ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা


দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামের ওঠানামা দেশের বাজারে প্রভাব ফেলছে। এর ফলে মূল্যবান এই ধাতুর দাম প্রায়ই পরিবর্তিত হচ্ছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) কর্তৃক নির্ধারিত সর্বশেষ মূল্য অনুযায়ী, সোমবার (৫ অক্টোবর) দেশের বাজারে সোনা ও রুপার গহনা বিক্রি হচ্ছে।

বাজুসের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৩০ সেপ্টেম্বর ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ানো হয়। এর আগে ২৯ সেপ্টেম্বর একই মানের সোনার দাম সমপরিমাণ কমানো হয়েছিল সংগঠনটির পক্ষ থেকে।

নতুন দর অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনা ক্রেতাদের জন্য ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: টেকসই জ্বালানি উদ্ভাবনে আইডিয়া জমা দেওয়ার আহ্বান

এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সর্বশেষ মূল্য সমন্বয়ে ২১ ক্যারেটের সোনার দাম ভরিতে ২ হাজার ৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ১ হাজার ১০৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।

সোনার পাশাপাশি, দেশের বাজারে রুপার গহনার দামও বাজুস দ্বারা নির্ধারণ করা হয়েছে। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা।

অন্যদিকে, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে মূল্যস্ফীতি ও দারিদ্র্য কমবে: বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নির্ধারিত এই দর কার্যকর থাকবে। তবে গহনার নকশা ও কাজের ধরন অনুযায়ী নির্ধারিত দামের সঙ্গে মজুরি যুক্ত হতে পারে।

সংগঠনটির নিয়ম অনুযায়ী, সোনা ও রুপার অলংকারের নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের মধ্যে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তাই বিক্রয়মূল্যের বাইরে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায়ের সুযোগ নেই।

এছাড়া, পুরোনো সোনা-রুপার অলংকার কেনাবেচা অথবা গহনা বদলের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে বাজুসের প্রচলিত নিয়ম অনুসরণ করা হবে।

আরও পড়ুন: ঘুরে দাঁড়াচ্ছে রিজার্ভ, বেড়ে ৩৬.৩০ বিলিয়ন ডলার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পক্ষাঘাতগ্রস্ত বিএনপি নেতার পরিবারের পাশে ডেপুটি স্পিকার,দিলেন ইজিবাইক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ উজ্জ্বল মিয়া, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৯ এম


পক্ষাঘাতগ্রস্ত বিএনপি নেতার পরিবারের পাশে ডেপুটি স্পিকার,দিলেন ইজিবাইক

দীর্ঘ দেড় বছর ধরে পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. সাজ্জাদুর রহমান সাজলের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। পরিবারের আয়-রোজগারের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সংকটে থাকা পরিবারটির জন্য তিনি একটি অটো ইজিবাইক উপহার দিয়েছেন।

রোববার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যার আগে কলমাকান্দা উপজেলা সদরের পশ্চিম বাজারে ‘কলমাকান্দা মটরস’ শোরুমে সাজলের পরিবারের সদস্যদের হাতে ইজিবাইকটি তুলে দেওয়া হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় দেড় বছর ধরে পক্ষাঘাতে আক্রান্ত সাজ্জাদুর রহমান সাজল কোনো কাজ করতে পারছেন না। তিনি ছিলেন পরিবারের অন্যতম প্রধান উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার অসুস্থতার পর সংসারের আয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিবারটি আর্থিক সংকটে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে ইজিবাইক পেয়ে তারা নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা করছেন।

তারা বলেন, ইজিবাইক থেকে পাওয়া আয় দিয়ে সংসারের ব্যয় মেটানোর পাশাপাশি ধীরে ধীরে আর্থিক সংকট কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করবেন তারা। এ উদ্যোগের জন্য ব্যারিস্টার কায়সার কামালের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান পরিবারের সদস্যরা।

ইজিবাইক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলমাকান্দা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এমএ খায়ের, সহসভাপতি এম এ মতিন, সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ আর নাজিম ও মো. রফিকুল ইসলাম।

এ ছাড়া সদর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি শামসুজ্জামান মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. জহিরুল ইসলাম জহির, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন আজাদ (আইনল), ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইশতিয়াক হাসান সৌরভসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলেন, রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে অসুস্থ একজন মানুষের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ করে দেওয়া একটি মানবিক উদ্যোগ। ইজিবাইকটি সাজলের পরিবারের আর্থিক সংকট কিছুটা হলেও কমাতে ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিম্নমানের সামগ্রীতে সেতু নির্মাণ, বারহাট্টায় কাজ বন্ধ করল প্রশাসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ উজ্জ্বল মিয়া, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪১ এম


নিম্নমানের সামগ্রীতে সেতু নির্মাণ, বারহাট্টায় কাজ বন্ধ করল প্রশাসন

নেত্রকোনার বারহাট্টায় প্রায় এক কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন একটি বক্স কালভার্টে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট নথি সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধীনে ‘গ্রামীণ রাস্তায় ১৫ মিটার দৈর্ঘ্য পর্যন্ত সেতু/কালভার্ট নির্মাণ (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বারহাট্টা উপজেলার আসমা ইউনিয়নের গোড়ল কাউনাই নদীর ওপর আশরাফুলের বাড়ির পাশে ৭ দশমিক ৯৩ মিটার দৈর্ঘ্যের বক্স কালভার্টটি নির্মাণ করা হচ্ছে। কাজটির দায়িত্ব পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স আবির ট্রেডার্স। নথিতে প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী হিসেবে মো. রুবেল ভূঁইয়ার নাম রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণকাজের শুরু থেকেই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে। সুরকি, জমাট বাঁধা সিমেন্ট, কাদামিশ্রিত পাথর ও ময়লাযুক্ত বালু ব্যবহারের পাশাপাশি ঢালাইয়ে মরিচাধরা রড ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ছয় মাস আগে ঢালাইয়ের প্রস্তুতির সময় সেন্টারিংসহ একটি অংশ ভেঙে পড়ে। এরপরও কাজের গতি ছিল ধীর। এর মধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আগাম বিল তুলে নিয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।

রোববার (৪ অক্টোবর) পুনরায় সেতুর ঢালাইয়ের কাজ শুরু হলে স্থানীয়রা সেখানে কাদাযুক্ত পাথর ও জমাট সিমেন্ট ব্যবহারের অভিযোগ তোলেন। পরে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়। খবর পেয়ে বাদ আসর ঘটনাস্থলে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেলিনা আক্তার ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ওবায়েদ উল্লাহ।

ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর চলমান ঢালাইয়ের কাজ বন্ধের নির্দেশ দেন কর্মকর্তারা।

স্থানীয় বাসিন্দা সুহেল মিয়া বলেন, ‘এই সেতুতে স্মরণকালের সবচেয়ে বাজে কাজ হয়েছে। মরিচাধরা রডের ওপরও ঢালাই দেওয়া হচ্ছিল।’

আরেক বাসিন্দা আনিস তালুকদার বলেন, ‘আমার বাড়ির কাছেই কাজ হচ্ছে। উপজেলা থেকে কাউকে নিয়মিত তদারকি করতে দেখিনি। পুরো কাজই দুই নম্বর হয়েছে। প্রশাসন এসে কাজ বন্ধ করায় আমরা স্বস্তি পেয়েছি।’

পিআইও ওবায়েদ উল্লাহ বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজের অনিয়ম পেয়েছি। তাৎক্ষণিকভাবে কাজ বন্ধ করতে বলা হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত চিঠি দেওয়া হবে।’

ইউএনও সেলিনা আক্তার বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী আমরা কাজটি পরিদর্শনে যাই। কিছু অনিয়মের প্রেক্ষিতে কাজটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।’ স্থানীয়দের পক্ষ থেকে শুরু থেকেই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও কাদার মধ্যে ঢালাই দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ এলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এদিকে সরকারি নথিতে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মো. রুবেল ভূঁইয়ার মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন, তিনি নিজে কাজটি করছেন না; তার লাইসেন্স ব্যবহার করে তার বড় ভাই আবুল কাজটি করছেন। তবে নথিতে তার নাম থাকায় নিয়ম অনুযায়ী দায়বদ্ধতার বিষয়টি জানানো হলে তিনি তা স্বীকার করেন এবং বিষয়টি নিয়ে ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলে খোঁজ নেওয়ার কথা জানান।

অন্যদিকে প্রকল্পের তদারকির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের নিয়মিত উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের নিয়মিত তদারকি না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ চলেছে।

পরিদর্শনের সময় স্থানীয়দের ভিডিও ধারণে এক আনসার সদস্য বাধা দিয়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

প্রশাসনের হস্তক্ষেপে আপাতত নির্মাণকাজ বন্ধ হলেও পুরোপুরি আশ্বস্ত নন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, ইতোমধ্যে সেতুর বড় একটি অংশ নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। তাই শুধু কাজ বন্ধ নয়, নির্মিত অংশের গুণগত মানও কারিগরি বিশেষজ্ঞ দিয়ে পরীক্ষা করতে হবে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, নির্মাণকাজে অনিয়মের যথাযথ তদন্ত ও ব্যবস্থা না নিলে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই সেতু ভবিষ্যতে এলাকাবাসীর জন্য নিরাপদ যোগাযোগের মাধ্যমের বদলে বড় ধরনের ঝুঁকিতে পরিণত হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সড়কে নির্মাণসামগ্রী রাখায় বারহাট্টায় ৫ জনকে জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ উজ্জ্বল মিয়া নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৩ এম


সড়কে নির্মাণসামগ্রী রাখায় বারহাট্টায় ৫ জনকে জরিমানা

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার গোবিন্দপুর বাজারে সড়কের ওপর ইট, বালু ও সুরকি রেখে জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করায় পাঁচজনকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।


রোববার (৪ অক্টোবর) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে নেতৃত্ব দেন বারহাট্টা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজেদুল ইসলাম।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে গোবিন্দপুর বাজারের বিভিন্ন সড়কে যত্রতত্র নির্মাণসামগ্রী ফেলে রাখায় যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে এদিন আকস্মিক অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন।

অভিযানকালে সড়কের ওপর ইট ও সুরকি রেখে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির প্রমাণ পাওয়ায় পাঁচ ব্যক্তির বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা করা হয়। পরে ‘মহাসড়ক আইন, ২০২১’-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তাদের মোট ৭ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

এ সময় শুধু জরিমানা নয়, বাজারের সার্বিক শৃঙ্খলা ফেরাতে বেশ কিছু নির্দেশনাও দেওয়া হয়। পথচারীদের চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

এ ছাড়া বাজারের যানজট কমাতে চাল ও ধানের গুদাম মালিকদের মালামাল ওঠানো-নামানোর সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে রাত ৮টা থেকে পরদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত গুদামে লোড-আনলোড করা যাবে।

অভিযানের অংশ হিসেবে গোবিন্দপুর বাজারের এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর ‘মেসার্স বিশাল এন্টারপ্রাইজ’-এর গোডাউনও তদারকি করা হয়। তবে সেখানে নতুন কোনো চালান বা মজুত পাওয়া যায়নি; গোডাউনে শুধু খালি গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যায়।

অভিযান প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজেদুল ইসলাম বলেন, সড়কের ওপর ইট, বালু, পাথরসহ বিভিন্ন মালামাল ফেলে রাখায় যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটে। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ে।

তিনি বলেন, ‘মানুষ যেন সড়কে নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে, সেটিই প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’

প্রশাসনের এ অভিযানে স্থানীয় পথচারী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোনায় বিসিএসের নবীন কর্মকর্তাদের মাঠ সমীক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ উজ্জ্বল মিয়া, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৫ এম


নেত্রকোনায় বিসিএসের নবীন কর্মকর্তাদের মাঠ সমীক্ষা

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) নবীন কর্মকর্তাদের তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি মাঠ প্রশাসনের বাস্তব চ্যালেঞ্জ ও কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা দিতে নেত্রকোনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে মাঠ সমীক্ষা।

রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে সাভারের বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (বিপিএটিসি) ৮১তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের অংশ হিসেবে বিভিন্ন ক্যাডারের ১৫ জন প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তা নেত্রকোনা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় পরিদর্শন করেন।

দুপুর ১২টার দিকে কর্মকর্তারা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পৌঁছালে তাদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) রেজওয়ান আহমেদ (পিপিএম)। এ সময় জেলা পুলিশ কার্যালয়ে আন্তরিক ও উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

পরিদর্শনকালে প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তাদের সামনে নেত্রকোনার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ধারণা তুলে ধরা হয়। পরে জেলা পুলিশের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে একটি মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়।

প্রেজেন্টেশনে জেলা পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামো, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন, জনসেবা এবং মাঠ পর্যায়ে পুলিশের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং, সাইবার অপরাধ দমন, মাদকবিরোধী অভিযান ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের বিভিন্ন উদ্যোগ ও অর্জনের বিষয়েও প্রশিক্ষণার্থীদের অবহিত করা হয়।

পরে অনুষ্ঠিত হয় প্রশ্নোত্তর পর্ব। এতে প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পুলিশের কর্মপদ্ধতি এবং বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে প্রশ্ন করেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজওয়ান আহমেদ এসব প্রশ্নের উত্তর দেন এবং জনবান্ধব, পেশাদার ও প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিংয়ের মাধ্যমে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের কার্যক্রম তুলে ধরেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এ ধরনের মাঠ সমীক্ষার মাধ্যমে নবীন ক্যাডার কর্মকর্তারা মাঠ প্রশাসনের বাস্তব চিত্র, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ভূমিকা সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছেন। ভবিষ্যতে জনবান্ধব ও কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণে এ অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এ সময় জেলা পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মাহফুজা খাতুন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম এবং সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার স্বজল কুমার সরকার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%