শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:১১ পি.এম
বাংলাদেশের নেত্রকোণায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে এক সাংবাদিক নিহত হয়েছেন৷ সাংবাদিক হত্যার নিন্দা জানিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদ৷
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে একটি দোকানে বসে অন্যদের সঙ্গে আলাপ করছিলেন লুৎফুজ্জামান আলিফ। এ সময় মোটরসাইকেলে করে দুই যুবক এসে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।
নিহত সাংবাদিকের নাম লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির৷ গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে দুর্গাপুরের শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের উত্তরাইল বাজারে দুর্বৃত্তদের গুলিতে তার মৃত্যু হয়৷
কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের সুনাই গ্রামের বাসিন্দা লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির বেসরকারি আইপিটিভি চ্যানেল রূপসী বাংলার নেত্রকোণা প্রতিনিধি ছিলেন। এছাড়া ‘ডিটেকটিভ আর্টিকেল’ নামে একটি ফেসবুক পেজও পরিচালনা করতেন৷ ‘ডিটেক্টিভ আর্টিকেল’--এ দুর্নীতি, অনিয়ম ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে নিয়মিত পোস্ট দিতেন তিনি৷
গতকাল রাত ৮টার দিকে একটি দোকানে বসে অন্যদের সঙ্গে আলাপ করছিলেন লুৎফুজ্জামান আলিফ। এ সময় মোটরসাইকেলে করে দুই যুবক এসে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলির শব্দে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। আহত অবস্থায় দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে মৃত ঘোষণা করেন।
সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মাদ আবুবকর সিদ্দীক ভূইঁয়া বলেন ‘‘সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান ফকির আলিফের নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি ও ভয়াবহ আঘাত।এছাড়াও সরকারি দলের নেতা কর্মীদের দ্বারা হামলা মামলার শিকার হয়েছেন দেশের বিভিন্ন স্থানে গণমাধ্যমকর্মীরা। তাই প্রতিটি ঘটনা নিরপেক্ষ তদন্ত চাই। যারা অপরাধের সাথে জড়িত রয়েছে তাদের গ্রেপ্তারের করে বিচারের দাবি জানান ৷
তিনি আরও বলেন লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরের ওপর গত বছরের ১০ নভেম্বরও দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী নদীর তীরে তেরিবাজার ঘাটের কাছে হামলা হয়েছিল৷ সেবার দৃর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়েছিল৷
বাংলাদেশে সাংবাদিক হত্যার নিন্দা জানিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সাংবাদিকদের সংগঠন সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদ৷
সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মির্জা সোবেদ আলী রাজা বলেছেন, ‘‘সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান ফকির আলিফের নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি ও ভয়াবহ আঘাত। গণতান্ত্রিক উত্তরণ সত্ত্বেও গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য নিরাপদ কর্ম স্থান তৈরি হয়নি এটাই সবচেয়ে হতাশার। তাই সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের যে দাবি দাওয়া বতর্মান সরকারের কাছে পেশ করেছেন তা মেনে নিয়ে সাংবাদিক সুরক্ষা আইন করা হউক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান কক্সবাজারের উন্নয়ন, অগ্রগতি এবং পর্যটনশিল্পের সম্ভাবনাকে সংবাদমাধ্যমে ইতিবাচক ও তথ্যভিত্তিকভাবে উপস্থাপনের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, "পুলিশ ও সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয়, সহযোগিতা ও গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় থাকলে একটি সুন্দর, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।"
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে কক্সবাজার প্রেসক্লাব মিলনায়তনে দৈনিক কালবেলার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পুলিশ সুপার বলেন, "কক্সবাজার দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্র। এ জেলার উন্নয়ন ও অগ্রগতির পাশাপাশি পর্যটনশিল্পের সম্ভাবনা এবং ইতিবাচক দিকগুলো গণমাধ্যমে তুলে ধরা প্রয়োজন।" তিনি আরো বলেন, "এতে পর্যটকদের মধ্যে আস্থা বাড়বে এবং পর্যটনশিল্পের বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।"
তিনি উল্লেখ করেন, "আগামী পর্যটন মৌসুম ও শারদীয় দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।" এ ক্ষেত্রে পুলিশ ও সাংবাদিকদের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় ও সহযোগিতা প্রয়োজন বলে তিনি জানান।
সাংবাদিকতার গুরুত্ব তুলে ধরে পুলিশ সুপার বলেন, "সাংবাদিকতা সমাজের দর্পণ।" তিনি বলেন, "বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, অনিয়ম-অসংগতি চিহ্নিত করা এবং প্রশাসনের জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব।" কক্সবাজারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সমস্যা ও অনিয়মের বিষয়গুলোও যথাযথ তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তা তিনি উল্লেখ করেন, যাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমান। তিনি সাংবাদিকদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান, যাতে জেলার উন্নয়ন, সম্ভাবনা ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো গণমাধ্যমে তুলে ধরা যায়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারী, অধ্যাপক জসীম উদ্দিন, অধ্যাপক আজিজুর রহমান, সফওয়ানুল করিম ও সাংবাদিক শামসুল হক শারেক।
বক্তারা বলেন, "স্থানীয় উন্নয়ন, পর্যটনশিল্পের বিকাশ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে পুলিশ ও গণমাধ্যমের পারস্পরিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।" তারা যোগ করেন, "দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে কক্সবাজারের সম্ভাবনা, সমস্যা ও জনদুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরে উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা সম্ভব।"
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন দৈনিক কালবেলার কক্সবাজার প্রতিনিধি এম আর মাহবুব। এতে স্থানীয় সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
শেষে কেক কেটে দৈনিক কাল বেলাকে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর তানোর উপজেলার কলমা ও পাঁচন্দর এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ব্যানারে পৃথক বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এসব ঝটিকা মিছিল বের হয়।
বিক্ষোভ মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর রাতেই পুলিশ সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিশেষ অভিযান শুরু করে। আকস্মিকভাবে অনুষ্ঠিত এসব মিছিলের কারণে পুরো এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, কয়েক মিনিট স্থায়ী এসব ঝটিকা মিছিল শেষে নেতাকর্মীরা দ্রুত সটকে পড়েছেন। ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলেও জানানো হয়েছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা রাত সাড়ে ৮টার দিকে আকস্মিকভাবে মশাল নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলের অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন সরকারবিরোধী ও দলীয় স্লোগান দেন।
রাতের অন্ধকারে হঠাৎ বের হওয়া পৃথক দুটি মিছিল কলমা ও পাঁচন্দর ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কয়েক মিনিটের মধ্যে শেষ হয় এবং এরপর অংশগ্রহণকারীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান।
তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে। এলাকায় যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বাড়তি নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে। মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তুরস্কের বৃহত্তম শহর ইস্তাম্বুলে গত ৮০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যার ঘটনা ঘটেছে। এ বন্যায় এখন পর্যন্ত চারজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার রাতে প্রবল বৃষ্টির ফলে শহরটির বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে যায়। পানিতে তলিয়ে গেছে ঘরবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, সড়ক ও পার্ক। অসংখ্য যানবাহনও ভেসে গেছে।
শুক্রবার তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুস্তাফা চিফতচি এ তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, নাগরিকদের সহায়তায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তবে ১৯৪২ সালের পর দেশটিতে এমন ভয়াবহ বন্যার ঘটনা ঘটেনি।
তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত আগের ৪৮ ঘণ্টায় ইস্তাম্বুলে যে পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে, তা সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের ঐতিহাসিক গড় বৃষ্টিপাতের সম্মিলিত পরিমাণকেও ছাড়িয়ে গেছে। প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ মানুষের এই শহরে প্রবল বৃষ্টির কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
শুক্রবার ইস্তাম্বুলের সারিয়ার এলাকায় একটি সেতুর নিচ থেকে ৬৬ বছর বয়সী এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়। এর আগে বন্যায় আরো তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে ঝড়ের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক কিশোরের মৃত্যু ঘটেছে।
বন্যার পানিতে শহরের বিভিন্ন এলাকার বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান প্লাবিত হয়ে গেছে। সড়ক ও পার্কও পানিতে ডুবে গেছে। স্রোতে ভেসে যাওয়া অনেক যানবাহন পাহাড়ি ঢাল বেয়ে নিচে গিয়ে এক জায়গায় স্তূপ হয়ে পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
শুক্রবার লাশ উদ্ধারের আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চিফতচি সারিয়ার এলাকার আয়াজাগা এলাকায় সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, বন্যার পর চারজন নিখোঁজ রয়েছেন।
তিনি আরো জানান, বন্যাসংক্রান্ত ক্ষয়ক্ষতি ও অন্যান্য সমস্যার বিষয়ে ৯ হাজার ৮৫০টি অভিযোগ ও প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। ধ্বংসাবশেষ পরিষ্কার করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের সহায়তায় ইস্তাম্বুলে ৪৬ হাজার কর্মী কাজ করছেন।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন তুরস্কের পরিবেশ, নগরায়ণ ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী মুরাত কুরুম।
নদী ও জলপথের কাছাকাছি অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে বন্যার তীব্রতা বেড়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ সমস্যা মোকাবিলা করা অত্যন্ত জরুরি।
আগামী মাসে তুরস্কের আনতালিয়া শহরে জাতিসংঘের জলবায়ুবিষয়ক সম্মেলন কপ-৩১ অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনটির সভাপতিত্ব করবেন মুরাত কুরুম। বন্যার সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের যোগসূত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা কোনো বিকল্প নয়, বরং এটি অপরিহার্য।
সূত্র: এনবিসি নিউজ
এআরবি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়ার উপকূলে ইউরোপের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা অভিবাসীদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনায় অন্তত ১২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রেড ক্রস জানিয়েছে, এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর আরও বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন এবং উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গাম্বিয়া রেড ক্রস সোসাইটি (GRCS) জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার দেশটির উত্তর ব্যাংক অঞ্চলের জিনাক কাজাতা (Jinack Kajata) উপকূলের নিকটে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। ইউরোপে পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে নৌকাটি ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক পাড়ি দেওয়ার বিপজ্জনক পশ্চিম আফ্রিকান আটলান্টিক রুট ব্যবহার করছিল। জিনাক দ্বীপের জিনাক কাজাতা গ্রামটি সাম্প্রতিক সময়ে স্পেনের কানারি দ্বীপপুঞ্জে যাওয়ার জন্য অভিবাসীদের একটি প্রধান ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (IOM)-এর তথ্য অনুযায়ী, মরক্কো, মৌরিতানিয়া এবং সেনেগালের প্রচলিত প্রস্থান পয়েন্টগুলোতে কড়াকড়ি ও নিরাপত্তা জোরদার করার ফলে অভিবাসীরা বিকল্প এবং আরও দক্ষিণমুখী পথ বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছেন। এর ফলে গাম্বিয়ার মতো দেশগুলো নতুন রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
IOM সতর্ক করে জানিয়েছে, এই বিকল্প রুটগুলো যাত্রাপথকে প্রায় ৭৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয় এবং মোট দূরত্ব প্রায় ২,২০০ কিলোমিটারে পৌঁছায়। এর ফলে সমুদ্রে দীর্ঘ সময় কাটানো, কম নজরদারী থাকা উপকূল এবং জাহাজডুবি, পানিশূন্যতা ও নিখোঁজ হওয়ার ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে।
উদ্ধারকর্মীরা আশঙ্কা করছেন, নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি চলাকালে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। সোর্স: ইউরোনিউজ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ