০৯:৪৯ এম
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের আত্মসমর্পণের ৮১তম বার্ষিকী শনিবার পালিত হয়। এই উপলক্ষে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি টোকিওর বিতর্কিত ইয়াসুকুনি মন্দিরে যাননি। চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের আরো অবনতি এড়াতে তাঁর এই মন্দিরে যাওয়া থেকে বিরত থাকার পেছনে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে একই দিনে, জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি ও বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ইয়াসুকুনি মন্দিরে গিয়ে প্রার্থনা করেন, এমন তথ্য ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইয়াসুকুনি মন্দিরে যুদ্ধে নিহত ২৪ লাখের বেশি জাপানির স্মরণ করা হয়। কিন্তু এখানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ১৪ জন দণ্ডিত যুদ্ধাপরাধীও অন্তর্ভুক্ত আছেন। এই কারণে চীন ও দক্ষিণ কোরিয়া মন্দিরটিকে জাপানের যুদ্ধকালীন আগ্রাসনের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করে।
আরও পড়ুন: জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদের স্থান নেই: বিএনপির এমপি শাহজাহান
অনুষ্ঠানে, প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি জাপানের যুদ্ধকালীন ভূমিকার জন্য সরাসরি অনুশোচনা প্রকাশ না করে বলেন, যুদ্ধের পুনরাবৃত্তি হতে দেওয়া হবে না। তিনি হিরোশিমা, নাগাসাকি, ওকিনাওয়া এবং বিদেশের যুদ্ধক্ষেত্রে নিহতদের স্মরণ করেন।
চীন জাপানি রাজনীতিকদের ইয়াসুকুনি সফরের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ তুলেছে। অন্যদিকে, দক্ষিণ কোরিয়াও এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেছে। তবে, দেশটির প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং বলেন, বর্তমান সময়ে কোরিয়া-জাপান সহযোগিতা আগের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন