ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত ইরানের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো


মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত ইরানের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো

ইরানে সম্প্রতি ইসরাইলি বিমান হামলায় তেহরানের অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে।

গত ৭ ও ৯ মার্চে চালানো ইসরাইলি বিমান হামলায় ইসফাহানের নকশ-ই জাহান চত্বর এবং চেহেল সোতুন প্রাসাদসহ ঐতিহাসিক স্থানগুলো হামলার মুখে পড়ে। এই হামলায় প্রাচীন গম্বুজ ও মিনারগুলো কেঁপে ওঠে এবং ৪০০ বছরের পুরনো রাজকীয় চত্বর জুড়ে ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়ে।

দুই সপ্তাহ পরেও কিছু কিছু জায়গায় পায়ের নিচে পলেস্তারা ও ভাঙা টালি মচমচ করছিল।

আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে

স্থানীয় নিরাপত্তারক্ষী রসুল মোসাভি এই ভবনগুলোর প্রতি তার গভীর অনুরাগের কথা জানান, যেগুলোর সাংস্কৃতিক মূল্য অপরিসীম।

বিস্ফোরণে পাওয়া আঘাতের কারণে মাথায় তখনও গজ বাঁধা অবস্থায় রসুল মোসাভি বললেন, ‘এই ভবনগুলো আমাদেরই অংশ ছিল।’ তিনি রয়টার্সের সাংবাদিকদের সেই জাদুঘরটি ঘুরিয়ে দেখান, যেখানে তিনি ১৬ বছর ধরে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করেছেন।

‘এই জায়গাটা আমার হৃদয়ের খুব কাছের।’

৯ মার্চের বোমা হামলার মূল লক্ষ্য ছিল ইসফাহান গভর্নরের ভবন, যা আংশিকভাবে ধ্বংস হয়ে যায় এবং হামলার সময় সেটি খালি ছিল বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৭৭.৭ শতাংশ, ১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ

প্রতিবেদনে বলা হয়, রয়টার্সের সাংবাদিকদের ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলো পরিদর্শনের অনুমতি দেয়া হয়েছিল এবং তারা ইউনেস্কো-স্বীকৃত স্থানসহ ইরানের ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে এই সংঘাতের প্রভাব পর্যবেক্ষণ করেছেন।

মার্চ মাসে, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরাইল যুদ্ধের যুদ্ধবিরতির আগে, রয়টার্সের সাংবাদিকদের প্রাসাদ, নকশ-ই জাহান চত্বর ও তার আশেপাশের এলাকা এবং তেহরানের দুটি প্রাসাদে প্রবেশের বিরল সুযোগ দেয়া হয়েছিল।

তারা স্বচক্ষে দেখেছেন, কীভাবে এই যুদ্ধ ইরানের ঐতিহাসিক স্থানগুলোর ক্ষতি করেছে, যার মধ্যে জাতিসংঘের সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেস্কো পরিচালিত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তির অধীনে সুরক্ষিত কিছু স্থানও রয়েছে। সব মিলিয়ে, রয়টার্সের সাংবাদিকরা ১১টি ঐতিহাসিক ভবনে ক্ষয়ক্ষতি পর্যবেক্ষণ করেছেন।

এছাড়াও, বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলোতে যুদ্ধের প্রভাব পর্যবেক্ষণকারী বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে, তারা ইসফাহানের ট্রান্স-ইরানিয়ান রেলওয়ে ও জামে মসজিদের পাশাপাশি প্রায় ৬৩,০০০ বছর আগে মানব বসতি স্থাপন করা প্রাগৈতিহাসিক গুহার কাছে অবস্থিত ১,৮০০ বছরের পুরোনো একটি দুর্গেও ক্ষতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

তারা ১১টি ঐতিহাসিক ভবনের ক্ষয়ক্ষতি নথিভুক্ত করেছেন এবং ট্রান্স-ইরানিয়ান রেলপথ ও প্রাচীন মসজিদের মতো অন্যান্য স্থানেও অতিরিক্ত ধ্বংসযজ্ঞের কথা উল্লেখ করেছেন।

এদিকে, ইউনেস্কো ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলো পরিদর্শনের জন্য কোনো দল পাঠায়নি, তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয়ের জন্য স্যাটেলাইট চিত্র ব্যবহার করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, তাদের আন্তর্জাতিক তালিকায় থাকা দুটি স্থানসহ বেশ কয়েকটি জাতীয় সাংস্কৃতিক সম্পত্তি মিলিয়ে মোট সাতটি স্থানে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি তারা নিশ্চিত করেছে।

ইউনেস্কো আরও বলেছে যে, সংঘাত চলাকালীন তাদের সাথে কোনো পরামর্শ করা হয়নি।

তবে, তারা সকল যুদ্ধরত পক্ষকে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষাকারী আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

প্রতিবেদনে বলছে, দৃশ্যমান ক্ষয়ক্ষতির মধ্যে রয়েছে ভাঙা কাচ, চূর্ণবিচূর্ণ টালি, ফাটল ধরা দেয়াল এবং বোমার অভিঘাত তরঙ্গের কারণে দুর্বল হয়ে পড়া ভিত্তি, যা বিস্ফোরণস্থল থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে থাকা স্থাপনাকেও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যের প্রত্নতত্ত্ব বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন যে, এই প্রতিবেদনটি মার্কিন সামরিক বাহিনীর লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণের পদ্ধতিতে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়, যেখানে পূর্ববর্তী সংঘাতগুলোর তুলনায় স্বীকৃত ঐতিহাসিক স্থানগুলো রক্ষার ওপর কম গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। আগের যুদ্ধগুলোতে, সাংস্কৃতিক নিদর্শনগুলোকে সাধারণত ‘হামলা নিষিদ্ধ তালিকা’-য় রাখা হতো এবং এই স্থানগুলোর কাছাকাছি বোমা হামলার জন্য উচ্চপর্যায়ের অনুমোদনের প্রয়োজন হতো।

অন্যদিকে, ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) গভর্নরের কার্যালয়ে হামলার কথা স্বীকার করেছে এবং জানিয়েছে যে সামরিক উদ্দেশ্যই তাদের এই পদক্ষেপকে পরিচালিত করেছে। আইডিএফ আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার দাবি করে বলেছে যে, তাদের অভিযানগুলো নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়েছিল।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাসের চাপায় সিএনজি যাত্রী নিহত, আহত ৪

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জার্মানির বিদায়ের পর কেপ ভার্দেকে নিয়ে কতটা ভাবছে আর্জেন্টিনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৩৫ পি.এম


জার্মানির বিদায়ের পর কেপ ভার্দেকে নিয়ে কতটা ভাবছে আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব রাউন্ড ৩২-এ প্যারাগুয়ে একটি অন্যতম বড় অঘটনের জন্ম দিল। নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত সময়ে ১-১ সমতার পর টাইব্রেকারে চার-তিন ব্যবধানে জিতে শক্তিশালী জার্মানিকে বিদায় করে শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। ম্যাচের শুরু থেকেই জার্মানি আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও, নির্ধারিত সময়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব উজ্জ্বলভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হতে পারেনি। অতিরিক্ত সময়েও সমতা না ভাঙায় ম্যাচটি টাইব্রেকারে প্রবেশ করে। সেখানে জার্মানির একাধিক খেলোয়াড় ব্যর্থ হলে, সেই সুযোগটি কাজে লাগায় প্যারাগুয়ে। এই জয়ের মাধ্যমে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে জায়গা নিশ্চিত করেছে তারা। অন্যদিকে, বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সামনে এখন রাউন্ড ৩২-এর লড়াই। প্রতিপক্ষ আফ্রিকার উদীয়মান দল কেপ ভার্দে। কাগজে-কলমে আর্জেন্টিনা স্পষ্ট ফেবারিট হলেও, প্রতিপক্ষকে মোটেও হালকাভাবে নিচ্ছে না দলটি। গ্রুপ পর্বে দারুণ সংগঠিত ফুটবল আয়োজনে কেপ ভার্দে নকআউট পর্বে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছে। তাদের শক্তিশালী রক্ষণ, দ্রুত পাল্টা আক্রমণ এবং দলীয় সমন্বয়ের কারণে, আর্জেন্টিনা তাদের বিপজ্জনক প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখছে। আর্জেন্টিনা শিবিরের লক্ষ্য একটাই- কোনো প্রতিপক্ষকেই হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। কেননা, নকআউট পর্বে সামান্য একটি ভুলও বিদায়ের কারণ হয়ে উঠতে পারে; তাই শুরু থেকেই সর্বোচ্চ সতর্কতা নিয়ে মাঠে নামতে চায় বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচটিকে সহজভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই আর্জেন্টিনার। জয় পেলেই কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে আসার লক্ষ্যে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে আরেক ধাপ অগ্রসর হবে আলবিসেলেস্তেরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভেপের উত্থানে চাপে বিএটি, ছাঁটাই হবে ৯ হাজার কর্মী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৩৬ পি.এম


ভেপের উত্থানে চাপে বিএটি, ছাঁটাই হবে ৯ হাজার কর্মী

বিশ্বজুড়ে ধূমপানের অভ্যাসে বড় পরিবর্তন আসছে। প্রচলিত সিগারেটের চাহিদা কমে যাওয়ার পাশাপাশি দ্রুত চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে ভেপ ও অন্যান্য ধোঁয়াবিহীন নিকোটিন পণ্যের। যেহেতু এই পরিবর্তনের প্রভাব এবার পড়েছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তামাক কোম্পানি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর (বিএটি) ওপর, তাই ব্যয় কমানো ও ব্যবসায়িক পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে বিএটি প্রায় ৯ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছে।

২০২৮ সালের মধ্যে প্রায় ৬০ কোটি পাউন্ড (প্রায় ৮১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) ব্যয় কমানোর পরিকল্পনা নিয়েছে বিএটি। এর অংশ হিসেবে চলতি বছরের শেষ নাগাদ ৫ হাজার ৫০০টি পদ বিলুপ্ত করা হবে। পাশাপাশি আরও ৩ হাজার ৫০০টি পদের দায়িত্ব আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে বাইরের প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর করা হবে। বর্তমানে কোম্পানিটিতে প্রায় ৪৭ হাজার কর্মী রয়েছেন। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে মোট কর্মীর প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ এই পুনর্গঠনের আওতায় পরবেন।

পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে কোম্পানি দক্ষিণ আফ্রিকায় একটি কারখানা বন্ধ করে দিচ্ছে। কোম্পানির দাবি, অবৈধ তামাকপণ্যের বিস্তার এবং বাজারে প্রতিযোগিতা বেড়ে যাওয়ার কারণে এমন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। এই কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রভাব পড়বে যুক্তরাজ্য, কোস্টারিকা, মেক্সিকো, পোল্যান্ড, রোমানিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে। বিএটি জানিয়েছে, এসব দেশের কিছু কার্যক্রম প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাকসেঞ্চার এবং ভারতের আইটিসি ইনফোটেকের কাছে আউটসোর্স করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সিগারেটের বাজার ধারাবাহিকভাবে সংকুচিত হচ্ছে। যুক্তরাজ্যের জাতীয় পরিসংখ্যান দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালের পর দেশটিতে ধূমপায়ীর সংখ্যা প্রায় ২৫ শতাংশ কমেছে। একই সময়ে ভেপ ও নিকোটিন পাউচের মতো বিকল্প পণ্যের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গত বছর বিএটির মোট আয় ১ শতাংশ কমে ২৫ দশমিক ৬ বিলিয়ন পাউন্ডে (প্রায় ৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) দাঁড়ায়। তবে তাত্ক্ষণিক সময়ে ভেপ ও নিকোটিন পাউচের মতো ধোঁয়াবিহীন পণ্যে নতুন করে প্রায় ৪৭ লাখ গ্রাহক যুক্ত হয়েছেন।

এই বাজার পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে, ২০৩৫ সালের মধ্যে কোম্পানির মোট আয়ের অর্ধেকের বেশি ধোঁয়াবিহীন পণ্য থেকে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বিএটি। তাদের এ ধরনের পণ্যের মধ্যে রয়েছে ভিউজ ভেপ এবং গ্লো হিটেড টোব্যাকো। তবে কোম্পানিটি ভেপের বাজারে লস্ট মেরির মতো নতুন ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে পড়েছে।

বিএটির প্রধান নির্বাহী তাদেউ মারোকো বলেন, "এই ব্যয় সংকোচন কর্মসূচি ভবিষ্যতের জন্য কোম্পানিকে আরও প্রস্তুত করবে।" তাঁর ভাষায়, তাঁরা এমন একটি বিএটি গড়ে তুলতে চান, যা হবে আরও সহজ, দ্রুত, প্রযুক্তিনির্ভর এবং দক্ষ।

এর আগে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে কোম্পানির অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা জাভেদ ইকবাল ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং ডেটা বিশ্লেষণ প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভবিষ্যতে কর্মীর প্রয়োজনও কমে আসতে পারে।

এদিকে কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণার পর লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে বিএটির শেয়ারের দাম প্রায় ১ দশমিক ৯ শতাংশ কমে যায়। বিশ্লেষকদের মতে, ব্যয় কমানোর পরিকল্পনার বিষয়টি আগে থেকেই জানা থাকলেও এত বড় পরিসরের কর্মী ছাঁটাই বিনিয়োগকারীদের জন্য কিছুটা অপ্রত্যাশিত ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খামেনির জানাজায় অংশ নিতে যাচ্ছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৩৬ পি.এম


খামেনির জানাজায় অংশ নিতে যাচ্ছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ইরান যাচ্ছেন। তিনি আগামী ২ জুলাই ঢাকা থেকে তেহরানের উদ্দেশে রওনা দেবেন।

বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, প্রয়াত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য ও জানাজার নামাজ ৪ থেকে ৯ জুলাই তেহরান, কোম ও মাশহাদ শহরে অনুষ্ঠিত হবে। ওই জানাজায় অংশগ্রহণ করবেন বাংলাদেশ সরকার ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। স্পিকার ছাড়াও জাতীয় সংসদের বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য (এমপি) নিজ উদ্যোগে জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাচ্ছেন।

পুনরায় উল্লেখযোগ্য যে, চূড়ান্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলায় গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হন।

এদিকে ইরানের কর্তৃপক্ষ আশা করছে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে প্রায় ২ কোটি মানুষের সমাগম হবে। আগামী ৪ জুলাই তেহরান ও কোম শহরে এই আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। মাশহাদ শহরে, যেখানে খামেনির জন্মস্থান, আগামী ৯ জুলাই দাফন কার্যক্রম সম্পন্ন হবে বলে জানা যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৩৭ পি.এম


গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য ৩৫ কোটি টাকার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। এই বাজেটটি ঘোষণা করেন পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানা।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) বেলা ১১টায় গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই বাজেট ঘোষণা করা হয়।

এই প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব আয় হিসেবে ধরা হয়েছে ৭ কোটি ৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা। উন্নয়ন আয় ধরা হয়েছে ২৮ কোটি ১০ লাখ টাকাসহ সর্বমোট আয় হিসেবে ধরা হয়েছে ৩৫ কোটি ১৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা। অন্যদিকে, উন্নয়ন ব্যয় হিসেবে রয়েছে ৭ কোটি ৪ লাখ ৭৩ হাজার ৮৬০ টাকাসহ সর্বমোট ব্যয় ৩৫ কোটি ১৪ লাখ ৭৩ হাজার ৮৬০ টাকা। বাজেটে উদ্বৃত্ত রাখা হয়েছে ১৯ হাজার ১৪০ টাকা। বাজেটে নাগরিক সেবা ও অবকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফারুক আহম্মেদ, পৌর প্রকৌশলী ফয়জুর রহমান, গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মাসুদার রহমান আকন্দ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সামাদ, পৌর বিএনপির সভাপতি রবিউল কবির মনু, সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর লেলিন, জেলা শ্রমিককল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি নুরন্নবী প্রধান, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আবুল কালাম আজাদসহ বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা, সাংবাদিক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%