শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৩২ পি.এম
নওগাঁর পোরশা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ-১ (পোরশা, সাপাহার ও নিয়ামতপুর) আসনের সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম। এছাড়া পোরশা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাদিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মোতাহার হোসেন শাহ, সম্মানিত সদস্য আলহাজ্ব তৌফিকুর রহমান শাহ, মো. ইকবাল হাসান শাহ, আব্দুর রাকিব, জব্বার, মো. মোরশেদ হাসানসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পোরশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ রাকিবুল ইসলাম।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের মাদক ও অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহারের আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার প্রতি তাদের আগ্রহী করে তোলা প্রয়োজন। পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।বক্তারা আরও বলেন, সন্তানরা মাদক ও মোবাইল ফোনে আসক্ত হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে অভিভাবকদেরও নিয়মিত খোঁজ খবর রাখতে হবে। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত সচেতনতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ তৈরি করতে হবে।তারা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান এবং মাদক ও প্রযুক্তির অপব্যবহার থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন।অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে প্রধান অতিথি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান ও অনুষ্ঠানের সভাপতি ইউএনও রাকিবুল ইসলাম ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী তুলে দেন।এ সময় শিক্ষার্থীদের নিয়মিত খেলাধুলায় অংশগ্রহণের পাশাপাশি লেখাপড়ায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।পোরশার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় সংগঠনের মধ্যে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণের কার্যক্রম এর আগেও অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার লক্ষ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১১-দলীয় ঐক্য সমর্থিত ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলামের কাছে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন। এ সময় জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ১১-দলীয় ঐক্যের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে একটি দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি এবং ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন।
দোয়া ও আলোচনা সভায় ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দসহ ১১-দলীয় ঐক্যের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ৩০ আগস্ট ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে দেলাওয়ার হোসেনের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণ ও ‘বাংলা কিউআর’ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) প্রথমবারের মতো ‘মিট দ্য গভর্নর’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যেও প্রথমবারের মতো বাকৃবিতে এ আয়োজন করা হয়।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে ‘এক দেশ এক কিউআর, লেনদেন বাংলা কিউআর’ স্লোগানে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে এবং ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাকৃবির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ও ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান এবং ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. এহতেশামুল হক খান। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ও ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীরা ব্যাংকিং ব্যবস্থা, ডিজিটাল লেনদেন ও ‘বাংলা কিউআর’ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। গভর্নর এসব প্রশ্নের উত্তর দেন এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন পরামর্শ দেন।
অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান বলেন, উন্নত বিশ্বের মতো বাংলাদেশও দ্রুত ক্যাশলেস ও ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেন ব্যাপকভাবে চালু হয়েছে। বাংলাদেশও গভর্নরের রূপরেখা অনুযায়ী দ্রুত ক্যাশলেস সমাজের দিকে এগিয়ে যাবে। বাকৃবি দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে গবেষণায় অনেক দূর এগিয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার গতি বজায় রাখতে এবং নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকসহ ব্যাংকিং খাতকে সিএসআর ফান্ডের মাধ্যমে এগিয়ে আসতে হবে।
ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. এহতেশামুল হক খান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নেতৃত্বে দেশে ক্যাশলেস লেনদেন আগের তুলনায় কয়েক গুণ বেড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে শুরু করে রিকশা ও ছোট দোকানেও যেন সহজে ‘বাংলা কিউআর’-এর মাধ্যমে লেনদেন করা যায়, সে সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপের পাশাপাশি বাকৃবির শিক্ষক ও গবেষকদের গবেষণা এবং সিএসআর ফান্ডের আওতায় বিভিন্ন টেকসই উদ্যোগে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক সহযোগিতা করবে।
অনুষ্ঠানে ‘বাংলা কিউআর’-এর বিভিন্ন সুবিধা তুলে ধরে গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান বলেন, ডিজিটাল লেনদেন বাড়ানো এবং নগদ অর্থের ব্যবহার কমাতে কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এতে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের লেনদেন করা সম্ভব হওয়ায় খুচরা টাকার সমস্যাও থাকবে না। একই সঙ্গে লেনদেনের খরচ কমবে। বর্তমানে দেশের ট্যাক্স-টু-জিডিপি অনুপাত ৭ শতাংশের কম, যা একসময় ১০ শতাংশ ছিল। কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেন বাড়লে বছরে প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা অতিরিক্ত কর আদায় সম্ভব হতে পারে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে কিউআর লেনদেনে মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট (এমডিআর) শূন্য করা হবে। ফলে কোনো গ্রাহক ১০০ টাকা দিলে মার্চেন্টও ১০০ টাকা পাবেন। এ ছাড়া বর্তমানে নোট ছাপানো ও ব্যবস্থাপনায় বছরে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়। কিউআর কোড সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে এ ব্যয় অন্তত ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটি, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আজ জেলার বিভিন্ন ধর্মীয় আচার ও ভাবগাম্ভীর্যের মাধ্যমে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শুভ মধু পূর্ণিমা উদযাপন করা হচ্ছে।
আজ শনিবার সকাল থেকে রাঙামাটি রাজ বনবিহারে মধু পূর্ণিমা উপলক্ষে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের জন্য বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এই অনুষ্ঠানে অষ্টপরিষ্কার দান, বুদ্ধমূর্তি দান, মধু দান, বুদ্ধ পূজা, সংঘদান এবং ধর্মীয় দেশনার আয়োজন করা হয়। এছাড়া, পঞ্চশীল গ্রহণের মাধ্যমে ধর্মীয় প্রার্থনা ও আচার অনুষ্ঠানও সম্পন্ন করা হয়।
এ সময় রাজ বনবিহারের আবাসিক ভিক্ষু সংঘের প্রধান শ্রীমৎ প্রজ্ঞালংকার মহাস্থবির ধর্ম দেশনা প্রদান করেন।
রাজ বনবিহারে অনুষ্ঠিত এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সকাল থেকে হাজারো বৌদ্ধ ধর্মালম্বী নারী ও পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।
মধু পূর্ণিমা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি ভিক্ষুসংঘের ত্রৈমাসিক বর্ষাব্রতের দ্বিতীয় পূর্ণিমা তিথি এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় অনুষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। ভাদ্র মাসের পূর্ণিমার তিথিতে অনুষ্ঠিত হওয়ায়, এটি ভাদ্র পূর্ণিমা নামেও পরিচিত।
উল্লেখ্য, বহু বছর আগে পূর্ণিমা তিথিতে একটি বুনোহাতি বন থেকে ফলমূল সংগ্রহ করে এবং একটি বানর মৌচাকের মধু নিয়ে তপস্যারত বুদ্ধকে দান করেছিলেন। এই ঘটনাকে স্মরণ করেই প্রতি বছর ভাদ্র মাসের পূর্ণিমার এই তিথিতে মধু পূর্ণিমা উদযাপন করা হয়। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা দেশ, জাতি ও সকলের মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করেন এবং নানাবিধ দানানুষ্ঠান সম্পন্ন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ