইরানের পশ্চিম এশিয়া নিউজ এজেন্সি (ওয়ানা) প্রকাশ করেছে।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ রেজা আলিয়ান-নেজাদ, যিনি সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা বিভাগের উপপ্রধান, তিনি জানান যে, আজ রোববার (৪ অক্টোবর) রাজধানী তেহরানের তিনটি প্রশিক্ষণকেন্দ্রে ‘জানফাদা’ নামে এই কর্মসূচি শুরু হবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সেনাবাহিনীর চারটি শাখার সদস্যদের নির্ধারিত কিছু ‘ফিল্ড-গ্যারিসন’ এলাকায় মোতায়েন করা হবে। সেখানে স্বেচ্ছাসেবীদের প্রথমে ‘মৌলিক সামরিক প্রশিক্ষণ’ প্রদান করা হবে। পরবর্তীতে তাদের জন্য উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

তেহরানের হাফতে তির স্কয়ারে নতুন প্রশিক্ষণকেন্দ্রটি উদ্বোধন করা হয়েছে। এর আগে ইমাম হোসেইন স্কয়ারে প্রথম প্রশিক্ষণশিবির চালু হয়েছিল। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এসব কেন্দ্রে বেসামরিক নাগরিকদের সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রশিক্ষণকেন্দ্রের প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায় যে, সেনাসদস্যরা ছদ্মবেশী রঙ করা বিমানবিধ্বংসী সরঞ্জাম নিয়ে মহড়া দিচ্ছেন। এছাড়া, বাধাবিঘ্নের প্রশিক্ষণপথ অতিক্রম এবং অস্ত্র ব্যবহারের অনুশীলনে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হেডসেট ব্যবহারের দৃশ্যও দেখা যায়।

এক সংবাদ সম্মেলনে বাসিজ সংগঠনের প্রশিক্ষণ বিভাগের উপপ্রধান আলি কাওসারি জানান, প্রশিক্ষণের জন্য ১ হাজার ব্যাটালিয়ন প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তিনি সমাজের সর্বস্তরে বেসামরিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদারের গুরুত্বও তুলে ধরেন।

কাওসারি বলেন, "শত্রুপক্ষ যদি ‘আরেকটি ভুল হিসাব’ করে নতুন করে হামলা চালায়, তাহলে ইরানের জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে সেই হামলার মোকাবিলা করবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি পরিবারের ‘ডিজিটাল মজলিস’ এখন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অনুষ্ঠিত হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৫২ এম


সৌদি পরিবারের ‘ডিজিটাল মজলিস’ এখন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অনুষ্ঠিত হচ্ছে

হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ সৌদি আরবে পারিবারিক যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা একত্রিত হওয়ার আগেই সেখানে শুরু হয়ে যাচ্ছে নানা আলোচনা, যা সকালের শুভেচ্ছা, পুরোনো ছবি, বিয়ে বা বাগদানের খবর থেকে শুরু করে শুক্রবারের খাবারের আয়োজন পর্যন্ত বিস্তৃত।

২৭ বছর বয়সী লামা আল-কাহতানি জানান, তার পরিবারের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে বিভিন্ন শহরে বসবাসকারী আত্মীয়দের পাশাপাশি নিকটবর্তী সদস্যরাও যুক্ত রয়েছেন। লামার জন্য এই গ্রুপটি একটি পারিবারিক নোটিশ বোর্ড, স্মৃতির আর্কাইভ এবং অবিরাম কথোপকথনের স্থান হিসেবে কাজ করে।

লামা বলেন, "কখনো ঘুম থেকে উঠে দেখেন গ্রুপে ৬০টি বার্তা জমেছে। এর মধ্যে যেমন গুরুত্বপূর্ণ পারিবারিক খবর থাকে, তেমনি কোথায় রাতের খাবার খাওয়া হবে- সেটি নিয়েও আলোচনা চলে। পরিবারের কোনো ঘটনা ঘটলে সবার আগে খবরটিও অনেক সময় এই গ্রুপেই আসে।"

সৌদি সমাজে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ‘মজলিস’ ছিল পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের মুখোমুখি বসে কথা বলার, খবর আদান-প্রদান ও সম্পর্ক বজায় রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ সেই মজলিসের বিকল্প নয়; বরং এটি মুখোমুখি সাক্ষাতের মধ্যবর্তী সময়টুকুতে যোগাযোগ বজায় রাখার ডিজিটাল জায়গা হিসেবে কাজ করছে।

সৌদি আরবে ইন্টারনেট ব্যবহারের হার প্রায় সর্বজনীন। দেশটির কমিউনিকেশনস, স্পেস অ্যান্ড টেকনোলজি কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশটিতে ইন্টারনেট প্রবেশের হার ছিল ৯৯ শতাংশ। ইন্টারনেট ব্যবহারের ৯৯ দশমিক ৪ শতাংশই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে হয়েছে।

২০২৩ সালের কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সৌদির ৯০ দশমিক ৯ শতাংশ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেছেন। ফলে পারিবারিক যোগাযোগেও এই প্ল্যাটফর্মটির ব্যাপক ব্যবহার স্বাভাবিকভাবেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পারিবারিক গ্রুপগুলোতে সন্তান জন্ম, বিয়ে, বাগদান ও মৃত্যুর খবর জানানো হয়। শোক ও অভিনন্দন জানানো, অনুষ্ঠানের ঠিকানা পাঠানো কিংবা পুরোনো অ্যালবামের ছবি নতুন করে তুলে তরুণ প্রজন্মের কাছে পাঠানো- সবকিছুই সেখানে ঘটে। কখনো একজনকে উদ্দেশ্য করে করা প্রশ্নও কয়েক প্রজন্মের আলোচনায় পরিণত হয়।

৩৪ বছর বয়সী আবদুল্লাহ আল-হারবি কাজের জন্য নিজের শহর ছেড়ে যাওয়ার পর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে এই গ্রুপটিকে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। তার মতে, "কাউকে ফোন করলে সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো কারণ থাকে। কিন্তু গ্রুপে পরিবারের দৈনন্দিন ছোটখাটো ঘটনাগুলোও জানা যায়। এতে দূরে থেকেও মনে হয় পরিবারের সঙ্গে আছি।"

সৌদি আরবের পারিবারিক যোগাযোগ নিয়ে গবেষণাতেও ডিজিটাল যোগাযোগের এমন ভূমিকার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। কোভিড-১৯ মহামারির সময় রিয়াদে ৩০০ জনের ওপর করা এক গবেষণায় ৮৪ শতাংশ অংশগ্রহণকারী আত্মীয়দের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারের কথা জানিয়েছেন। আত্মীয়দের খোঁজ নেওয়া, অভিনন্দন ও শোকবার্তা দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় তথ্য আদান-প্রদানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের কথা উঠে এসেছে ওই গবেষণায়।

তবে এর কিছু সমস্যা রয়েছে। গুজব ছড়িয়ে পড়া এবং বয়স্ক যেসব আত্মীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করেন না, তাদের কাছে পৌঁছানো কঠিন হওয়াকে গবেষণায় সীমাবদ্ধতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

পারিবারিক প্রজন্মভেদেও গ্রুপ ব্যবহারের ধরন আলাদা। তরুণরা ছোট বার্তা, ছবি, রিঅ্যাকশন ও মিম পাঠান। বাবা-মায়েরা তুলনামূলক দীর্ঘ বার্তা বা পারিবারিক ঘোষণা দেন। স্মার্টফোন ব্যবহারকারী দাদা-দাদিরাও অনেক সময় সক্রিয় হয়ে ওঠেন- সকালের দোয়া, ভয়েস নোট কিংবা কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই ছবি পাঠানোর মাধ্যমে।

৫৬ বছর বয়সী সারা আল-দোসারির সন্তানরা বড় হওয়ার পর পারিবারিক গ্রুপ তার জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সবার ব্যস্ততার কারণে একে একে ফোন করার বদলে তিনি গ্রুপে একবার প্রশ্ন করেই সবার কাছ থেকে উত্তর পান।

তবে তার কাছে হোয়াটসঅ্যাপ কখনোই মুখোমুখি পারিবারিক আড্ডার বিকল্প নয়। পরিবারের সবাই একসঙ্গে বসে থেকেও যদি শুধু ফোনের দিকে তাকিয়ে থাকে, তাহলে সেই মিলনের অর্থ কী- এমন প্রশ্নও তিনি তোলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এফবিআইয়ের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় বাংলাদেশি চিকিৎসক জাহিদুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৫২ এম


এফবিআইয়ের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় বাংলাদেশি চিকিৎসক জাহিদুল ইসলাম

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)-এর মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় বাংলাদেশি চিকিৎসক জাহিদুল ইসলাম স্থান পেয়েছেন। নারী রোগীকে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে এবং আইনি প্রক্রিয়া এড়াতে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় মার্কিন তদন্ত সংস্থাটি তাকে খুঁজছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) এফবিআইয়ের ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জাহিদুল ইসলাম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়।

এফবিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালের ৩ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়া অঙ্গরাজ্যের ফিলাডেলফিয়ার একটি হাসপাতালে এক নারী রোগীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে জাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। চিকিৎসা দেওয়ার সময় ওই নারীকে অচেতন করার উদ্দেশ্যে ওষুধ প্রয়োগের পর তাকে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় রাজ্য পর্যায়ে মামলা হওয়ার পর জাহিদুল আত্মগোপনে চলে যান। পরে ১৯৯৭ সালের জুলাইয়ে পেনসিলভেনিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় জেলা আদালত তার বিরুদ্ধে ফেডারেল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এরপর থেকে এফবিআই তাকে খুঁজছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জাহিদুল ইসলামের জন্মতারিখ আনুমানিক ১৯৫৫ সালের ১ অক্টোবর উল্লেখ করা হয়েছে। তার জাতীয়তা বাংলাদেশি। এফবিআইয়ের দেওয়া শারীরিক বর্ণনা অনুযায়ী, তার উচ্চতা ৫ ফুট ৫ ইঞ্চি, ওজন প্রায় ১৬০ পাউন্ড। তার চুল কালো, চোখ বাদামি এবং তিনি চশমা ব্যবহার করতে পারেন।

এফবিআইয়ের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, জাহিদুল ইসলাম তার স্ত্রী, যিনি পেশায় একজন চিকিৎসক, তার সঙ্গে ভ্রমণ করে থাকতে পারেন। কানাডার মন্ট্রিল ও যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে তার যোগাযোগ ও যাতায়াতের তথ্যও রয়েছে।

এফবিআই জাহিদুল ইসলামকে ‘সশস্ত্র ও বিপজ্জনক’ হিসেবে উল্লেখ করে জনসাধারণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে নিকটস্থ এফবিআই কার্যালয় অথবা মার্কিন দূতাবাস কিংবা কনস্যুলেটে যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%