০৯:১৯ এম
ঐতিহাসিক জয়। তিনবার বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে মিশর কখনও জিততে পারেনি, জয় ছিল না দুই বিশ্বকাপে খেলা নিউজিল্যান্ডেরও। ইতিহাস গড়ার সুযোগটি মোহামেদ সালাহর দল লুফে নিলো। তার কাঁধে ভর করেই জিতেছে মিশর।
ভ্যাঙ্কুভারে নিউজিল্যান্ড এগিয়ে গিয়ে প্রথম জয়ের সুযোগ তৈরি করলেও মিশর ঘুরে দাঁড়ায়। প্রথমার্ধে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা দলটি দ্বিতীয়ার্ধে করলো ৩ গোল। যার মধ্যে সালাহ একটি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থ ট্রেজেগুয়েটকে দিয়ে একটি গোল বানিয়েও দেন।
ম্যাচের ১৫ মিনিটের মাথায় নিউজিল্যান্ড এগিয়ে যায়। ফিন সারম্যান ছিলেন ফাঁকায়। কর্নার থেকে টিম পেইনের বাঁকানো শটে লাফিয়ে উঠে করা হেডে বল জালে পাঠান মেজর সকার লিগে খেলা ডিফেন্ডার। কিন্তু দিনটা নিউজিল্যান্ডের ছিল না। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফিরে আসে মিশর।
আরও পড়ুন: দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, এক পয়সাও নয়ছয় সহ্য করা হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
ম্যাচের ৫৮ মিনিটে মোহামেদ হানি বল পেয়ে ডি বক্সের মাঝখানে পাঠিয়ে দেন। সেখানে একা থাকা জিকো কোনো ভুল করেননি এবং হেডের মাধ্যমে ব্যবধান ১-১ করেন। পরের গোলের জন্য মিশরের ১০ মিনিটও লাগেনি। দ্বিতীয়ার্ধের পানীয় বিরতির ঠিক আগে সালাহ ও জিকোর ওয়ান-টু-ওয়ান পাসে মিশর আক্রমণে ওঠে। শেষ পর্যন্ত সালাহ আড়াআড়ি শটে নিউজিল্যান্ড গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন।
পরের গোলে সালাহ অ্যাসিস্ট করেন। তার নিখুঁত পাসে বদলি খেলোড় ট্রেজেগুয়েট হেডে গোল করেন। মিশর এরপর আরও কিছু সুযোগ তৈরি করেছে, কিন্তু গোল করা হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন