কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
০৬:২৫ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামে টানা ভারী বর্ষণে রেললাইন তলিয়ে গেছে। এই কারণে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস প্রায় এক ঘণ্টা আটকে ছিল। পরে পানি সরে গেলে ট্রেনটি আবার গন্তব্যের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।
মঙ্গলবার রেলওয়ের কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রেলওয়ের বিভাগীয় ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) মো. মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া জানান, সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পর্যটক এক্সপ্রেস বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে চট্টগ্রাম স্টেশনে পৌঁছায়। এরপর বেলা ১২টা ১০ মিনিটের দিকে ষোলশহর স্টেশন অতিক্রম করার পর রেললাইন পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ট্রেনটি থেমে যায়। প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষার পরে বেলা ১টার দিকে পানি কিছুটা নেমে গেলে ট্রেনটি আবার কক্সবাজারের উদ্দেশে যাত্রা করে।
তিনি বলেন, ভারি বর্ষণের কারণে কক্সবাজার রুটের লোহাগাড়া ও চকরিয়া এলাকায় রেললাইনের ওপর গাছ পড়ে। সেগুলো সরিয়ে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ।
রেলওয়ের ডেপুটি চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট (পূর্ব) তারেক মুহাম্মদ ইমরান জানান, ষোলশহর এলাকায় ভারি বর্ষণের পানির চাপে একটি সেতুর পাশের সাইডওয়ালের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে ঢাকা ও সিলেট রুটসহ অন্য কোনো লাইনে ট্রেন চলাচলে সমস্যা হয়নি। নির্ধারিত সময়েই ট্রেনগুলো চলাচল করছে।
মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় নগরে ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। চলতি মৌসুমে এটি অন্যতম সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত। অতিবৃষ্টির কারণে নগরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। নিচু এলাকায় সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এবং প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক ও শিল্পবিষয়ক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বর্তমান সরকার জোর করে ক্ষমতায় আসেনি। সরকার একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা লাভ করেছে।
তাই জনগণের প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে সাভারে পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন ও গাছের চারা বিতরণ শেষে তিনি এ কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেন, আমরা বর্তমানে পরিবেশের একটি চরম সংকটকালীন অবস্থায় আছি। উন্নত দেশের তুলনায় আমাদের অবস্থা অনেক পিছিয়ে পড়েছে।
একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থার সমীক্ষায় দেখা গেছে, পরিবেশ দূষণ পরিস্থিতির দিক থেকে বাংলাদেশ ১৭৩ নাম্বারে অবস্থান করছে।
রিজভী বলেন, আমরা নির্বিচারে গাছ কেটে ফেলছি, খাল ভরাট করছে এবং পুকুরও ভরাট করে ফেলছি। এই পরিবেশ আমাদের আক্রান্ত করছে এবং অসুস্থ করছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা আরো বলেন, আমাদের জিডিপির প্রায় ১৮-১৯ শতাংশ টাকা স্বাস্থ্যক্ষতিতে ব্যয় হচ্ছে।
এই স্বাস্থ্য ক্ষতি পরিবেশ দূষণের কারণে হচ্ছে। একটি বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বাংলাদেশে ৩২ শতাংশ মৃত্যু পরিবেশ দূষণের জন্য হচ্ছে।
কিন্তু আমাদের বন পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে, নদীতে পানি নেই, খাল শুকিয়ে গেছে। বৃষ্টি আসবে কোথা থেকে, মেঘ উৎপন্ন হবে কোথা থেকে।
পরিবেশ দূষণের জন্য অপরিকল্পিত নারায়ণকে দায়ী করে রিজভী বলেন, যেখানে সেখানে বিল্ডিং নির্মাণ করা হচ্ছে এবং কৃষিজমিতে বিল্ডিং নির্মাণ করা হচ্ছে।
এই বিষয়গুলোতে সরকারকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
তিনি আরো বলেন, বর্তমানে পরিবেশ ভয়ংকর পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে। যদি আমরা এখনই সচেতন না হই, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেই, তাহলে আসন্ন একটি ধ্বংসকে মোকাবেলা করার জন্য প্রস্তুতি না নিতে পারলে আমরা ভয়ংকর বিপদের মধ্যে পড়ে যাব।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ঢাকা ১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু, কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, এ্যাবের সভাপতি কৃষিবিদ ড. কামরুজ্জামান কায়সার, সদস্য সচিব কৃষিবিদ শাহাদাত হোসেন বিপ্লব, বিএলআরআইএর ঠিকাদার হাফিজ উদ্দিন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থান দমনের জন্য দল হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অপরাধের প্রাথমিক প্রমাণ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা পেয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে গণমাধ্যমকে এই বিষয়ে নিশ্চিত করেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।
চিফ প্রসিকিউটর জানালেন, জুলাই ও আগস্ট মাসের আন্দোলনের পাশাপাশি অন্যান্য বিষয়গুলোতেও আওয়ামী লীগের অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
এই তদন্তের জন্য ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার একটি অভিজ্ঞ তদন্ত দল কাজ করছে। তবে, তিনি উল্লেখ করেন যে এই তদন্ত শেষ করতে সময় লাগবে।
আমিনুল ইসলাম বলছেন, তদন্ত দল বেশ কিছু বিষয় নিয়ে কাজ করছে।
এর আগে ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর জানান, যদি তদন্তে অপরাধের সতত্যা নিশ্চিত হয়, তবে বিচারের ফলে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের পাশাপাশি দলটির সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার সুযোগ ট্রাইব্যুনাল আইনে রয়েছে।
এই বিচার ট্রাইব্যুনাল ও সন্ত্রাস বিরোধী আইন, এই দুটি আইনে করা সম্ভব।
এবং এসব আইন বিভিন্ন সময়ে সংশোধন করে সংগঠন কিংবা দলের বিচারের ক্ষেত্র প্রস্তুত করা হয়েছে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দ্বারা।
প্রসিকিউশন জানাচ্ছে, এই দলের প্রধান মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাসহ অন্যান্য নেতাদের মানবতাবিরোধী অপরাধের তথ্য এবং প্রমাণও আওয়ামী লীগের বিচারের ক্ষেত্রে উপস্থাপন করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ