আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
০৭:৪৬ পি.এম
আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার আউশনারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চাচ্ছেন মধুপুরের পরিচিত মুখ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এম. রতন হায়দার। তিনি একজন সুস্থধারার তরুণ রাজনীতিবিদ হিসেবে ইতোমধ্যেই সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন। এম রতন হায়দার বর্তমানে মধুপুর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি ও সমাজসেবার মাধ্যমে জনগণের কল্যাণে কাজ করে আসছেন।
সমাজের নানা সমস্যা, অন্যায়-অনাচার ও মাদকমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার বিষয়ে তিনি সবসময় সচেতন ও সোচ্চার। বিশেষ করে যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে বিভিন্ন সময়ে সামাজিক সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনের জন্য তরুণ প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করা অত্যন্ত জরুরি।
দরিদ্র, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এম. রতন হায়দারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক অবস্থান থেকে তিনি বিভিন্ন সময়ে অসহায় মানুষের সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন। মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা এবং তাদের সমস্যার সমাধানে কাজ করাই তার রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি।
আউশনারা ইউনিয়নের একজন স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে এলাকার মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও সমস্যাগুলো তিনি খুব কাছ থেকে দেখেছেন এবং উপলব্ধি করেছেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তার লক্ষ্য হলো একটি আধুনিক, সুশাসনভিত্তিক, মাদকমুক্ত ও উন্নয়নমুখী আউশনারা ইউনিয়ন গড়ে তোলা।
রাজনৈতিক অঙ্গনেও এম. রতন হায়দারের গ্রহণযোগ্যতা উল্লেখযোগ্য। দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তার রয়েছে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আন্তরিক সম্পর্ক। রাজনৈতিক ভিন্নমতকে সম্মান করা এবং সকলকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার মানসিকতা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।
স্থানীয় জনগণের অনেকেই মনে করেন, তরুণ নেতৃত্ব, সততা, জনসম্পৃক্ততা এবং উন্নয়নের সুস্পষ্ট ভাবনা এম. রতন হায়দারকে একজন সম্ভাবনাময় জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করলে আউশনারা ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনসেবার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে বলে এলাকাবাসীর প্রত্যাশা।
জনকল্যাণে নিবেদিত এই তরুণ নেতার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পথচলা এবং আউশনারা ইউনিয়নের উন্নয়নে তার পরিকল্পনা নিয়ে ইতোমধ্যেই স্থানীয় জনমনে ব্যাপক আলোচনা ও আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে তিনি কতটা সফল হবেন, তার উত্তর মিলবে আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী নগরীর চন্দ্রীমা থানার প্রতারণা মামলা পলাতক আসামী কুখ্যাত প্রতারক মোঃ মাজহারুল ইসলাম চপলকে (৪২), গ্রেফতার করেছে মোহনপুর থানা পুলিশ|
মঙ্গললবার বিকাল ৬টায় রাজশাহীর মোহনপুর থানার বিদিরপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করেন এসআই নুরুল এসআই সিপন, এএসআই শাকিব, এএসআই বেলাল, এএসআই রাকিবুল ও সঙ্গীয় ফোর্স|
গ্রেফতার প্রতারক মোঃ মাজহারুল ইসলাম চপল, সে মোহপুর থানার বিদিরপুর বসন্তকেদার গ্রামের মোঃ মাহবুব আলমের ছেলে|
জানতে চাইলে মোহনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান জানান, রাজশাহী নগরীর চন্দ্রিমা থানার সি-আর মামলা নং-৬৮/২৪, ধারা: ৪০৬/৪২০ দঃবিঃ মামলার পলাতক আসামী মাজহারুল ইসলাম চপল| তিনি গ্রেফতার এড়াতে দীর্ঘদিন যাবত পালিয়ে ছিলেন| অবশেষে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকাল ৬টার দিকে মোহনপুর থানার বিদিরপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়| বুধবার তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে বলেও জানান ওসি|
উল্লেখ্য, ৫আগস্ট ২০২৪ এর মামলা-সহ একাধিক মামলার আসামী এই চপল|
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার লাকসামে ফিল্মি স্টাইলে এক তরুণীকে বাড়ি থেকে তুলে নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্লাটফর্ম ফেসবুকে ভিডিওটি ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়।
২৮ সেকেন্ডের এই ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ডুপ্লেক্স ভবনের ছাদ থেকে কয়েকজন তরুণীকে কাঁধে করে নিচে নামিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এ সময় বাড়ির আঙিনা ও ভবনের আশপাশে অনেক লোক জমায়েত ছিল।
পুলিশ জানায়, কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার হারাখাল এলাকার তাহমিনা আক্তার স্মৃতি নামে এক তরুণীর সঙ্গে ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার মো. মাসুদ (৩২) নামে এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই তরুণী এবং যুবক মাসুদ দূর সম্পর্কের মামা ও ভাগনি। সম্পর্কের একটি পর্যায়ে দুজন পালিয়ে বিয়ে করেন। তবে মেয়েটি অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তার পরিবার মাসুদের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা দায়ের করে। মামলার পর পুলিশ তাদের অবস্থান শনাক্ত করে, মাসুদকে আটক করে এবং মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠায় এবং স্মৃতিকে আদালতের মাধ্যমে তার পরিবারের জিম্মায় দেয়।
ওই অপহরণ মামলায় মাসুদ কয়েকদিন আগে জামিনে ছাড়া পেয়েছিল। গত সোমবার রাতে মাসুদ লোকজন নিয়ে এসে বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়ে স্মৃতিকে আবার নিয়ে যায়।
লাকসাম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুন্নাহার লাইলী গণমাধ্যমকে বলেন, স্মৃতির সঙ্গে মাসুদের প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং তারা দুজন পালিয়ে বিয়েও করেছিল। কিন্তু মেয়ের অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার কারণে তার পরিবার অপহরণ মামলা করলে মাসুদকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। জামিনে বের হয়ে মাসুদ আবার স্মৃতিকে নিয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, এই ঘটনার পর তরুণীর পরিবার পুনরায় থানায় অভিযোগ করেছে। তদন্ত করে নতুন করে আবার আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
"মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী" রাজশাহী নগরীতে পৃথক অভিযানে গাঁজা ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ ৫জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ|
সোমবার দিনে ও রাতে নগরীর পবা থানার সারাংপুর এলাকা, দামকুড়া থানার আন্ধারকোঠা মিশন এলাকা, রাজপাড়া থানার লক্ষীপুর ভাটাপাড়া এলাকা ও মতিহার থানার বামনশিখড় পশ্চিমপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়| এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ কেজি ২০ গ্রাম গাঁজা এবং ২০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ করা হয়|
গ্রেফতারকৃতরা হলো: নগরীর মতিহার থানার ললিতাহার গ্রামের সাদেক আলীর ছেলে মোঃ মিঠুন, দামকুড়া থানার আন্ধারকোঠা মিশন গ্রামের রঞ্জিত বিশ্বাসের ছেলে সঞ্জু বিশ্বাস, একই এলাকার ইষ্টিফান বিশ্বাসের ছেলে পূর্ণ ফিলিপ বিশ্বাস, রাজপাড়া থানার লক্ষীপুর ভাটাপাড়া গ্রামের মাসুদ রানার ছেলে মোঃ শাওন ও মতিহার থানার বামনশিখড় পশ্চিমপাড়া গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে মিন্টু হোসেন|
মঙ্গলবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও উপ-পুলিশ কমিশনার মো. গাজিউর রহমান, পিপিএম|
তিনি জানান, গ্রেফতারকৃত মিঠুন, সঞ্জু ও ফিলিপের কাছ থেকে ১ কেজি ২০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে| এছাড়া শাওন ও মিন্টুর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ২০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ করা হয়|
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে| মঙ্গলবার সকালে তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে|
উল্লেখ্য, সঞ্জুর বিরুদ্ধে পূর্বে দুটি মাদক মামলা এবং শাওনের বিরুদ্ধে দুটি মাদক মামলা ছাড়াও রাজশাহীর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে পেনাল কোড আইনের একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে|
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোরের বেনাপোল সীমান্তে অবৈধ পুশইনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এ অবস্থায় সীমান্তের শূন্যরেখায় গত তিনদিন ধরে অনেক মানুষ আটকে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
স্থানীয় সূত্র ও বিজিবি জানায়, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এসব ব্যক্তিকে বাংলাদেশি নাগরিক দাবি করছে এবং কোনো ধরনের দ্বিপক্ষীয় নিয়ম-নীতি অনুসরণ না করেই বাংলাদেশে ঠেলে দেয়ার চেষ্টা করছে। এ উদ্দেশ্যে তাদের সীমান্তের শূন্যরেখায় বসিয়ে রাখা হয়েছে। খোলা আকাশের নিচে রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে ঝোপঝাড়ের মধ্যে অবস্থান করায় তারা চরম দুর্ভোগে পড়েছে।
আটকে থাকা ব্যক্তিদের বাংলাদেশি নাগরিক—এমন কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র বা তথ্য না পাওয়ায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাদের গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
নাগরিকত্ব যাচাই না হওয়া পর্যন্ত কাউকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না বলে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী।
এছাড়া, রোববার (৩১ মে) রাতে বেনাপোল সীমান্তের ওপারে ভারতের হরিদাসপুর এলাকায় তিনটি ট্রাকে করে শতাধিক মানুষকে জড়ো করে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালানো হয় বিএসএফের দ্বারা।
তারপরও বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। বর্তমানে সীমান্তের ভারতীয় অংশে আরও শতাধিক মানুষকে অবস্থান করানো হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
অবৈধ পুশইনের আশঙ্কায় বেনাপোল সীমান্তজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে বিজিবি। সীমান্তের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন, রাতের টহল বৃদ্ধি এবং আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তবে ঝুঁকিপূর্ণ এসব সীমান্তে সামনের দিনে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের দাবি তুলেছেন সচেতন এলাকাবাসী।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী শনাক্তকরণ ও উচ্ছেদ কার্যক্রম জোরদার হওয়ার পর থেকে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তেও। বিশেষ করে ভারতে জন্মগ্রহণকারী ও দীর্ঘদিন ধরে বসবাসরত অনেক মানুষের নাগরিকত্ব নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় এমন পরিস্থিতি পরিলক্ষিত হয়েছে।
এদিকে সীমান্তে আটকে থাকা ব্যক্তিদের মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা এবং দ্রুত তাদের প্রকৃত পরিচয় ও নাগরিকত্ব যাচাই করে সমস্যার সমাধানের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
যশোর-৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান বলেন, বিএসএফ যদি প্রচলিত নিয়ম ও দ্বিপক্ষীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে কাউকে ফেরত পাঠায়, তাহলে যাচাই-বাছাই শেষে তাদের গ্রহণ করা হবে। কিন্তু কোনো নিয়ম-নীতি না মেনে জোরপূর্বক কাউকে বাংলাদেশে ঠেলে দেয়ার চেষ্টা বরণীয় হবে না। সীমান্তে যাতে কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ না ঘটে, সে জন্য অতিরিক্ত জনবল মোতায়েনসহ প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বর্তমানে সীমান্তের পরিস্থিতি থমথমে হলেও উভয়দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি অব্যাহত রাখা হয়েছে।
শার্শা উপজেলা দুনীতি দমন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আক্তারুজ্জামান লিটু জানান, সীমান্তে আটকে থাকা ব্যক্তিদের মানবিক সহায়তা এবং দ্রুত তাদের প্রকৃত পরিচয় ও নাগরিকত্ব যাচাই করে সমস্যা সমাধানের দাবি জানাচ্ছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ