ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এ জাতিকে কখনো বিভাজন করা সম্ভব নয়: রিজভী


এ জাতিকে কখনো বিভাজন করা সম্ভব নয়: রিজভী

বর্তমানে দেশে মুক্ত পরিবেশে নির্বিঘ্নে সবাই সবার কথা বলতে পারছে। এটি অনেক দিন এ দেশে ছিল না, এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্পবিষয়ক উপদেষ্টা এবং বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, 'কৃত্রিমভাবে বিভাজন তৈরি করা যায়। কিন্তু এ দেশে সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে লড়াই করে অভ্যস্ত। তাই এ জাতিকে কখনো বিভাজন করা সম্ভব নয়।'

শুক্রবার রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে আয়োজিত এক আলোচনাসভায় তিনি এ কথা বলেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে এ দেশের সব মানুষ একসঙ্গে লড়াই করেছে। জুলাইয়ের গণ-আন্দোলনে শুধু মুসলিমরাই গুলি খায়নি; হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান–সব সম্প্রদায়ের মানুষই গুলি খেয়েছে ও রক্ত দিয়েছে। কাজেই দেশ গঠনেও এখন সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

আরও পড়ুন: দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ হিমশিম খাচ্ছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

দেশের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি ও সরকারের কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, জনগণের ভোটাধিকার এবং একটি জবাবদিহিমূলক সরকার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীও জনস্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

আলোচনাসভায় ঢাকা মহানগর বিএনপি এবং হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মতলবে ১০ পিস ইয়াবা ১টি মোটর সাইকেলসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী ও নিয়মিত মামলায় ১ জন আসামী গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সমির ভট্টাচার্য্য

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫২ পি.এম


মতলবে ১০ পিস ইয়াবা ১টি মোটর সাইকেলসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী ও নিয়মিত মামলায় ১ জন আসামী গ্রেফতার

মতলব দক্ষিন থানা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ১০ পিস ইয়াবা, ১টি মোটর সাইকেলসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী এবং নিয়মিত মামলায় ১ জন আসামী আটক করা হয়েছে।

মতলব দক্ষিন থানার অফিসার ইনচার্জ হাফিজুর রহমান মানিকের সার্বিক দিক নির্দেশনায় এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ আব্দুল আউয়াল সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সহায়তায় উপজেলার ২নং নায়েরগাঁও দক্ষিণ ইউনিয়নের দক্ষিণ আধারা এলাকার স্বপনের মুলী বাঁশের বেড়া দোকানের সামনে থেকে গত ২ জুলাই রাত ১০টা ৪০ মিনিটে অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযানের ফলস্বরূপ আধারা গ্রামের পাটোয়ারী বাড়ীর গিয়াস উদ্দিনের ছেলে নাদিম পাটোয়ারী (৩২) के কাছ থেকে ১০ পিস ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত ১টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

এ ছাড়া আসামির সহযোগী হিসাবে আশ্বিনপুর পাটোয়ারী বাড়ীর মানিক পাটোয়ারীর ছেলে মারুফ পাটোয়ারী (২৯) কে আটক করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ২০১৮ আইনে মাদক মামলায় আসামীদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এছাড়াও জিআর মামলায় মতলব পৌরসভার উত্তর বাইশপুর এলাকা থেকে নুরু মিয়ার ছেলে মহসীন মিয়াকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মতলব দক্ষিন থানার অফিসার ইনচার্জ হাফিজুর রহমান মানিক বলেন, মাদক ও নিয়মিত মামলায় তিন জন আসামীকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিরাজগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধ: বর্বরোচিত হামলা ও লুটপাটের পর উল্টো মিথ্যা মামলার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জহুরুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৫ পি.এম


সিরাজগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধ: বর্বরোচিত হামলা ও লুটপাটের পর উল্টো মিথ্যা মামলার অভিযোগ

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার খোকশাবাড়ীতে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে বর্বরোচিত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের শিকার হয়েছে একটি পরিবার। হামলার ফলে গুরুতর আহত এক যুবক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। নিজেদের অপরাধ আড়াল করার জন্য উল্টো ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে সাজানো মামলা দায়েরের অভিযোগ হামলাকারীদের বিরুদ্ধে উঠেছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও থানার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার।

জানা যায়, খোকশাবাড়ির আবু হাসান খানের সাথে মোছা. জাহেদা বেগমের জমির বিরোধ দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছিল। এডিসি মহোদয় আদালতে জাহেদা বেগমের করা একটি পিটিশন মামলা, যার নং ৪৬/২০২৬, এসি ল্যান্ডের অকাট্য প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গত ১৮ মে খারিজ হয়ে যায়। কিন্তু এই তথ্য গোপন রেখে জাহেদা বেগম ২০ মে পুনরায় ডুপ্লিকেট মামলা দায়ের করেন যেটি নং ৮৫/২০২৬ ইং।

২১ জুন ২০২৬ তারিখে মো. আবু হাসান খান ও তাঁর পুত্র কাওসার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে নিজ জমিতে গাছপালার পরিচর্যা করার সময়, জাহেদা বেগমের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি সন্ত্রাসী দল আবু হাসান ও তার ছেলে কাওসার আহমেদের ওপর হামলা চালায়। হামলার সময় ধারালো রামদার কোপে কাওসার গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং তার গলার ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা মূল্যের সোনার চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। বাঁচাতে গেলে আবু হাসান এবং আনোয়ার হোসেনকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে হামলাকারীরা। এমনকি আনোয়ারকে জনসমক্ষে চরম লাঞ্ছনা করা হয়। এই ঘটনার পর আদালতে মামলা দায়ের করা হয় যার নং-২৩৮/২০২৬।

হামলার পরেও ক্ষান্ত হয়নি জাহেদা খাতুন গংরা। ২৬ জুন তারা আবু হাসানের জমির বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে দেয় এবং ২০টি মেহগনি গাছ কেটে ফেলে, যার পরিপ্রেক্ষিতে থানায় একটি জিডি করা হয় যার নং ১৯১৪। এসব অপরাধ আড়াল করার জন্য গত ২৯ জুন জাহেদা বেগম অভিযোগ এনে আবু হাসান ও তার ছেলেসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন, যার নং ৪৭। তবে এই হয়রানিমূলক মামলায় ফরোসের ৯ জন বর্তমানে আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন।

ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য সঠিক তদন্ত পুর্বক পুলিশ সুপার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার প্রতি আবেদন জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। জাহেদা বেগমের মামলাটিকে 'সাজানো নাটক' আখ্যা দিয়ে আবু হাসান খান বলেন, "২৮ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় হামলার অভিযোগ করা হলেও, ওই দিন রাত ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত আমি জাহেদা বেগমকে সিরাজগঞ্জ সদর থানার গেটে সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছি। আমার সাথে তার কথাও হয়, যার চাক্ষুষ সাক্ষী মো. তোজাম খান। সদর থানার সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজ পর্যালোচনা করলেই তার এই মিথ্যা মামলার গোমর ফাঁস হয়ে যাবে।" এছাড়া, ওই মামলার সাক্ষী হিসেবে উল্লেখিত জাহাঙ্গীরের স্ত্রী মোছা. খুশি খাতুনও আঘাতের বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে না পারলেও তাকে স্বাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, "আমাদেরকে পুলিশি হয়রানি ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর জন্য জাহেদা খাতুন নিজের মাথা কেটে ক্ষত সৃষ্টি করেছেন। এরপর তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে আমাদের নামে মিথ্যা অপবাদ ছড়াচ্ছেন।" হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, জাহেদা খাতুনের মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। তবে আঘাতটি কীভাবে লেগেছে বা এটি স্ব-প্রণোদিত (Self-inflicted) কিনা, তা কেবল সুনির্দিষ্ট ফরেনসিক বা চিকিৎসকের চুলচেরা বিশ্লেষণের পরই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব।

উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও হয়রানিমূলক এই মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে এবং প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জেলা প্রশাসক (DC), পুলিশ সুপার (SP), থানায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) এর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কবর থেকে এসে ককটেল নিক্ষেপ! বরিশালে মৃত ৪ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতার নামে বৈষম্যবিরোধী সাবেক নেতার মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক বরিশাল

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৭ পি.এম


কবর থেকে এসে ককটেল নিক্ষেপ! বরিশালে মৃত ৪ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতার নামে বৈষম্যবিরোধী সাবেক নেতার মামলা

সড়ক অবরোধ, মিছিল এবং ককটেল-পেট্রল বোমা নিক্ষেপের অভিযোগে মারা যাওয়া চার আওয়ামী লীগ নেতা নিয়ে বরিশালের আদালতে মামলার আবেদন করা হয়েছে। অবাস্তব মনে হলেও এ ধরনের একটি আজব অভিযোগ তুলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক জেলা সমন্বয়ক মারজুক আবদুল্লাহ মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ২৪৮ জন নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বহু বছর আগে মারা যাওয়া চার নেতার নাম।

এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর মামলার সত্যতা, উদ্দেশ্য এবং বাদীর সততা নিয়ে তীব্র বিতর্ক এবং চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, এটি কোনো আইনি লড়াই নয়, বরং ‘মামলা বাণিজ্য’ এবং চাঁদাবাজির নতুন ফাঁদ।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই নালিশি মামলাটি দায়ের করেন মারজুক আবদুল্লাহ। অভিযোগটি আমলে নিয়ে বিচারক এস এম শরীয়ত উল্লাহ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনারকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব মজুমদার জানিয়েছেন, মামলায় অস্ত্র, বিস্ফোরক, সন্ত্রাসবিরোধী আইন এবং হত্যার হুমকির মত মারাত্মক ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার আসামির তালিকায় সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজসহ হেভিওয়েট নেতাদের নাম রয়েছে।

মামলার এজাহারে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ জুন বরিশাল নগরীর গড়িয়ারপার এলাকায় আওয়ামী লীগের ব্যানারে আসামিরা সশস্ত্র মিছিল করেন এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান। অথচ অনুসন্ধানে দেখা যায়, আসামির তালিকায় থাকা চারজন নেতা বহু আগে মারা গেছেন।

খন্দকার রেজাউর রহমান রেজা (আসামি নং ২১২): ১৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের এই সাবেক সভাপতি মারা গেছেন ২০২২ সালের ২২ জানুয়ারি।

আবুল ফারুক হুমায়ুন (আসামি নং ১৯৮): ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের এই সাবেক সভাপতি মারা গেছেন ২০২৩ সালের ২৫ মার্চ।

এইচ এম হাফিজুর রশীদ শিবলী (আসামি নং ২২৫): ২২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের এই সাবেক সাধারণ সম্পাদক মারা গেছেন ২০২১ সালের ১৯ অক্টোবর।

মোহাম্মদ আলী হাওলাদার (আসামি নং ১৯৫): ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের এই সাবেক সাধারণ সম্পাদক মারা গেছেন ২০২১ সালের ২৬ জুলাই।

এই বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বরিশাল সিটির ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর রাজীব হোসেন খান মন্তব্য করেন, "মারজুককে বরিশালের সবাই 'মামলা ব্যবসায়ী' হিসেবে চেনে। যারা মারা গেছেন, তাদের প্রত্যেকের জানাজায় আমি ছিলাম। মৃত মানুষ কীভাবে এসে ককটেল মারবে? এই মামলা যে সম্পূর্ণ ভুয়া ও সাজানো, তা এই চার মৃত আসামির নাম দেখেই প্রমাণিত হয়।"

অভিযোগের বিষয়ে জানতে বাদী মারজুক আবদুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রশ্ন শুনেই লাইন কেটে দেন। পরবর্তীতে একাধিক কল করলে তিনি রিসিভ করেননি।

শুক্রবার বিকেলে তিনি নিজেই ফোন করে অন্যান্যদের দায় চাপান সাক্ষীদের ওপর। মারজুক দাবি করেন, "রেজা নামের যে ব্যক্তির নাম এসেছে, সেটি সাক্ষীদের ভুলের কারণে হয়েছে। বাকি তিনজনের বিষয়ে আমি কিছু জানি না। সাক্ষীদের ভুল তথ্যের কারণেই এমনটা ঘটেছে।"

এছাড়াও জানা গেছে, মারজুক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে মামলার মাধ্যমে চাঁদাবাজির অভিযোগ এই প্রথম নয়। বর্তমানে জাতীয় ছাত্রশক্তির বরিশাল মহানগর শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে থাকা মারজুক এর আগে ২০২৫ সালের ১৪ মে আওয়ামী লীগ নেতা আমির হোসেন আমুসহ ২৪৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন।

সে সময় আসামির তালিকায় নাম রাখা ও বাদ দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বিপুল অঙ্কের চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারাই সংবাদ সম্মেলন করে মারজুকের এই 'মামলা বাণিজ্যের' তথ্য ফাঁস করার পর তাঁকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার ও পদ স্থগিত করা হয়েছিল।

বরিশালের বিশিষ্ট গবেষক আনিসুর রহমান খান স্বপন এই ঘটনাকে বিচার ব্যবস্থার অবমাননা উল্লেখ করে বলেন, "মামলায় মৃত ব্যক্তিদের আসামি করা আদালতকে বিভ্রান্ত করার শামিল। বিষয়টিতে পুলিশ প্রশাসনের স্ব-প্রণোদিত হয়ে তদন্ত করা উচিত এবং বাদীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।"

বরিশাল আদালতের সিনিয়র আইনজীবী মেহেদী হাসান বলেন, "তদন্তে যদি প্রমাণিত হয় মামলার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মৃতদের আসামি করা হয়েছে, তবে আদালত বাদী ও সাক্ষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাণ্ডারিয়ায় পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০০ পি.এম


ভাণ্ডারিয়ায় পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ১ নম্বর ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর ভিটাবাড়িয়া গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে সুমাইয়া আক্তার (২৪) নামের এক দুই সন্তানের জননী আত্মহত্যা করেছেন । নিহত সুমাইয়া ওই গ্রামের মোঃ হাসান ডাকুয়ার স্ত্রী। তিনি সাড়ে তিন বছরের একটি ছেলে এবং আড়াই মাসের একটি কন্যাসন্তানের মা ছিলেন। সুমাইয়ার পিতার বাড়ি মঠবাড়িয়া উপজেলা।

স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (১ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে নিজ গৃহের আড়ার সাথে গলায় ফাঁস দেন সুমাইয়া। বিষয়টি টের পেয়ে প্রতিবেশীরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার আসরের নামাজের পর সেখানে তিনি মারা যান।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর শুক্রবার সন্ধ্যায় নিহতের মরদেহ স্বামীর বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে।

এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুমাইয়ার স্বামী হাসান ডাকুয়া দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় অবস্থান করছেন এবং সেখানে তিনি দ্বিতীয় বিবাহ করেছেন। এই নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ ও মানসিক টানাপোড়েন চলছিল। এই দ্বিতীয় বিবাহের জের ধরেই সুমাইয়া আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে পারেন বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান জানান, ঘটনার পরে চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এই ব্যাপারে খুলনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%