ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চবিতে আবাসিক হল থেকে টিএসসি নির্মাণ, মাস্টারপ্ল্যানে ৭২৭ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব


চবিতে আবাসিক হল থেকে টিএসসি নির্মাণ, মাস্টারপ্ল্যানে ৭২৭ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব

 চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ৫০ বছর মেয়াদি মাস্টারপ্ল্যানের আওতায় একাডেমিক, অবকাঠামো ও গবেষণা সক্ষমতা বাড়াতে প্রায় ৭২৭ কোটি টাকার দু’টি বড় প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে।

এর মধ্যে ৬৭৮ কোটি ১৪ লাখ ৫৪ হাজার টাকার ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধি’ প্রকল্পটি বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবেচনাধীন রয়েছে। এছাড়াও ৪৯ কোটি ৩৩ লাখ ৬৭ হাজার টাকার ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে টিচার-স্টুডেন্টস কমপ্লেক্স (টিএসসি) প্রতিষ্ঠাকরণ’ প্রকল্পটি জাতীয় পরিকল্পনা কমিশনে রয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. আলতাফ-উল-আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: ভারতের পথে যুব মহিলা লীগ নেত্রী সুলতানা বেগম আটক

গত ৮ আগস্ট অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট অধিবেশনে পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তর কর্তৃক প্রকাশিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, দু’টি প্রকল্পের মোট প্রস্তাবিত ব্যয় ৭২৭ কোটি ৪৮ লাখ ২১ হাজার টাকা।

এর মধ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রস্তাবিত বরাদ্দ প্রায় ৮২ কোটি ৮ lakh ৫৩ হাজার টাকা। তবে এই অর্থ পুরো প্রকল্পের ব্যয় নয়। সংশ্লিষ্ট দপ্তর জানিয়েছে, প্রকল্প দু’টি আগামী পাঁচ বছরে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

৬৭৮ কোটি ১৪ লাখ ৫৪ হাজার টাকা ব্যয়ে প্রস্তাবিত ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক প্রকল্পটির আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন, গবেষণা অবকাঠামো, আবাসিক সুবিধা এবং ক্যাম্পাসের মৌলিক অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রকল্পটির সবচেয়ে বড় ব্যয়ের খাতগুলোর মধ্যে নতুন কয়েকটি একাডেমিক ভবন নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত। এর মধ্যে ২য় বিজ্ঞান অনুষদ ভবন ও ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ ভবন নির্মাণে প্রস্তাবিত ব্যয় ১৩৭ কোটি ৫৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। একই পরিমাণ অর্থ, ১৩৭ কোটি ৫৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, রাখা হয়েছে ২য় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের জন্য। ২য় ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ ভবন নির্মাণে প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৩ কোটি ৫৭ লাখ ২৪ হাজার টাকা।

আরও পড়ুন: সৌদি আরবে তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলা প্রতিহত, দুই বিদেশির মৃত্যু

এছাড়া ছাত্রীদের জন্য একটি ১০ তলা বিশিষ্ট আবাসিক হল নির্মাণে ৯১ কোটি ৪১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। ১০ তলা প্রশাসনিক (এনেক্স) ও সিনেট ভবন নির্মাণে ৩৬ কোটি ৫৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ছাত্রীদের হল প্রভোস্ট ও হাউস টিউটরদের জন্য ৫ তলা বিশিষ্ট একটি আবাসিক ভবন নির্মাণের জন্য ৮ কোটি ৯৮ লাখ ৪৮ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তাছাড়া মাস্টারদা সূর্যসেন হলের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি ৮৫ লাখ ২৯ হাজার টাকা।

গবেষণা সক্ষমতা বাড়াতেও রয়েছে বড় বিনিয়োগ। বিভিন্ন গবেষণা কেন্দ্র ও বিশেষায়িত অবকাঠামো নির্মাণে ৪৯ কোটি ২৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ব্যয়ে ৯ তলা বিশিষ্ট একটি সেন্টার ফর এক্সিলেন্স ভবন এবং ১৫ কোটি ৬২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ব্যয়ে ৫ তলা বিশিষ্ট একটি সেন্টার ফর সায়েন্টিফিক এন্ড এডভান্সড বায়োলজিকাল রিসার্চ ভবন নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

পাশাপাশি ল্যাবরেটরি যন্ত্রপাতি কেনায় ১২ কোটি টাকা এবং রাসায়নিক সংগ্রহে ১০ কোটি টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়াও জীববিজ্ঞান অনুষদের গবেষণার জন্য অ্যানিমেল হাউস নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি ৩৭ লাখ ৬৮ হাজার টাকা।

প্রকল্পে একাডেমিক ভবনের পাশাপাশি ক্যাম্পাসের মৌলিক অবকাঠামোও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ সড়ক নির্মাণ ও প্রশস্তকরণে ১৬ কোটি ৫১ লাখ টাকার প্রস্তাব করা হয়েছে। বৈদ্যুতিক সাবস্টেশন স্থাপনে ২১ কোটি ৬৪ লাখ ৫৮ হাজার টাকা, পানি সরবরাহ লাইন সংস্থাপনে ২ কোটি ২৭ লাখ ৭১ হাজার টাকার এবং গ্যাস পাইপলাইন স্থাপনে ১ কোটি ২৯ লাখ ৫৭ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ভূগর্ভস্থ পানি রিজার্ভার নির্মাণে প্রায় ২ কোটি ২৫ লাখ ২৪ হাজার টাকা এবং অন্যান্য ইউটিলিটি অবকাঠামোর জন্য চূড়ান্ত ব্যয়ের জন্য বাকি টাকা বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী আজ খুলনা ও বাগেরহাট সফরে, অংশ নেবেন সরকারি কর্মসূচিতে

তবে এই ৬৭৮ কোটি ১৪ লাখ টাকার প্রকল্পটি বর্তমানে বাস্তবায়নের পর্যায়ে যায়নি। পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. আলতাফ-উল-আলমের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রকল্পটি বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পর্যবেক্ষণাধীন রয়েছে। তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধি’ প্রকল্পটি বর্তমানে পদক্ষেপ গ্রহণের অপেক্ষায় রয়েছে।

অন্যদিকে, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে টিচার-স্টুডেন্টস কমপ্লেক্স (টিএসসি) প্রতিষ্ঠাকরণ’ প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৯ কোটি ৩৩ লাখ ৬৭ হাজার টাকা। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হচ্ছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা, পাঠ ও গবেষণার পরিবেশ, প্রকাশনা, সাংস্কৃতিক ও কো-কারিকুলার কার্যক্রমসহ নানা সুবিধা নিশ্চিত করা।

এই প্রকল্পের সবচেয়ে বড় ব্যয় টিএসসি নির্মাণে। পাঁচ তলা ভিত্তির ওপর চার তলা ভবন নির্মাণে প্রস্তাব করা হয়েছে ৪৬ কোটি ৮৬ লাখ ১৯ হাজার টাকা। এর বাইরে কনসালটেন্সি, বইপত্র ও সাময়িকী, আসবাবপত্র, অফিস সরঞ্জাম, প্রচার-প্রকাশনা এবং অন্যান্য পরিচালন ব্যয়ের জন্য ধরা হয়েছে বাকি ২ কোটি ৪৮ লাখ ৪৮ হাজার টাকা।

চবির পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, টিএসসি প্রকল্পটি চবি থেকে প্রস্তাবিত হয়ে ইউজিসিতে যায়। ইউজিসির অনুমোদনের পর এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে যায়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকেও অনুমোদন পাওয়ার পর প্রকল্পটি বর্তমানে জাতীয় পরিকল্পনা কমিশনে রয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনের অনুমোদন পাওয়ার পর প্রকল্পটি প্রজেক্ট ইভ্যালুয়েশন কমিটির (পিইসি) মাধ্যমে একনেকের অনুমোদনের জন্য যাবে। একনেকের অনুমোদনের পরই সেই জন্য সরকারি বাজেট বরাদ্দ দেয়া হবে।

আরও পড়ুন: ইশরাক ‘পোষ্য কোটায়’ রাজনীতিতে এসেছেন, অভিজ্ঞতা কম: নিলোফার মনি

প্রায় ৭২৭ কোটি টাকার দু’টি প্রকল্পের পরিকল্পনা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ অবকাঠামোগত রূপান্তরের বড় চিত্র তুলে ধরছে। একদিকে নতুন অনুষদ ভবন, আবাসিক হল, গবেষণা কেন্দ্র ও ইউটিলিটি অবকাঠামো, অন্যদিকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য টিএসসি—সব মিলিয়ে বদলে যেতে পারে চবি ক্যাম্পাসের অবকাঠামোগত চিত্র।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, ‘অতিশীঘ্রই উক্ত দু’টি প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুমোদনের বিষয়ে আমি আশাবাদী এবং এই বিষয়ে আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষদ্বয়ের সুদৃষ্টি কামনা করছি। উক্ত দু’টি প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত, একাডেমিক এবং গবেষণা প্রতিবন্ধকতাসমূহ বহুলাংশে নিরসন হবে।’

শুধু তাই নয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে পূর্ণাঙ্গ আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার আরও কিছু প্রকল্প প্রস্তাব ইউজিসিতে পাঠানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান।

উপাচার্য বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে পূর্ণাঙ্গ আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে অতি সম্প্রতি প্রায় ৩০০০ কোটি টাকা ব্যয় বরাদ্দ ধরে একাধিক প্রকল্প প্রস্তাব ইউজিসিতে পাঠানো হবে।’

আরও পড়ুন: গ্রীষ্মের আগেই ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের আশা: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ছাত্রদের জন্য ৫টি এবং ছাত্রীদের জন্য ৫টি করে (প্রতিটি ১০ তলা বিশিষ্ট) আবাসিক হল নির্মাণ, বিদেশী শিক্ষার্থী ও পিএইচডি-এমফিল গবেষকদের জন্য ১টি হল নির্মাণ, ৪টি ১০ তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন নির্মাণ, ব্লু-ইকোনমি রিসার্চ সেন্টার নির্মাণ, কেন্দ্রীয় জাদুঘর ভবন নির্মাণ, গ্রন্থাগারের ২য় ভবন নির্মাণ।

এছাড়া রয়েছে স্টেডিয়াম ও সুইমিং পুল নির্মাণ, রসায়ন বিভাগের এডভান্সড রিসার্চ ল্যাব নির্মাণ, এডভান্স্ড রিসার্চ সেন্টার ফর ম্যাথমেটিক্স ভবন নির্মাণ, মডার্ন ল্যাংগুয়েজ ভবন নির্মাণ, জৈব প্রযুক্তি ও জিন প্রকৌশল ইনস্টিটিউট (জিনোম সিক্যুয়েন্সিং এবং রেফারেল সেন্টারসহ) ভবন নির্মাণ।

শুধু তা-ই নয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের প্রস্তাবনাও রয়েছে সেখানে। পাশাপাশি ডে-কেয়ার সেন্টার নির্মাণ, কয়েকটি বহুতল অফিস ভবন নির্মাণ, টিচার্স ডরমেটরি ভবন নির্মাণ, সোলার লাইটিংসহ ওয়াকওয়ে নির্মাণ, ফুড কোর্ট ও ওয়েট মার্কেট নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

আরও পড়ুন: সিজেপির দুই মুখপাত্র এক সপ্তাহ পর মুক্তি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝালকাঠিতে উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৫২ পি.এম


ঝালকাঠিতে উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ঝালকাঠি, ১৮ আগস্ট, ২০২৬ : জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন।

সভায় জেলার চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও জনসেবার মানোন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এসময় আলোচনা হয় জেলার বিদ্যুৎ পরিস্থিতি ও সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার, বাসন্ডা সেতু নির্মাণের অগ্রগতি, খাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম এবং কুকুরকে র‌্যাবিসের টিকাসহ প্রয়োজনীয় বিষয়ের পদক্ষেপ নিয়ে।

মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে চলমান জাটকা সংরক্ষণ অভিযান আরও কার্যকর করার বিষয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এ সভায় উপস্থিত ছিলেন, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, স্থানীয় সরকার শাখার উপপরিচালক জুলিয়া সুকায়না, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল এস এম বায়েজিদ ইবনে আকবর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. তৌহিদুল ইসলাম, ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাসুম ইফতেখার, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আমান উল্লাহ সরকার, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নিরোধ বরণ জয়ধর, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. এনামুল হক, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেগুফতা মেহনাজ, রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরি, নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রতীক কুমার কুন্ডু এবং জেলা তথ্য কর্মকর্তা লেলিন বালাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান ও প্রতিনিধিদের উপস্থিতি ছিল।

জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার উপর জোর দেন। একই সঙ্গে চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের গুণগত মান নিশ্চিত করার এবং জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সেবা প্রদান করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে আরও আন্তরিক ও সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ জেলের নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


বাংলাদেশ জেলের নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ

বাংলাদেশ জেলের নাম পরিবর্তন করে ‘কাস্টোডিয়াল অ্যান্ড কারেকশন সার্ভিস’ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহার হোসেন।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) কারা অধিদপ্তর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

মঙ্গলবার দেশ টিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনটিতে আরো বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে-পরে দেশের কয়েকটি কারাগারে তৈরি হয় নজিরবিহীন অস্থিরতা। এই অস্থিরতার সুযোগ গ্রহণ করে হামলা, ভাঙচুর ও বিদ্রোহের মাধ্যমে পাঁচটি কারাগার থেকে পালিয়ে যায় ২ হাজার ২৪৭ বন্দি। এর মধ্যে নরসিংদী কারাগার থেকেই পালিয়ে যায় ৮২৬ বন্দি।

কারা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তাদের মধ্যে ৬৬০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে এখনো শনাক্ত করা যায়নি ১৬৬ জন বন্দিকে।

কারাগারে বন্দি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-নেত্রীদের ফোনে কথা বলা এবং বিশেষ সুবিধা পাওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে কারা মহাপরিদর্শক জানান, কোনো বন্দিকেও আলাদা করে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না। এমন ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেলে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। পলাতক বন্দিদের পাশাপাশি দীর্ঘদিনের জনবল সংকটও কারাগারের নিরাপত্তায় বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। এ সংকট নিরসনে নতুন করে প্রায় ১ হাজার ৮৯৯টি পদ অনুমোদন করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, নীতিগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে বর্তমান সময়ের প্রয়োজন ও আধুনিক কারা ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কারা বিভাগের আইন ও বিধিবিধানকে যুগোপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ‘কাস্টোডিয়াল অ্যান্ড কারেকশন সার্ভিস’-এর খসড়া প্রণয়ন করে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১ লাখ ৩০ হাজার চা শ্রমিককে দেওয়া হবে রেইনকোট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৫৯ পি.এম


১ লাখ ৩০ হাজার চা শ্রমিককে দেওয়া হবে রেইনকোট

নিবন্ধিত ১ লাখ ৩০ হাজার চা বাগান শ্রমিকদের প্রত্যেকের জন্য সরকার রেইনকোট দিতে চায়। এই লক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০ হাজার রেইনকোট বিতরণ করেছেন।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ সংক্রান্ত কর্মসূচির সমাপ্তির পর সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর মৌলভীবাজার সফরে বিভিন্ন কর্মসূচিতে প্রবল বৃষ্টিপাতের মধ্যে চা শ্রমিকরা অংশ নেন। সেই সময় বৃষ্টি মৌসুমে তাদের চা পাতা উত্তোলনের কষ্ট লাঘব করার উদ্দেশ্যে মৌলভীবাজারে রেইনকোট দেওয়ার পরিকল্পনা করেন সরকারপ্রধান। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ২০ হাজার রেইনকোট সরকার পায়।

জাহিদ হোসেন জানান, মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রতীকীভাবে ১০ জন শ্রমিকের হাতে সেসব রেইনকোট তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী দুই দিনের মধ্যে মৌলভীবাজার, সিলেট ও হবিগঞ্জের চা শ্রমিকদের কাছে স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং মালিক-শ্রমিক প্রতিনিধিদের মাধ্যমে রেইনকোট পৌঁছে দেওয়া হবে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে রেইনকোট পেয়ে উচ্ছ্বসিত চা শ্রমিকরা সরকারপ্রধানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৎস্য খাতে অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ হয়েছে, এবার রফতানি বাড়াতে হবে: প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০০ পি.এম


মৎস্য খাতে অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ হয়েছে, এবার রফতানি বাড়াতে হবে: প্রতিমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানিয়েছেন, দেশের মৎস্য খাত বর্তমানে অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণে সক্ষমতা অর্জন করেছে। তিনি আরও বলেন, এখন মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।

মঙ্গলবার মৎস্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

জাতীয় মৎস্য পক্ষের কেন্দ্রীয় আয়োজন ঢাকার বাইরে কিশোরগঞ্জে করার প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, মৎস্য উৎপাদনে হাওরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দেশের মিঠাপানির মাছের একটি বড় অংশ হাওরাঞ্চল থেকে আসে। তাই, প্রান্তিক পর্যায়ের মৎস্যচাষি, জেলে ও মৎস্য খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত মানুষের কাছে কর্মসূচির বার্তা পৌঁছে দিতে ঢাকার বাইরে এ আয়োজন করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কৃষি ও মৎস্য খাতের উন্নয়নে নদী খনন, খাল সংস্কারসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াও মৎস্য খাতের উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষি ও মৎস্য খাতের কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, এবার আমরা খুব অল্প সময়ের মধ্যে এই বড় আয়োজন করেছি। প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি ও নির্দেশনায় ঢাকার বাইরে এই কর্মসূচি আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতির কারণে পুরো আয়োজন প্রাণবন্ত ও ব্যতিক্রমী হয়ে উঠেছে।

জাতীয় মৎস্য পক্ষের আয়োজন সফল করতে মৎস্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিক প্রচেষ্টার প্রশংসা করে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, হাতের পাঁচটি আঙুলের মতো আমাদের সবার দায়িত্ব আলাদা হতে পারে, কিন্তু সবাই একসঙ্গে কাজ করলেই মুষ্টিবদ্ধ হাতের মতো শক্তি তৈরি হয়। এবারের আয়োজনও সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সফল হয়েছে।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের দেওয়া দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। কোনো দায়িত্বে অবহেলা বা কাজে ফাঁকি দেওয়া যাবে না। প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিজের যোগ্যতা ও মেধা দিয়ে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব পালন করতে হবে।

মৎস্য খাতের উন্নয়নে সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে এ খাতের উন্নয়নে কয়েকটি প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রান্তিক অর্থনীতিতে মৎস্য অধিদফতর আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, মৎস্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মৎস্যচাষি, জেলে ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%