ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভাণ্ডারিয়ায় সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়উন কবিরের ইন্তেকাল


ভাণ্ডারিয়ায় সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়উন কবিরের ইন্তেকাল

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ৪ নম্বর ইকড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. হুমায়উন কবির হাওলাদার (৫৫) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

তাঁর মৃত্যু ঘটেছে মঙ্গলবার সকালে ৭ টায় ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, তিন মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন জাতীয় পার্টি (জেপি)-এর চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মেদ সোহেল মনজুর (সুমন) এমপি।

আরও পড়ুন: পূর্বধলায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

ইকড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. বাচ্চু হাওলাদার জানান, বুধবার সকালে ১০টায় মরহুমের নিজ বাড়ি ৪ নম্বর ইকড়ি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের হাওলাদার বাড়ি জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানে উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: ইউজিসি সদস্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২২ পি.এম


মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানে উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: ইউজিসি সদস্য

ঢাকা, ৪ আগস্ট, ২০২৬ : মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)-এর সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন জানিয়েছেন।

আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ‘জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬’ উদযাপন উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি সদস্য শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী না হয়ে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান। সেইসাথে তাদের তথ্যপ্রযুক্তি, ডিজিটাল দক্ষতা, গবেষণা ও উদ্ভাবনে অধিকতর সম্পৃক্ত হওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

তিনি আরও জানান, মাদ্রাসা শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন ও কর্মমুখিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইউজিসির উদ্যোগের মাধ্যমে শিগগিরই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ, শিক্ষার্থী ও শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। এ কর্মশালায় উন্নয়নের বাস্তবভিত্তিক রোডম্যাপ প্রণয়ন করা হবে। ওই কর্মশালায় নারী শিক্ষার্থী ও নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপরও তিনি বিশেষ জোর দেন।

অধ্যাপক আব্দুল্লাহ-আল-মামুন বলেন, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা বিভিন্ন পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্নের উদ্যোগ ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে।

বর্তমান সরকার শিক্ষা, অর্থনীতি ও সামাজিক কাঠামোর পুনর্গঠনে নিরলসভাবে কাজ করছে। জাতীয় উন্নয়নের এই অভিযাত্রায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা, সফট স্কিলস, ইন্টার্নশিপ ও উদ্যোক্তা উন্নয়নসহ বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, এসব দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশ বিনির্মাণে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা দক্ষ, সৃজনশীল, প্রযুক্তিনির্ভর ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান আরও সুসংহত করতে সক্ষম হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খান।

তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগ জাতিকে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রেরণা জোগায়। মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, আধুনিক জ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি দক্ষতা ও কর্মমুখী শিক্ষায় সমৃদ্ধ করে যুগোপযোগী মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াছ ছিদ্দিকী, ট্রেজারার শাহিনুল ইসলাম এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শহীদের আত্মত্যাগে গড়ে ওঠা জাতীয় ঐক্য যেকোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২৪ পি.এম


শহীদের আত্মত্যাগে গড়ে ওঠা জাতীয় ঐক্য যেকোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা, ৪ আগস্ট, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক ঐতিহাসিক বিজয়। 

তিনি বলেন, এই আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা জাতীয় ঐক্য যেকোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে এবং বাংলাদেশে আর কখনো স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ, চরমপন্থা কিংবা উগ্রবাদের উত্থান হতে দেওয়া যাবে না।

আগামীকাল ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া আজ এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতাপ্রিয় ও গণতন্ত্রকামী মানুষের জন্য ৫ আগস্ট আনন্দের দিন, বিজয়ের দিন, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার দিন। দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে আজ থেকে ঠিক দুই বছর আগে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট, এই দিনে দেশের বীর ছাত্র-জনতা এক ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করে।

তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মুখে ফ্যাসিস্ট সরকার দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। রাহুমুক্ত হয় বাংলাদেশ। বীর ছাত্র-জনতার রক্তস্নাত এই দিনটিকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে জাতীয়ভাবে উদ্যাপন করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদের পতন এবং দেশে জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা তথা জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বিএনপিসহ ফ্যাসিবাদ বিরোধী রাজনৈতিক দল এবং ভিন্নমতের মানুষকে সীমাহীন নির্যাতন-নিপীড়ন সইতে হয়েছিল। অসংখ্য মানুষ গুম, খুন, অপহরণ, হামলা, মামলা, নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছিলেন। এ আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে আপোষহীন দেশনেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকেও মিথ্যা মামলায় বছরের পর বছর জালিমের কারাগারে কাটাতে হয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্রকামী মানুষের কণ্ঠ স্তব্ধ করতে স্বৈরাচারের নির্দেশে দেশে গড়ে তোলা হয়েছিল শত শত গোপন বন্দিশালা- ‘আয়নাঘর’। ‘আয়নাঘরের’ অন্ধকার প্রকোষ্ঠে এক সীমাহীন অনিশ্চয়তায় মাসের পর মাস, বছরের পর বছর অগণিত মানুষকে আটকে রাখা হয়েছিল। অনেককে চিরতরে গুম করে ফেলা হয়েছে। বিএনপির সাবেক এমপি ইলিয়াস আলী ও কমিশনার চৌধুরী আলমসহ এমন অনেক নেতাকর্মীর আজও সন্ধান মেলেনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশনসহ দেশের সাংবিধানিক ও বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোকে অকার্যকর করে ফেলা হয়েছিল। সংবিধান উপেক্ষা করে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল; নির্বাচনকে পরিণত করা হয়েছিল প্রহসনে। দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়ে দেশকে তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাতকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়ে অনিয়ম, দুর্নীতি, লুটপাট আর টাকা পাচারকেই স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডে পরিণত করে ফেলা হয়েছিল। দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ব্যক্তিতন্ত্র। তবে শেষ রক্ষা হয়নি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ, বীর ছাত্র-জনতা, কৃষক-শ্রমিক, রিকশাচালক, মুটে-মজুর, পোশাক শ্রমিক, হোটেল-রেস্তোরাকর্মী, পরিবহন শ্রমিক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, সংস্কৃতিকর্মী, গৃহবধূ, নারী ও শিশুসহ সর্বস্তরের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে রাজপথে নেমে এসেছিলেন। গণঅভ্যুত্থান দমনে মরিয়া ফ্যাসিস্ট সরকার রাজপথে গণতন্ত্রকামী জনগণের বুকে গুলি করে পাখির মতো মানুষ হত্যা করেছে। এমনকি জনগণের ওপর হেলিকপ্টার থেকেও গুলি চালানো হয়েছিল। স্বৈরাচারের বেপরোয়া গুলি থেকে মায়ের কোলে থাকা শিশু পর্যন্ত রেহাই পায়নি।

তিনি বলেন, স্বৈরাচারের বন্দুকের সামনে রংপুরের সাহসী প্রাণ শহীদ আবু সাঈদের চিতানো বুক, চট্টগ্রামের শহীদ ওয়াসিম আকরাম কিংবা ঢাকার শহীদ মুগ্ধসহ আমাদের অসংখ্য সাহসী সন্তান হয়ে উঠেছিলেন গণতন্ত্রকামী মানুষের সাহসী প্রেরণা। শুধুমাত্র জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানেই হাজারো মানুষ শহীদ হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩০ হাজার মানুষ। শত শত মানুষ হাত-পা ও শরীরের অঙ্গ হারিয়ে চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন; অনেকেই আজীবনের জন্য দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘হাজারো প্রাণের আত্মত্যাগ বৃথা যায়নি। গণতন্ত্রকামী জনগণের সম্মিলিত আন্দোলনে ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট গণভবন ছেড়ে পালিয়েছে। জাতীয় সংসদ ছেড়ে কথিত সংসদ সদস্যরা পালিয়েছে। আদালত ছেড়ে প্রধান বিচারপতি পালিয়েছে। বায়তুল মোকাররম ছেড়ে প্রধান খতিব পালিয়েছে। মন্ত্রিসভা ছেড়ে মন্ত্রীরা পালিয়েছে। ফ্যাসিবাদের দোসররা আত্মগোপনে চলে গেছে। ৫ আগস্ট বাংলাদেশে যা ঘটেছে, তা শুধু বাংলাদেশের নয়, বিশ্বের ইতিহাসেও এক নজিরবিহীন ঘটনা।’

তিনি বলেন, ১৯৭১ থেকে আজ পর্যন্ত দেশের স্বাধীনতা অর্জন ও রক্ষা, স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামের প্রতিটি বাঁকে লাখো মানুষ আত্মত্যাগ করেছেন। আজকের এই ঐতিহাসিক দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে সব শহীদকে স্মরণ করছি। দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা, অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য শহীদরা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে আমাদের ঋণী করে গেছেন। প্রতিটি শহীদ পরিবারের কাছে বাংলাদেশ ঋণী। এখন শহীদদের প্রতি আমাদের ঋণ পরিশোধের পালা।

তারেক রহমান বলেন, জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করে, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি ন্যায়ভিত্তিক, স্বনির্ভর, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার মাধ্যমে শহীদদের প্রতি আমাদের ঋণ পরিশোধের আন্তরিক প্রচেষ্টাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।

তিনি বলেন, হাজারো শহীদের রক্তে স্নাত রাজপথে অভূতপূর্ব জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছে। রক্তে অর্জিত এই জাতীয় ঐক্য যেকোনো মূল্যে রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। আমাদের মধ্যে নানা ইস্যুতে ভিন্নমত থাকবে, এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। কিন্তু ভিন্ন চিন্তা, ভিন্নমত যাতে শত্রুতায় পর্যবসিত না হয়, সে ব্যাপারে গণতন্ত্রের পক্ষের প্রতিটি রাজনৈতিক দল, ব্যক্তি কিংবা গোষ্ঠী, আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে আর কখনোই স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ, চরমপন্থা কিংবা উগ্রবাদ কায়েম হবে না, কখনোই দেশকে তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে দেওয়া হবে না। এইসব মৌলিক প্রশ্নে প্রতিষ্ঠিত জাতীয় ঐক্য অটুট আছে এবং থাকবে, ইনশাআল্লাহ।’

তিনি বলেন, ১৯৭১ সাল ছিল স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ, আর ২০২৪ সাল ছিল দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধ। ১৯৭১ সালের শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের বাংলাদেশ কখনো ভোলেনি, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের শহীদদেরও বাংলাদেশ কখনো ভুলবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশুর বিকাশে সহায়ক পরিবেশ ও সামাজিক জাগরণের আহ্বান: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২৫ পি.এম


শিশুর বিকাশে সহায়ক পরিবেশ ও সামাজিক জাগরণের আহ্বান: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, শিশুর সুপ্ত সম্ভাবনার পূর্ণ বিকাশে সঠিক সহায়ক পরিবেশ এবং ব্যাপক সামাজিক জাগরণ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই গুরুদায়িত্ব সরকারের একার পক্ষে পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়; বরং সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

মঙ্গলবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে চ্যানেল আই-এর মুস্তাফা মনোয়ার স্টুডিওতে আয়োজিত ‘অ্যাক্ট ফর আর্লি ইয়ার্স: সেফগার্ডিং চাইল্ডহুড অ্যান্ড দ্য প্ল্যানেট’ শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের যৌথ আয়োজনে ছিল বাংলাদেশ ইসিডি নেটওয়ার্ক (বেন) এবং প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন। বৈঠকে শিশুদের প্রারম্ভিক স্বাস্থ্য, পুষ্টি, সুরক্ষা, শিক্ষাদানের সুযোগ, মানসিক স্বাস্থ্য এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট ঝুঁকির বিষয়গুলো বিশদভাবে আলোচনা করা হয়।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩৪ শতাংশ শিশু এবং ৫১ শতাংশ নারী। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে পেছনে ফেলে কোনো জাতীয় উন্নয়ন সম্ভব নয়। বর্তমান সরকার জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় এসেছে এবং বিএনপি তার নির্বাচনী ইশতেহারে মা, শিশু ও প্রান্তিক জনগণের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। সে লক্ষ্যে ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি’ আরও জোরদার করা হয়েছে এবং জলবায়ুঝুঁকিতে থাকা নারী ও শিশুদের সহায়তায় বিশেষ নিরাপত্তা জাল তৈরি করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেটে শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ এবং স্বাস্থ্য খাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যার মধ্যে সামাজিক নিরাপত্তা খাতেই রয়েছে ১ লাখ ৪৩ কোটি টাকা।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা দেশের শিশুদের ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক প্রভাব তুলে ধরে জানান যে, বর্তমানে দেশে প্রায় ১ কোটি ৯৪ লাখ শিশু জলবায়ুজনিত ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এই বিপর্যয় সামলাতে জলবায়ু-সহনশীল শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা, উপকূলীয় ও দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় শিশুকেন্দ্রিক সামাজিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন নিশ্চিত করা এবং সরকারি-বেসরকারি সকল খাতকে একসঙ্গে কাজ করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

সমাজসেবা অধিদফতরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহ্‌বুবসহ জাতিসংঘ, ইউনিসেফ, ইউনেস্কো, সেভ দ্য চিলড্রেন, গণমাধ্যম ও বিভিন্ন এনজিওর প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৫ আগস্ট বন্ধ থাকবে হিলি স্থলবন্দরের সব কার্যক্রম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২৮ পি.এম


৫ আগস্ট বন্ধ থাকবে হিলি স্থলবন্দরের সব কার্যক্রম

৫ আগস্ট (বুধবার) দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সব ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে, গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে। সরকারি ছুটি থাকার কারণে এদিন বন্দরের ব্যবসায়িক কার্যক্রমও স্থগিত থাকবে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক মো. শাহীনুর ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে, সরকারি ছুটির কারণে ৫ আগস্ট হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সব ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে বন্দরের ব্যাবসায়িক কার্যক্রমও স্থগিত থাকবে।

তবে, ছুটি শেষে ৬ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) থেকে বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম যথারীতি পুনরায় শুরু হবে।

এদিকে, কার্যক্রম বন্ধ থাকার বিষয়টি আমদানিকারক, রপ্তানিকারক, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের আগেই জানানো হয়েছে। ছুটির দিনে যাতে কোনো ধরনের জটিলতা সৃষ্টি না হয়, সেই জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে সংশ্লিষ্টদের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%