০৩:১৯ এম
অঞ্চলে অনুমোদিত পাঁচটি ওষুধের পরিবর্তে ২২টিরও বেশি ওষুধ উৎপাদন ও বাজারজাত করার অভিযোগে কুমিল্লা বিসিক শিল্পনগরীর একটি ওষুধ কারখানায় জেলা প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করেছে। অভিযানের সময় অনুমোদনহীন ওষুধ, কাঁচামাল এবং উৎপাদন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
শনিবার সন্ধ্যা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইয়াজ খানের নেতৃত্বে এ অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।
আরও পড়ুন: পলো বাওয়া উৎসব আছে, কিন্তু নেই আগের মতো মাছ
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, মর্ডান ড্রাগ নামের প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক জুবায়ের ইসলাম সীমিত সংখ্যক ওষুধ উৎপাদনের অনুমতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ তৈরি করে দেশের বিভিন্ন স্থানে ডিলারদের মাধ্যমে বাজারজাত করে আসছিলেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাইয়াজ খান মন্তব্য করেন, অনুমোদন ছাড়াই ওষুধ উৎপাদনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এতে দেখা যায় যে, কোনো অনুমোদিত কারিগরি কর্মকর্তার তত্ত্বাবধান ছাড়াই ওষুধ উৎপাদন করা হচ্ছিল। জব্দ করা ওষুধ ও সরঞ্জামের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, কুমিল্লা কার্যালয়ের প্রতিনিধি শাহ আলম সরকার জানান, জব্দ করা ২২ ধরনের ওষুধের কোন অনুমোদনপত্র প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ প্রদর্শন করতে পারেনি। পরিচিত কয়েকটি বিদেশি ব্র্যান্ডের ওষুধও সেখানে উৎপাদিত হচ্ছিল। বিশেষ করে শিশুদের জন্য তৈরি কিছু ওষুধ জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, যা প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে কারখানার মালিক জুবায়ের ইসলাম অভিযোগের কিছুটা সত্যতা স্বীকার করে জানালেন, কয়েকটি ওষুধ উৎপাদনের অনুমোদন থাকলেও কিছু ওষুধের অনুমোদন তিনি নেননি।
আরও পড়ুন: ঘুষের ভিডিও ভাইরাল, বরিশালের ভূমি অফিসের ২ কর্মচারী প্রত্যাহার
অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুলতান হাসান মাহমুদ, এনএসআইয়ের কর্মকর্তাগণ এবং জেলা পুলিশের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন