ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বান্দরবানের সরকারি অনুমোদন পেল সেই শিক্ষকের বিদ্যালয়


বান্দরবানের সরকারি অনুমোদন পেল সেই শিক্ষকের বিদ্যালয়

বান্দরবানের দুর্গম থানচি উপজেলায় আলোচিত তিন্দু নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়টি সরকারী স্বীকৃতি পেয়েছে। এখন থেকে প্রতিষ্ঠানটি সরকার কর্তৃক ‘তিন্দু সরকারি নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়’ নামে পরিচালিত হবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব (সরকারি মাধ্যমিক-৩ শাখা) শিরীন আক্তার স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানতে পারা যায়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৩ জুলাই (সোমবার) থেকে বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার তিন্দু নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়কে সরকারী ঘোষণা করা হলো। একই সঙ্গে প্রচলিত বিধিবিধান অনুযায়ী বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীদের আত্তীকরণ করার প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে আত্তিকৃত শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরীর পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব হবে না।

আরও পড়ুন: মেয়ের যৌতুক মামলার বদলা! গোমস্তাপুরে জামিনে ফিরে শ্বশুরকে কুপিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা

এবারের আগে, গত ২৮ জুন জাতীয় সংসদে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছিলেন, বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বামং খিয়াং মিংলেনের ব্যতিক্রমী সংগ্রামের কাহিনী দেশজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ৫৬ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। কিন্তু অধিকাংশ শিক্ষার্থীর পরিবার দরিদ্র হওয়ায় তারা নিয়মিত বেতন পরিশোধে অক্ষম। এই কারণে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ নিয়ে দীর্ঘদিন সংকট চলছে।

এ সংকট মোকাবিলার জন্য ছুটির দিনগুলোতে থানচি-তিন্দু-রেমাক্রী নৌপথে ইঞ্জিনচালিত নৌকা চালিয়ে পর্যটক ও যাত্রী পরিবহন করেন প্রধান শিক্ষক বামং খিয়াং মিংলেন। নৌকা চালিয়ে যে আয় হয়, তার বড় অংশ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধে ব্যয় করেন। চলতি বছরের মার্চ ও এপ্রিল মাসে নৌকা চালিয়ে তিনি প্রায় ৪০ হাজার টাকা আয় করেন, এর মধ্যে ৩০ হাজার টাকা সহকর্মীদের বেতন হিসেবে দিয়েছেন।

দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রাখতে প্রধান শিক্ষকের এই উদ্যোগটি দেশজুড়ে প্রশংসা অর্জন করেছে। পরে স্থানীয় প্রশাসন বিদ্যালয়ের জন্য একটি বোটের ব্যবস্থা, নতুন ভবন নির্মাণ ও ছাত্রাবাস সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করে।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে চোরাই মোটরসাইকেল বিক্রির সময় পুলিশ কনস্টেবলসহ আটক ৫

এরপর বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে এলে, তিনি শিক্ষামন্ত্রীকে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের নির্দেশ দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্ষমতার লোভে মোসাদের সঙ্গে আঁতাত করেছিলেন আহমাদিনেজাদ?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০৫ এম


ক্ষমতার লোভে মোসাদের সঙ্গে আঁতাত করেছিলেন আহমাদিনেজাদ?

ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের একটি গোপন পরিকল্পনা সম্প্রতি ফাঁস হয়েছে। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। নিউইয়র্ক টাইমসের একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েল গত বেশ কয়েক বছর ধরে ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদকে গোপনে লালন করে আসছিল, যাতে যুদ্ধের পরবর্তী সময়সমূহে তাকে ইরানের নতুন নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা যায়।

২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত তার ক্ষমতার সময় আহমাদিনেজাদ ইসরায়েলবিরোধী কট্টর অবস্থানের জন্য পরিচিত ছিলেন, তবে তার রাজনৈতিক আদর্শের পরিবর্তন এবং ইরানের বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর সঙ্গে দূরত্বের সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা করছিল তেল আবিব।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মোসাদের এই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আহমাদিনেজাদকে বিদেশি বিভিন্ন সম্মেলনে গোপনে যোগ দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছিল। ইসরায়েল তার ভ্রমণের খরচ ও আবাসন বাবদ অর্থ সহায়তাও দিত। বুদাপেস্টে জলবায়ু সম্মেলনের আড়ালে মোসাদের তৎকালীন প্রধান ডেভিড বার্নিয়া ব্যক্তিগতভাবে তার সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন বলেও জানানো হয়েছে।

আহমাদিনেজাদের ঘনিষ্ঠদের মতে, তিনি ক্ষমতার লোভের কারণে ইসরায়েলের এই গোপন পরিকল্পনায় আগ্রহী হয়ে উঠেছিলেন। কারণ, তিনি মনে করতেন বিদেশি সহায়তায় ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন মাধ্যমে তার পুনরায় ক্ষমতায় ফেরা সম্ভব।

ঘটনাটি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মোড় নেয়। ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের শুরুতে তেহরানে আহমাদিনেজাদের বাসভবনে একটি ইসরায়েলি বিমান হামলা ঘটেছিল। ওই হামলায় তার দেহরক্ষীদের ভবন এবং সাঁজোয়া যান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর পর কালো রঙের পিউজো গাড়িতে করে মোসাদ এজেন্টরা তাকে উদ্ধার করে একটি গোপন আস্তানায় স্থানান্তর করে। উদ্দেশ্য ছিল, সরকারি নজরদারি থেকে মুক্ত করে একটি বিকল্প সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করা। তবে উদ্ধার প্রক্রিয়া বিশৃঙ্খলা ও পরিস্থিতির কারণে আহমাদিনেজাদ এই পরিকল্পনা নিয়ে সন্দেহ পোষণ করেন এবং সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন।

নিউইয়র্ক টাইমসের মতে, বর্তমানে আহমাদিনेजাদকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) গোয়েন্দা শাখা গৃহবন্দি করে রেখেছে। গত সপ্তাহে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন প্রক্রিয়ায় তাকে জনসম্মুখে দেখা গেলেও ধারণা করা হচ্ছে, ইসরায়েলের সঙ্গে গোপন যোগাযোগের বিষয়টি ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে ফাঁস হয়ে যাওয়ায় তাকে কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়েছে।

এই ব্যর্থ অভিযানটি ছিল ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের জন্য ইসরায়েলের একটি বৃহৎ কৌশলের অংশ, যাতে ইরাকের কুর্দি গোষ্ঠীগুলোকে সশস্ত্র করা এবং ইরানের অভ্যন্তরে সামরিক অভিযানের পরিকল্পনাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

তবে এই বিষয়ে ইরান কিংবা ইসরায়েল কেউ আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেছারাবাদে গাঁজা সেবনের অপরাধে যুবকের দুই মাসের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১৩ এম


নেছারাবাদে গাঁজা সেবনের অপরাধে যুবকের দুই মাসের কারাদণ্ড

 

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজা সেবনের অপরাধে মো. দ্বিপু (২৩) নামে এক যুবককে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
 
সোমবার (১৩ জুলাই) রাত ১০টার দিকে উপজেলার অলংকারকাঠি ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
 
অভিযানে মাদকদ্রব্য গাঁজা সেবনের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় মো. দ্বিপুকে তাৎক্ষণিকভাবে ২ (দুই) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
 
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নেছারাবাদ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রায়হান মাহামুদ।
 
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রায়হান মাহামুদ বলেন, "মাদক সমাজ ও তরুণ প্রজন্মের জন্য একটি বড় হুমকি। মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলমান থাকবে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে প্রশাসনের পাশাপাশি সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা ও সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি।"
 
তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং মাদকের বিস্তার রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিয়ানমারে পাচারের আগেই ১৩০ বস্তা সার জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৪ এম


মিয়ানমারে পাচারের আগেই ১৩০ বস্তা সার জব্দ

মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে মজুদ করা বিপুল পরিমাণ সরকারি সার জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং উপজেলা কৃষি বিভাগ।

কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তে এই ঘটনার তত্ত্বাবধান করা হয়। সোমবার (১৩ জুলাই) গোপন তথ্যে ভিত্তিতে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বটতলী কবরস্থান মোড় এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালীন, স্থানীয় ‘লম্বা কালো’ দোকানের পাশের একটি বাড়ি থেকে ১৩০ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে যে, নাফনদ তীরের ওই বাড়িটিতে তিন ব্যক্তি মিয়ানমারে পাচারের জন্য সার মজুদ করেছিলেন। ৩ জন মজুদদার হলেন যথাক্রমে কামাল উদ্দিনের ছেলে মুফিজ উদ্দিন (৪৫), যার নিকট থেকে ৭২ বস্তা সার উদ্ধার হয়, দুদু মিয়ার ছেলে সাগর, যার কাছ থেকে ২১ বস্তা সার উদ্ধার হয়েছে, এবং নাজির উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ ইউনুস, যার কাছ থেকে ৩৭ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রাথমিক তথ্য ও তদন্ত অনুযায়ী, উদ্ধারকৃত সারগুলো সীমান্ত পার করে পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারের রাখাইনে পাচারের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে মজুদে রাখা হয়েছিল। এই পাচার ও অবৈধ মজুদ চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৫ জনের নাম উঠে এসেছে। তারা হলেন স্থানীয় গয়াল মারা গ্রামের আকবর আলীর ছেলে সোনা মিয়া এবং তার ভাই ইউনুস, আনজুমান পাড়ার আবদুল জব্বারের ছেলে নুর মোহাম্মদ, পশ্চিম পালংখালী গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে বাদশা মিয়া এবং পূর্ব ফারির বিল গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে সাগর।

অভিযানে উখিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশিষ সরকার, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবু তাহের মাহমুদ এবং বিজিবির সুবেদার তরিকুল ইসলামসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযান শেষে উখিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশিষ সরকার জানান, ‘কৃষি উপকরণ সম্পূর্ণভাবে কৃষকদের কল্যাণের জন্য বরাদ্দ।

এগুলো কোনোভাবেই অবৈধভাবে মজুত করা বা সীমান্ত দিয়ে অন্য দেশে পাচারের সুযোগ নেই।’

জব্দকৃত সারগুলো বর্তমানে প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জলাবদ্ধ মাঠে ডাকসু নেতাদের মাছ ছাড়ার প্রতিবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৬ এম


বাংলাদেশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জলাবদ্ধ মাঠে ডাকসু নেতাদের মাছ ছাড়ার প্রতিবাদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা এবং সংস্কার কাজে প্রশাসনের অবহেলার প্রতিবাদে জলাবদ্ধ মাঠে দেশীয় মাছ অবমুক্ত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতারা।

সোমবার (১৩ জুলাই) এই প্রতীকী প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন তারা।

ডাকসু নেতাদের অভিযোগ হলো, কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের সংস্কার ও আধুনিকায়নের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) থেকে ২ কোটি টাকার অর্থায়ন নিশ্চিত করা হয়েছিল। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দীর্ঘসূত্রিতা ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের অসহযোগিতার কারণে এখনো সেই সংস্কার কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। অর্থ বরাদ্দ থাকার পরও কাজ শুরু না হওয়ায় নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।

নেতৃবৃন্দ জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে পানি জমে থাকে এবং এটি নিষ্কাশন না হওয়ায় দীর্ঘ সময় ধরে মাঠটি ব্যবহারযোগ্য হয়ে পড়ে না।

এটি শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, প্রশিক্ষণ এবং বিভিন্ন ক্রীড়া আয়োজন নিয়মিতভাবে ব্যাহত করেছে।

কর্মসূচিতে ডাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসেন বলেন, ‘ডাকসু নির্বাচনের পর আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি উদ্যোগ ছিল কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ সংস্কার এবং মেয়েদের জন্য একটি আধুনিক জিমনেসিয়াম স্থাপন। উভয় প্রকল্পের জন্যই আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে থেকে প্রয়োজনীয় অর্থায়নের ব্যবস্থা করেছি। কিন্তু প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রিতা ও অসহযোগিতার কারণে কোনো প্রকল্পই বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না।

বিসিবি থেকে মাঠ সংস্কারের জন্য দুই কোটি টাকা আনার পরও সেই অর্থ ব্যবহার করে কাজ শুরু করা হয়নি। শিক্ষার্থীদের স্বার্থে অবিলম্বে সংস্কার কাজ শুরু করা প্রয়োজন।’

এসময় অবিলম্বে মাঠের সংস্কারকাজ শুরু করার, কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার এবং শিক্ষার্থীবান্ধব উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে প্রশাসনিক অসহযোগিতা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন ছাত্রপ্রতিনিধিরা। শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবির প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আরও দায়িত্বশীল এবং ইতিবাচক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তারা।

প্রতীকী এই কর্মসূচিতে ডাকসুর আন্তর্জাতিক সম্পাদক খান জসীম, ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, বিজ্ঞান সম্পাদক ইকবাল হায়দার, সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের ও কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল সংসদের ভিপি আহসান হাবিব ইমরোজ, ফজলুল হক হল সংসদের জিএস ইমামুল হাসান, ড. মুহম্মদ শহিদুল্লাহ হল সংসদের জিএস তাওকির হাসান, বিজয় একাত্তর হল সংসদের জিএস আশিক বিল্লাহ, এজিএস ইমরান হোসেনসহ বিভিন্ন হল সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%