ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

কৃষিপণ্যের অপচয় রোধে দেশের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উদ্ভাবনের বিকল্প নেই : বাণিজ্যমন্ত্রী


কৃষিপণ্যের অপচয় রোধে দেশের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উদ্ভাবনের বিকল্প নেই : বাণিজ্যমন্ত্রী

লিচু সংরক্ষণ নিয়ে আধুনিক এবং স্বল্প খরচের কার্যকর সমাধান বের করার জন্য সরকার গবেষণা কার্যক্রম হাতে নেবে, এমনটাই জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, দেশের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ‘হোম সলিউশন’ উদ্ভাবনের বিকল্প নেই, যাতে কৃষিপণ্যের অপচয় রোধ করা যায়।

শুক্রবার, পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার মিরকামারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে লিচু উৎসব ও কৃষি বাণিজ্য মেলা ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশের কৃষকরা যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে দেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার সক্ষমতা রাখেন। কৃষির সঙ্গে এ অঞ্চলের মানুষের আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। ছোট শিশুদের মধ্যে কৃষির প্রতি যে ভালোবাসা আমি দেখেছি, তা সত্যিই অনন্য।

আরও পড়ুন: ৬৭ পুলিশ পরিদর্শক এসএসপি পদে পদোন্নতি পেলেন

তিনি বলেন, আগে পেঁয়াজ দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা সম্ভব হতো না। তবে স্বল্প খরচে ব্লোয়ার ও এক্সজস্ট ফ্যান ব্যবহার করে এখন কয়েক মাস সংরক্ষণ করা যাচ্ছে। একইভাবে লিচু ও আলুসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্যের জন্য দেশীয় প্রযুক্তিনির্ভর কম খরচের সংরক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

লিচুর পচন ও ফলন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণ খুঁজে বের করতে কৃষি মন্ত্রণালয়কে গবেষণার আহ্বান জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, গরম আবহাওয়া অথবা কীটনাশকের কোনো ত্রুটির কারণে সমস্যা হয়ে থাকতে পারে। একটি লিচুও যেন নষ্ট না হয়, সে লক্ষ্যে কার্যকর সমাধান বের করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ বছরে প্রায় চার কোটি টন চাল উৎপাদন করছে এবং পেঁয়াজ উৎপাদনেও স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে গেছে। কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা আরও ১০ শতাংশ বেড়ে গেলে অনেকে কৃষিপণ্য বিদেশেও রপ্তানি করতে পারবে।

এর আগে বাণিজ্যমন্ত্রী মেলার উদ্বোধন করেন এবং বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। মেলায় স্থানীয় কৃষিপণ্য, লিচু, কৃষি প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ প্রদর্শিত হয়।

আরও পড়ুন: বিশ্বজয়ে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও শিল্প-সংস্কৃতিতে দক্ষ হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল। এ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য আরিফা সুলতানা রুমা, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, পাবনার জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ কৃষক সমিতির সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান ময়েজ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের অধিনায়ক হচ্ছেন শ্রেয়াস, ডাক পাচ্ছেন সূর্যবংশী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৪ পি.এম


ভারতের অধিনায়ক হচ্ছেন শ্রেয়াস, ডাক পাচ্ছেন সূর্যবংশী

ভারতকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতানোর কয়েক মাসের মধ্যেই অধিনায়কত্ব হারানোর শঙ্কায় পড়েছেন সূর্যকুমার যাদব।

ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আসন্ন আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফরের জন্য ঘোষিতব্য টি-টোয়েন্টি দলে ভারতের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে। নতুন অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন শ্রেয়াস আইয়ার।

শুক্রবার (৬ জুন) বিসিসিআইয়ের বোর্ড সভায় দল ও অধিনায়কত্বের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিক এবং পরবর্তী আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় দল পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট ও নির্বাচকরা।

গত মার্চে সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে ভারত তৃতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিল। তবে টুর্নামেন্টে তার ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। ৯ ইনিংসে তিনি ২৪২ রান করলেও স্ট্রাইক রেট ছিল ১৩৬.৭২। এছাড়া আইপিএলের সর্বশেষ মৌসুমেও ১৩ ইনিংসে মাত্র ২৭০ রান করেন তিনি, যেখানে তার গড় ছিল ২০.৭৬।

এমন হতাশাজনক পারফরম্যান্সের কারণে শুধু অধিনায়কত্ব নয়, পুরো টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে তার জায়গা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ৩৫ বছর বয়সী এই ব্যাটারকে আসন্ন সিরিজের দল থেকে বাদ দেওয়া হতে পারে বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, দীর্ঘদিন টি-টোয়েন্টি দলের বাইরে থাকা শ্রেয়াস আইয়ারের ভাগ্য খুলতে যাচ্ছে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের পর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি না খেললেও অধিনায়ক হিসেবে তার সাফল্য নির্বাচকদের আস্থা অর্জন করেছে। ২০২৪ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে আইপিএল শিরোপা জিতিয়েছিলেন তিনি। এছাড়া দিল্লি ক্যাপিটালস ও পাঞ্জাব কিংসকেও ফাইনালে তুলেছিলেন।

ব্যাট হাতেও ধারাবাহিক ছিলেন শ্রেয়াস। আইপিএল ২০২৫ মৌসুমে ৬০৪ রান করেছেন ১৭৫.০৭ স্ট্রাইক রেট নিয়ে। ২০২৬ মৌসুমে তার সংগ্রহ ৪৯৮ রান, স্ট্রাইক রেট ১৬৮.৮১।

এদিকে, ভারতীয় ক্রিকেটের নতুন বিস্ময় হিসেবে আলোচনায় থাকা ১৫ বছর বয়সী বৈভব সূর্যবংশীও জাতীয় দলের ডাক পেতে যাচ্ছেন। আইপিএলের সাম্প্রতিক মৌসুমে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে ৭৭৬ রান করেছেন তিনি। তার স্ট্রাইক রেট ছিল অবিশ্বাস্য ২৩৭.৩০।

ইতোমধ্যে সূর্যবংশীকে ভারত ‘এ’ দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আগামী ৯ থেকে ২১ জুন শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় সিরিজে ভারত ‘এ’ দলের হয়ে মাঠে নামবেন তিনি। ওই আসরে অংশ নেবে আফগানিস্তানও।

ভারত আগামী ২৬ ও ২৮ জুন আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে। এরপর ১ থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে অংশ নেবে। সেই সিরিজগুলোর দল ঘোষণার মধ্য দিয়েই ভারতীয় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় বৈশ্বিক খাদ্য সংকটের আশঙ্কা সত্যি হতে শুরু করেছে : জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৬ পি.এম


মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় বৈশ্বিক খাদ্য সংকটের আশঙ্কা সত্যি হতে শুরু করেছে : জাতিসংঘ

জাতিসংঘ শুক্রবার জানিয়েছে যে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্বজুড়ে আরও কয়েক কোটি মানুষ তীব্র খাদ্যসংকটে পড়তে পারে- এমন ‘নৈরাশ্যজনক’ পূর্বাভাস বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে। জেনেভা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাতের সূচনা হয়। এই সংঘাতের ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়। এই ঘটনার কিছু সপ্তাহ পর জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) সতর্ক করে বলেছিল যে, তেলের ঊর্ধ্বমুখী দাম বিশ্ব খাদ্যনিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠবে।

ডব্লিউএফপি মার্চে সতর্ক করেছিল, জুনের শেষ পর্যন্ত যদি অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০০ ডলারে স্থির থাকে, তাহলে বিশ্বজুড়ে আরও প্রায় ৪ কোটি ৫০ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্যসংকটের মুখে পড়বে।

এখন এরা চলতি বছরের শুরুতে খাদ্যনিরাপত্তাহীন হিসেবে চিহ্নিত প্রায় ৩২ কোটি মানুষের সঙ্গে যুক্ত হবে বলেও সংস্থাটি জানিয়েছে।

তীব্র বাকযুদ্ধ ও সহিংসতার বিভিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে জটিল আলোচনা চললেও যুদ্ধ বন্ধ এবং তেল সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে কোনো সমঝোতা হয়নি।

সংঘাত শুরুর প্রায় তিন মাস পর ডব্লিউএফপি’র খাদ্য ও পুষ্টি বিশ্লেষণ বিভাগের পরিচালক জ্যঁ-মার্টিন বাউয়ার এএফপিকে বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে নেতিবাচক পরিস্থিতির পূর্বাভাস এখন বাস্তবে রূপ নিচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় ক্ষুধা বাড়ছে।’ চাল ও গমের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির দিকেও তিনি ইঙ্গিত করেন।

বাউয়ার বলেন, ‘বছরের শুরুতে যে নৈরাশ্যজনক পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, তা এখন সত্যি হতে শুরু করেছে। আমাদের দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।’

ডব্লিউএফপি’র বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জ্বালানি, খাদ্যমূল্য ও আয়সংক্রান্ত ধাক্কা এবং বাণিজ্যিক বিঘ্ন দ্বারা এ সংকটের ব্যাপক প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব বিষয় আগে থেকেই বিদ্যমান দুর্বলতার সঙ্গে যুক্ত হয়ে দ্রুত খাদ্যনিরাপত্তা ও মানুষের জীবিকায় দৃশ্যমান প্রভাব ফেলছে।

সংস্থাটি বিভিন্ন মাত্রায় সংকটের প্রভাব পড়া কয়েকটি দেশের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করেছে। এর মধ্যে সোমালিয়ায়, বছরের শেষ নাগাদ আরও ২৫ লাখ মানুষ ন্যূনতম খাদ্যসামগ্রী কেনার সামর্থ্য হারাবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

ডব্লিউএফপি’র মতে, আফ্রিকার হর্ন অঞ্চলের অস্থিতিশীল দেশটিতে প্রায় ৬০ শতাংশ পরিবার প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণে অক্ষম হবে। ২০২৫ সালে এ হার ছিল ৪৭ শতাংশ।

বাউয়ার সতর্ক করে বলেন, ‘পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে, তাতে ২০২২ সালে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার ইউক্রেন আগ্রাসনের পর যে বৈশ্বিক জীবনযাত্রার ব্যয় সংকট দেখা দিয়েছিল, তার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে।’

তবে তিনি জানান, এবার পরিস্থিতি আরও কঠিন। কারণ তখন সক্রিয় থাকা মানবিক সহায়তা ব্যবস্থা এখন বৈশ্বিক তহবিলের বড় ধরণের কাটছাঁটের কারণে চাপে রয়েছে। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হোয়াইট হাউসে প্রত্যাবর্তনের পর এ চাপ বেড়েছে।

বাউয়ার বলেন, ‘২০২২ সালে মানবিক কর্মসূচিগুলোর অর্থায়ন তুলনামূলক ভালো ছিল। তখন মানবিক সহায়তা কর্মীরা যেসব এলাকায় কাজ করতেন, এখন অনেক জায়গায় তারা আর নেই।’

এবং এর পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধজনিত পরিবহন জটিলতা ও মূল্যস্ফীতিও বিশ্বব্যাপী ত্রাণ কার্যক্রমকে কঠিন করে তুলেছে।

ডব্লিউএফপি’র বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ‘মানবিক সহায়তা ব্যবস্থা এখন দ্বিমুখী চাপে পড়েছে। একদিকে প্রয়োজন বাড়ছে, অন্যদিকে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার ব্যয়ও বাড়ছে। ফলে সহায়তা প্রদানে ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।’

সংস্থাটি জানায়, ২০২৬ সালে তাদের মূল পরিকল্পনার তুলনায় ১৫ লাখ কম মানুষকে সহায়তা দেওয়া সম্ভব হবে।

ডব্লিউএফপি সতর্ক করে বলেছে, সংঘাত যদি ছয় মাস স্থায়ী হয়, তাহলে ৯০ লক্ষাধিক মানুষ মানবিক সহায়তা হারাতে পারেন।

বাউয়ার বলেন, সোমালিয়ায় কয়েক মাসের মধ্যে বিতরণের জন্য ডব্লিউএফপি’র খাদ্য মজুত почти শেষ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘খাদ্যনিরাপত্তার দিগন্তে কালো মেঘ জমছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিক্ষোভে অংশ নিতে নয়াদিল্লি ফিরছেন ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৯ পি.এম


বিক্ষোভে অংশ নিতে নয়াদিল্লি ফিরছেন ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা

ভারতের ব্যঙ্গধর্মী অনলাইন রাজনৈতিক সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)’র প্রতিষ্ঠাতা জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এ আন্দোলনকে এবার রাজপথে নিয়ে যেতে, তিনি শুক্রবার নয়াদিল্লি ফিরতে যাচ্ছেন।

নয়াদিলি থেকে এএফপি জানায়, অনলাইন আন্দোলনের উদ্যোক্তা ৩০ বছর বয়সী অভিজিৎ দীপকে জানান, তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতে ফিরছেন এবং শনিবার শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের জন্য পুলিশের অনুমতি চাইবেন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হিন্দু জাতীয়তাবাদী দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-র নামের অনুকরণে গঠিত ব্যঙ্গাত্মক ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ গত মাসে যাত্রা শুরুর পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাখো অনুসারী অর্জন করেছে।

ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এক শুনানিতে সরকারের সমালোচনাকারী তরুণদের ‘তেলাপোকা’ ও ‘পরজীবী’ বলে মন্তব্য করেছেন বলে খবর প্রকাশের পর সিজেপির জন্ম হয়। পরে তিনি দাবি করেন, তার বক্তব্য প্রসঙ্গের বাইরে উপস্থাপন করা হয়েছে।

বিরোধী দল আম আদমি পার্টি (এএপি)-র সাবেক কর্মী এবং রাজনৈতিক যোগাযোগ কৌশলবিদ অভিজিৎ দীপকে ১৬ মে অনলাইনে কাল্পনিক দলটি প্রতিষ্ঠা করেন।

‘তরুণদের জন্য, তরুণদের দ্বারা, তরুণদের রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম’ এই স্লোগান নিয়ে দলটির জনপ্রিয়তা দ্রুত বেড়েছে। দীপকে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করেছেন। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে ধর্মেন্দ্র প্রধান সমালোচনার মুখে রয়েছেন।

শুক্রবার এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে দীপকে লেখেন, ‘ভারতের পথে আছি... আমার ভাগ্য সংবিধানের হাতে ছেড়ে দিলাম।’

ভারতের লাদাখ অঞ্চলের বিশিষ্ট অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুকও বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। গত সেপ্টেম্বরে স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে সহিংস বিক্ষোভের পর গ্রেপ্তার হয়ে তিনি ছয় মাস আটক ছিলেন।

ভারতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিষয়বস্তু কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত হয় এবং সিজেপির কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট ইতোমধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে ভারতে এখনো সচল থাকা দলটির ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের অনুসারী সংখ্যা ২ কোটি ২০ লাখের বেশি, যা বিজেপির ৯০ লাখ এবং প্রধান বিরোধী দল ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেসের ১ কোটি ৩০ লাখ অনুসারীর চেয়েও বেশি।

দীপকে এর আগে সমর্থকদের বিমানবন্দরে ভিড় না করার আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার এক্সে প্রকাশিত ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে দিল্লি বিমানবন্দরে যোগ দেওয়ার আহ্বানে যে বিপুল সাড়া পেয়েছি, তা আমাদের কল্পনারও বাইরে ছিল।’

তিনি বলেন, ‘এত মানুষের বিমানবন্দরে সমবেত হওয়া বাস্তবসম্মত নয়। এতে সাধারণ মানুষ ও নিরাপত্তা বাহিনীর অসুবিধা হবে।’

তিনি জানান, শনিবারের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির অনুমতি নিতে তিনি সরাসরি পুলিশের কাছে যাবেন।

দীপকে বলেন, ‘আমরা আইন মেনে চলা নাগরিক এবং আমাদের দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। তাই কেউ যেন কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈদের পর দুর্গাপুরে বেড়েছে জ্বর ও ডায়রিয়া রোগী, সংকটে হাসপাতাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৪ পি.এম


ঈদের পর দুর্গাপুরে বেড়েছে জ্বর ও ডায়রিয়া রোগী, সংকটে হাসপাতাল

রাজশাহীর দুর্গাপুরে প্রচণ্ড দাবদাহ ও ভ্যাপসা গরমের কারণে জ্বর, ডায়রিয়া এবং পেটের পীড়াজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। রোগীর চাপ সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ৫০ শয্যার দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও নার্সদের। শয্যা সংকটের কারণে অনেক রোগীকে হাসপাতালের বারান্দায় অবস্থান করে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, ঈদের পর থেকে গত বুধবার সকাল পর্যন্ত শতাধিক রোগী জ্বর, ডায়রিয়া ও পেটের পীড়াজনিত সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। প্রতিদিন জরুরি বিভাগ ও বহির্বিভাগে ৩০ থেকে ৪০ জন রোগী এসব রোগের চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও নতুন রোগী ভর্তি হওয়ায় চাপ কমছে না।
গত চার দিনের তথ্যে দেখা গেছে, হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ৮০ জন জ্বর, ডায়রিয়া ও পেটের পীড়াজনিত রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ১২ থেকে ১৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ও মধ্যবয়সীদের সংখ্যা বেশি।
বুধবার বেলা ১১টায় হাসপাতালের বহির্বিভাগে গিয়ে দেখা যায়, রোগীদের উপচে পড়া ভিড়। মাত্র পাঁচজন চিকিৎসক বহির্বিভাগে সেবা দিচ্ছেন। রোগীর তুলনায় শয্যা কম থাকায় অনেককে বারান্দায় চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।
সোমবার রাতে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি হওয়া সাড়ে চার বছর বয়সী কামরুন্নাহার সুইটির মা আমেনা বেগম বলেন, অতিরিক্ত মাংস খাওয়া ও প্রচণ্ড গরমে আমার ছেলে হাঁসফাঁস করছিল। পরে বমি শুরু হয়। এখন পাতলা পায়খানা হচ্ছে। রাতেই হাসপাতালে ভর্তি করেছি। চিকিৎসা চলছে।
পৌর এলাকার শানপুকুরিয়া গ্রামের আব্দুল খালেক বলেন, হঠাৎ করে প্রচণ্ড জ্বরে আক্রান্ত হই। ওষুধে কাজ হচ্ছিল না। তিন দিন আগে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছি। এখন কিছুটা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছি।
শালঘরিয়া গ্রামের নাসরিন আক্তার জানান, তীব্র পেটব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর তার পাতলা পায়খানা শুরু হয়। শয্যা না পাওয়ায় তিনি বারান্দায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা দেবীপুর গ্রামের কৃষক শফিকুল ইসলাম বলেন, ঈদের পর থেকে জ্বরে ভুগছি। পাঁচ দিন হয়ে গেলেও জ্বর কমছে না।
হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স নাসিমা বেগম বলেন, গরম ও আবহাওয়াজনিত কারণে হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. মেহেদী হাসান সোহাগ বলেন, ঈদের পর অতিরিক্ত গরম এবং খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের কারণে ডায়রিয়া ও পেটের পীড়াজনিত রোগ বাড়ছে। তিনি বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধি করলে এসব রোগ থেকে অনেকাংশে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। এজন্য বেশি বেশি বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে এবং অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%