মাইদুল ইসলাম মামুন, নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৩৫ পি.এম
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) কুড়িগ্রাম সফরে আসছেন। সফরকালে জেলার রাজারহাট, নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারীতে পৃথক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।
সফরসূচি অনুযায়ী, শনিবার দুপুরে রাজারহাট উপজেলা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন মুফতী সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম।
এরপর বিকেলে নাগেশ্বরীতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন তিনি। পথসভা শেষে ভূরুঙ্গামারীতে আয়োজিত ওয়াজ মাহফিলে বয়ান পেশ করার কথা রয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীরের।
দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে এসব কর্মসূচির তথ্য জানা গেছে। চরমোনাই পীরের কুড়িগ্রাম সফরকে ঘিরে রাজারহাট, নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারীতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার সীমান্তবর্তী ও দুর্গম নারায়ণপুর ইউনিয়নে একটি পূর্ণাঙ্গ পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের দাবিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর কাছে ডিও লেটার দিয়েছেন কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. আনোয়ারুল ইসলাম।
৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে দেওয়া ওই ডিও লেটারে নারায়ণপুর ইউনিয়নের ভৌগোলিক অবস্থান, জনসংখ্যা ও সীমান্তবর্তী এলাকার নিরাপত্তার বিষয়টি তুলে ধরে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করা হয়েছে।
ডিও লেটারে বলা হয়, নারায়ণপুর ইউনিয়নটি একটি বিস্তীর্ণ ও দুর্গম চরাঞ্চল। ইউনিয়নটির আয়তন প্রায় ৪৭ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা প্রায় ৬৩ হাজার। ভোটার সংখ্যা প্রায় ১৬ হাজারের অধিক। ইউনিয়নটির তিন দিকই সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় নিরাপত্তার দিক থেকে এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, দুর্গম চরাঞ্চলে মানুষের চলাচলে বর্ষাকালে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। ইউনিয়নের একাধিক স্থানে নৌপথে যাতায়াত করতে হয়। ফলে কোনো অপরাধ বা জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পুলিশি সহায়তা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
এ অবস্থায় নারায়ণপুর ইউনিয়নের মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত, অপরাধ প্রতিরোধ, মাদক ও চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত আইনগত সহায়তা নিশ্চিত করতে একটি পূর্ণাঙ্গ পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন জরুরি বলে ডিও লেটারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে নারায়ণপুর ইউনিয়নের দুর্গমতা, সীমান্তবর্তী অবস্থান ও বিপুল জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে ইউনিয়নটিতে একটি পূর্ণাঙ্গ পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কমলনগরে ১০ দিন ধরে নিখোঁজ মাদরাসা শিক্ষার্থী মো. আকরাম নামে ১২ বছর বয়সী এক মাদরাসা ছাত্র ১০ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। আকরামের খোঁজে থানায় জিডিও করেছেন তার মা মাহফুজা বেগম।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত পর্যন্ত আকরামকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। কোথাও তার সন্ধান পেলে কমলনগর থানায় যোগাযোগের অনুরোধ জানিয়েছেন পরিবার। এর আগে ২ সেপ্টেম্বর সকালে কমলনগর উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চরবসু গ্রামের বাড়ি থেকে বের হয়ে সে আর ফিরে আসেনি। আকরাম স্থানীয় চর বসু মাদরাসার ছাত্র ও একই এলাকার জলিলের ছেলে।
নিখোঁজ আকরামের মা মাহফুজা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ঘটনার দিন ভোরে আকরাম নামাজ পড়তে ওঠে। পরে তাকে ২০ টাকা দিলে সে বিস্কুট কিনে এনে খায়। এরপর সে বাড়ি থেকে মাদরাসায় গিয়ে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন এলাকায় তাকে খোঁজ করেও পাইনি। আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতেও সে যায়নি।
নিখোঁজ আকরামের বাবা বলেন, ১০ দিন ধরে আকরামকে কোথাও খুঁজে পাচ্ছি না। কোথাও তাকে দেখলে কমলনগর থানায় যোগাযোগ করার অনুরোধ করছি। তার শোকে আমার স্ত্রী অনবরত কান্না করে যাচ্ছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আল্লাহর আইন অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালিত না হলে কাফের হয়ে যাবো বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, লক্ষ্মীপুর জেলার সেক্রেটারি মাওলানা জহির উদ্দিন।
মাওলানা জহির উদ্দিন বলেন,' আল্লাহর দেওয়া আইন অনুযায়ী যদি আমার এ রাষ্ট্র পরিচালিত না হয়, তাহলে আমরা জালেম হয়ে যাবো, আমরা কাফের হয়ে যাবো, আমরা ফাসেক হয়ে যাবো। বাংলাদেশের মধ্যে এক জিন্দা শাহজালাল আমাদেরকে ডাক দিয়েছেন। বাংলার এই জিন্দা শাহজালাল পীর সাহেব চরমোনাই। বাংলার এ জমিনে শরীয়াহ ভিত্তিক শাসন প্রতিষ্ঠার করার জন্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ছাড়া বিকল্প কোনো সংগঠন নেই। আপনারা অন্যান্য ইসলামী সংগঠন আছে আলহামদুলিল্লাহ। বাংলাদেশে অনেকগুলো ইসলামী সংগঠন আছে। আমি আওয়ামী লীগ, বিএনপির কথা বলবো না। তারা তো কেউ জিয়ার আদর্শ বাস্তবায়ন করবেন, কেউ শেখ মুজিবের আদর্শ বাস্তবায়ন করবেন।'
তিনি বলেন, 'আমাদের মধ্যে অনেকগুলো ইসলামী সংগঠন আছে, তারা শরীয়াহ'র কথা, আল্লাহর দ্বীন বাস্তবায়নের স্পষ্ট কথা বলে না। একমাত্র এ বাংলাদেশের জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা করার জন্যে জিন্দা শাহজালাল পীর সাহেব চরমোনাই সকল মানুষকে বিশেষ করে ১৮ কোটি মানুষ, যারা শতকরা ৯২জন মুসলমান তাদেরকে আহ্বান করেছে আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা করার জন্য।'
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সদর উপজেলার বাঙ্গাখাঁ ইউনিয়নের আমান উল্যাহপুর আয়েশা দাখিল মাদ্রাসা মাঠে 'জনপ্রত্যাশা পূরণে শরীয়াহ ভিত্তিক রাষ্ট্রকাঠামো প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইউনিয়ন সম্মেলন ২০২৬' এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাঙ্গাখাঁ ইউনিয়ন সভাপতি আমির হোসেন মুন্সীর সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, লক্ষ্মীপুর জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ ইমরান হোসাইন, লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্যপ্রার্থী মাওলানা হেলাল উদ্দিন, জেলা যুব আন্দোলনের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ শোরাফ উদ্দিন স্বপন, ছাত্র আন্দোলনের জেলা সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মুরাদ, সদর উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা সালেহ আহমদ, সদর যুব আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা শরাফত করিম জিহাদ।
এ সময় প্রধান অতিথি মাওলানা জহির উদ্দিন বাঙ্গাখাঁ ইউনিয়নের নতুন কমিটি ঘোষণা করেন। নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে আমির হোসেন মুন্সী, সহ-সভাপতি কামাল উদ্দিন শিবলু এবং সাধারণ সম্পাদক আরিফ সুলতানের নাম ঘোষণা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধাসহ উত্তরবঙ্গের কোটি মানুষের বঞ্চনা দূরীকরণ এবং নদীবিজ্ঞানসম্মত সর্বাধুনিক ‘জিরো ল্যান্ড একুইজিশন’ মডেলে ২য় যমুনা সেতু বাস্তবায়নের দাবিতে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ইটাকুড়ি ও মুন্সীর হাটে এক বিশাল মানববন্ধন, পথসভা ও গণসংযোগ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‘তিস্তামুখ ঘাট–বাহাদুরাবাদ ঘাট ২য় যমুনা সেতু বাস্তবায়ন কেন্দ্রীয় কমিটি’র আহ্বানে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার হাজারো রাজনৈতিক-সামাজিক নেতা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং চরাঞ্চলের সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা একাত্মতা প্রকাশ করে অংশ নেন।
পথসভায় বক্তারা বলেন, ঐতিহাসিক তিস্তামুখ ঘাট (ফুলছড়ি)–বাহাদুরাবাদ ঘাট (দেওয়ানগঞ্জ) রুটটি নদীবিজ্ঞানের বিচারে শত বছরের সংকুচিত ও স্থির নদী চ্যানেল। বোনারপাড়া রেলওয়ে জংশন ঘিরে প্রয়োজনীয় সরকারি জমি প্রস্তুত থাকায় নতুন কোনো জমি অধিগ্রহণ (Zero Land Acquisition) ছাড়াই প্রস্তাবিত "সাশ্রয়ী ও কম খরচে এ সেতু ও রেললাইন নির্মাণ সম্ভব। বক্তারা অকার্যকর ও নাব্যতাহীন পয়েন্টের পেছনে সময় নষ্ট না করে দেশের বিপুল অর্থ সাশ্রয়ে অবিলম্বে এ টেকসই রুটে প্রজেক্ট অনুমোদনের জন্য সরকারের নীতিনির্ধারকদের দ্রুত হস্তক্ষেপের জোর দাবি জানান।
কর্মসূচি সফল করতে সার্বিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় আয়োজকবৃন্দ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যমকর্মী এবং উপস্থিত জনতার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দাবির ধারাবাহিকতায় আগামীতে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬টি জেলায় বিশেষ ক্যাম্পেইন, স্মারকলিপি প্রদান এবং তিস্তামুখ ঘাটে মহাসমাবেশ আয়োজন করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ