০৭:৪৫ পি.এম
বিদেশি শক্তির প্ররোচনায় অভ্যুত্থান চেষ্টা ও দেশের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহে জড়িত থাকার কারণে ইরান দুই ‘গাদ্দার’ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাষ্ট্রদ্রোহের এই সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকর করার তথ্য দেশটির বিচার বিভাগ পরিচালিত সংবাদমাধ্যম ‘মিজান অনলাইন’ নিশ্চিত করেছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে ইরানে তীব্রভাবে শুরু হওয়া সরকারবিরোধী অভ্যুত্থান চেষ্টার সশস্ত্র নেতা জাভাদ জামানি এবং আবুলফজল সায়েদির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে কাজ করার উদ্দেশ্যে সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তি ধ্বংসের পাশাপাশি বিদেশি শক্তির পক্ষে কাজ করার দৃঢ় প্রমাণ মেলে এই দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। তাঁদের বিরুদ্ধে ‘মুহারেবা’ বা সৃষ্টিকর্তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ এবং পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টির মতো গুরুতর অপরাধের সত্যতা পাওয়ায় আদালত এই কঠোর শাস্তি প্রদান করে।
আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না
২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র একযোগে ইরানে হামলা চালানোর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক আঞ্চলিক সংঘাত সৃষ্টি হয়েছে। তখন থেকেই ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তি, নাশকতা ও রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত কয়েদিদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার হার গত কয়েক সপ্তাহে ব্যাপক বৃদ্ধি পায় তেহরান।
ইরানি কর্তৃপক্ষের মতে, ফাঁসি হওয়া এই ব্যক্তিরা যুদ্ধ শুরুর আগে অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভের ছদ্মাবরণে মূলত বিদেশি প্ররোচনায় রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দাঙ্গা ও নাশকতায় প্রবৃদ্ধ হন।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে চীনের পর ইরানেই সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। সোমবার (১৫ জুন) জাতিসংঘের দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ইরান অন্তত ৪০ জনের মৃত্যু দণ্ড কার্যকর করেছে, যাদের মধ্যে ১৮ জনই রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বা বিক্ষোভে জড়িত থাকার কারণে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন।
আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন