ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যৌন নিপীড়ন মামলায় ট্রাম্পের আবেদন আবারও নাকচ করল সুপ্রিম কোর্ট


যৌন নিপীড়ন মামলায় ট্রাম্পের আবেদন আবারও নাকচ করল সুপ্রিম কোর্ট

লেখক ও সাবেক ম্যাগাজিন কলামিস্ট ই জিন ক্যারলকে যৌন নিপীড়ন এবং মানহানির দায়ে অভিযুক্ত করা প্রসঙ্গে দেওয়া দেওয়ানি মামলায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আপিলের আবেদন দ্বিতীয়বারের মতো খারিজ করেছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট।

সোমবার প্রকাশিত আদালতের আগস্টের আদেশ তালিকায় ট্রাম্পের পুনর্বিবেচনার আবেদন বাতিল করা হয়। এর আগে গত জুন মাসে আদালত ২০২৩ সালের রায়ের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের আপিল শুনতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল।

২০২৩ সালের ওই মামলায় একটি জুরি ট্রাম্পকে ১৯৯৬ সালে ক্যারলকে যৌন নিপীড়ন এবং পরে মানহানি করার জন্য দায়ী করে। একই সঙ্গে তাকে প্রায় ৫০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: সীতাকুণ্ডে ইয়াবা কারবারিদের ধরে টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয় পুলিশ, থানার ক্যাশিয়ার নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন

ক্যারলের আইনজীবী রবার্তা ক্যাপলান এক বিবৃতিতে বলেন, সুপ্রিম কোর্ট আবারও মামলাটি শুনতে অস্বীকৃতি জানানোয় তারা সন্তুষ্ট। তার ভাষ্য, জুরির সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত এখন চূড়ান্ত হয়ে গেছে। কোনো আদালতে আর এই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করা যাবে না।

তবে ট্রাম্পের আবেদন কেন খারিজ করা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট। ওই দিন আদালত মোট ৩৩টি পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ করে।

জুনের মাসে ট্রাম্পের আপিল খারিজ হওয়ার পর ক্যারল প্রায় ৫৮ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ এবং সুদ পেয়েছিলেন।

ক্যারল ও ট্রাম্পের আইনি লড়াই শুরু হয় ২০১৯ সালে। ওই বছর ক্যারল তার স্মৃতিকথার একটি অংশ প্রকাশ করেন, যেখানে তিনি অভিযোগ করেন, ১৯৯৬ সালে নিউইয়র্কের বার্গডর্ফ গুডম্যানের একটি পোশাক পরিবর্তনকক্ষে ট্রাম্প তাকে ধর্ষণ করেছিলেন।

আরও পড়ুন: ইশরাকের পদত্যাগের পর স্ত্রীর রহস্যময় পোস্ট

ট্রাম্প অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ক্যারল ‘পাগল’ এবং ‘তার পছন্দের নারী নন’ বলেও মন্তব্য করেন।

২০২২ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একাধিক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ৫৮ লাখ ডলারের মামলাটি হয়। ওই সময় ট্রাম্প ক্যারলের অভিযোগকে ‘ভুয়া’ এবং ‘প্রতারণা’ বলে অভিহিত করেছিলেন।

এদিকে ২০২৪ সালে পৃথক একটি মানহানি মামলায় জুরি ক্যারলকে ৮ কোটি ৩৩ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধেও ট্রাম্প সুপ্রিম কোর্টে আপিল করছেন।

ট্রাম্পের দাবি, প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় দেওয়া বক্তব্যের ক্ষেত্রে তার সাংবিধানিক দায়মুক্তির অধিকার রয়েছে। ফলে ওই বক্তব্যের জন্য তাকে দায়ী করা যায় না।

আরও পড়ুন: শাহজালাল বিমানবন্দরে প্রবাসীদের জন্য ২০০ ট্রলি প্রদান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধীতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ কামরুজ্জামান,আলোচনায় রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪১ পি.এম


ধীতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ কামরুজ্জামান,আলোচনায় রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা,সাংগঠনিক দক্ষতা ও জনসম্পৃক্ততার কথা তুলে ধরে ধীতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় শেখ মোহাম্মদ কামরুজ্জামান

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ৪নং ধীতপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন শেখ মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।ধলিয়া এলাকার বাসিন্দা শেখ কামরুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন বলে তার ব্যক্তিগত তথ্য বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে।

শেখ মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের রাজনৈতিক জীবনের সূচনা ছাত্রদলের রাজনীতির মধ্য দিয়ে।তথ্য বিবরণী অনুযায়ী,তিনি ১৯৯৩ সাল থেকে ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তিনি সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থেকে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তুলেছেন বলে তার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

তিনি ৪নং ধীতপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে যুবদলের সদস্য হিসেবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন। পাশাপাশি ময়মনসিংহ জেলা মোটর মালিক সমিতির ভালুকা উপজেলা শাখার প্রচার সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

শিক্ষাজীবন ও রাজনৈতিক পথচলা শিক্ষাজীবনেও শেখ কামরুজ্জামান স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিনি ধলিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি এবং শেরপুর কৃষি ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট (ATI) থেকে কৃষি ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেন।

ছাত্রজীবন থেকেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়ে ধীরে ধীরে সাংগঠনিক পর্যায়ে নিজের অবস্থান তৈরি করেন তিনি। দীর্ঘ সময় ধরে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে বলে তার সমর্থকদের দাবি।

চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে উন্নয়নের প্রত্যাশা ধীতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে শেখ মোহাম্মদ কামরুজ্জামান ইউনিয়নের উন্নয়ন,সাধারণ মানুষের সেবা এবং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্ব দিতে চান বলে তার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
তার ব্যক্তিগত তথ্য বিবরণীতে সামাজিক,রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও শিক্ষানুরাগী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কাজে সম্পৃক্ত রয়েছেন।বিশেষ করে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো,এলাকার বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কাজ করা এবং স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।

পরিচ্ছন্ন রাজনীতির প্রত্যয় শেখ মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের রাজনৈতিক পরিচিতি তুলে ধরতে গিয়ে তার পক্ষ থেকে তাকে স্পষ্টবাদী,সত্যবাদী,নির্লোভ ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিতে বিশ্বাসী হিসেবে পরিচিতি। তার লক্ষ্য ধীতপুর ইউনিয়নের মানুষের কল্যাণে কাজ করা এবং একটি উন্নত,আধুনিক ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তোলা।

চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তাকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

শেখ মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন,রাজনীতি আমার
কাছে মানুষের সেবা করার একটি মাধ্যম।ধীতপুর ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের পাশে থেকে এলাকার উন্নয়ন ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করাই আমার মূল লক্ষ্য। সুযোগ পেলে দল-মত নির্বিশেষে সকল মানুষের জন্য কাজ করতে চাই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পূর্বধলায় ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪৩ পি.এম


পূর্বধলায় ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে নারীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার খালিশাউড় ইউনিয়নের বনপাড়া গ্রামে কল্পনা নামে এক নারী ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে স্থানীয় নারীদের কাছ থেকে ১০০ টাকা করে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এক ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করে বলেন, তাকে গর্ভবতী কার্ড দেওয়ার কথা বলে ৫ হাজার টাকা চাওয়া হয়েছে। এছাড়া কল্পনা নামে ওই নারী বড় পরিবারের জন্য মাসে ৫ হাজার টাকা এবং ছোট পরিবারের জন্য মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা ভাতা দেওয়ার কথা বলছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে পূর্বধলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমরা এখনো ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কাজ শুরু করিনি। বিষয়টি তদন্ত করে ওই নারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু হলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরকারি নিয়মে সবাইকে জানানো হবে। এ ধরনের প্রতারণার ফাঁদে না পড়তে স্থানীয়দের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে অভিযুক্ত কল্পনার সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অন্যদিকে বনপাড়ার এক ভুক্তভোগীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, গতকালও এক নারী ফ্যামিলি কার্ডের জন্য টাকা চাইতে এলাকায় এসেছিলেন। তাকে ধরতে গেলে ওই নারী দৌড়ে পালিয়ে যান।
স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে সরকারি সিদ্ধান্ত ও প্রকৃত তথ্য জনগণের কাছে স্পষ্ট করা হোক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামিন না পেয়ে আরেক মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক মেজর সাদিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪৮ পি.এম


জামিন না পেয়ে আরেক মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক মেজর সাদিক

এবার সাবেক মেজর মো. সাদিকুল হককে খিলক্ষেত থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ অগাস্ট) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন।

এটি প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই তারেকুর রহমান এতথ্য জানান।

সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত মেজর সাদিককে ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর সামরিক আদালতে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এর পর ভাটারা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আরেকটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গত ২৯ জুন শেষে তিনি ওই মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান।

কিন্তু গত ৭ অগাস্ট তাকে রাজধানীর ভাটারা থানাধীন এলাকায় একটি ব্যক্তিগত গাড়ি পোড়ানোর মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন ভাটারা থানার এসআই ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চাঁদ আলী। সেই আবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এবং ‘দেশকে অস্থিতিশীল করতে’ ওই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তদন্তে এ ঘটনায় সাদিকের ‘প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে’ বলে উল্লেখ করা হয়।

ওই আবেদনের শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী এইচ এম আল-আমিন আদালতে বলেন, ‘ঘটনার সময় আসামি কারাগারে ছিলেন। কারাগারে থেকে তিনি কীভাবে গাড়ি পোড়ান?’

কারাগারে থাকা অবস্থায় কীভাবে সাদিক মামলার ঘটনায় জড়িত হলেন, সে বিষয়ে আদালত ভাটারা থানার ওসি ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা দিতে বলে। পরে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে হাজির হয়ে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দেন। সেই ব্যাখ্যা পর্যালোচনা করে ঢাকার ম্যাট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম মেজর সাদিককে ওই মামলায় গ্রেপ্তার না দেখানোর আদেশ দেন।

এর ভিত্তিতে সাদিকের আইনজীবী এইচ এম আল-আমিন তখন বলেন, ‘আর কোনো মামলায় আটকাদেশ না থাকায় তার মুক্তিতে বাধা নেই।’

কিন্তু এর পরপরই খিলক্ষেত থানার নতুন মামলায় সাদিককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন জানান ওই থানার এসআই মো. শাহজালাল। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির দিন আজ মঙ্গলবার রাখেন।

এদিন শুনানিকালে মেজর সাদিককে আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার বিবরণে বলা হচ্ছে, গত বছরের ১৭ মে দুপুর ২টার দিকে খিলক্ষেত বাজারসংলগ্ন এলাকায় ‘নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সময়’ সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ।

এই মামলায় আরো বলা হয়েছে, ‘তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করায় তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, ভাবমূর্তি, সুনাম ক্ষুণ্ন করা ও ঢাকা সেনানিবাসের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার জন্য ‘সহযোদ্ধা’ নামক সামাজিক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য দেয়।’

এ ঘটনায় ঢাকা সেনানিবাসের সদর দপ্তর লজিস্টিকস এরিয়ার আজিজুল ইসলাম পরদিন খিলক্ষেত থানায় মামলা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২টি এমকিউ-৯বি সিগার্ডিয়ান ড্রোন ভাড়া নিচ্ছে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪৯ পি.এম


২টি এমকিউ-৯বি সিগার্ডিয়ান ড্রোন ভাড়া নিচ্ছে ভারত

ভারতীয় নৌবাহিনীর বহরে দুটি এমকিউ-৯বি সিগার্ডিয়ান ড্রোন যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এই দুটি চালকবিহীন বিমান ভাড়ায় নেওয়া হয়েছে ৩০ মাসের জন্য। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, এই ড্রোনগুলো ভারতীয় নৌবাহিনীর দীর্ঘপাল্লার নজরদারি এবং গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জেনারেল অ্যাটমিকসের সঙ্গে চুক্তি করে ভারত। সোমবার নয়াদিল্লিতে চুক্তিটি সাইন করা হয়েছে। এর মূল্য প্রায় ১ হাজার ৯৪৩ কোটি রুপি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, নতুন দুটি ড্রোন নিয়মিত নজরদারি ও অনুসন্ধানে ব্যবহার করা হবে ভারতীয় নৌবাহিনীর সামুদ্রিক এলাকায়।

ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বিভিন্ন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতায় এভাবে বৃদ্ধি ঘটবে।

এমকিউ-৯বি সিগার্ডিয়ান হচ্ছে একটি চালকবিহীন বিমান ব্যবস্থা। এটি দীর্ঘ সময়ে এবং উচ্চতায় উড়তে সক্ষম। গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, নজরদারি, অনুসন্ধানের পাশাপাশি নির্ভুল হামলার জন্যও এই ড্রোন ব্যবহৃত হতে পারে।

ড্রোনটিতে রয়েছে উন্নত সেন্সর ও নানা আধুনিক প্রযুক্তি। এটি একটানা ৩০ ঘণ্টার বেশি সময় আকাশে থাকতে পারে এবং ৪০ হাজার ফুটের বেশি উচ্চতায় উড়তে পারে। দীর্ঘক্ষণ আকাশে থাকার কারণে এটি সমুদ্র ও স্থলভাগের বিস্তৃত এলাকা পর্যবেক্ষণ করতে সমর্থ। সামুদ্রিক টহল ও অনুসন্ধানের জন্য বিশেষ ব্যবস্থাও এতে রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধের সক্ষমতা।

ভারত এরই মধ্যে জেনারেল অ্যাটমিকসের কাছ থেকে ৩১টি এমকিউ-৯বি ড্রোন কেনার জন্য প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি করেছে। এই চুক্তি সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের সময় হলেও এটি হয়। চুক্তি অনুযায়ী, ভারতীয় নৌবাহিনী পাবে ১৫টি এমকিউ-৯বি সিগার্ডিয়ান ড্রোন। ভারতীয় সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনী পাবে আটটি করে ড্রোন। সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনীর জন্য নির্ধারিত ড্রোনগুলোর স্থলভাগে হামলার ও নজরদারির সংস্করণকে স্কাইগার্ডিয়ান বলা হয়ে থাকে। এ ছাড়া জেনারেল অ্যাটমিকসের সাথে ভারত আরো একটি চুক্তি করেছে। এতে দেশের মধ্যে এই চালকবিহীন বিমান ব্যবস্থার রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত এবং বড় ধরনের সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও সেবা প্রদান করা হবে।

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, নতুন দুটি ড্রোন ভাড়ায় নেওয়ার ফলে ভারতীয় নৌবাহিনীর সামুদ্রিক এলাকায় নজরদারির সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। মন্ত্রণালয়ের মতে, এই ড্রোনের মাধ্যমে সমুদ্রের বিশাল এলাকায় নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, নজরদারি ও অনুসন্ধান সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। ফলে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের গতিবিধি এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে দ্রুত তথ্য পাওয়া যাবে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, এসব তথ্যের উপর ভিত্তি করে পরিস্থিতির পরিবর্তন দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে এবং যখন প্রয়োজন হবে তখন দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সক্ষম হতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%