১১:৪৬ এম
ঐশ্বর্যা বহিরাগত ছিলেন বলিউডে, তবে তিনি সেখানে জায়গা করে নিয়েছিলেন। কিন্তু, তাঁর ভাবমূর্তি ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন এক পরিচালক।
ঐশ্বর্যা রাই বচ্চনের সৌন্দর্য ও মাধুর্যে অসংখ্য অনুরাগী মুগ্ধ। তিনি বলিউডে বহিরাগত ছিলেন। তবে তিনি সেখানে একটি স্থান অর্জন করেছিলেন। কিন্তু, তাঁর ভাবমূর্তি সম্পূর্ণ ধ্বংস করার চেষ্টা করেছিলেন এক পরিচালক। কে সেই পরিচালক?
সুভাষ ঘাই পরিচালিত ‘তাল’ ২৭ বছর পূর্ণ করেছে। সম্প্রতি ছবিটি নিয়ে পরিচালক মুখ খুলেছেন। বিশেষত ঐশ্বর্যা রাই বচ্চনকে মানসীর চরিত্রে নেওয়ার আগে যে ঝুঁকি নিতে হয়েছিল সুভাষকে, তা নিয়ে আলোচনার সময় কথা বলেছেন তিনি।
আরও পড়ুন: মুসলিম বনাম মুসলিম যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে! হাসছে মার্কিন-ইসরাইল
‘তাল’-এ মানসী এমন একটি তরুণী, যে ছোট শহর থেকে উঠে আসে। তাঁর জীবনে রয়েছে নাচ, প্রতিভা, আবেগ এবং নিজের পরিচয় গঠনের জন্য লড়াই। অথচ ঐশ্বর্যা তখন মূলত সৌন্দর্য এবং গ্ল্যামারের জগতের পরিচিত মুখ। বিশ্বসুন্দরী খেতাব জয়ের পর তাঁর ভাবমূর্তি ছিল সৌন্দর্যকেন্দ্রিক। সুভাষ ঘাই তাঁর ছবিতে ‘বিশ্বসুন্দরী’কে চাননি। তিনি এমন একটি অভিনেত্রী খুঁজছিলেন, যিনি সারল্য অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন।
ঐশ্বর্যাকে প্রস্তাব দেওয়ার সময় পরিচালক তাঁকে সরাসরি জানিয়েছিলেন, চরিত্রের প্রয়োজনের জন্য তাঁর পরিচিত ভাবমূর্তি সম্পূর্ণ ভেঙে দিতে হবে। সুভাষের কথায়, “আমি ওকে বলেছিলাম, তোমার ভাবমূর্তিটা আমাকে ধ্বংস করতে হবে। কিন্তু প্রথম এক ঘণ্টায় তুমি কোনও প্রসাধনী ব্যবহার করবে না।” ঐশ্বর্যা নাকি সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে বলেছিলেন, “হ্যাঁ, আপনি যা বলবেন, আমি তাই করব।”
এছাড়া, ‘তাল ২’-এর চিত্রনাট্য প্রায় সম্পন্ন বলে জানিয়েছেন সুভাষ ঘাই। তাছাড়া সিক্যুয়েল সম্পর্কে তাঁর অবস্থানও পরিষ্কার। ‘তাল’ একটি তারকানির্ভর ছবি হতে পারে না। প্রথম ছবিতে তিনি অভিনেতাদের তারকা পরিচয়কে সামনে রাখেননি। সেই চরিত্রের মাধ্যমে তিনি অভিনেতাদের বড় হয়ে ওঠার সুযোগ করেছিলেন। ‘তাল ২’ ক্ষেত্রেও পরিচালক সেই নীতিতে অটল থাকতে চান।
আরও পড়ুন: জাপান ১ এপ্রিল থেকে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ শুরু করবে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন