ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাশরাফির রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়লেন নাহিদ রানা


মাশরাফির রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়লেন নাহিদ রানা

বাংলাদেশ ক্রিকেটে পেস বোলিংয়ের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় যোগ করলেন তরুণ গতিতারকা নাহিদ রানা। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বিদেশের মাটিতে ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের সেরা বোলিং ফিগারের অধিকারী ছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। ওই গৌরবময় রেকর্ডটি এবার নতুনভাবে নিজেদের করে নিলেন এই তরুণ পেস সেনসেশন।

২০০৬ সালে নাইরোবিতে কেনিয়ার বিরুদ্ধে ২৬ রান দিয়ে ৬ উইকেট লাভ করে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ সাফল্যের নজির স্থাপন করেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। প্রায় ২০ বছর ধরে সেই রেকর্ড অক্ষত ছিল, যা আজ ভেঙে দিলেন নাহিদ রানা।

সোমবার (৬ জুলাই) হারারে স্পোর্টস ক্লাবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচে দুর্দান্ত একটি স্পেল উপহার দেন রানা। মাত্র ২১ রান খরচ করে ৬ উইকেট নিয়ে তিনি নতুন এই ইতিহাস সৃষ্টি করেন। এর ফলে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সেরা বোলিং ফিগারের একক মালিক তিনি হলেন।

আরও পড়ুন: কেপটাউনে অস্ট্রেলিয়ার দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, দক্ষিণ আফ্রিকা ৩২৯ রানে গুটিয়ে

ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ধারাবাহিক গতির ঝড় তুলে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং লাইনআপকে একাই ধসিয়ে দেন এই তরুণ পেসার। তার আগ্রাসী বোলিংয়ের সামনে দাঁড়িয়ে একের পর এক উইকেট হারিয়ে স্বাগতিকেরা শুরুতেই বড় চাপে পড়ে যায়।

বাংলাদেশের পেস বোলিংয়ে দীর্ঘসময় ধরে মাশরাফির ২০০৬ সালের পারফরম্যান্সকে বিদেশে বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করা হত। নাহিদ রানার আজকের এই অর্জন দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে নতুন এক মাত্রা সংযোজন করল। গতি ও সুইংয়ের অসাধারণ মিশ্রণে ধারাবাহিক উইকেট নেওয়ার ক্ষমতা দিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনায় আসা নাহিদ রানা এবার প্রমাণ করলেন, বিদেশের মাটিতেও তিনি কতটা কার্যকর ও ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এইচএসসি পরীক্ষায় অনিয়ম, রাজবাড়ীতে ৩ জন বহিষ্কার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫১ পি.এম


এইচএসসি পরীক্ষায় অনিয়ম, রাজবাড়ীতে ৩ জন বহিষ্কার

রাজবাড়ীর পাংশা মহিলা কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষায় মোবাইল ফোন ব্যবহার করে অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে তিন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) অনুষ্ঠিত ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষার সময় এ ঘটনাটি ঘটে। সংক্ষেপে বললে, সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বহিষ্কৃত তিন পরীক্ষার্থী পাংশা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ছিল।

পরীক্ষা চলাকালে যখন তারা মোবাইল ফোন ব্যবহার করে অসদুপায় অবলম্বনের চেষ্টা করে, তখন দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিষয়টি শনাক্ত করেন। এরপর পরীক্ষার বিধিমালা অনুযায়ী তাদের বহিষ্কার করা হয়।

পাংশা মহিলা কলেজ কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব ও অধ্যক্ষ এ বি এম ওয়াহিদুজ্জামান ডাবলু বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরীক্ষাকক্ষে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে অসদুপায় অবলম্বনের সময় তিন পরীক্ষার্থীকে হাতেনাতে শনাক্ত করেন। এর পর পরীক্ষার নিয়ম অনুযায়ী তাদের বহিষ্কার করা হয়।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাজিল দল হারায় ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট, এক ঘণ্টা পর না ফেরার দেশে জুয়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৩ পি.এম


ব্রাজিল দল হারায় ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট, এক ঘণ্টা পর না ফেরার দেশে জুয়েল

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ফেসবুকের মাধ্যমে ব্রাজিল দলের পরাজয় নিয়ে আবেগঘন একটি স্ট্যাটাস দেওয়ার ঠিক এক ঘণ্টা পর সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন জুয়েল রানা (২৭) নামের এক ব্রাজিল সমর্থক।

সোমবার (৭ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে বাঁশখালী উপজেলার দারোগাবাজার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সামনে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

জানা যায়, নিহত জুয়েল রানা উত্তর চাম্বল ইউনিয়নের সিকদার দোকান এলাকার শামসুল আলমের ছেলে। দুর্ঘটনার সময় জুয়েল রানা অটোরিকশায় করে যাওয়ার সময়ে দারোগাবাজার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সামনে একটি দ্রুতগতির যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এই দুর্ঘটনার সম্পর্কে আরও জানা গেছে যে, ঘটনার এক ঘণ্টা আগে তিনি নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেছিলেন, “দল করি হারবে, জিতবে কিন্তু নেইমারের জন্য হারটা মানতে পারছি না।” এই স্ট্যাটাসটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন।

বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল হক জানিয়েছেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। নিহতের স্বজনরা যদি অভিযোগ বা মামলা করেন, তাহলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ ও সংশ্লিষ্ট যানবাহন শনাক্তকরণে পুলিশ কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যমুনার তীরে নদীভাঙন মানুষের এক ব্যতিক্রমী বিশ্বকাপ উদযাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৫ পি.এম


যমুনার তীরে নদীভাঙন মানুষের এক ব্যতিক্রমী বিশ্বকাপ উদযাপন

যমুনায় হারিয়ে যাওয়ার আগে শেষবারের মতো মাতল ঢালারচরের ফুটবল মাঠ। শেষ বাঁশিটি শুধুমাত্র একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচের সমাপ্তি ঘোষণা করেনি; বিদায় জানিয়েছে এমন একটি মাঠকে, যা আর কয়েক সপ্তাহ পরই যমুনার গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) পাবনার আমিনপুরের ঢালারচরের বালুচরে অনুষ্ঠিত হয় ‘স্বপ্নগ্রাম ব্রাজিল’ ও ‘স্বপ্নগ্রাম আর্জেন্টিনা’র মধ্যে শেষ প্রীতি ফুটবল ম্যাচ। ‘চর বয়েজ’ নামে পরিচিত স্থানীয় তরুণ ফুটবলাররা এতে অংশ নেন। নদীভাঙনের মুখে দাঁড়িয়ে থাকা একটি জনপদের মানুষকে সম্মান জানাতে এই ব্যতিক্রমী আয়োজন করে বিকে ফাউন্ডেশন।

বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনা এখন সারা বিশ্ব জুড়ে। ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনার লড়াই দেখার জন্য টিভি পর্দায় চোখ রাখে কোটি কোটি মানুষ। কিন্তু ঢালারচরের মানুষগুলো ফুটবল উন্মাদনাকে বরণ করে নিয়েছে অন্য একভাবে। তাদের ছোট ছোট নৌকা আর টিনের ঘরের চালায় উড়ছে ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনার পতাকা। যখন জেলেরা নদীতে জাল ফেলছে, তখন তাদের নৌকার মাস্তুলে দোল খাচ্ছে সেই পতাকা। ঘরের স্ত্রীরা রান্নাঘরের কাজ করতে করতেও যেন এক পলক দেখে নিচ্ছে সেই পতাকার দিকে—বিশ্বকাপের স্বপ্ন তাদেরও। তবে এই স্বপ্ন তারা দেখছে এক অনিশ্চিত জীবনের মাঝে। নদী যাদের সবকিছু কেড়ে নিতে পারে, তারা অন্তত আজকের এই খেলাটি দেখবে। বিশ্বকাপের সেই উন্মাদনা হয়তো তাদের ঘরে পৌঁছায় না, কিন্তু আজ তারা সেই উন্মাদনাকে নিজেদের করে নিয়েছে।

ঢালারচরের মৎস্যজীবী ও কৃষক পরিবারগুলোর কাছে যমুনা নদী কোনও শত্রু নয়; বরং এটি একটি শক্তি, যার বিরুদ্ধে তারা লড়াই করা ছেড়ে দিয়েছে। বছর বছর ধরে এই শক্তিশালী নদী তাদের বসতবাড়ি গ্রাস করে নিচ্ছে; তাদের ফসল ও জমি কেড়ে নিচ্ছে। তারা দেখেছে প্রতিবেশীরা কিভাবে নিজেদের সবকিছু গুছিয়ে ভেতরের দিকে সরে গেছে। একমাত্র পরিচিত ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে গেছে তারা। এখন আর কোনো রাগ নেই, এখানে শুধুমাত্র এক ক্লান্তিকর হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি।

ম্যাচ আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত তরুণ জেলে ও ফুটবলার শাহিন বলেন, ‘এটাই আমাদের জীবন। নদী নেয়, আমরা সরে যাই। সবসময়ই এমন হয়েছে। এখন আর কাঁদি না, প্রশ্নও করি না। যা বাঁচানো যায় তা নিয়ে নতুন জায়গায় চলে যাই। কিন্তু প্রতিবারই ভেতর থেকে একটু একটু করে মরে যাই। আমাদের শিশুরা বড় হচ্ছে এই জেনে যে, আগামী বছর হয়তো তাদের এই খেলার মাঠটিও থাকবে না। এটা কেমন শৈশব?’

বহু বছর ধরে এই মাঠে অসংখ্য প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে এখন স্থানীয়দের ধারণা, আর দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে যমুনা পুরো মাঠটি গ্রাস করবে। তাদের কাছে এটি নতুন কিছু নয়; নদীভাঙনের দীর্ঘ ইতিহাসে এটি আরেকটি পূর্বনির্ধারিত অধ্যায় মাত্র। বহু পরিবার ইতোমধ্যে একাধিকবার ঘরবাড়ি পরিবর্তন করেছে। শুধু বসতভিটাই নয়, ছেড়ে যেতে হয়েছে স্কুল, মসজিদ, এমনকি পূর্বপুরুষদের কবরও।

এই নীরব বেদনার মধ্যে এক বিকেলের জন্য ফুটবল হয়ে উঠেছিল বেঁচে থাকার আনন্দ। সেদিন জেলেদের জাল গুটিয়ে রাখা হয়েছিল; মাঠে পড়ে ছিল লাঙ্গল এবং চরের শিশুরা নিজেদের কল্পনায় হয়ে উঠেছিল তারকা ফুটবলার।

তাদের মধ্যে ১০ বছর বয়সী রাজু। শ্রেণিকক্ষে নয়; বাবার সঙ্গে মাছ ধরতে নদীতে সময় কাটায় সে। চরাঞ্চলের অনেক শিশুর মতো তার কাছেও নিয়মিত শিক্ষা অধরা। স্বপ্ন নয়, নদীর অনিশ্চয়তাই তারা নির্ধারণ করে তাদের ভবিষ্যতের স্বপ্ন।

রাজু বলে, ‘এরকম খেলার সুযোগ আমরা কখনও পাই না। বেশিরভাগ সময় বাবার সঙ্গে নৌকায় থাকি, জাল ফেলি। স্কুলে গিয়েছি মাত্র কয়েকবার। বাবা বলেন, আবার যদি ভিটা ছেড়ে চলে যেতেই হয়, তাহলে স্কুলে যাওয়ার কী মানে? কিন্তু গতকাল সব ভুলে গিয়েছিলাম। আমি আর্জেন্টিনার হয়ে খেলেছি, একটা গোলও করেছি। কিছু সময়ের জন্য আমি আর জেলের ছেলে ছিলাম না; আমি ছিলাম একজন চ্যাম্পিয়ন।’

শাহিন এমন একটি সম্প্রদায়ের পক্ষে কথা বললেন, যারা এই সুন্দর খেলায় ক্ষণিকের সান্ত্বনা খুঁজে পায়।

তিনি বলেন, ‘আমরা ভেতরে ভেতরে ধীরে ধীরে মরে যাচ্ছি। নদী আমাদের জমি, ঘর, আশা—সব কেড়ে নিচ্ছে। কিন্তু ওই নব্বই মিনিট আমরা সত্যিই বেঁচে ছিলাম। আমরা হেসেছি, উল্লাস করেছি, ভুলে গিয়েছিলাম যে নদী অপেক্ষা করছে। মাঠটা যখন আর থাকবে না, তখন আমাদের শিশুরা কোথায় খেলবে? নদী তার পরোয়া করে না। কিন্তু এই একটি স্মৃতি আমরা বয়ে নিয়ে যাব—একটি দিন, যেদিন আমরা শুধুমাত্র টিকে থাকার জন্য লড়িনি, মানুষ হিসেবেও বেঁচেছিলাম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাহজাদপুরে জাতীয় পল্লী উনয়ন দিবস - ২০২৬ উপলক্ষ র‌্যালি, আলাচনা সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রাসেল সরকার, স্টাফ রিপোর্টার

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৭ পি.এম


শাহজাদপুরে জাতীয় পল্লী উনয়ন দিবস - ২০২৬ উপলক্ষ র‌্যালি, আলাচনা সভা

” উনত পল্লী সমৃদ্ধ দেশ , সবার আগে বাংলাদেশ এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জর শাহজাদপুরে জাতীয় পল্লী উনয়ন দিবস - ২০২৬ উপলক্ষ র‌্যালি, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে । এ উপলক্ষে সামবার সকালে উপজেলা চত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় । পরে এক বর্ণ্যাঢ্য র‌্যালি বের করা হয় । র‌্যালিটি সহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে উপজেলা শহীদ স্মৃতি মিলনায়তনে এক আলাচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় । উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবরিনা শারমিনর সভাপতিত্বে ও সহকারি পল্লী উনয়ন কর্মকর্তা জুলফিকার আলীর সঞ্চালনায় আলাচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন পল্লী উনয়ন কর্মকর্তা সেলিম রেজা, বিশষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন,থানার অফিসার সাইফুল ইসলাম,বিআরডিবির চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বিএনপির সাবক সাংগাঠনিক সম্পাদক আমির হোসেন সবুজ প্রমুখ । আলাচনা সভা শেসে ঋনের চেক বিতরন,শ্রেষ্ঠ পল্লী উদ্যোক্তাদের পুরস্কার, সন্মাননা ক্রেষ্ট ও গাছের চারা বিতরন করা হয় । এদিক অনুষ্ঠানের শুরুতে পল্লী উন্নয়ন ও বিআরডিবি’র অবদান বিষয়ক ভিডিও ডকুমেনটরী প্রদশর্নী করা হয় ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%