সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:৫৫ পি.এম
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অধীনস্থ সকল কার্যালয়কে শতভাগ তামাক ও ধূমপানমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে, যা অধূমপায়ীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করবে। এখন থেকে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সব কার্যক্রম তামাক নিয়ন্ত্রণ-সংক্রান্ত জাতীয় নির্দেশিকা অনুসরণ করে ধূমপানমুক্ত এলাকা হিসেবে পরিচালিত হবে।
সোমবার, রাজধানীর বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়ে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সকল কার্যালয়কে শতভাগ তামাক ও ধূমপানমুক্ত ঘোষণা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ঘোষণা দেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মো. শফিকুল ইসলাম।
তিনি উল্লেখ করেন, খাদ্য কর্তৃপক্ষের সকল কার্যালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রতিষ্ঠানটির সেবা নিতে আসা নাগরিকদের পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সমন্বয়কারী মো. শরিফুল ইসলাম মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, "তামাকের ধোঁয়ায় প্রায় ৭০০০ ধরনের রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ২৫০ ধরনের রাসায়নিক পদার্থ মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর এবং মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে ও মৃত্যু ঘটায়।" তিনি আরও জানান, বাংলাদেশে প্রতিবছর তামাকের কারণে প্রায় ২ লাখ মানুষ প্রাণ হারায়। গ্যাটসের তথ্যমতে, আচ্ছাদিত কর্মক্ষেত্রে ৪২.৭ শতাংশ ও সরকারি কার্যালয়ে ২১.৬ শতাংশ অধূমপায়ী নারী-পুরুষ পরোক্ষ ধূমপানজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে।
দেশে প্রায় ৩ কোটি ৭৮ লাখ মানুষ তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার করে। এর মধ্যে ১ কোটি ৯২ লাখ মানুষ ধূমপান করে এবং প্রায় ৪ কোটি মানুষ ধূমপান না করেও পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হচ্ছে। কর্মক্ষেত্রের পাশাপাশি, ৪২ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ কর্মক্ষেত্রে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হন। সুতরাং, পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতি থেকে সকলকে রক্ষায় সকল পাবলিক প্লেসকে শতভাগ ধূমপানমুক্ত রাখতে হবে।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগ অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানেও শতভাগ ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করবে। বক্তারা তাদের বক্তব্যে সংশোধিত আইনের বিধিমালা দ্রুত প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিধিমালা প্রণীত হলে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো আরও স্পষ্ট নির্দেশনা পাবে।
এ সময় বক্তারা ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ক্ষতি থেকে সকলকে রক্ষায় সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ২০২৬-এর বিধিমালা দ্রুত প্রণয়নের দাবি জানান। তারা বলেন, "বিধিমালা প্রণয়ন বিলম্বিত হলে আইনে অন্তর্ভুক্ত জনস্বাস্থ্য সুরক্ষামূলক ব্যবস্থাগুলোর সুফল জনগণের কাছে পৌঁছাতে দেরি হবে।"
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের আইন কর্মকর্তা ফেরদৌস আরাফাতের সঞ্চালনায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, অতিরিক্ত পরিচালক কাউছারুল ইসলাম সিকদার, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেক্টরের সহকারী ডা. নায়লা পারভিন, আহ্ছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িংয়ের সদস্যসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক কমিটির শীর্ষ নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ, আইজিপির ‘অনুমতি পেলে ক্রসফায়ার’ সংক্রান্ত সাম্প্রতিক মন্তব্যের বিরুদ্ধে সরকারের কাছে কঠোর জবাবদিহি দাবি করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, পুলিশ বাহিনীকে আবারো সাবেক বিতর্কিত কর্মকর্তাদের মতো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও ক্রসফায়ারের পথে ঠেলে দিয়ে পুরো বাহিনীকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে তিনি বাজারে সিন্ডিকেট, গ্যাস সংকট এবং মোড়ে মোড়ে প্রকাশ্য চাঁদাবাজির তীব্র নিন্দা জানান।
রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আইজিপি বলছেন—সরকার অনুমতি দিলে নাকি ক্রসফায়ার দিয়ে মানুষ মারতে তাঁরা প্রস্তুত। যারা ক্রসফায়ার আর গুলি করে মানুষ মারার হুমকি দেয়, তারা হচ্ছে ডিবির হারুন আর বেনজীরের বংশধর। এমন বক্তব্যের পর কোনো সভ্য দেশে ওই আইজিপি স্বপদে বহাল থাকতে পারতেন না।’
তিনি আরো উল্লেখ করেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের পর ভেঙে পড়া মনোবল কাটিয়ে যখন সাধারণ পুলিশ সদস্যরা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন, তখন কতিপয় কর্মকর্তার এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্যের কারণে পুরো পুলিশ বাহিনীকে আবারো কলঙ্কিত হতে হচ্ছে। সরকার যদি এই বিষয়ে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত না নেয়, তবে আমরা ধরে নেব তারা আবারও গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অন্ধকার পথকেই বেছে নিচ্ছে।’
সমাবেশে মোংলার মিরাজের সন্ধান দাবি করে তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন কোস্টগার্ডের দ্বারা গুমের শিকার ব্যক্তিদের অবিলম্বে ফিরিয়ে দিতে হবে। এছাড়া রাজনৈতিক ভিন্নমতের কারণে হয়রানিমূলকভাবে আটক নারীর দ্রুত মুক্তির দাবি জানান তিনি।
দ্রব্যমূল্য ও সিন্ডিকেট নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘মুগদাবাসী গ্যাস সংকটে রান্না পর্যন্ত করতে পারছেন না। ১৮০০ টাকার গ্যাস সিলিন্ডার সাধারণ মানুষকে কিনতে হচ্ছে ২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকায়। সরকারের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় এসব সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজি জিয়ে রাখা হয়েছে।’
সরকারের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতির কড়া সমালোচনা করে তিনি ব্যঙ্গাত্মক সুরে বলেন, "সরকার ১৮ মাসে দেড় কোটি কর্মসংস্থানের কথা বলেছিল। আমাদের তথ্য অনুযায়ী তারা ইতিমধ্যে এক কোটি কর্মসংস্থান নিশ্চিত করে ফেলেছে—আর তা হলো মোড়ে মোড়ে প্রকাশ্য চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি! বাংলাদেশের মানুষ চাঁদাবাজির মাধ্যমে এমন কর্মসংস্থান চায়নি।’
তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় গড়ে ওঠা চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট বন্ধ না হলে সাধারণ মানুষ রাজপথে নেমে নিজেদের অধিকার আদায় করে নেবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের কালকিনি পৌরসভায় তরুণ ও যুবসমাজকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে শুরু হয়েছে ‘আন্তঃ ঠেংগামারা ফুটবল প্রিমিয়ার লিগ-২০২৬’। সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের ঠেংগামারা টাইগার ক্লাব-সংলগ্ন মাঠে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন আসন্ন কালকিনি পৌরসভা নির্বাচনে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম হাওলাদার।
নিজ পায়ে ফুটবলে লাথি মেরে আনুষ্ঠানিকভাবে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় মাঠে উপস্থিত থেকে খেলোয়াড়দের উৎসাহ দেন এই সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী। ঠেংগামারা এলাকার তরুণ ও যুবসমাজের উদ্যোগে এ ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নজরুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, যুব ও ছাত্রসমাজকে খেলাধুলায় মনোযোগী করতে বর্তমান সরকার ‘নতুন কুঁড়ি’ কর্মসূচি চালু করেছে। তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। প্রিয় নেতা আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন ভাইয়ের নির্দেশনায় তিনি এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেছেন বলেও জানান।
আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় সমর্থন পাওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, দলের প্রতি অতীতের অবদানের কারণে তিনি আশাবাদী, দল তাঁকে সমর্থন দেবে।
স্থানীয় তরুণ ও যুবসমাজের এ উদ্যোগ এলাকায় ক্রীড়াচর্চা বাড়ানোর পাশাপাশি পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শ্যালকের অবৈধ সম্পদ ও হাজার কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে মামলার আসামি হচ্ছেন পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম। একইসঙ্গে তার স্ত্রী সাবেক অতিরিক্ত সচিব সায়লা ফারজানাকেও আসামি করা হচ্ছে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান দলের প্রধান মোজাম্মিল হোসেন সোমবার (২৬ অক্টোবর) মামলার অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, রেজাউল আলম শাহীনের নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ২৩ কোটি ৩২ লাখ ৪৬ হাজার ৫২৬ টাকার সম্পদ অর্জন ও দখলে রাখার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তার ৪০টি ব্যাংক হিসাবে ২০১৩ সালের ৮ ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত এক হাজার ৪৫ কোটি ২৮ লাখ ৩০ হাজার ৭৩৮ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় শাহীনের বোন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব সায়লা ফারজানা এবং তার স্বামী সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুল ইসলামকেও আসামি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক।
শাহীনের স্ত্রী সানজিদা খানম টুম্পার নামেও জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ১৫ কোটি ৩০ লাখ ২১ হাজার ৫৯ টাকার সম্পদ অর্জন ও দখলে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, টুম্পার ২৭টি ব্যাংক হিসাবে ২০১৩ সালের ৮ ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ৫৮ কোটি ৬২ লাখ ৫৪ হাজার ৩৪৩ টাকা লেনদেন করা হয়েছে।
দুদকের অভিযোগ, শাহীন, তার বোন সায়লা ফারজানা ও ভগ্নিপতি মনিরুল ইসলামের ঘুস, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ বৈধ করার অপচেষ্টার অংশ হিসেবে টুম্পার নামে সম্পদ অর্জন ও ব্যাংক লেনদেন করা হয়েছে। এ মামলায় তাদের চার জনকেই আসামি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধের প্রভাবে ইরানকে কেন্দ্র করে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটায়, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নতুন করে জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থা সাজানোর উদ্যোগ নিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে, আঞ্চলিক সরবরাহব্যবস্থার স্থিতিস্থাপকতা বাড়ানোর জন্য সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি সৌদি আরামকো সিঙ্গাপুরে অপরিশোধিত তেল মজুত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সৌদি আরব ও সিঙ্গাপুরের জ্বালানিমন্ত্রীরা জানিয়েছেন যে, ২০২৭ সালের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে সিঙ্গাপুরে অপরিশোধিত তেল মজুত শুরু করবে আরামকো। এই উদ্যোগের মাধ্যমে কোম্পানিটির তেল সরবরাহব্যবস্থার সক্ষমতা ও সংকট মোকাবিলার প্রস্তুতি জোরদার করা হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধের প্রভাব এখনও বৈশ্বিক জ্বালানি এবং বাণিজ্যিক পরিবহন খাতে অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে, হরমুজ ও বাব আল-মান্দেব প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় তেল সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।
ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউট ফর নিয়ার ইস্ট পলিসির সংকলিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের অক্টোবর মাস ছিল হরমুজ প্রণালি ও আশপাশের জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার দিক থেকে সবচেয়ে খারাপ। এসব হামলা আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যের ঝুঁকি আরো বাড়িয়েছে।
এদিকে, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) প্রধান ফাতিহ বিরলও জ্বালানি বাজারের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সোমবার সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত এক শিল্পবিষয়ক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ২০২৭ সালেও জ্বালানি বাজার যুদ্ধ শুরুর আগের অবস্থায় ফিরে যাবে বলে তিনি মনে করেন না।
এমন পরিস্থিতিতে, সিঙ্গাপুরে অপরিশোধিত তেল মজুতের উদ্যোগকে সৌদি আরামকোর আঞ্চলিক সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালী করার পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে অস্থিরতা এবং জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন অব্যাহত থাকলে বিকল্প স্থানে তেল মজুত রাখা সরবরাহব্যবস্থার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা
এআরবি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ