ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

সালাহর জোড়া গোলে বিশ্বকাপে প্রথম জয়ের স্বাদ পেল মিসর


সালাহর জোড়া গোলে বিশ্বকাপে প্রথম জয়ের স্বাদ পেল মিসর

ঐতিহাসিক জয়। তিনবার বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে মিশর কখনও জিততে পারেনি, জয় ছিল না দুই বিশ্বকাপে খেলা নিউজিল্যান্ডেরও। ইতিহাস গড়ার সুযোগটি মোহামেদ সালাহর দল লুফে নিলো। তার কাঁধে ভর করেই জিতেছে মিশর।

ভ্যাঙ্কুভারে নিউজিল্যান্ড এগিয়ে গিয়ে প্রথম জয়ের সুযোগ তৈরি করলেও মিশর ঘুরে দাঁড়ায়। প্রথমার্ধে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা দলটি দ্বিতীয়ার্ধে করলো ৩ গোল। যার মধ্যে সালাহ একটি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থ ট্রেজেগুয়েটকে দিয়ে একটি গোল বানিয়েও দেন।

ম্যাচের ১৫ মিনিটের মাথায় নিউজিল্যান্ড এগিয়ে যায়। ফিন সারম্যান ছিলেন ফাঁকায়। কর্নার থেকে টিম পেইনের বাঁকানো শটে লাফিয়ে উঠে করা হেডে বল জালে পাঠান মেজর সকার লিগে খেলা ডিফেন্ডার। কিন্তু দিনটা নিউজিল্যান্ডের ছিল না। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফিরে আসে মিশর।

আরও পড়ুন: দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, এক পয়সাও নয়ছয় সহ্য করা হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

ম্যাচের ৫৮ মিনিটে মোহামেদ হানি বল পেয়ে ডি বক্সের মাঝখানে পাঠিয়ে দেন। সেখানে একা থাকা জিকো কোনো ভুল করেননি এবং হেডের মাধ্যমে ব্যবধান ১-১ করেন। পরের গোলের জন্য মিশরের ১০ মিনিটও লাগেনি। দ্বিতীয়ার্ধের পানীয় বিরতির ঠিক আগে সালাহ ও জিকোর ওয়ান-টু-ওয়ান পাসে মিশর আক্রমণে ওঠে। শেষ পর্যন্ত সালাহ আড়াআড়ি শটে নিউজিল্যান্ড গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন।

পরের গোলে সালাহ অ্যাসিস্ট করেন। তার নিখুঁত পাসে বদলি খেলোড় ট্রেজেগুয়েট হেডে গোল করেন। মিশর এরপর আরও কিছু সুযোগ তৈরি করেছে, কিন্তু গোল করা হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাতারে গ্যাস কারখানায় বিস্ফোরণ, আহত ৫৪; এখনও নিখোঁজ ১৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৩ এম


কাতারে গ্যাস কারখানায় বিস্ফোরণ, আহত ৫৪; এখনও নিখোঁজ ১৮

কাতারের রাস লাফান শিল্পাঞ্চলে একটি গ্যাস কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৫৪ জন আহত হয়েছেন এবং নিখোঁজ রয়েছেন ১৮ জন।

সোমবার (২২ জুন) কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। নিখোঁজদের উদ্ধারে কাজ করছে কর্তৃপক্ষ।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ‘কাতারএনার্জি’ জানিয়েছে, রবিবার (২১ জুন) রাতে রাস লাফান শিল্প শহরের বারজান স্থানীয় গ্যাস সরবরাহ কেন্দ্রে কাজ শুরু হওয়ার সময় এই বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এটিকে একটি ‘অভ্যন্তরীণ বিস্ফোরণ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং জানিয়েছে যে একটি ‘কারিগরি বা যান্ত্রিক ত্রুটির’ কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

বিস্ফোরণটি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, দুর্ঘটনাস্থল থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে থাকা এএফপি-র একজন সাংবাদিকও রাতের আকাশে আগুনের বড় শিখা এবং ধোঁয়ার কুণ্ডলী উড়তে দেখেছেন। বিস্ফোরণের পর কারখানার ঠিক কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনো পুরোপুরি জানা যায়নি।

বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম এই তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেন্দ্রটি সাম্প্রতিক মার্কিন-ইরান যুদ্ধের কারণে আগেই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ওই যুদ্ধে ইরানি হামলায় কাতারের জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং কাতার গ্যাস উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছিল।

ইরানের ড্রোন হামলার পর গত ২ মার্চ থেকেই এটি এলএনজি উৎপাদন বন্ধ রেখেছিল। কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী সাদ আল-কাআবি জানিয়েছিলেন, গত ১৮ মার্চের হামলার কারণে দেশের এলএনজি রপ্তানি ক্ষমতা ১৭ শতাংশ কমে গেছে এবং তা ঠিক করতে ৩ থেকে ৫ বছর সময় লেগে যেতে পারে।

কাতার বিশ্ব বাজারে অন্যতম শীর্ষ প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহকারী দেশ। হরমুজ প্রণালিতে ইরানের কঠোর নিয়ন্ত্রণের কারণে কাতার দীর্ঘদিন গ্রাহকদের কাছে পণ্য পাঠাতে পারছিল না। সম্প্রতি যুদ্ধ থামানোর আলোচনা শুরু হওয়ায় এবং ইরান নিয়ন্ত্রণ কিছুটা শিথিল করায় কাতার তাদের এই রপ্তানি টার্মিনালটি পুনরায় চালু করার চেষ্টা করছিল।

ঠিক এই সময়ে নতুন করে ঘটা এই বিস্ফোরণ বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদেশে ব্যয় বাড়ায় নতুন সিদ্ধান্তের ভাবনায় ভারতীয় শিক্ষার্থীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৬ এম


বিদেশে ব্যয় বাড়ায় নতুন সিদ্ধান্তের ভাবনায় ভারতীয় শিক্ষার্থীরা

বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখা ভারতীয় শিক্ষার্থীদের জন্য পরিস্থিতি ক্রমাগত কঠিন হয়ে উঠছে।

ভারতীয় রুপির দরপতন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে চাকরির অনিশ্চয়তা, কঠোর ভিসানীতি এবং অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের কারণে এখন অনেক শিক্ষার্থী বিদেশে পড়াশোনার সিদ্ধান্ত নতুন করে বিবেচনা করছেন।

বহু বছরের প্রস্তুতির পর, ভারতের ঝাড়খণ্ডের ২৯ বছর বয়সী কনটেন্ট ক্রিয়েটর প্রগতি প্রিয়া চলতি বছর ইতালির রোমে গ্লোবাল ইকোনমিক অ্যাফেয়ার্স বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের জন্য যাত্রা শুরু করেন। তবে বিদেশে পড়াশোনার ব্যয় হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ায় তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ইউরোসহ বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে ভারতীয় রুপির মূল্য কমে যাওয়ার কারণে তার শিক্ষাঋণের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে শুরু করেছে।

প্রিয়া বলেন, "শিক্ষাঋণের বোঝা ভবিষ্যতে পরিশোধ করতে সক্ষম হবো কিনা" সেই দুশ্চিন্তায় তিনি প্রায়ই ভাবছেন।

যদিও পরিবারের সহযোগিতার আশ্বাসে তিনি শেষ পর্যন্ত বিদেশে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন।

২০২৫ সালে বিদেশের বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১২ লাখের বেশি ভারতীয় শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে। বিদেশে শিক্ষার্থী পাঠানোর ক্ষেত্রে ভারত বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম দেশ। তবে সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক এবং নীতিগত পরিবর্তনের কারণে বিদেশে পড়াশোনার আগ্রহে কিছুটা ভাটা দেখা যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এডওয়াইজ ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা সুশীল সুখওয়ানি জানান, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় শিক্ষার্থীদের ভর্তি গত দুই বছরে প্রায় ২০ শতাংশ কমে গেছে। ভবিষ্যতে এ হার আরও ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কমতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

কঠোর ভিসানীতিও এ প্রবণতার অন্যতম কারণ। যুক্তরাজ্যের অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় ভারতীয় শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়ার কথা জানিয়েছে। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রেও ভারতীয় শিক্ষার্থীদের ভর্তি হ্রাস পেয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশে অবস্থানরত অনেক শিক্ষার্থীও আর্থিক চাপে রয়েছেন। রুপির মূল্যহ্রাসের কারণে অতিরিক্ত ঋণ নিতে বা নতুন অর্থায়নের ব্যবস্থা করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। ২০১৯ সালের পর থেকে প্রধান শিক্ষাগন্তব্য দেশগুলোর মুদ্রার তুলনায় ভারতীয় রুপির মূল্য ৩৫ থেকে ৪৭ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে।

অন্যদিকে, বিদেশে পড়াশোনা শেষে দক্ষ পেশায় চাকরি পাওয়াও আগের তুলনায় কঠিন হয়ে উঠছে। ফলে অনেক শিক্ষার্থী নিজেদের যোগ্যতার সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন কাজে যুক্ত হতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে বিদেশে উচ্চশিক্ষার চাহিদা সম্পূর্ণরূপে কমে যায়নি। বরং যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের পরিবর্তে জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি এবং ইউরোপের অন্যান্য দেশের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তুলনামূলক কম খরচ, পড়াশোনা শেষে কাজের সুযোগ এবং ভালো কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা শিক্ষার্থীদের এসব গন্তব্যের দিকে আকৃষ্ট করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ভারতীয় শিক্ষার্থীদের এই পরিবর্তিত প্রবণতা যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মতো দেশের উচ্চশিক্ষা খাতের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে। কারণ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরেই ভারত থেকে আসছে। বর্তমানে অর্থনৈতিক চাপ, ভিসা জটিলতা এবং চাকরির অনিশ্চয়তা মিলিয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভারতীয় শিক্ষার্থীরা আগের চেয়ে অনেক বেশি সতর্ক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিউবান বিপ্লবের অন্যতম মহানায়ক রামিরো ভালদেসের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ এম


কিউবান বিপ্লবের অন্যতম মহানায়ক রামিরো ভালদেসের মৃত্যু

কিউবান বিপ্লবের অন্যতম প্রধান নেতা ও ফিদেল কাস্ত্রোর ঘনিষ্ঠ সহযোগী রামিরো ভালদেস আর নেই। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। রবিবার (২১ জুন) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিউবার রাষ্ট্রপতি মিগেল দিয়াজ-কানেল তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানানো হয়নি। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে কিউবা সরকারের শীর্ষ পদে থাকা ভালদেসকে দেশের ‘প্রজাতন্ত্রের বীর’ এবং ‘বিপ্লবের সেনাপতি’ হিসেবে গণ্য করা হতো। তার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি দিয়াজ-কানেল শোক প্রকাশ করে বলেন, ‘এই ক্ষতি বাবার মৃত্যুর মতোই গভীরভাবে আঘাত করেছে। বিজয় না আসা পর্যন্ত, সর্বদা, কমান্ডার!’ ১৯৩২ সালে জন্মগ্রহণকারী রামিরো ভালদেস মাত্র ২১ বছর বয়সেই কিউবার স্বৈরশাসক ফুলজেনসিও বাতিস্তার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামেন। ১৯৫৩ সালে ফিদেল কাস্ত্রোর নেতৃত্বে ঐতিহাসিক মনকাডা ব্যারাক আক্রমণে তিনি সরাসরি অংশ নেন। পরবর্তীতে মেক্সিকোতে নির্বাসনের পর ১৯৫৬ সালে বিপ্লব পুনরায় শুরু করতে যে ৮২ জন যোদ্ধা ‘গ্রানমা’ নামক ইয়টে চড়ে কিউবায় ফিরেছিলেন, ভালদেস ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম। পথিমধ্যের তীব্র সংঘাতের পর যে মাত্র ১২ জন জীবিত বেঁচে ফিরতে পেরেছিলেন, ফিদেল কাস্ত্রো, রাউল কাস্ত্রো ও চে গুয়েভারার পাশাপাশি ভালদেসও ছিলেন সেই সৌভাগ্যবানদের দলে। তিনি সিয়েরা মায়েস্ত্রা পাহাড়ে চে গুয়েভারার ডেপুটি কমান্ডার হিসেবে বাতিস্তা সরকারের পতনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৫৯ সালে বিপ্লব সফল হওয়ার পর ফিদেল কাস্ত্রো ক্ষমতা গ্রহণ করলে, ভালদেস দেশের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার প্রধান হন। কাস্ত্রো ও চে গুয়েভারার মতোই তিনি আমৃত্যু তার ট্রেডমার্ক জলপাই-সবুজ সামরিক পোশাক এবং ট্রটস্কি-শৈলীর দাড়ি বজায় রেখেছিলেন। ৮০ বছর বয়স পর্যন্তও তিনি ছিলেন দারুণ ফিট এবং নিয়মিত ব্যায়াম করতেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি কিউবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা উপমন্ত্রী, তথ্য ও যোগাযোগমন্ত্রী ও উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালে রাউল কাস্ত্রো তরুণ প্রজন্মের নেতা দিয়াজ-কানেলের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করার পরও ভালদেস সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। সর্বশেষ তিনি উপ-প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছিলেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কিউবার তীব্র জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবেলায় ৯৪ বছর বয়সেও সক্রিয় ছিলেন ভালদেস। প্রায়ই সামরিক পোশাকে রাষ্ট্রপতির পাশে দাঁড়িয়ে তিনি কিউবানদের বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে এবং দেশের কঠিন সময়ে বিপ্লবী উদ্দীপনা বজায় রাখার আহ্বান জানাতেন। একদলীয় শাসনব্যবস্থা এবং কিউবান বিপ্লবের প্রতি তিনি আমৃত্যু বিশ্বস্ত ও অনুগত ছিলেন। ২০১৯ সাল পর্যন্ত তিনি ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির শক্তিশালী পলিটব্যুরোর সদস্য ছিলেন। তার প্রয়াণের ফলে কিউবার বিপ্লবী ইতিহাসের একটি সোনালী অধ্যায়ের অবসান ঘটেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিবির নেতা হত্যা মামলায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায় জামায়াত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ এম


শিবির নেতা হত্যা মামলায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায় জামায়াত

ছাত্রশিবিরের গাইবান্ধার সাঘাটা বোনারপাড়া ইউনিয়ন শাখার সভাপতি সাইফুল্লাহ বারীকে হত্যার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। রবিবার (২১ জুন) দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার একটি বিবৃতিতে বলেছেন, যুবদল নেতা মোখলেসুসর রহমান মুকুল এবং তার ভাই পলাশ সাইফুল্লাহকে হত্যা করেছে। খুনিদের জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

এদিকে সংসদের বৈঠকের পর গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ির) এমপি মো. আব্দুল ওয়ারেছ এই হত্যার বিচার দাবি করেন প্রেস ব্রিফিংয়ে। তিনি জানান, যুবদল এবং বিএনপির নেতাকর্মীরা সাইফুল্লাহকে হত্যা করেছে। জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল তার বিবৃতিতে বলেছেন, যুবদল নেতা মুকুল ও তার ভাই পলাশসহ সন্ত্রাসীরা সাইফুল্লাহ বারীকে ধারাল অস্ত্র ও লোহার শাবল দিয়ে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে।

প্রকাশ্য দিবালোকে সংঘটিত এই পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডকে বর্বর, কাপুরুষোচিত ও মানবতাবিরোধী বলে বর্ণনা করেন তিনি। এ ধরনের রক্তক্ষয়ী ও পাশবিক হামলা কোনো সভ্য সমাজ এবং সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে গোলাম পরওয়ার বলেন, হত্যায় জড়িত মূল হোতা মুকুল ও পলাশসহ সকল খুনি ও সন্ত্রাসীকে অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। হামলায় গুরুতর আহত সাইফুল্লাহর বন্ধু সালাউদ্দিন এখন হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন। তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%