ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হোটেলের বিছানায় তোয়ালে দিয়ে কেন বানানো হয় রাজহাঁস?


হোটেলের বিছানায় তোয়ালে দিয়ে কেন বানানো হয় রাজহাঁস?

হোটেলের ঘরে প্রবেশ করলেই বিছানায় এক জোড়া সুন্দরভাবে মোড়ানো তোয়ালার রাজহাঁস দেখলে কারও মন ভালো হবে না? এই বিশেষ কারুকার্যকে বলা হয় ‘টাওয়েল অরিগামি’, যা কাগজের জাপানি শিল্প ‘অরিগামি’র অনুপ্রেরণায় তৈরি। প্রথম দর্শনেই অতিথিদের চমকে দেওয়ার জন্য এবং তাদের স্বাগত জানানোর উদ্দেশ্যে এটি একটি অত্যন্ত অদ্ভুত কৌশল।

এই সুন্দর ঐতিহ্যের পেছনে রয়েছে গভীর মনস্তত্ত্ব। তোয়ালের এই রাজহাঁস নিমেষের মধ্যে ঘরের পরিবেশকে রাজকীয় এবং আকর্ষণীয় করে তোলে। অতিথিরাও বুঝতে পারেন, হোটেল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাদের আরামের জন্য বাড়তি যত্ন নেওয়া হয়েছে। তাছাড়া, রাজহাঁস হলো ভালোবাসা ও বিশ্বস্ততার প্রতীক। যখন দুটি হাঁস মুখোমুখি গলা মিলিয়ে বসে একটি নিখুঁত ‘হার্ট’-এর আকার নেয়, তখন ঘরের রোমান্টিক পরিবেশ বহুগুণ বেড়ে যায়।

এ জন্য মূলত হানিমুন বা কাপল ট্রিপের সময় এই দৃশ্য বেশি করে চোখে পড়ে। জানা গেছে, কার্নিভাল ক্রুজ লাইনের এক ক্রু সদস্য প্রথম তোয়ালে দিয়ে বিভিন্ন প্রাণীর অবয়ব তৈরি করতে শুরু করেছিলেন। পরে, এই ভাবনা বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে যায় এ পর্যায়ে, বিলাসবহুল হোটেলগুলি এটিকে নিজেদের স্বাক্ষর স্টাইল হিসেবে গ্রহণ করে। বর্তমানে, এটি হাউসকিপিং কর্মীদের দক্ষতার একটি অন্যতম বড় মাপকাঠি।

আরও পড়ুন: ঢামেকের জরুরি বিভাগে ভুয়া চিকিৎসক মো. রাকিব আটক

যান্ত্রিকতার বাইরে গিয়ে মানুষের হাতে তৈরী ছোঁয়া অতিথিদের মনে গভীর প্রভাব ফেলে, যা তাদের হোটেলের প্রতি বিশ্বস্ততা বাড়ায়। বর্তমান ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামের যুগে এটি হোটেলের জন্য একটি চমৎকার ‘ফ্রি মার্কেটিং টুল’। অতিথিরা ঘরে ঢুকেই ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন, ফলে বিনা খরচেই দুর্দান্ত ব্র্যান্ডিং হয়ে যায় হোটেলের।

অনেকে মনে করেন, এই হাঁস তৈরিতে আঠা অথবা তার ব্যবহার হয়। কিন্তু আসল রহস্য হাউসকিপিং কর্মীদের দক্ষতায় লুকানো। নিখুঁতভাবে ইস্ত্রি করা একদম তাজা এবং নরম তোয়ালেকে বিশেষ প্রযুক্তিতে ভাঁজ করেই এই আকৃতি দেওয়া হয়। এর জন্য কর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণও নিতে হয়। পরের বার আপনাদের হোটেলে গিয়ে বিছানায় এমন রাজহাঁস দেখতে পেলে বুঝবেন, এটি কেবলই তোয়ালে নয়। এটি আসলে হোটেল ইন্ডাস্ট্রির আতিথেয়তার একটি নিজস্ব ভাষা, যার উদ্দেশ্য আপনার সফরটিকে আজীবন স্মরণীয় করে রাখা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের ১৪ দফা চুক্তি প্রকাশ, কী রয়েছে এতে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৮ পি.এম


ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের ১৪ দফা চুক্তি প্রকাশ, কী রয়েছে এতে?

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য একটি ঐতিহাসিক সমঝোতা চুক্তির ১৪ দফা খসড়া মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন প্রকাশ করেছে।

এই খসড়ায় উল্লেখ রয়েছে যুদ্ধবিরতি, পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করা, ইরান-এর ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতির।

সিএনএনের দাবি, তারা এক মার্কিন কর্মকর্তার কাছ থেকে এই সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) খসড়া কপি পেয়েছে। ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনে উপস্থিত এক কূটনীতিক এবং আলোচনার সঙ্গে জড়িত আরও দুই কূটনৈতিক সূত্র এর সত্যতা নিশ্চিত করেছে। তবে হোয়াইট হাউসের এক মুখপাত্র বলেছেন, ফাঁস হওয়া নথিটি চূড়ান্ত সমঝোতার প্রকৃত প্রতিফলন নয়।

খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ গত রোববার ডিজিটালভাবে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। এদিকে, শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরের কথা রয়েছে। এরপর চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন করতে ৬০ দিনের সময়সীমা কার্যকর হবে।

খসড়া অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য রপ্তানির অনুমতি দেবে। এছাড়া, ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পর্কিত প্রতিশ্রুতি পূরণ করলে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের উন্নয়ন তহবিলে প্রবেশাধিকার পেতে পারে। তবে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় এই যে, ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা খসড়ায় নেই।

চুক্তির ১৪ দফার মধ্যে রয়েছে:

১। ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র এবং বর্তমান যুদ্ধে জড়িত তাদের মিত্ররা সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষরের সঙ্গে সঙ্গে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধের তাৎক্ষণিক ও স্থায়ী সমাপ্তি ঘোষণা করবে। উভয় পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে কোনো শত্রুতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে না এবং শক্তি প্রয়োগ বা শক্তি প্রয়োগের হুমকি থেকেও বিরত থাকবে।

২। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একে অপরের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান দেখাবে এবং পরস্পরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ থেকে বিরত থাকবে।

৩। উভয় দেশ সর্বোচ্চ ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য আলোচনা চালাবে। পারস্পরিক সম্মতিতে এ সময় বাড়ানো যেতে পারে।

৪। সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষরের সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করবে এবং ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের বাধা বা হস্তক্ষেপ বন্ধ করবে। সর্বোচ্চ ৩০ দিনের মধ্যে জাহাজ চলাচল যুদ্ধপূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হবে। এছাড়া চূড়ান্ত চুক্তির ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র আশপাশের এলাকা থেকে তাদের বাহিনী প্রত্যাহার করবে।

৫। ইরান সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষরের পরপরই পারস্য উপসাগর থেকে ওমান সাগর পর্যন্ত বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করার পদক্ষেপ নেবে। এ ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত প্রতিবন্ধকতা দূর ও মাইন অপসারণের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হবে।

৬। যুক্তরাষ্ট্র ও তার আঞ্চলিক অংশীদাররা ইরানের পুনর্বাসন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়নে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করবে। এর বাস্তবায়ন পদ্ধতি ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত হবে।

৭। যুক্তরাষ্ট্র চূড়ান্ত চুক্তির আওতায় নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ইরানের ওপর বর্তমান সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে। এর মধ্যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) বোর্ড অব গভর্নরসের প্রস্তাব এবং যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা প্রাথমিক ও গৌণ নিষেধাজ্ঞাগুলোও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

৮। ইরান পুনর্ব্যক্ত করেছে যে তারা কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম এবং পারমাণবিক কর্মসূচি-সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয় চূড়ান্ত চুক্তিতে সমাধান করা হবে।

৯। চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষ বর্তমান অবস্থা বজায় রাখবে। ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচিতে বর্তমান অবস্থা বজায় রাখবে এবং যুক্তরাষ্ট্র নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা অঞ্চলে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করবে না।

১০। সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পরপরই এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় ইরানের অপরিশোধিত তেল, পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য ও সংশ্লিষ্ট সেবার রপ্তানির অনুমোদন দেবে। এর মধ্যে ব্যাংকিং, বীমা ও পরিবহন খাতও থাকবে।

১১। আলোচনায় অগ্রগতির ভিত্তিতে ইরানের স্থগিত বা সীমাবদ্ধ তহবিল ও সম্পদ মুক্ত করে ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হবে। ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্ধারিত যেকোনো চূড়ান্ত অর্থপ্রদানে এসব অর্থ ব্যবহার করা যাবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় সব অনুমোদন ও লাইসেন্স যুক্তরাষ্ট্র প্রদান করবে।

১২। চূড়ান্ত চুক্তির সফল বাস্তবায়ন ও ভবিষ্যৎ প্রতিশ্রুতি তদারকির জন্য একটি বাস্তবায়ন কাঠামো গঠন করা হবে।

১৩। সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর এবং ৪, ৫, ১০ ও ১১ নম্বর ধারার বাস্তবায়ন শুরু হওয়ার নিশ্চয়তা পাওয়ার পর উভয় দেশ বাকি ধারাগুলো নিয়ে চূড়ান্ত চুক্তির আলোচনা শুরু করবে।

১৪। চূড়ান্ত চুক্তি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বাধ্যতামূলক প্রস্তাবের মাধ্যমে অনুমোদিত হবে।

সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসির সাফল্যের রহস্যের সঙ্গে যুক্ত রাফায়েল নাদালের নাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৯ পি.এম


মেসির সাফল্যের রহস্যের সঙ্গে যুক্ত রাফায়েল নাদালের নাম

মেসি বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে দুর্দান্ত ভাবে। জেরিয়ার বিরুদ্ধে ৩-০ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে মেসি করেছেন হ্যাটট্রিক।

এই কীর্তির সুবাদে বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোলের রেকর্ডেও ভাগ বসিয়েছেন তিনি। ম্যাচ শেষে মেসি কোনো ব্যক্তিগত সাফল্য নিয়ে নয় বরং খেলার প্রতি ভালোবাসা, দলের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং নিজের অনুপ্রেরণার উৎস নিয়ে আলোচনা করেন। এই প্রসঙ্গেই উঠে আসে টেনিস কিংবদন্তি রাফায়েল নাদালের নাম।

মেসি আগামী সপ্তাহেই ৩৯ বছরে পা দেবেন। কিন্তু তাঁর খেলায় বয়সের কোনো ছাপ নেই। আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকের ফলে, নাদালের মানসিকতাকে অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছেন মেসি। মেসি বলেন, ‘এখনো ফুটবলকে ঠিক ছোটবেলার মতোই ভালোবাসি। এই সময়টা ভীষণ উপভোগ করছি। মাঠে নামলে খুব ভালো লাগে, খুব আনন্দ পাই। ছোটবেলা থেকেই ফুটবল আমার সবচেয়ে বড় ভালোবাসা। তাই আজও আমি নিজের সবটুকু দেওয়ার চেষ্টা করি। আমরা এখন রাফায়েল নাদালকে নিয়ে একটি ধারাবাহিক দেখছি। ওর একটা বিষয় আমাকে খুব অনুপ্রাণিত করে— ও সব সময় নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দেয় এবং যে কাজ করে, তা মন থেকে উপভোগ করে। আমিও সেই ভাবনাতেই খেলতে চাই।’

দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকে বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোলদাতাদের তালিকায় মেসি জার্মানির কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার পাশে নাম লেখান। এই রেকর্ড নিয়ে মাথা ঘামাতে নারাজ মেসি। তিনি আরো বলেন, ‘আমি গোল বা রেকর্ড নিয়ে খুব একটা ভাবি না। ক্লোসার পাশে নিজের নাম দেখতে পারা অবশ্যই সম্মানের। রোনালদোও রয়েছেন, কিলিয়ান এমবাপ্পে আজ দু’টি গোল করেছে। কিন্তু এগুলো সব শেষ পর্যন্ত পরিসংখ্যানই। রোনালদো আমার দেখা অন্যতম সেরা ফুটবলার, অথচ সে কিন্তু সবার উপরে নেই। তাই এসব নিয়ে না ভেবে আমি শুধু নিজের কাজটাই করে যেতে চাই। ম্যাচের গোলগুলো এখনো দেখিনি। পরিবারের সদস্য এবং সতীর্থদের সঙ্গে সেই মুহূর্তগুলো উপভোগ করছিলাম। পরে সময় নিয়ে দেখব।’

৩-০ ব্যবধানে জয়ে ম্যাচটি সহজ ছিল জানিয়ে অষ্টমবার ব্যালন ডি'অর জয়ী এই তারকা বলেন, ‘বাস্তবে লড়াইটা অনেক কঠিন ছিল। আলজেরিয়ার দলে বেশ কিছু ভালো ফুটবলার রয়েছে। তারা খুব দ্রুত খেলছিল এবং আমাদের চাপে রাখার চেষ্টা করছিল। আমরা খেলার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখতে চেয়েছিলাম, কিন্তু বিশেষ করে প্রথমার্ধে বলের দখল ধরে রাখতে বেশ সমস্যা হয়েছে। এই বিশ্বকাপে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, সব দলই দারুণ প্রস্তুতি নিয়ে এসেছে। এখানে কোনো দল কাউকে বিনা লড়াইয়ে কিছু ছেড়ে দেয় না।’

জাতীয় দলের হয়ে দীর্ঘ পথচলার স্মৃতি মনে করতে গিয়ে পুরনো কষ্টের কথাও বলেছেন মেসি। তিনি বলেন, ‘জাতীয় দলের সঙ্গে অনেক সুন্দর সময় কাটিয়েছি, আবার অনেক কঠিন সময়ও দেখেছি। সত্যি বলতে, খারাপ সময়ের সংখ্যাও কম ছিল না। তবে পরে সব কিছু বদলে যায়। এখন জাতীয় দলের সঙ্গে সময়টা অন্যভাবে উপভোগ করতে পারি। আমরা এমন একটি দেশ, যেখানে ফলাফলই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়। টানা তিনটি ফাইনাল হারার কারণে সেই দলটাকে অনেকেই শুধুই ব্যর্থতার চোখে দেখত। কিন্তু বিশ্বকাপ এবং দুইটি কোপা আমেরিকা জেতার পর মানুষ আমাদের সাফল্যগুলোকেও যথাযথ মর্যাদা দিতে শুরু করেছে।’

পাশাপাশি সমর্থকদের উদ্দেশে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক বলেন, ‘আর্জেন্টিনার মানুষকে ধন্যবাদ। তারা এখানে এসে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, ঠিক যেমন কাতারে দাঁড়িয়েছিল। তাদের সমর্থন সব সময় আমাদের শক্তি জোগায়।’

এখন মেসির ষষ্ঠ বিশ্বকাপ। এত বছর পরও তাঁর জয়ের খিদে এবং লড়াই করার মানসিকতা একটুও কমেনি। ২০৩০ সালের বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনা নিয়ে হাসি-মজা করলেও তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এখনও নিজেকে প্রতিদিন নতুন চ্যালেঞ্জ জানাতে চান। মেসি বলেন, ‘আমি শারীরিকভাবে নিজেকে যতটা সম্ভব প্রস্তুত করেছি, যাতে সতীর্থদের সঙ্গে সমান তালে খেলতে পারি। সামনে যা আসবে, তা উপভোগ করতে চাই। আমি এখনও প্রতিযোগিতা করতে ভালোবাসি। নিজেকে আরো উন্নত করার চেষ্টা কখনো বন্ধ করিনি। সব সময় আরো ভালো হওয়ার লক্ষ্য ছিল। মানসিক এবং শারীরিকভাবে ভালো থাকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা জানি টানা দু’বার বিশ্বকাপ জেতা কতটা কঠিন। কিন্তু আমাদের এভাবেই এগিয়ে যেতে হবে, দলের জন্য সব কিছু উজাড় করে দিতে হবে। তারপর দেখা যাবে ভবিষ্যৎ আমাদের কোথায় নিয়ে যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের ওপর আবার বোমা হামলা শুরু করব, কেন এমন হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৯ পি.এম


ইরানের ওপর আবার বোমা হামলা শুরু করব, কেন এমন হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প?

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কয়েক মাসের যুদ্ধের অবসান ঘটাতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাত্র দুই দিন আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, যে ক্ষেত্রে চুক্তির ‘ভাষা পছন্দ না হলে’ যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানে সামরিক হামলা শুরু করবে।

প্রতিবেদন অনুসারে, সম্প্রতি ফ্রান্সে মিশরীয় প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সঙ্গে জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সম্বোধন করার সময় ট্রাম্প মন্তব্য করেন যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চুক্তিটি ‘চূড়ান্ত নয়’।

ট্রাম্প বলেন, এটি একটি সমঝোতা স্মারক। তিনি উল্লেখ করেন, "আর যদি এটি আমার পছন্দ না হয়, তাহলে আমরা আবার তাদের ওপর গুলি চালানো শুরু করব, তাদের মাথার ওপর বোমা ফেলব।"

এছাড়া তিনি আরো বলেন, "যদি এটি আমার পছন্দ না হয়, যদি তারা ঠিকভাবে আচরণ না করে, তাহলে আমরা আবারও তাদের মাথার ঠিক মাঝখানে বোমা ফেলতে ফিরে যাব।"

তবে একই ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কাঠামোগত চুক্তিটি ‘খুবই শক্তিশালী’।

তিনি বলেন, "কেউ জানে না এর ভেতরে কী আছে, কিন্তু এটি খুবই শক্তিশালী।"

রিপাবলিকান এই নেতা আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার ঘোষণা আসার পর আর্থিক বাজার ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে এবং চুক্তি স্বাক্ষরের এক বা দুই দিনের মধ্যেই হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি উন্মুক্ত হয়ে যাবে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পূর্ণাঙ্গ নথি প্রকাশ করা হয়নি। তবে বিশ্লেষকদের ধারণা, চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হলে তা সাম্প্রতিক সংঘাত-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাইক্রোবাস খাদে পড়ে প্রবাসীর স্ত্রীর পর মায়ের মৃত্যুও ঘটলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০১ পি.এম


মাইক্রোবাস খাদে পড়ে প্রবাসীর স্ত্রীর পর মায়ের মৃত্যুও ঘটলো

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে এয়ারপোর্টগামী একটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খালে পড়ে ডুবে যাওয়ার ঘটনায় প্রবাসী লিটন মিয়ার স্ত্রী নিহত হওয়ার পর এবার তার মা আলেয়া বেগম (৫৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

বুধবার (১৭ জুন) ভোরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।

প্রথমে, মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের কুসুমপুর বউবাজার এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। ওই ঘটনায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন লিটন মিয়ার স্ত্রী মমতাজ বেগম (৩৫), যিনি তার স্বামীকে দুবাই যাওয়ার উদ্দেশ্যে বিদায় দিতে যাচ্ছিলেন।

জানা যায়, দুবাই প্রবাসী লিটন ছুটি শেষে পুনরায় কর্মস্থলে ফিরতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে একটি মাইক্রোবাসে ঢাকা শহরের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দিকে রওনা দেন। পথিমধ্যে সিরাজদিখান এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং গাড়িটি সড়কের পাশের খালে পড়ে যায়।

দুর্ঘটনায় মমতাজ বেগমসহ একাধিক যাত্রী গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ইছাপুরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মমতাজ বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। একই ঘটনায় লিটনের দুই সন্তানসহ অন্তত ৮ জন আহত হন।

পরে গুরুতর আহতদের মধ্যে আলেয়া বেগমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীতে পাঠানো হয়। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%