ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আওয়ামী লীগের হামলা থেকে কেউ রক্ষা পাচ্ছে না : পাটওয়ারী


আওয়ামী লীগের হামলা থেকে কেউ রক্ষা পাচ্ছে না : পাটওয়ারী

জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মন্তব্য করেছেন যে, আওয়ামী লীগের হামলা থেকে বাংলাদেশে কেউ রক্ষা পাচ্ছে না। আজ শুক্রবার তিনি চট্টগ্রাম সফরে গিয়ে সেখানকার গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে এই কথা বলেন।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করেছেন যে, আওয়ামী লীগের বিষয়ে সরকারের নমনীয় মনোভাব দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, "একটি নিষিদ্ধ সংগঠন কিভাবে প্রকাশ্যে মিছিল করে।" এ বিষয়ে সরকারের কাছে তিনি জবাব দাবি করেন।

তিনি আওয়ামীর দলের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে বলেন, জনগণকে যেন তারা হুমকির মুখে ফেলতে না পারে।

আরও পড়ুন: রাজনীতিকে সঠিক পথে পরিচালনায় সাংবাদিকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: সড়ক পরিবহণমন্ত্রীর মন্তব্য

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, "দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি যেন বাংলাদেশে তাদের হয়।" তারা যেন বাংলাদেশে আর কোনো ভাই-বোনদেরকে খুনের সিদ্ধান্ত নিতে না পারে সেদিকে সরকারকে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে।

এর আগে, জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদরাসা সংলগ্ন দায়েম নাজির জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন পাটওয়ারীসহ এনসিপির আহ্বায়ন নাহিদ ইসলাম। ধর্মীয়, সামাজিক ও জাতীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তারা সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতায় অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেলফাস্টে পুরনো ইতিহাসের ‘নতুন রূপ’, আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে সংখ্যালঘুরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪৪ পি.এম


বেলফাস্টে পুরনো ইতিহাসের ‘নতুন রূপ’, আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে সংখ্যালঘুরা

উত্তর আয়ারল্যান্ডের দীর্ঘ সংঘাতময় ইতিহাস থাকা সত্ত্বেও সমাজে বিভাজনের বিভিন্ন রূপ এখনও বিদ্যমান রয়েছে। রাজধানী বেলফাস্টে সাম্প্রতিক সময়ের সহিংসতা অভিবাসী ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন মাত্রার উদ্বেগ তৈরি করেছে।

জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যরা ভয় ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, বেলফাস্টে অভিবাসী হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিদের বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে। মুখোশধারী কয়েকটি দল শহরের বিভিন্ন এলাকায় তাণ্ডব চালানোর পর অনেক পরিবার ঘর থেকে বের হওয়া বন্ধ করে দিয়েছে।

সহিংসতার সূত্রপাতকে কেন্দ্র করে গত মঙ্গলবার একটি ছুরিকাঘাতের ঘটনায় একজন সুদানি নাগরিকের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে।

পরে ওই রাতেই বেলফাস্টের কয়েকটি এলাকায় মুখোশধারী একটি দল ঘুরে ঘুরে বাড়ি ও গাড়িতে আগুন দেয়। পাশাপাশি জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা চালানো হয়। পরদিন বুধবারেও বিচ্ছিন্নভাবে অনেক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা এখন দেখাচ্ছে।

ব্রিটিশ সরকারের উত্তর আয়ারল্যান্ডের মন্ত্রী হিলারি বেন এসব হামলাকে ‘বর্ণবাদী সন্ত্রাসী তৎপরতা’ বলে অভিহিত করেছেন।

যুদ্ধ থেকে পালিয়ে এসে নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে অবস্থানকারী তওয়াসুল মোহাম্মদ ২০১৬ সালে সুদান থেকে শরণার্থী হিসেবে উত্তর আয়ারল্যান্ডে এসেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ‘অনেক নারী ও শিশু ভয়াবহ মানসিক চাপের মধ্যে আছেন। আমরা আমাদের সন্তানদের ঘরেই রেখেছি। এসব ঘটনার পর থেকে আমি আমার সন্তানদের স্কুলে পাঠাইনি।’

তওয়াসুলের মতে, যারা যুদ্ধ ও সংঘাত থেকে বাঁচতে নিজেদের দেশ ছেড়ে এখানে এসেছেন, তাদের জন্য বর্তমান পরিস্থিতি পুরোনো দুঃসহ স্মৃতি আবার ফিরিয়ে এনেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমাদের দেশে অবস্থান নিয়ে আবাসন সংকট বা স্বাস্থ্যসেবার সংকট তৈরি করিনি। অভিবাসীরা কোনো সমস্যা নয়। আমরা সবাই এই সমাজের অংশ হতে চাই এবং এর উন্নয়নে অবদান রাখতে চাই।’

এদিকে, বার্তা সংস্থা আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুদান থেকে আসা তিন সন্তানের মা জেইনাব তার বাড়ির কাছে পূর্ব বেলফাস্টে সহিংসতা শুরু হওয়ার পর আতঙ্কিত হয়ে একটি এনজিও—আনাকা উইমেনস কালেকটিভের সহায়তা চান নিরাপদ স্থানে পরিবারকে সরিয়ে নিতে।

তিনি জানান, অন্য অনেক বর্ণবাদী হামলার শিকার মানুষের মতো তিনিও বর্তমানে বেলফাস্টের বাইরে নিরাপদ স্থানে অবস্থান করছেন। জেইনাব বলেন, ‘এখানে আমরা অনুভব করেছি যে এখানে সবাই বিদেশিদের অপছন্দ করে না। এখনও অনেক ভালো মানুষ আছেন—যারা আমাদের ভালোবাসেন, নিজেদের ঘর আমাদের জন্য খুলে দিয়েছেন। তারা আমাদের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ভাগ করে নিয়েছেন। দুর্বল মুহূর্তে আমাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছেন এবং আমাদের আশ্রয়ও দিয়েছেন।’

সরকারি খাতের শ্রমিক ইউনিয়ন ইউনিসনের আঞ্চলিক সচিব প্যাট্রিসিয়া ম্যাককিওন জানান, সহিংসতার আশঙ্কায় অন্তত ৩০টি পরিবারকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, কিছু এলাকায় স্বঘোষিত পাহারাদার দল রাস্তায় মানুষের পরিচয় যাচাই করছে। বিশেষ করে হাসপাতালের বাইরে কর্মীদের থামিয়ে পরিচয় জানতে চাওয়া, ভিডিও ধারণ করা এবং তাদের অনুসরণ করার ঘটনা ঘটছে।

ম্যাককিওন বলেন, ‘গত রাতে শহরের পূর্বাঞ্চলের একটি বড় হাসপাতালে চার মুখোশধারী ব্যক্তি এক নার্সকে ধাওয়া করেছে। এসব ঘটনা সাধারণ মানুষের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।’

তবে, সহিংসতার মধ্যেও অনেক সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিন বছর আগে ভারত থেকে উত্তর আয়ারল্যান্ডে আসা রুচিরা রঙ্গপ্রসাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য রান্না করা খাবার সরবরাহের ঘোষণা দিলে ব্যাপক সাড়া পান।

তিনি জানান, ৩০ জনেরও বেশি স্বেচ্ছাসেবক খাদ্য বিতরণে সহযোগিতা করেছেন। গত বুধবার কয়েক ডজন খাদ্য প্যাকেট ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

রুচিরা বলেন, মানুষ ঘর থেকে বের হতে ভয় পাচ্ছে। কিন্তু খাবার একটি মৌলিক প্রয়োজন, বিশেষ করে পুষ্টিকর ঘরে তৈরি খাবার। তাই আমি ভেবেছি, রান্না করে মানুষকে সাহায্য করি।’

বেলফাস্ট ইসলামিক সেন্টারের নির্বাহী কমিটির সদস্য কাশিফ আকরাম বলেন, ‘সাম্প্রতিক সহিংসতা হৃদয়বিদারক হলেও এটি পুরো বেলফাস্টের চিত্র নয়।’ তিনি, জন্মসূত্রে উত্তর আয়ারল্যান্ডের বাসিন্দা আকরাম বলেন, ‘বেলফাস্টে অনেক ভালো মানুষ আছেন। যারা এখন ঘৃণা ছড়াচ্ছে, তারা সংখ্যায় খুবই কম। প্রকৃতপক্ষে তারাই সংখ্যালঘু।’

প্রসঙ্গত, উত্তর আয়ারল্যান্ডের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ ও রক্তাক্ত সংঘাত ‘দ্য ট্রাবল্‌স’ নামে পরিচিত, যা ১৯৬০-এর দশকের শেষ থেকে শুরু হয়ে ১৯৯৮ সালের ‘গুড ফ্রাইডে’ চুক্তির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হয়। মূলত যুক্তরাজ্যে থাকা বা না থাকার বিষয় নিয়ে আয়ারল্যান্ডের এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়। উত্তর আয়ারল্যান্ডের দুটি প্রধান গোষ্ঠীর মধ্যে এই বিরোধ ছিল। তাদের মধ্যে ইউনিয়নবাদী বা প্রোটেস্ট্যান্ট, যারা নিজেদের ব্রিটিশ মনে করে এবং যুক্তরাজ্যের অংশ হিসেবে থাকতে চেয়েছিল। অপরদিকে জাতীয়তাবাদী বা ক্যাথলিক- যারা আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্রের সাথে যুক্ত হয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ আয়ারল্যান্ড গঠন করতে চেয়েছিল।

প্রায় তিন দশক ধরে চলা এই সংঘর্ষে আধা-সামরিক বাহিনী, পুলিশ এবং ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর মধ্যে নিয়মিত বোমা হামলা, হত্যাকাণ্ড ও সংঘাত ঘটেছে। এতে সাড়ে ৩ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। সবশেষ ১৯৯৮ সালের গুড ফ্রাইডে চুক্তির ফলে উভয় পক্ষ অস্ত্র সমর্পণ করেছে এবং ক্ষমতা ভাগাভাগির সরকার গঠিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছুটির দিনের বিকেলে রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪৮ পি.এম


ছুটির দিনের বিকেলে রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

কয়েকদিনের তীব্র ও ভ্যাপসা গরমের পর রাজধানী ঢাকায় স্বস্তির বৃষ্টি নেমেছে। ছুটির দিনের রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়ার পরে বিকেলে হঠাৎ করেই রাজধানীর আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায়। পরে বৃষ্টি নামে মুষলধারে।

রাজধানীর রামপুরা, বনশ্রী, মালিবাগ, মগবাজার, বেইলি রোড, কাকরাইল, শান্তিনগর, মতিঝিল, পল্টন, কমলাপুর, শাহজাহানপুর, বাংলামোটর, শাহবাগ, পান্থপথ, ধানমন্ডি ও গ্রিন রোডসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে।

এদিকে, বৃষ্টির ফলে স্বস্তি ফিরলেও, বহু সড়কে যানবাহনের গতি কমে যায়। কর্মস্থল থেকে ফেরার পথে এবং বাইরে অবস্থানরত মানুষদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

অনেককেই দেখা যায় আশ্রয়ের খোঁজে দোকানপাট ও বিভিন্ন স্থাপনার নিচে অপেক্ষা করতে। ভারি বৃষ্টির কারণে রাস্তায় ইতোমধ্যে পানি জমে গেছে।

এদিকে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ হয়ে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশে মোটামুটি সক্রিয় রয়েছে, এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থান দুর্বল থেকে মাঝারি। এই কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টিপাতের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অপরিকল্পিত বিতরণ ব্যবস্থার দুর্বলতায় খেসারত দিচ্ছে গ্রাহক : জ্বালানিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫০ পি.এম


অপরিকল্পিত বিতরণ ব্যবস্থার দুর্বলতায় খেসারত দিচ্ছে গ্রাহক : জ্বালানিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছেন, দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চালন সক্ষমতা থাকলেও বিভিন্ন এলাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকার জন্য বিতরণ ব্যবস্থার দুর্বলতাকে দায়ী করেছেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আগের সরকারের অপরিকল্পিতভাবে বিতরণ লাইন সম্প্রসারণের খেসারত এখন জনগণকে দিতে হচ্ছে।’

আজ শুক্রবার রাজধানীর আফতাবনগরে ন্যাশনাল লোড ডিসপ্যাচ সেন্টার (এনএলডিসি) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে যখন আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন, তখন তিনি উল্লেখ করেন, ‘একটি স্থিতিশীল বিদ্যুৎব্যবস্থা গড়ে তুলতে উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ—এই তিন খাতের সমন্বিত উন্নয়ন প্রয়োজন। তবে অতীতে বিদ্যুৎ খাত সম্প্রসারণ করা হলেও সমন্বিত পরিকল্পনার অভাবে এসব খাতের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান তৈরি হয়েছে।’

তিনি আরো যোগ করেন, ‘বর্তমানে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চালন ব্যবস্থায় বড় কোনো ঘাটতি নেই। কিন্তু বিতরণ পর্যায়ে নানা সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। সাধারণভাবে এসব ঘটনাকে লোডশেডিং বলা হলেও অনেক ক্ষেত্রে এর পেছনে বিতরণ লাইনের কারিগরি ত্রুটি কাজ করছে।’

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘বিগত সরকার প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিলেও সে সময় প্রয়োজনীয় কারিগরি পরিকল্পনাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। একটি আদর্শ বিতরণ লাইনের দৈর্ঘ্য ৩০ থেকে ৩৫ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা উচিত হলেও পল্লী বিদ্যুতের অনেক লাইন ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হয়েছে। ফলে বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ ব্যবস্থায় দুর্বলতা তৈরি হয়েছে।’

মন্ত্রী আরও জানান, ‘এসব অপরিকল্পিত লাইন শুধু স্থানীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ সরবরাহে সমস্যা তৈরি করছে না, বরং পুরো বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপরও চাপ সৃষ্টি করছে। এর প্রভাব উৎপাদন, সঞ্চালন ও গ্রিড ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও পড়ছে।’

তিনি বলেন, ‘বিতরণ ব্যবস্থার এসব সমস্যা দ্রুত সমাধানের উপায় খুঁজতে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ (পিজিসিবি) কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যৎ বিদ্যুতের চাহিদা এবং নতুন বিদ্যুৎ উৎস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার প্রস্তুতিও পর্যালোচনা করা হচ্ছে।’

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর প্রস্তুতি চলছে। রাশিয়া থেকে আগস্টে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করার কথা বলা হলেও পুরো ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল করতে আরও কিছু সময় লাগবে। সে কারণে নভেম্বরের মধ্যে ইউনিটটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।’

বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি ও ক্যাপাসিটি চার্জের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ক্যাপাসিটি চার্জের মাধ্যমে দেশের ওপর বড় ধরনের আর্থিক বোঝা সৃষ্টি হয়েছে। তবে এসব চুক্তি রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টির আওতায় হওয়ায় নতুন সরকার চাইলেই তা বাতিল করতে পারে না। বর্তমানে আইন মন্ত্রণালয় চুক্তিগুলো পর্যালোচনা করছে এবং আইনগত সুযোগ থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যমান চুক্তিগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হলে আইনগত ও কারিগরি সব দিক বিবেচনায় নিতে হবে। কারণ তড়িঘড়ি কোনো সিদ্ধান্ত নিলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি, প্রাণ গেল আরও এক শিশুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫১ পি.এম


হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি, প্রাণ গেল আরও এক শিশুর

দেশের বিভিন্ন স্থানে গত কয়েক দিন ধরে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে কমছে। যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু ঘটেছে, তবে ল্যাবরেটরিতে নিশ্চিত হওয়া হামে আক্রান্ত হয়ে কারো মৃত্যু হয়নি।

শুক্রবার (১২ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে সর্বমোট ৬৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে ১ হাজার ২৭ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে ল্যাবরেটরি পরীক্ষার মাধ্যমে ১২৬ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে।

গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত সারা দেশে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ১৮৫ জনে। আর হামের লক্ষণ বা উপসর্গ রয়েছে এমন রোগীর সংখ্যা ৮৪ হাজার ২৬৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যমতে, এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬৮ হাজার ৯৩৪ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৬৫ হাজার ২৭৫ জন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%