ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মিশর ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্তগুলো কি ছিল বিতর্কিত?


মিশর ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্তগুলো কি ছিল বিতর্কিত?

মিশরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ম্যাচ শেষ হলেও ভিএআর বিতর্ক থামছে না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। মিশরের খেলোয়াড় ও কোচ সরাসরি রেফারি এবং ফিফার উপর অভিযোগ তুলে বলেছেন। তাদের দাবি, ম্যাচটি ছিল পাতানো এবং রেফারি আর্জেন্টিনার পক্ষে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

বিশ্বকাপে ভিএআর বিতর্ক নিয়ে বিশ্লেষণমূলক প্রতিবেদন তৈরি করেছে ইএসপিএন। এই প্রতিবেদনের বিশ্লেষক হলেন অ্যান্ডি ডেভিস, যিনি একজন সাবেক সিলেক্ট গ্রুপ রেফারি। তিনি প্রিমিয়ার লিগ এবং চ্যাম্পিয়নশিপে টানা ১২ মৌসুম এলিট তালিকায় কাজ করেছেন। তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কারণে তিনি প্রিমিয়ার লিগে ভিএআর ব্যবস্থার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন, তাই বিশ্বকাপ ম্যাচডেতে ভিএআর প্রোটোকল, যুক্তি ও প্রক্রিয়া কীভাবে পরিচালনা করা হয়, সে সম্পর্কে তার বিশেষ অন্তর্দৃষ্টি রয়েছে।

ঘটনা ১: ৬২তম মিনিটে মিশরের গোল বাতিল করার ঘটনা। মোস্তাফা জিকো ভেবেছিলেন তিনি আর্জেন্টিনার বিপক্ষে দুর্দান্ত গোল করে দলকে ২-০ তে এগিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু ভিএআর হস্তক্ষেপের কারণে গোলটি বাতিল হয়। রিপ্লেতে দেখা যায়, গোলের আগে মিশরের মারওয়ান আতিয়া আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্টিনেজকে ফাউল করেছিলেন। সে সময় তিনি শার্ট টেনে ধরা এবং পায়ের পাতা মাড়িয়ে দেওয়া ঘটনার সাথে যুক্ত ছিলেন। রেফারি স্ক্রিনে দেখে ভিএআরের সিদ্ধান্ত মেনে নেন।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

ডেভিসের মতে, রেফারির সিদ্ধান্ত ছিল সঠিক। গোলের আগে স্পষ্ট ফাউল হওয়ার কারণে গোল বাতিল হওয়া স্বাভাবিক।

ঘটনা ২: আর্জেন্টিনার পেনাল্টি এলাকায় দুটি আলাদা আপিল। ম্যাচের শেষের দিকে, মিশর দুটি আলাদা ফাউলের দাবি তোলে। আর্জেন্টিনার অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার হামদি ফাথির শার্ট টেনে ধরেছিলেন। ফাথি পড়ে যান, কিন্তু রেফারি সেই মুহূর্তে কোনো সিদ্ধান্ত দেননি। ভিএআরও মনে করে এটি যথেষ্ট গুরুতর নয়।

আরেকটি হল মোহাম্মদ সালাহ বনাম জুলিয়ান আলভারেজ। সালাহ দাবি করেন যে তিনি ফাউলের শিকার হয়েছেন। কিন্তু রিপ্লেতে দেখা যায়, এটি ছিল দুই খেলোয়াড়ের বুটের সংঘর্ষ, এবং এটি স্পষ্ট ফাউল নয়। বলও শেষ পর্যন্ত অ্যালিস্টারের পা স্পর্শ করেছিল।

ডেভিসের মতে উভয় ক্ষেত্রেই ভিএআর সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ম্যাক অ্যালিস্টারের টান ছিল ক্ষণস্থায়ী এবং এটা আক্রমণে কোনো প্রভাব ফেলেনি। আর সালাহর পতন ছিল অতিরঞ্জিত, সেটি ফাউল নয়।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

ডেভিড বলেন, প্রথম ঘটনায় গোল বাতিল হওয়া যৌক্তিক ছিল, কারণ ফাউল সরাসরি গোলের সঙ্গে যুক্ত ছিল। শেষের দুটি ঘটনাতেও ভিএআর হস্তক্ষেপ না করাই সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল। সালাহর দাবি এবং ম্যাক অ্যালিস্টারের টান—কোনোটিই ফাউলের পর্যায়ে পৌঁছায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেট সীমান্তে অর্ধকোটি টাকার ভারতীয় পণ্যসহ আটক ২ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২৯ পি.এম


সিলেট সীমান্তে অর্ধকোটি টাকার ভারতীয় পণ্যসহ আটক ২ জন

সিলেট সীমান্তে একটি অভিযান চালিয়ে বিজিবি প্রায় অর্ধকোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে। এ অভিযানের সময় দুই চোরাকারবারীকে আটক করা হয়।

বুধবার, বিজিবি ৪৮ ব্যাটালিয়নের আওতাধীন বিভিন্ন সীমান্ত ফাঁড়ির টহল দল অভিযান শুরু করে। তারা ভারতীয় পণ্যের চালানগুলো জব্দ করতে সক্ষম হয়।

বিজিবি জানায়, বুধবার সিলেট সীমান্তে বাংলাবাজার, লাফার্জ, বিছনাকান্দি, সোনারহাট, পাথরকোয়ারী, প্রতাপপুর, পান্থুমাই, সংগ্রাম ও শ্রীপুর ফাঁড়ির টহল দলের সদস্যরা অভিযান চালান। এ সময় বিপুল পরিমাণে ভারতীয় মহিষ, টমেটো, চকলেট, জিলেট ব্লেড, পাউডার, চিনি, ফল, মিনিপ্যাক শ্যাম্পু ও ফেনসিডিল জব্দ করা হয়। দুই চোরাকারবারীকে আটক করার পাশাপাশি, বাংলাদেশ থেকে পাচারকালে শিং মাছ, রসুন এবং সুপারি উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত পশু ও পণ্যের মোট মূল্য প্রায় ৬৪ লাখ ৪৬ হাজার টাকা বলে বিজিবি সূত্রে জানা যায়।

৪৮ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হক জানান, সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা, চোরাচালান এবং মাদকদ্রব্য পাচার প্রতিরোধে বিজিবির আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে, যার ফলে বিপুল পরিমাণ চোরাচালান পণ্য আটক করা সম্ভব হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি করতে চাই : প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩১ পি.এম


অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি করতে চাই : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন যে, বেগম খালেদা জিয়ার সরকার মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত বিনামূল্যে করে ছিলেন। এবার আমাদের লক্ষ্য হল অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা বিনামূল্যে করা। বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথা বলেছেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান বিএনপি সরকার নারী শিক্ষার পাশাপাশি নারীদের ক্ষমতায়নের জন্যও কাজ করছে। এর ফলে নারীরা অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হতে পারেন। সরকারের এই লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হয়েছে। এ পরিচয়ে আমরা আরেকটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। যা বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের আগে মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত বিনামূল্যে করে ছিল। এবারের পরিকল্পনা হলো, আমরা ডিগ্রি বা অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা বিনামূল্যে করতে চাই।

তিনি বলেন, আজ সংসদের গ্যালারিতে অনেক নারী শিক্ষার্থী উপস্থিত আছেন। তারা সক্রিয়ভাবে সংসদ অধিবেশন দেখছেন। আমরা অনার্স ধরনের মেয়েদের শিক্ষা বিনামূল্যে করার পাশাপাশি যারা ভালো ফলাফল করবে, তাদের জন্য বৃত্তির পরিকল্পনাও রেখেছি।

মহিলা আসনের সংসদ সদস্য শাম্মী আক্তারের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, আমরা প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। এ ছাড়াও, তাদের স্কুল ব্যাগ দেওয়ার বিষয়টিও থাকবে।

তিনি উল্লেখ করেন, আমি সংসদের সব সদস্যকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, পর্যায়ক্রমে দেশের সরকারি প্রায় ৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে আমরা এই সুবিধা পৌঁছানোর চেষ্টা করব। বর্তমানে এসব বিদ্যালয়ে প্রায় এক কোটি ২০ লাখ শিক্ষার্থী রয়েছে। আমাদের অভিপ্রায় হলো, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর কাছে এই সুবিধা পৌঁছাতে সক্ষম হব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন স্কুল টিম’ গঠনের নির্দেশ দিলেন ডিসি ফরিদা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৫ পি.এম


সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন স্কুল টিম’ গঠনের নির্দেশ দিলেন ডিসি ফরিদা

ডেঙ্গু প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে এবং পূর্ব সতর্কতার অংশ হিসেবে ঢাকার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন স্কুল টিম’ গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম।

বুধবার, ৮ জুলাই, জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের স্বাক্ষরিত একটি আদেশে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের নির্দেশনার আলোকে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সবার জন্য পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যসম্মত এবং পরিবেশবান্ধব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে একটি মনিটরিং কমিটি ‘ক্লিন স্কুল টিম’ গঠন করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীসহ সবার ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা, বিদ্যালয় ভবন ও শ্রেণিকক্ষ নিয়মিত পরিষ্কার রাখা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ছাদ, ড্রেন, খোলা জায়গা এবং জমে থাকা পানির স্থানগুলি নিয়মিত পরিদর্শন এবং প্রয়োজনীয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ ছাড়াও শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচারণা চালানো, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে উৎসাহিত করার জন্য পুরস্কার বিতরণের ব্যবস্থা করা এবং অন্যান্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদেশ অনুযায়ী প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গঠিত ‘ক্লিন স্কুল টিম’-এর সভাপতি হবেন প্রতিষ্ঠানপ্রধান। এছাড়া একজন অভিভাবক প্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের স্যানিটারি পরিদর্শক বা ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিনিধি, দুইজন শিক্ষার্থী এবং একজন শিক্ষক সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নির্দেশনা পাওয়ার পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন স্কুল টিম’ গঠন করে কার্যক্রম শুরু করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি হতে পারে সচেতনতা এবং পরিচ্ছন্নতা।” এ কারণেই আমরা প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ক্লিন স্কুল টিম’ গঠনের নির্দেশ দিয়েছি। শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই পরিচ্ছন্নতা ও জনস্বাস্থ্য সম্পর্কে দায়িত্বশীল হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। বিদ্যালয় পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি নিজেদের বাড়ি ও আশপাশেও যেন তারা একই অভ্যাস অনুসরণ করে, সেটিই আমাদের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, “প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত শ্রেণিকক্ষ, ছাদ, বারান্দা, ড্রেন, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র এবং যেসব স্থানে পানি জমে মশার লার্ভা জন্ম নিতে পারে, সেসব স্থান নিয়মিত পরিদর্শন ও পরিষ্কার রাখতে হবে।”

কোনো অবস্থাতেই যেন এডিস মশার প্রজননের সুযোগ সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি আরো বলেন, “ডেঙ্গু মোকাবেলা শুধু স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব নয়; এটি একটি সামাজিক আন্দোলন। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসন—সবার সমন্বিত অংশগ্রহণ ছাড়া ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। ‘ক্লিন স্কুল টিম’ শুধু একটি কমিটি নয়, এটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত শিক্ষা পরিবেশ গড়ে তোলার একটি ধারাবাহিক উদ্যোগ।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে দক্ষ জনবল গড়ে তুলতে বাংলাদেশ-জার্মানির চুক্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৯ পি.এম


নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে দক্ষ জনবল গড়ে তুলতে বাংলাদেশ-জার্মানির চুক্তি

নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে পারদর্শী জনবল গড়ে তুলতে বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের (টিএমইডি) এবং জার্মান ফেডারেল মিনিস্ট্রি ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের পক্ষ থেকে জিআইজেড (জার্মান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন সোসাইটি) এই চুক্তি সই করেছে। এর মাধ্যমে ‘টিভিইটি ইন দ্য ফিল্ড অব রিনিউএবল এনার্জি’ (টিভিইটি৪আরই) নামের প্রকল্পের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়ার পথ সুবিস্তৃত হলো।

বুধবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী এবং সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

জানুয়ারি ২০২৬-এ বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য জার্মানির ২১ দশমিক ৭৭ মিলিয়ন ইউরোর প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। এর পূর্বে গত ১১ জুন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সাথে প্রকল্পটির সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল। সর্বশেষ বাস্তবায়ন চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে প্রকল্পটির মাঠপর্যায়ের কাজ শুরু করার জন্য একটি আনুষ্ঠানিক ভিত্তি তৈরি হলো।

অনুষ্ঠানে টিএমইডি সচিব মো. দাউদ মিয়া এনডিসি বলেন, এই চুক্তিটি কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং বাংলাদেশ এবং জার্মানির দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও উন্নয়ন অংশীদারিত্বের একটি দৃষ্টান্ত।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা খাতের শক্তিশালীকরণ, টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জার্মানি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে কাজ করে আসছে।

তিনি বলেন, টিভিইটি৪আরই প্রকল্পটি সবুজ দক্ষতার ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে কাজ করবে। পাশাপাশি এটি উচ্চপর্যায়ের নীতিকে বাস্তবমুখী এবং দীর্ঘমেয়াদি কারিগরি সক্ষমতায় রূপান্তরিত করার মাধ্যমে দেশের জনশক্তিকে ভবিষ্যৎ শ্রমবাজারের উপযোগী করে তুলবে। এতে দেশের জাতীয় অর্থনীতিও উপকৃত হবে।

তিনি জানান, প্রকল্পটি ‘বাংলাদেশ টিভিইটি বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ২০২৫-২০৩০’-এর লক্ষ্য ও অগ্রাধিকারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে জিআইজেডের পক্ষ থেকে তাদের কৌশলগত কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হয়। একইসঙ্গে টিভিইটি৪আরই এবং ‘প্রফেশনাল এডুকেশন ইন ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সেফটি’ (প্রিসাইস) প্রকল্প কিভাবে সমন্বিতভাবে সবুজ দক্ষতা বৃদ্ধি, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করবে, তা উপস্থাপন করা হয়।

অনুষ্ঠানে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল খায়ের মো. আক্কাস আলী, টিএমইডির অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) শামসুর রহমান খান, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিন এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব কো-অপারেশন ইয়ানিস হুসেন উপস্থিত ছিলেন। পরে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের অংশগ্রহণে উন্মুক্ত আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%