০৯:১৫ এম
ইয়েমেনের মারিব শহরে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা ড্রোন ও ব্যালেস্টিক মিসাইল হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় ২ জন নিহত হয়েছেন এবং ১৪ জন আহত হয়েছেন। দেশের বিভিন্ন রণাঙ্গনে হুতি বাহিনীর আস্তানা লক্ষ্য করে ব্যাপক পাল্টা সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী, এই হামলার জবাবে।
ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে জানায়, শনিবার (৮ আগস্ট) মারিব শহরের বাস্তুচ্যুত সাধারণ মানুষের আশ্রয়শিবিরে হঠাৎ ব্যালেস্টিক মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে হুতি বিদ্রোহীরা। হামলার পর মারিবের নিরাপত্তা ও সামরিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের সদস্য মেজর জেনারেল সুলতান বিন আলী আল-আরাদাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাঘাইর বিন আজিজসহ উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম ‘ইয়েমেন টিভি’-তে দেওয়া এক ভাষণে সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মাজিদ আল-নুজাইলি বলেন, "নিরস্ত্র বেসামরিক নাগরিক ও সেনাসদস্যদের সুরক্ষা দেওয়া আমাদের আইনি অধিকার।"
আরও পড়ুন: মেসি পাচ্ছেন স্পেনের রাজকীয় সম্মাননা
তিনি আরো বলেন, "যেকোনো স্থানে সামরিক ইউনিটের ওপর হামলা মানে পুরো দেশের ওপর আক্রমণ—এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
ভাষণে মুখপাত্র অভিযোগ করেছেন, হুতি বিদ্রোহীরা দেশের সম্পদ লুণ্ঠন, অবৈধ কর আরোপ এবং অর্থনীতিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এ অবস্থায় অবরুদ্ধ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরুদ্ধার এবং দেশকে স্থিতিশীল করার জন্য ইয়েমেনের সর্বস্তরের নাগরিক ও উপজাতীয়দের সরকারি বাহিনীর পাশে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন