০৮:২৬ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশকে ফুটবল বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন দেখতে হবে।
তিনি এ মন্তব্যটি শনিবার (২০ জুন) বিকেল চারটার দিকে রাজধানী ঢাকার বনানীতে অবস্থিত আর্মি স্টেডিয়ামে করেন।
দেশের প্রাথমিক শিক্ষার বৃহত্তম ক্রীড়া উৎসব ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের (বালক-বালিকা)’ চূড়ান্ত পর্ব সরাসরি দেখতে প্রধানমন্ত্রী স্টেডিয়ামে পৌঁছান।
মাঠে প্রবেশ করার পর প্রধানমন্ত্রী ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর তিনি ফাইনালে ওঠা বালক ও বালিকা দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে পরিচিত হতে মাঠ পরিদর্শন করেন।
খেলোয়াড়দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর প্রধানমন্ত্রী হাত নেড়ে গ্যালারিতে বসা শিক্ষার্থী ও তাদের সঙ্গে আসা শিক্ষকদের সাথে অভ্যর্থনা জানাতে এগিয়ে যান। এই মুহূর্তে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে থেকে আসা শত শত ক্ষুদে শিক্ষার্থী তাকে খুব কাছ থেকে দেখার জন্য আনন্দ-দৌড়ে মেতে ওঠে! গ্যালারির বাধা অতিক্রম করে, প্রটোকল বা নিয়মের তোয়াক্কা না করে একঝাঁক শিশু এক নিমেষেই মাঠের দিকে দৌড় দেয়। তখন প্রধানমন্ত্রীর মুখে দেখা যায় এক বিস্তৃত ও স্নেহমাখা হাসি।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, খেলাধুলার পাশাপাশি সব বিষয়েই দক্ষ হতে হবে। খেলাধুলার পাশাপাশি সবকিছুর যোগ্যতা অর্জন করলেই আমরা সুন্দর ও শক্তিশালী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, আমাদের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি ছিল যে শিশুদের জন্য খেলাধুলার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করব। শুধু ক্রিকেট নয়, ফুটবলসহ অন্যান্য খেলার মাধ্যমে বাংলাদেশকে সকলেই চিনবে। শিশুদের মেধার বিকাশে সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
তারেক রহমান শিশুদের উদ্দেশে লক্ষ করে বলেন, তোমরা দেশের ভবিষ্যৎ। খেলাধুলার সাথে সাথে পড়াশোনা ও সংস্কৃতি চর্চায় দক্ষ হতে হবে। তাহলেই আমরা একটি সুন্দর, শক্তিশালী বাংলাদেশ গড়তে সক্ষম হব। মেসি, রোনালদো এবং এমবাপ্পের মতো খেলোয়াড় তোমাদের মধ্য থেকেই তৈরি হবে। অলিম্পিকে আরও ভালো সফলতা অর্জন করতে হবে।
সারাদেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ধাপে ধাপে বাছাই শেষে চারটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের (বালক-বালিকা)’ ফাইনালে অংশগ্রহণ করে।
ফাইনালের রোমাঞ্চকর ম্যাচে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছেলেরা ১-০ গোলে জয়লাভ করে এবং তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার দরিরামপুর সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়কে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়।
অন্যদিকে, বালিকা বিভাগের ফাইনালে পাবনার সাঁথিয়ার জোরগাছা ইউনাইটেড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৪-২ গোলে বিজয়ী হয় এবং তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী ময়মনসিংহের নান্দাইলের আচারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে হারায়।
চূড়ান্ত পর্বের এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিনসহ অন্যান্য অতিথিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার শিয়ালকাঠী টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের দুই প্রভাষকের এমপিও (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) বাতিল করেছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। জাল শিক্ষাগত সনদ ও সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে অবৈধভাবে এমপিওভুক্ত হওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এমপিও বাবদ উত্তোলিত সরকারি অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পিআইইউ) প্রকৌশলী মো. মাকসুদুর রহমান স্বাক্ষরিত গত ১০ জুন ২০২৬ তারিখের এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশ সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের নির্দেশনার আলোকে বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (২৩ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত) অনুযায়ী তদন্ত ও পর্যালোচনা শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এমপিও বাতিল হওয়া শিক্ষকরা হলেন কলেজটির প্রভাষক (হিসাবরক্ষণ) বিজন চন্দ্র হাওলাদার (ইনডেক্স নং-২১১০২২১০) এবং প্রভাষক (কম্পিউটার অপারেশন) মো. রফিকুল ইসলাম (ইনডেক্স নং-২১১০২২০৯)।
অভিযোগ অনুযায়ী, বিজন চন্দ্র হাওলাদার এইচএসসি (বিএম) শিক্ষাক্রমে হিসাবরক্ষণ স্পেশালাইজেশন শাখার কোনো সরকারি অনুমোদন (জিও) না থাকা সত্ত্বেও এমপিও আবেদন করেন এবং অবৈধভাবে এমপিও সুবিধা গ্রহণ করেন। এ কারণে তার এমপিও বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি এমপিও বাবদ উত্তোলিত সমুদয় অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে তার প্রমাণক কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, মো. রফিকুল ইসলামের দাখিল করা ‘বিএসসি ইন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং’ ডিগ্রির সনদ তদন্তে জাল ও ভুয়া প্রমাণিত হয়েছে। অসত্য তথ্য ও জাল সনদের মাধ্যমে এমপিওভুক্ত হওয়ায় নীতিমালার ২৯.১.৩ ও ২৯.১.৫ ধারা অনুযায়ী তার এমপিও স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়েছে।
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের শাখা-১১ (এমপিও) থেকে জারি করা আদেশের স্মারক নম্বর ৫৭.০৩.০০০০.০০০.০২৮.১৮.০০১০.১৫-
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল উপজেলার অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও অনিয়ম, জাল সনদ ও অবৈধ নিয়োগের ঘটনা রয়েছে কি না তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে চলন্ত ট্রেনে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে তোফায়েল ইসলাম (২০) নামে এক শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। ছিনতাইকারীরা তার কাছ থেকে আইফোন ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।
শনিবার (২০ জুন) দুপুর ২টা বেজে কিছুক্ষণ পরে কমলাপুর থেকে ছেড়ে যাওয়া চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনে এ ঘটনাটি ঘটে। আহত তোফায়েলকে ওইদিন বিকেলে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তোফায়েলের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার অনন্তপুর গ্রামে। তার বাবার নাম আনোয়ার হোসেন। এলাকায় একটি কলেজ থেকে এবারে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য তাঁর প্রস্তুতি রয়েছে।
তোফায়েলের ভগ্নিপতি রাইতুল ইসলাম জানান, শুক্রবার (১৯ জুন) গ্রাম থেকে তোফায়েল হাজারীবাগে আসেন তাঁর বোনের বাসায় বেড়াতে। ধানমন্ডিতে তাঁর একটি গানের অনুষ্ঠান ছিল। আজ দুপুরে আবার গ্রামে ফিরে যাওয়ার জন্য কমলাপুর থেকে চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনে রওনা হন। ট্রেনটি যখন তেজগাঁও এলাকা অতিক্রম করছিল তখন বগির ভেতরে থাকা ৩ থেকে ৪ ছিনতাইকারী দুই বগির মাঝের দরজার সামনে তার পকেটে হাত দিয়ে আইফোন ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। বাধা দেয়ায় তারা ধারাল অস্ত্র দিয়ে তোফায়েলের কোমরে ছুরিকাঘাত করে এবং চলন্ত ট্রেন থেকে লাফিয়ে নেমে যায়। তবে ফোনটি নিতে তারা পারেনি।
এই ঘটনার খবর পেয়েই তোফায়েলের বোন ও ভগ্নিপতি ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেলে তার অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করা হয়।
চিকিৎসকের বরাত দিয়ে ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) মো. ফারুক জানিয়েছেন, ওই যুবকের কোমরে ধারাল অস্ত্রের জখম রয়েছে। তাকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ঘটনার বিষয়ে ঢাকা রেলওয়ে থানায় এক অভিযোগ জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলার আশাশুনি উপজেলার অভিযানে আজ পুলিশের কার্যক্রমে এক হাজার কেজি নকল দুধ তৈরির উপাদান ‘জেলি’ জব্দ করা হয়েছে।
আজ শনিবার ভোর রাত তিনটার সময়, উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামের পশ্চিম ঘোষপাড়া মন্দিরের সামনে থেকে এসব জব্দ করা হয়।
পুলিশের সূত্র জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আশাশুনি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তারিকুর রহমান শুভ’র নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম কচুয়া গ্রামের পশ্চিম ঘোষপাড়া শ্রী শ্রী দুর্গা মন্দিরের সামনে অভিযান পরিচালনা করে। এই সময় ঢাকা মেট্রো ন-১৩-২৯৪৫ নম্বর ট্রাক থেকে এক হাজার কেজি জেলি (রাসায়নিক উপাদান) জব্দ করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম আহমদ খান জানান, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ