ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাধ্যতামূলক অবসরে বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা, বেতন কমল ৫ জনের


বাধ্যতামূলক অবসরে বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা, বেতন কমল ৫ জনের

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ১৭ জন কর্মকর্তাকে একসাথে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। একই সাথে আরও পাঁচ জন কর্মকর্তার বেতন সর্বনিম্ন স্তর বা গ্রেডে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বিএসইসি প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম একসাথে এত জন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর ঘটনা ঘটল।

সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, গতকাল মঙ্গলবার বিএসইসি এসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আজ বুধবার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পেয়েছেন বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: আইনের শাসনে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ, ১২৩তম অবস্থান

জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৫ মার্চ তৎকালীন বিএসইসি কমিশনার ও চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদকে চার ঘণ্টার বেশি সময় অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনায় মোট ২২ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ওই ঘটনার পর ফৌজদারি মামলা এবং সরকারি বিধি অনুযায়ী তদন্ত ও বিভাগীয় মামলা হয়।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের তদন্তে অভিযুক্ত ও অভিযোগকারীদের বক্তব্য নেওয়ার পর সরকারের পক্ষ থেকে ২৩ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। তাদের মধ্যে একজন ইতিমধ্যে অন্য একটি অভিযোগে চাকরিচ্যুত হয়েছেন, তাই তার বিরুদ্ধে নতুন করে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

২০২৫ সালের ৫ মার্চ বিএসইসি কর্মকর্তারা তৎকালীন চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের চার ঘণ্টার বেশি সময় অবরুদ্ধ করে রাখেন।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের অভিযানে ৩৫৪ জন গ্রেফতার

পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা গিয়ে তাদের উদ্ধার করেন।

বিএসইসির তৎকালীন নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমানকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর প্রতিবাদে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ওই কর্মসূচি পালন করেন। তারা কমিশনের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে কর্মবিরতিও পালন করেন। এতে কয়েক দিন বিএসইসিতে অচলাবস্থা ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়।

ওই ঘটনায় করা মামলার অভিযোগে বলা হয়, কমিশনের সভা চলাকালে একদল কর্মকর্তা-কর্মচারী জোর করে সভাকক্ষে প্রবেশ করে চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের অবরুদ্ধ করেন।

পরে কমিশনের মূল ফটকে তালা দেওয়া হয়। একই সাথে সিসিটিভি ও ওয়াই-ফাই সংযোগ বন্ধ, লিফট অচল এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়।

আরও পড়ুন: শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী

সরকারি তদন্ত ও বিভাগীয় প্রক্রিয়া শেষে ওই ঘটনায় জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এবার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রদের ওপর হামলার অভিযোগ-নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৯ পি.এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রদের ওপর হামলার অভিযোগ-নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার দাবি

গানের কনসার্টকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জামিয়া দারুল আরকাম মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ও হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, রাতে পুলিশ লাইনে উচ্চ শব্দে কনসার্ট চলায় পাশের জামিয়া দারুল আরকাম মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ঘুম ও পড়াশোনায় বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীরা শব্দ কমানো কিংবা কনসার্ট বন্ধের অনুরোধ জানালে পুলিশের কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে তাদের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের ওপর অসৌজন্যমূলক আচরণ ও হামলার অভিযোগ ওঠে।

ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কোনো পক্ষ দোষী প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে ঘটনাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি। কোনো পক্ষের অন্যায়কে প্রশ্রয় না দিয়ে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঘটনার বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাফিজ সাইদ কাশ্মিরে ১০ হাজার সন্ত্রাসী পাঠিয়েছিলেন, পাকিস্তানি আলেমের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪১ পি.এম


হাফিজ সাইদ কাশ্মিরে ১০ হাজার সন্ত্রাসী পাঠিয়েছিলেন, পাকিস্তানি আলেমের দাবি

পাকিস্তানের জনপ্রিয় ইসলামী বক্তা ও আলেম আল্লামা নাসির মাদনী দাবি করেছেন যে, লস্কর-ই-তৈয়বার প্রধান হাফিজ সাইদ জম্মু-কাশ্মিরে ১০ হাজার লস্কর যোদ্ধা পাঠিয়েছিলেন। গত ১৪ আগস্ট পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাহাওয়ালনগরে আয়োজিত এক সমাবেশে নাসির মাদনী এ মন্তব্য করেন।

তার এ বক্তব্যের মাধ্যমে নিষিদ্ধ সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বা এবং এর প্রধান হাফিজ সাইদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগের স্বীকৃতি প্রকাশ হলো।

লস্কর-ই-তৈয়বার রাজনৈতিক শাখা মারকাজি মুসলিম লীগ আয়োজিত ওই সমাবেশে নাসির মাদনী লস্কর প্রধান হাফিজ সাইদের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। সমাবেশে নাসির মাদনী ঘোষণা করেছেন যে, লস্কর-ই-তৈয়বা সফলভাবে কাশ্মীর উপত্যকায় অনুপ্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছে। সন্ত্রাসী নেতা হাফিজ সাইদের প্রশংসা করে মাদনী তাকে এমন একজন ব্যক্তি হিসেবে চিত্রিত করেছেন, যিনি তার মাতৃভূমি এবং কাশ্মীরী এজেন্ডার জন্য নিজের জীবন ও সবকিছু উৎসর্গ করেছেন।

নাসির মাদনীর এই বিস্ফোরক বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। ভারতের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মাদনীর এই বক্তব্যটি পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় মদদে সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ এবং ভারতের বিরুদ্ধে প্রক্সি ওয়ার পরিচালনার আরো একটি বড় প্রমাণ।

আল্লামা নাসির মাদনী হচ্ছেন পাকিস্তানের একজন সুপরিচিত এবং আলোচিত ইসলামি বক্তা। তার প্রথাগত ধর্মীয় আলোচনার বাইরে নিজস্ব বাচনভঙ্গি, কৌতুকরস এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের উপস্থিতির কারণে তিনি বেশ সমাদৃত ও বিতর্কিত।

তার নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা ১ মিলিয়নেরও বেশি।

পাকিস্তানের গোয়েন্দা সূত্র এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানা যায়, নাসির মাদনীর সঙ্গে পাকিস্তানের নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বা এবং জৈশ-ই-মোহাম্মদ-এর সংযোগ রয়েছে বলে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

আল-কায়েদা এবং তালেবানের সঙ্গে যোগসূত্র থাকার কারণে ২০০৫ সালে জাতিসংঘ লস্কর-ই-তৈয়বাকে নিষিদ্ধ করে। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সাইদকে তাদের বৈশ্বিক সন্ত্রাসীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। লস্কর প্রধান হাফিজ সাইদ ভারতে একাধিক সন্ত্রাসী হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত।

২৬/১১-এর মুম্বাই হামলাসহ ভারতের প্রধান প্রধান সন্ত্রাসী হামলার তদন্তেও তার নাম আবির্ভূত হয়। গত জুলাই মাসে, পহেলগাম সন্ত্রাসী হামলা মামলার প্রেক্ষিতে জম্মুর একটি আদালত সাইদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ওয়ারেন্ট জারি করেছে।

২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর মুম্বইয়ে হামলার ঘটনায় মুম্বাই পুলিশ হাফিজ সাইদসহ ৬ পাকিস্তানি আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘অনুপস্থিতিতে বিচার’ প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর রাতে ১০ জন সন্ত্রাসী সমুদ্রপথে মুম্বাইতে প্রবেশ করে। পরবর্তী চার দিন ধরে তারা শহরজুড়ে সমন্বিত হামলা চালায়, যার ফলে ১৬৬ জন নিহত এবং প্রায় ৩০০ জন আহত হয়। এই হামলা মুম্বাইয়ের সবচেয়ে ব্যস্ত এবং প্রধান কিছু স্থানকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ব্রাহ্মণবাড়িয়া

পুলিশ লাইন্সে হামলা, আহত ৩০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪৫ পি.এম


পুলিশ লাইন্সে হামলা, আহত ৩০

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ লাইন্সে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উচ্চস্বরে গান চলাকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই হামলার ফলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি সম্পূর্ণরূপে পণ্ড হয়ে যায়।

ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত ১১টার সময় পৌর এলাকার পশ্চিম মেড্ডার পুলিশ লাইন্সের ভিতরে।

এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে পুলিশের লাঠিচার্জের ফলে মাদরাসার অন্তত ২০ শিক্ষার্থী আহত হন। অন্যদিকে, হামলার প্রথম দিকে কয়েকজন পুলিশ সদস্যও আহত হন। সব মিলিয়ে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে।

এ ঘটনার পর গভীর রাত পর্যন্ত উত্তেজনা বিরাজ করে। দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা শেষে পরিস্থিতি ক্রমশ স্বাভাবিক হয়ে আসে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজির আগমন উপলক্ষে জেলা পুলিশের উদ্যোগে পুলিশ লাইন্সের ভিতরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলছে। এসময় উচ্চস্বরে গান বাজানো হলে মাদরাসার শিক্ষার্থীরা গান কমাতে বলে।

এ নিয়ে পুলিশ ও মাদরাসার ছাত্রদের মধ্যে তর্কবিতর্ক শুরু হয়। পরে শতাধিক শিক্ষার্থী পুলিশ লাইন্সের ভিতরে প্রবেশ করে হামলা ও ভাঙচুর চালাতে থাকে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে লাঠিচার্জ করতে বাধ্য হয়।

পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ, জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলামসহ অন্যান্যরা আলোচনা করতে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বসেন। মাদরাসার ছাত্ররা পুলিশ লাইনে আর কখনও উচ্চস্বরে গান না বাজানোর জন্য দাবি জানান এবং ছাত্রদের ওপর হামলাকারীদের বিচার চেয়ে ন্যায়বিচারের দাবি জানান।

 

পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, যদি কেউ অতি উৎসাহী হয়ে কিছু করে থাকে, তাহলে এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দামেস্কে প্রতিবন্ধীদের কোরআন শিক্ষায় নতুন উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪৬ পি.এম


দামেস্কে প্রতিবন্ধীদের কোরআন শিক্ষায় নতুন উদ্যোগ

সিরিয়ার দামেস্কের ধর্মীয় ওয়াকফ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে দৃষ্টি, শ্রবণ, বাক এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পবিত্র কোরআন শেখানোর, মুখস্থ করার এবং তিলাওয়াতের সুযোগ বৃদ্ধি করতে নতুন একটি বিশেষায়িত প্রকল্প চালু করা হয়েছে।

এই প্রকল্পটির উদ্বোধন করা হয় দামেস্কের আল-তিজারা এলাকার আল-কুসুর মসজিদে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিরীয় আরব প্রজাতন্ত্রের গ্র্যান্ড মুফতি শেখ ওসামা আব্দুল করিম আল-রিফাই এবং ধর্মীয় ওয়াকফমন্ত্রী মুহাম্মদ আবু আল-খায়ের শুকরি।

ধর্মীয় ওয়াকফ অধিদপ্তর জানায়, সমাজের কোনো মানুষ যেন প্রতিবন্ধকতার কারণে কোরআন শিক্ষা ও ধর্মীয় কার্যক্রম থেকে পিছিয়ে না থাকেন—এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পটির আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধী ব্যক্তির প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষায়িত শিক্ষাক্রম এবং প্রশিক্ষণ পদ্ধতি তৈরি করা হবে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা পবিত্র কোরআন শিখতে, মুখস্থ করতে ও সঠিকভাবে তিলাওয়াত করতে সক্ষম হবেন।

এছাড়া, ধর্মীয় ও কোরআনিক শিক্ষায় তাদের অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং সমাজে তাদের সক্রিয় উপস্থিতি দৃঢ় করার লক্ষ্যে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ, আচরণ এবং শিক্ষাদানের জন্য দক্ষ বিশেষজ্ঞ শিক্ষক তৈরির উদ্যোগও নেওয়া হবে। প্রশিক্ষিত শিক্ষকদের দ্বারা তাদের জন্য উপযোগী শিক্ষা-পদ্ধতি চালু করা হবে, যাতে তারা ধর্মীয় শিক্ষা কার্যক্রমে কার্যকরভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে।

দামেস্কের ধর্মীয় ওয়াকফ অধিদপ্তরের এই উদ্যোগগুলো ধর্মীয় শিক্ষায় প্রতিবন্ধী এবং সাধারণ—সব শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে।

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য আলাদা শিক্ষাব্যবস্থা এবং কোরআনের শিক্ষার্থীদের জন্য সৃজনশীল ক্যাম্প আয়োজনের মাধ্যমে ধর্মীয় শিক্ষাকে আরো অন্তর্ভুক্তিমূলক, মানবিক এবং অংশগ্রহণমূলক করার প্রচেষ্টা স্পষ্ট হয়েছে। পবিত্র কোরআনের শিক্ষা মানুষের হৃদয়কে আলোকিত করে। সেই আলো থেকে কোনো ব্যক্তি যেন প্রতিবন্ধকতার কারণে বঞ্চিত না হয়—এই আশাব্যঞ্জক উদ্যোগের উদ্দেশ্য।

সূত্র : সৌদি প্রেস এজেন্সি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%