ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চৌদ্দগ্রামে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় ট্রাক চালক নিহত


চৌদ্দগ্রামে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় ট্রাক চালক নিহত

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ট্রাকের পিছনে চলন্ত কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় চালক কাজী জাফর (৩৫) নিহত হয়েছেন। রবিবার (৭ জুন) সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আমজাদের বাজার এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

কাজী জাফর ভোলার বোরহানউদ্দিন থানার মানিকারহাট গ্রামের জসিরুল ইসলামের ছেলে। মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাজিম উদ্দিন বলেন, সকালে চট্টগ্রামমুখী রোডে চলন্ত অবস্থায় কাভার্ডভ্যান (ঢাকা মেট্রো ন ২০-৬৫৭৫) গাড়িটি সামনে থাকা বিকল ট্রাকের পিছনে সজোরে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলে কাভার্ডভ্যানচালক গুরুতর আহত হন। এই ঘটনায় স্থানীয়রা তাকে তাৎক্ষণিক উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের বিষয়টি প্রমাণিত: বিচারক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:২৫ এম


রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের বিষয়টি প্রমাণিত: বিচারক

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও গলাকেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা আলোচিত মামলার রায় পড়া শুরু হয়েছে।

বিচারক জানিয়েছেন, তাকে হত্যার আগে ধর্ষণের বিষয়টি সুরতহাল রিপোর্টে প্রমাণিত।

রোববার (৭ জুন) বেলা ১১টার দিকে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন রায় পড়া শুরু করেন।

বিচারক বলেন, সুরতহাল রিপোর্টে প্রমাণ হয়েছে রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছে। সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রমাণিত হয়েছে। স্বপ্না সোহেল রানার মতো একই অপরাধে অপরাধী। ধর্ষণ পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যাথিত করে।

এদিন সকালে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। পরে তাদের আদালতের মহানগর হাজতখানায় রাখা হয়।

এ ছাড়া, মেয়ের হত্যার রায় শুনতে আদালতে এসেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা। সকালে ঢাকা মহানগর আদালত প্রাঙ্গণে তাকে দেখা যায়। রায় ঘিরে উৎসুক মানুষের ভিড়ও লক্ষ্য করা গেছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেছিলেন আদালত।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকালে সে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

মেয়ের খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের ঘরের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেয়া হলে পুলিশ এসে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেফতার করে।

এই নৃশংস ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষে রেকর্ড গড়ে মাত্র ৫ দিনের মাথায় (২৪ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এরপর গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। মামলাটিতে মোট ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ এই রায় দিচ্ছেন আদালত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লবণ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে প্রতিকূল আবহাওয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:২৬ এম


লবণ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে প্রতিকূল আবহাওয়া

প্রতিকূল আবহাওয়া, ঘন কুয়াশা এবং মৌসুমের শেষের দিকে টানা বৃষ্টির কারণে ২০২৫-২৬ মৌসুমে লবণ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হয়নি। তবে মৌসুম শেষ হওয়ার পরও কিছু এলাকায় উৎপাদন অব্যাহত থাকায় মোট উৎপাদন আরও কিছুটা বাড়তে পারে, বলে আশা করা হচ্ছে।

বিসিক কক্সবাজার লবণ শিল্পের উন্নয়ন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে দেশে লবণের চাহিদা ছিল ২৭ লাখ ১৫ হাজার মেট্রিক টন। এর বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ১৯ লাখ ৪৪ হাজার ৯২৬ মেট্রিক টন, যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ৭ লাখ ৭০ হাজার মেট্রিক টন কম।

গত বছরের ১২ নভেম্বর কুতুবদিয়ায় লবণ উৎপাদন শুরু হয় এবং চলতি বছরের ২৫ মে মৌসুম শেষ হয়। প্রায় ১৯৪ দিনের এ সময়ে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের উপকূলীয় এলাকায় ৪০ হাজার ১৫০ জন চাষি ৬৭ হাজার ৭৫৭ একর জমিতে লবণ উৎপাদন করেন। একরপ্রতি গড় উৎপাদন হয়েছে ২৮ দশমিক ৭০ মেট্রিক টন।

বিসিকের উপ-মহাব্যবস্থাপক জাফর ইকবাল ভুঁইয়া বলেন, পুরো মৌসুমে আবহওয়াই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এপ্রিলের শেষ থেকে মে মাসের শুরু পর্যন্ত টানা বৃষ্টির কারণে উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। মৌসুমজুড়ে প্রায় ৩৬ দিন উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ ছিল।

এছাড়া অতিরিক্ত কুয়াশা ও বৃষ্টির কারণে উৎপাদনে বড় ধস নেমেছে, জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ২৪ ও ২৫ মে’র বৃষ্টিপাত মৌসুমের শেষ ধাক্কা হিসেবে কাজ করেছে। একই সঙ্গে চিংড়ি চাষের জন্য জমিতে জোয়ারের পানি প্রবেশ করানোয় অনেক লবণ মাঠ নির্ধারিত সময়ের আগেই বন্ধ হয়ে যায়।

এদিকে, সরকারিভাবে মৌসুম শেষ হলেও কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় এখনও লবণ উৎপাদন চলছে। অনুকূল আবহাওয়া ও তীব্র তাপদাহের কারণে অনেক চাষি এখনও মাঠে কাজ করছেন।

কক্সবাজার সদরের পোকখালী এলাকার চাষি মোজাম্মেল হক জানান, বৃষ্টির পর আবহাওয়া ভালো হওয়ায় আবারও উৎপাদন বাড়তে শুরু করেছে। বর্তমানে এক কানি জমি থেকে প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ মণ পর্যন্ত লবণ পাওয়া যাচ্ছে।

একই এলাকার চাষি শাহাদাত হোসেন বলেন, উৎপাদন বাড়লেও বর্তমান বাজারদরে কাঙ্ক্ষিত লাভ হচ্ছে না। উৎপাদন খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

চাষি জসিম উদ্দিনও একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানান। তিনি বলেন, মৌসুমের শুরুতে প্রতি মণ লবণ ১৮০ টাকায় বিক্রি করেছি। পরে ধাপে ধাপে দাম বেড়ে ৩০০ টাকায় পৌঁছায়। বর্তমানে প্রায় ৪০০ টাকা হলেও সব খরচ বাদ দিলে লাভ খুব বেশি থাকে না।

অন্যদিকে চাষি আব্দুল কাদেরের মতে, প্রতি মণ লবণের দাম ৪০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে হলে চাষিরা প্রকৃত অর্থে লাভবান হবেন। এর চেয়ে কম দামে টিকে থাকা কঠিন।

তবে ব্যবসায়ীরা বাজার পরিস্থিতি নিয়ে তুলনামূলক স্বস্তির কথা বলছেন। লবণ ব্যবসায়ী মতিউর রহমান জানান, দেশে লবণের কোনো সংকট নেই। মাঠ ও মিল; উভয় জায়গাতেই পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।

একই ধরনের মন্তব্য করে ব্যবসায়ী করিম সিকদার বলেন, উৎপাদন এখনও চলমান থাকায় বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। তবে দাম কিছুটা বাড়লে চাষিরা বেশি উপকৃত হবেন।

বিসিকের হিসাবে উৎপাদন প্রায় ১৯ লাখ টন হলেও কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্সের দাবি, প্রকৃত উৎপাদন এরই মধ্যে ২৩ লাখ টন ছাড়িয়েছে। চেম্বারের মুখপাত্র আবিদ আহসান সাগর বলেন, মাঠ পর্যায়ের বাস্তব উৎপাদন সরকারি হিসাবের চেয়ে বেশি হতে পারে। তাদের ধারণা অনুযায়ী বর্তমানে প্রায় ২৩ লাখ টন লবণ মজুত রয়েছে। কিছু পরিসংখ্যানগত পার্থক্য থাকলেও সামগ্রিক পরিস্থিতি ইতিবাচক এবং দেশের চাহিদা পূরণে কোনো সমস্যা হবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বালুবাহী ট্রাকের কারণে ভেঙে পড়ল বেইলি ব্রিজ, ময়মনসিংহ-ধোবাউড়া সড়ক যোগাযোগ বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:২৮ এম


বালুবাহী ট্রাকের কারণে ভেঙে পড়ল বেইলি ব্রিজ, ময়মনসিংহ-ধোবাউড়া সড়ক যোগাযোগ বন্ধ

ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার গোয়াতলা এলাকায় একটি বালুবাহী ট্রাক পারাপার করার সময়ে কংস নদীর ওপর নির্মিত স্টিলের বেইলি ব্রিজ ভেঙে পড়ার ফলস্বরূপ ধোবাউড়ার সঙ্গে জেলা সদরের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

রোববার (৭ জুন) ভোরের দিকে ব্রিজটি ধসে ট্রাকসহ নদীতে পড়ে যাওয়ার ফলে ব্যাপক দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন ধোবাউড়া ও গোয়াতলা এলাকার লাখো মানুষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধোবাউড়া-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক সড়কের গোয়াতলা বাজারের নিকটে কংস নদীর ওপর নির্মিত বেইলি ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। এছাড়া, বিভিন্ন সময় বাঁশ ও কাঠ দিয়ে জোড়াতালি দিয়ে যান চলাচল সচল রাখা হচ্ছিল। অবশেষে, রোববার ভোরের দিকে আনুমানিক ৪টার সময় একটি বালুভর্তি ট্রাক ব্রিজটি পার হতে গিয়ে সেটি ভেঙে নদীতে পড়ে যায়।

দুর্ঘটনার পর জানা গেছে, ট্রাকের চালক ও হেলপার আহত হয়েছেন। কিন্তু তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

ব্রিজটি ভেঙে পড়ার ফলে ময়মনসিংহ-ধোবাউড়া সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে, যার ফলে কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। বিকল্প পথে যাতায়াত করতে প্রায়ই অতিরিক্ত সময় এবং খরচ প্রসব করতে হচ্ছে তাদের।

ধোবাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোশাররফ হোসাইন বলেন, আজ ভোরের দিকে আনুমানিক ৪টার সময় ধোবাউড়া থেকে ময়মনসিংহগামী একটি বালুভর্তি ট্রাকের চাপে গোয়াতলা কংস নদীর ওপর নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ভেঙে পড়েছে। এর ফলে সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেছে। আমি সকালেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। উপজেলা প্রকৌশলীকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

তিনি এও জানাতে ভুলেননি যে, গত তিন দিন ধরে ব্রিজটির মেরামত কাজ চলছিল। কিন্তু ভারী যানবাহনের চাপের কারণে শেষমেষ ব্রিজটি ধসে পড়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার ছেলে রবিন খুদা ভারতে বিপুল বিনিয়োগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩১ এম


ঢাকার ছেলে রবিন খুদা ভারতে বিপুল বিনিয়োগ

বাংলাদেশি শিল্পপতি রবিন খুদা ভারতের ডাটা সেন্টার খাতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন।

তাঁর প্রতিষ্ঠিত সংস্থা এয়ারট্রাঙ্ক - ভারতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ক্রমবর্ধমান চাহিদাকে কাজে লাগাতে এই বিনিয়োগ করবে এয়ারট্রাঙ্ক।

এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত শুক্রবার (৫ জুন) ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। রবিন খুদার প্রতিষ্ঠিত সংস্থা এয়ারট্রাঙ্ক ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের বিভিন্ন স্থানে এই অর্থ বিনিয়োগ করবে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, রবিন খুদার জন্ম ও বেড়ে ওঠা ঢাকায়। তিনি রাজধানীর শের-ই-বাংলা নগর সরকারি বয়েজ স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। মাত্র ১৮ বছর বয়সে রবিন অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমান। সেখানে অ্যাকাউন্টিং নিয়ে পড়তে যান। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম ধনী ব্যক্তি তিনি। ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী তার সম্পদের পরিমাণ দুই বিলিয়ন ডলারের বেশি।

ফোর্বস এশিয়াকে এই বিনিয়োগের ব্যাপারে রবিন খুদা বলেছেন, ভারত বিশ্বের এমন হাতেগোনা কয়েকটি বাজারের একটি, যেখানে আমাদের বড় বড় পরিকল্পনা ও লক্ষ্যমাত্রার সাথে তাল মিলিয়ে চলার মতো বিপুল ভবিষ্যৎ চাহিদার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সব বাজারেরই আলাদা শক্তি থাকে, কিন্তু ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গ্রাফটা একেবারেই ভিন্ন। দেশটির জনসংখ্যা, ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের হার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে তাদের যে উচ্চাকাঙ্ক্ষা—এরকম দুর্দান্ত কম্বিনেশন বিশ্বের অন্য কোথাও তৈরি করা বেশ কঠিন।

ভারতে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করে রবিনের লক্ষ্য হলো বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশে এআই এবং ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের চাহিদা বৃদ্ধি করা। মোদির সঙ্গে রবিন দেখা করার পর তার কোম্পানি এয়ারট্রাঙ্ক এই বিশাল বিনিয়োগের ঘোষণা দেয়। কোম্পানিটি ভারতজুড়ে পাঁচ গিগাওয়াটের ডাটা সেন্টার তৈরি করবে।

এয়ারট্রাঙ্কের বিনিয়োগ নিয়ে মোদি মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে লিখেছেন, এ ধরনের বিনিয়োগের ফলে বৈশ্বিক ক্লাউড কম্পিউটিং ও এআই প্রযুক্তির কেন্দ্র হিসেবে ভারতের অবস্থান আরও মজবুত হবে। পাশাপাশি এটি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে, দেশীয় সাপ্লাই চেইনকে চাঙ্গা করবে এবং উদ্ভাবন-ভিত্তিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে আরও গতিশীল করবে।

৩০ বিলিয়ন ডলারের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগটি করা হবে মহারাষ্ট্রে। সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী দেভেন্দ্র ফাদনাভিস জানিয়েছেন, এয়ারট্রাঙ্ক মহারাষ্ট্রে ৩ গিগাওয়াটের ডাটা সেন্টার তৈরি করবে। এর অংশ হিসেবে মুম্বাইয়ের রায়গঞ্জে একটি জমি কেনার চুক্তিও করেছে এয়ারট্রাঙ্ক।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে এয়ারট্রাঙ্ক প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া রবিন খুদা। তার কোম্পানি ভারত ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, হংকং, জাপান, মালয়েশিয়া এবং সিঙ্গাপুরে তাদের পরিধি বিস্তৃত করেছে।

সূত্র : ফোর্বস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%