বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৫:৪৮ পি.এম
ভেনেজুয়েলায় শত বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর আতঙ্ক, অনিশ্চয়তা এবং মানবিক সংকট আরও গভীর হচ্ছে। রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন অঞ্চলে হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তাঘাট, খেলার মাঠ এবং খোলা জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন। আফটারশকের আশঙ্কা এবং ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ধসে পড়ার ঝুঁকিতে কেউই ঘরে ফিরতে সাহস পাচ্ছেন না।
দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্য অনুযায়ী, জোড়া ভূমিকম্পে এ পর্যন্ত অন্তত ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন সাত শতাধিক মানুষ। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও বহু মানুষ আটকা পড়ে থাকায় প্রাণহানির সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে প্রথমে ৭ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। মাত্র ৩৯ সেকেন্ড পর একই এলাকায় ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্প অনুভূত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার ইউএসজিএস জানিয়েছে, ১৯০০ সালের পর এটিই ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পগুলোর একটি।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাজধানীর উত্তরে অবস্থিত লা গুইরা অঙ্গরাজ্য। দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, সেখানে কয়েক ডজন ভবন ধসে পড়েছে। অঞ্চলটিকে তিনি দুর্যোগকবলিত এলাকা হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
উদ্ধারকর্মীরা কারাকাস ও আশপাশের এলাকায় ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের খোঁজ চালিয়ে যাচ্ছেন। বিভিন্ন স্থান থেকে আটকে পড়া মানুষের সাহায্যের আর্তনাদ শোনা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
বিদ্যুৎ এবং ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির চিত্র পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগও ব্যাহত হচ্ছে।
বিবিসি মুন্ডোর সাংবাদিক জর্জ পেরেজ জানিয়েছেন, অনেক মানুষ আতঙ্কে ঘুমাতে পারছেন না। বিদেশে বসবাসরত লাখো ভেনেজুয়েলানও স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে উদ্বেগে রয়েছেন।
কারাকাসের বাসিন্দা ও সাংবাদিক লুইস হার্নান্দেজ বলেন, অর্থনৈতিক সংকট ও অবকাঠামোগত দুর্বলতার কারণে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক মানুষ এখন নিজেদের অ্যাপার্টমেন্ট ছেড়ে নিচতলা কিংবা খোলা স্থানে অবস্থান করছেন।
এদিকে আন্তর্জাতিক সহায়তা আসতে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, ডোমিনিকান রিপাবলিক এবং এল সালভাদরসহ বিভিন্ন দেশ উদ্ধারকর্মী, চিকিৎসা সহায়তা এবং মানবিক ত্রাণ পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছে। দেশজুড়ে জরুরি অবস্থার ঘোষণা দিয়ে স্কুল ও সরকারি স্থাপনাগুলোকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে রূপান্তরিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ইউএসজিএস-এর পেজার মডেল অনুযায়ী, দুর্যোগটির ব্যাপ্তি অত্যন্ত বড় হতে পারে। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, চূড়ান্ত প্রাণহানির সংখ্যা কয়েক হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে আরও সময় লাগবে।
সোর্স: বিবিসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনীর ফুলগাজীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ইসলাম ধর্ম নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ অভিযুক্ত অন্তর পাল (২৬) নামের এক যুবককে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৪ জুন) ফুলগাজী থানা পুলিশের করা মামলায় অভিযুক্ত অন্তর পালকে (২৬) আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালতের নির্দেশে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৩ জুন) রাত আনুমানিক ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে ফুলগাজী উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের ফতেপুর পালপাড়া গ্রামের বাসিন্দা অন্তর পাল তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি ‘Prince Antor’ থেকে ‘নাশিদ নেক্টার-শিল্পী গোষ্ঠী’ নামের একটি ফেসবুক পেজে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কিত আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগের ভিত্তিতে বলা হয়, মন্তব্যটির স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও, তা স্থানীয় মুসলমানদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তে থাকে এবং এক পর্যায়ে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্তের বাড়ির সামনে জড়ো হতে শুরু করে।
ঘটনার সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠার খবর পেয়ে ফুলগাজী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে এড়াতে পুলিশ অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়ে থানায় নিয়ে যায়।
ফুলগাজী থানা সূত্র জানায়, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং বিদ্যমান আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সবাইকে শান্ত থাকার এবং আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রেখে আইনগত প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থা রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলার সহায়তায় এগিয়ে এসেছে জার্মানি। জার্মানি প্রয়োজন হলে দেশটিতে সামরিক পরিবহন উড়োজাহাজ পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছে, এ কথা বার্লিন জানিয়েছে।
জার্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, "দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দেওয়া এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।" তিনি জানান, ভেনেজুয়েলার পক্ষ থেকে যেকোনো অনুরোধ আসার পর জার্মান সশস্ত্র বাহিনী স্বল্প সময়ের নোটিশে সর্বোচ্চ ছয়টি এ৪০০এম সামরিক পরিবহন বিমান প্রস্তুত রাখতে সক্ষম।
তিনি আরও জানান, "উড়োজাহাজগুলোর ক্রুরা ইতোমধ্যে সম্ভাব্য অভিযানের প্রস্তুতি শুরু করেছেন।" এসব বিমান জার্মানি থেকে উদ্ধারকর্মী, চিকিৎসা সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ভেনেজুয়েলায় পরিবহনে ব্যবহার করা হবে। আরও বলা হয়েছে, পাশাপাশি দেশটির অভ্যন্তরেও ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমে সহায়তা দিতে উড়োজাহাজগুলো কাজে লাগানো হতে পারে।
ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে ইতোমধ্যে কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন শত শত মানুষ। তবে ধ্বংসস্তূপের নিচে বসবাসরত আরও অনেকের আটকা পড়ে থাকার কারণে প্রাণহানির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় গত এক শতাব্দীর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার এই ভূমিকম্পে রাজধানী কারাকাসসহ দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনা ঘটেছে। দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্যানুযায়ী, এ পর্যন্ত অন্তত ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন সাত শতাধিক মানুষ। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অনেকে আটকা পড়ে থাকায় প্রাণহানির সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সোর্স: আল জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভেনেজুয়েলায় গত ১০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় ও প্রাণঘাতি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। সবশেষ তথ্যমতে, দেশটিতে আঘাত হানা জোড়া ভূমিকম্পে ১৬৪ জন নিহত হয়েছেন। এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ভূমিকম্প হয় কেন? পৃথিবীর বাইরের অংশ ভিন্ন ভিন্ন ভাগে বিভক্ত হয়ে রয়েছে। যেগুলোকে টেকটোনিক প্লেট বলা হয়। এগুলো অনেকটা পৃথিবীর পাজেলের অংশের মতোই।
এই টেকটোনিক প্লেটগুলো খুব ধীরে নড়াচড়া করে। সম্ভবত এক বছরে এগুলো এক সেন্টিমিটার পরিমাণ নড়তে পারে। অনেকটা মানুষের নখের বৃদ্ধির মতো। যদি কোনো মানুষ নখ কাটতে না পারেন, তাহলে এক বছরে তার নখ এক সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। টেকটোনিক প্লেটও ঠিক এতটুকুই নড়ে।
যেহেতু একটি প্লেট অন্য একটি প্লেটের গায়ে ঘষে নড়ে বা সরে, এতে দুইটি প্লেট আটকে যেতে পারে। এই আটকে যাওয়ার ফলে দুটি প্লেটের মধ্যে লম্বা সময় ধরে চাপ তৈরি হয়।
একসময় এই চাপ অত্যন্ত বেশি হয়ে যায়। তখন একটি প্লেট আরেকটি প্লেটকে ধাক্কা মারে অথবা পিছলে পেছন দিকে সরে আসে।
দুই প্লেটের মধ্যে ধাক্কা বা সরে আসার কারণে প্রচুর পরিমাণে শক্তি বের হয়ে আসে। তখনই আমাদের চারপাশ কেঁপে ওঠে। ধ্বংসাত্মক এই ঘটনাটিকে আমরা ভূমিকম্প হিসেবে অভিহিত করি।
ভেনেজুয়েলার উত্তরাঞ্চল ক্যারিবিয়ান এবং দক্ষিণ আমেরিকান টেকটোনিক প্লেটের সীমান্তে অবস্থিত। ফলে ভেনেজুয়েলা একটি ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। এখানে প্রায়ই ভূমিকম্প আঘাত হানে। তবে গতকাল সন্ধ্যায় পর পর বড় দুটি বড় ভূমিকম্প দেশটির বাসিন্দাদের কাছে বিশেষভাবে অবাক করার ছিল।
সূত্র: বিবিসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় এবং চিকিৎসক পদবি ব্যবহার করে প্রতারণার অভিযোগে বাদল বরণ বড়ুয়াকে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি দলের কাউখালী উপজেলা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং রাঙামাটি জেলা কমিটির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য ছিলেন। দলটির রাঙামাটি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জুঁই চাকমা স্বাক্ষরিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সংবাদ প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাদল বরণ বড়ুয়া প্রায় ১২ বছর ধরে দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং তিনি নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে পরিচয় দিচ্ছিলেন। তবে সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য এবং পরবর্তী যাচাই-বাছাইয়ের ভিত্তিতে তাঁর মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার কোনো সরকারি প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাদল বরণ বড়ুয়ার নামের সঙ্গে কোনো মুক্তিযোদ্ধা পরিচিতি নম্বর, লাল মুক্তিবার্তা তালিকা, ভারতীয় মুক্তিযোদ্ধা তালিকা, বেসামরিক গেজেট অথবা গেরিলা বাহিনীর গেজেটে নাম পাওয়া যায়নি।
এছাড়াও, তিনি কোনো স্বীকৃত ডিগ্রিধারী চিকিৎসক নন, কিন্তু তবুও নামের আগে ‘ডাঃ’ পদবি ব্যবহার করে আসছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। দলের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি ভাতাপ্রাপ্ত বা গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা না হওয়া সত্ত্বেও তাঁর নামের সঙ্গে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ উপাধি ব্যবহার করেছেন, যা দলের নীতিমালা ও আদর্শের পরিপন্থী হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
অতএব, পার্টির গঠনতন্ত্রের ২৬ ধারার উপধারা-০৩ এর (ঞ) ক্রমিক অনুযায়ী জনগণের স্বার্থবিরোধী এবং মার্কসবাদ-লেনিনবাদী নীতিবোধের পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের জন্য বাদল বরণ বড়ুয়াকে দলের সকল পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ