ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গল্প বলায় রাজশাহী বিভাগে সেরা চাটমোহরের জয়িতা


গল্প বলায় রাজশাহী বিভাগে সেরা চাটমোহরের জয়িতা

প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ এ উপজেলা ও জলা পর্যায়ের পরে বিভাগীয় পর্যায়ে ‘গল্প বলা’ প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেছে পাবনার চাটমোহর উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নের বোঁথর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী জয়িতা আশরাফ। জয়িতা আশরাফ, ব্যবসায়ী আশরাফুল হক জাঈদীর মেয়ে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, বোঁথর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির অত্যন্ত মেধাবী ছাত্রী জয়িতা আশরাফ ‘গল্প বলা’ প্রতিযোগিতায় উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে সেরা হওয়ার পর রাজশাহী বিভাগীয় পর্যায়ে বাছাইয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে। গত ৯ জুন রাজশাহীতে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। জয়িতার পরবর্তী গন্তব্য এবার ঢাকা। আগামী ১৬ জুন ঢাকাতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় সে অংশগ্রহণ করবে। জয়িতা পাবনা জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কাব শিশু হিসাবে এবং বিতর্ক প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ বক্তা হিসেবেও প্রথম স্থান লাভ করেছে।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আকতারী জামান শিমু বলেন, চলতি প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ প্রতিযোগিতায় বোঁথর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেধাবী এই শিক্ষার্থী পাবনা জেলা পর্যায়ে তিনটি বিষয়ে সেরা হয়েছে। এর মধ্যে ‘গল্প বলা’ প্রতিযোগিতায় রাজশাহী বিভাগীয় পর্যায়ে সে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। তার এই সাফল্যে আমরা অত্যন্ত গর্বিত। জয়িতার জন্য আমাদের হৃদয় থেকে শুভকামনা।

আরও পড়ুন: ভৈরবের মেঘনা নদীতে ড্রেজারে বালু উত্তোলন নিয়ে পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
রাজশাহীতে

পানবরজের আড়ালে ‘সবুজ সোনা’ র‍্যাবের জালে গাঁজা চাষী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৬ পি.এম


পানবরজের আড়ালে ‘সবুজ সোনা’ র‍্যাবের জালে গাঁজা চাষী

রাজশাহীর পুঠিয়ার একটি পানবরজ চারপাশ ঘিরে রয়েছে সবুজ লতার আচ্ছাদন। এতে বাইরে থেকে সাধারণ বরজের মতোই মনে হয়। কিন্তু ওই বরজের ভেতরেই চলছিল নিষিদ্ধ মাদক গাঁজার চাষ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে সেই গাছের হদিস উদ্ধার করে র‍্যাব-৫। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত ১টা ১০ মিনিটে পুঠিয়া উপজেলার কাজুপাড়া গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে র‍্যাব-৫, রাজশাহী সদর কোম্পানির একটি বিশেষ দল। অভিযানে পানবরজের ভেতর থেকে ছয়টি গাঁজা গাছ উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে গ্রেপ্তারও করা হয় ওই বরজের মালিক মো. সাহাবুর মোল্লা (৩৫)-কে। র‍্যাব সূত্র জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া গাঁজা গাছগুলোর মোট ওজন প্রায় সাড়ে ৮ কেজি এবং প্রতি গাছের উচ্চতা প্রায় ১২ ফুট। দীর্ঘ সময় ধরে নিজের জমির পানবরজে গোপনে গাঁজার চাষ করে আসছিলেন সাহাবুর। পরে সেগুলো তিনি স্থানীয় এলাকা এবং অন্যান্য স্থানে বিক্রি করতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের সময় সাহাবুর মোল্লা গাঁজা চাষ ও বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যেই এসব গাঁজা গাছের চাষ করা হয়েছিল। স্থানীয় জনগণের বক্তব্য অনুযায়ী, পানবরজের ঘন সবুজ আচ্ছাদনের কারণে বাইরে থেকে সহজে বোঝার উপায় ছিল না যে সেখানে মাদক গাছের চাষ হচ্ছে। ফলে বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই লোকচক্ষুর আড়ালে ছিল। র‍্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ অভিযান মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাজশাহীর পুঠিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযানে এ ধরনের সাফল্য স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে আনলেও প্রশ্ন উঠেছে— পানবরজের আড়ালে এতদিন কীভাবে চলছিল নিষিদ্ধ গাঁজার চাষ? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান

তানোরে মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েও হতাশায় মাহমুদা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৭ পি.এম


তানোরে মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েও হতাশায় মাহমুদা

মাহমুদা খাতুন চলতি বছরের মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় পাশ করেছেন। हाल हीতে জামালপুর সরকারি মেডিকেল কলেজে তার ভর্তির যোগ্যতা অর্জিত হয়েছে। তার ভর্তি রোল নম্বর হল- ১৩১০৪২৮। প্রথম বর্ষের ক্লাসও শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু তার বাবা, যিনি একজন গ্রামের দোকানের চা বিক্রেতা, ক্লাস চললেও ক্লাসের বই ও স্কিলেটন (কঙ্কল) কেনা খুবই প্রয়োজন হলেও, দরিদ্র বাবা মাত্র ৬০ হাজার টাকার জোগাড় করতে না পারায়, তিনি এখনও সেগুলি কিনতে পারেননি। মাহমুদা খাতুনের বাড়ি রাজশাহী জেলার তানোর উপজেলার পাঁচন্দর ইউপির কৃষ্ণপুর গ্রামে। তার পিতার নাম মাসুদ রানা, যিনি চা বিক্রি করেন এবং তার মাতা সায়েরা বিবি একজন গৃহিণী। মাসুদ রানা’র কোনো ছেলে নেই এবং তার দুই মেয়ে রয়েছে। এর মধ্যে মাহমুদা বড় এবং ছোট মেয়ে মিম খাতুন ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। মাহমুদা খাতুন ২০২৩ সালে কৃষ্ণপুর উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসিতে গোল্ডেন জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। এছাড়া ২০২৫ সালে কৃষ্ণপুর আদর্শ মহিলা ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসিতেও গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে। মাহমুদার বাবা মাসুদ রানা বলেন, মাহমুদা ছোট থেকেই পড়াশোনায় আগ্রহী। আমরা পড়ালেখায় জানি না, কিন্তু মেয়ের পড়ার আগ্রহ দেখে খেয়ে না খেয়ে গ্রামের প্রতিষ্ঠানে এইচএসসি পর্যন্ত পড়াতে পেরেছি। প্রাইভেট পড়ানোও সম্ভব হয়নি তখন। গরীবের মেয়ে হলেও, তার ডাক্তারি পড়ার স্বপ্ন ছিল। তার মেধাশক্তি এবং ইচ্ছার প্রতিফলন আল্লাহ তায়ালা কবুল করেছেন। মাসুদ রানা বলেন, গ্রামের তার একটি ছোট চায়ের দোকান আছে। চা বিক্রি করে প্রতিদিন আয় হয় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। এতে সংসার চালাতেই তিনি হিমশিম খেতে হয়। এত স্বল্প আয় দিয়েই তিনি মেয়েকে পড়ালেখা করাতে পেরেছেন। এরই মধ্যে তার মেয়ে মেডিকেলে ভর্তি হয়েছে। ভর্তির সময় ১৩ হাজার টাকা খরচ হয়েছে এবং সেই টাকাও ধার করে খরচ করতে হয়েছে। ক্লাস শুরু হয়ে গেছে, বই কিনতে লাগবে ২০ হাজার টাকা এবং একটি স্কিলেটন (কঙ্কল) যার মূল্য ৪০ হাজার টাকা। এতো টাকা জোগাড় করা তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এছাড়াও, প্রতিমাসে খাতা কলম এবং হোস্টেলের খাওয়ার খরচের জন্য মাহমুদার প্রয়োজন আরো ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা। মাহমুদার মা সায়েরা বিবি কান্নায় কন্ঠে বলেন, আমাদের কোনো সম্পত্তি নেই, যার বিক্রি করে মেয়ের পড়ার খরচ জোগাতে পারবো। গ্রামের মাত্র দুই শতক জমি রয়েছে এবং সেখানে মাটি ও বেড়া দিয়ে ঘর বানিয়ে বাস করছি। প্রতিদিন সংসারে অভাব-অটন লেগেই থাকে। মেয়েটি ছোট থেকেই ধার্মিক, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে। সৃষ্টিকর্তার কাছে কান্না করে প্রার্থনা করে যাতে পড়াশোনা করে বড় ডাক্তার হয়ে গ্রামের সাধারণ গরীব-দুঃখী মানুষের ফ্রি চিকিৎসা করতে পারে তার মেয়ে। নির্মল ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে রাষ্ট্রের সরকার ও দেশের বিত্তবানদের কাছে তিনি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছেন। মাহমুদা খাতুন জানায়, প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু হয়ে গেছে। তাই গত এক সপ্তাহ আগে জামালপুর মেডিকেল কলেজের হোস্টেলে ওঠা হয়েছে। বই না থাকার কারণে পড়াশুনায় বিঘ্ন ঘটছে। এর পাশাপাশি খারাপ লাগছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ থেকে আমাকে একটি স্কিলেটন (কঙ্কল) কিনতে বলা হয়েছে। কিন্তু বাবার টাকার অভাবে তিনি এখনও এটি কিনতে পারেননি। মাহমুদার প্রতিবেশী হেলাল উদ্দিন, যিনি মুন্ডুমালা পৌরসভায় চাকরি করেন, তিনি বলেন, মাহমুদা ছোট থেকে বাবার সংসারে অভাব-অনটনে বেড়ে উঠেছে। অন্যের বই ধার করে অনেক সময় পড়ালেখা করতে হয়েছে তাকে। তার বাবা মাসুদ রানা, যিনি গ্রামে সকালে ও বিকালে চা বিক্রি করেন। এছাড়াও, অতি অভাবে মানুষের কামলা খাটেন। গ্রামে অনেক ধনী পরিবার হলেও মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ তার হয়নি। মাহমুদার পাশে সবাইকে দাঁড়ানো উচিত। এ বিষয়ে তানোর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাঈমা খান বলেছেন, আমি মাহমুদা খাতুনের মেডিকেল কলেজে ভর্তি হওয়ার বিষয়টি জানতাম না। এমন একটি পরিবারের সন্তান হয়ে মেডিকেলে ভর্তি হওয়া, শুধু তার পরিবারের একাধিক কারণ নয়, পুরো তানোর উপজেলার জন্য গর্ব। তার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পেলে জেলা প্রশাসক স্যারের সাথে কথা বলে কিছু আর্থিক সহযোগিতার ব্যবস্থা করা হবে। তবে, শুধুমাত্র সরকারি সহায়তা নয়, এমন অদম্য মেধাবী শিক্ষার্থীর জন্য দেশের বিত্তবানদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পোরশায় উপজেলা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৮ পি.এম


পোরশায় উপজেলা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

নওগাঁর পোরশায় উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় ও আইন শৃংখলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সভাটি বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউএনও রাকিবুল ইসলাম। সভায় বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম পর্যালোচনা, আইন শৃংখলা, চোরাচালান, মাদক, বাল্যবিবাহ, সন্ত্রাস ও নাশকতা রোধ, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাবিলা ফেরদৌস, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাহমুদুল হক টিটু, সমাজসেবা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, এলজিডি প্রকৌশলীসহ অন্যান্য কর্মকর্তা গণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
সমঝোতা স্মারক সইয়ের উদ্যোগ

ঢাবি উপাচার্যের সঙ্গে চীনা প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৯ পি.এম


ঢাবি উপাচার্যের সঙ্গে চীনা প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

চীনের বেইহাং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. লিন ঝাংয়ের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) উপাচার্যের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাক্ষাতে উভয় পক্ষ একটি সমঝোতা স্মারক সইয়ের ব্যাপারে একমত হয়েছে।

চীনা প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জিংনঙ ওয়েং এবং মিস জিয়ানওয়েই সান। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামানও উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেইহাং বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যৌথ সহযোগিতামূলক শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম গ্রহণের সম্ভাব্যতা নিয়ে আলোচনা হয়। এ বিষয়ে শিগগিরই একটি সমঝোতা স্মারক সইয়ের ব্যাপারে উভয় পক্ষ একমত হয়।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম মন্তব্য করেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিরাজ করছে এবং প্রতি বছর বাংলাদেশের অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য চীনে যাচ্ছেন। শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে এই দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরো শক্তিশালী হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

পরে চীনা প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%