০৬:৩৭ এম
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ সামরিক হামলার সামনে দাঁড়িয়ে ছিল ইরান।
এ অবস্থায় সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল, ঠিক সেই সময়ে কয়েকটি আরব দেশ এবং খোদ তেহরানের আহ্বানে যুক্তরাষ্ট্র সেই হামলার পরিকল্পনা শেষ মুহূর্তে স্থগিত করে। চরম উত্তেজনার আবহে এবার নতুন একটি ঘোষণা দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, চলমান আলোচনার প্রথম ধাপ হিসেবে আগামীকালই উন্মুক্ত হতে পারে গুরুত্ব বহনকারী নৌপথ হরমুজ প্রণালি।
সোমবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সামনে এসে ডোনাল্ড ট্রাম্প উল্লেখ করেন, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং কাতারের মধ্যস্থতায় তেহরানের অনুরোধে এই আলোচনা চলছে। ট্রাম্পের বক্তব্য হলো, প্রথম ধাপ হিসেবে হরমুজের উন্মুক্ত হওয়ার পর দ্বিতীয় ধাপে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করা হবে। এটিই তাদের চুক্তিতে সই করার জন্য ‘শেষ সুযোগ’। আর অন্যথায়, তেহরানকে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করতে হবে।
আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু
‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এর একটি পোস্টে তিনি ইরানি নেতাদের ‘ভয়ংকর প্রতারক’ হিসেবে উল্লেখ করে দাবি করেন, ইরান গোপনে অনুনয় জানালেও প্রকাশ্যে আলোচনা অস্বীকার করছে।
বাস্তবে, ইরানি মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করার বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং ওমানের সঙ্গে নতুন নৌপথের সমঝোতাকে শুধুমাত্র কারিগরি পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
উল্লেখ্য, এদিন প্রেসিডেনশিয়াল মিলিটারি স্পাউস কমিশন গঠনের একটি নির্বাহী আদেশে ট্রাম্প প্রথমবারের মতো স্বাক্ষর করেন। মূলত এ আদেশে সই করার পরপরই সাংবাদিকদের সামনে ইরান ইস্যু নিয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন