ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে রাজশাহীতে র‌্যাবের টাউনহল সভা অনুষ্ঠিত


জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে রাজশাহীতে র‌্যাবের টাউনহল সভা অনুষ্ঠিত

র‌্যাব-৫ অপরাধ কমাতে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে রাজশাহী মহানগরীতে টাউনহল সভা করেছে।

সভার আয়োজন করা হয় আজ মঙ্গলবার, বেলা সাড়ে সাড়ে ১১টায় রাজশাহী কলেজ অডিটোরিয়ামে।

এতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক প্রতিরোধ, সাইবার নিরাপত্তা এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

আরও পড়ুন: পলো বাওয়া উৎসব আছে, কিন্তু নেই আগের মতো মাছ

সভায় মাদকের অপব্যবহার, সাইবার অপরাধ, কিশোর গ্যাং ও যুব অপরাধ, নারী ও শিশু নির্যাতন, সামাজিক অপরাধ, ট্রাফিক ও সড়ক নিরাপত্তা, সীমান্তে চোরাচালান প্রতিরোধ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বিষয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করা হয়েছে।

র‌্যাবের পক্ষ থেকে একটি নিরাপদ ও উন্নত সমাজ গঠনে পাঁচ দফা কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

এই পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে, যেকোনো অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর এবং নিরবচ্ছিন্ন অভিযান পরিচালনা, প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিংয়ের মাধ্যমে দ্রুত এবং কার্যকর সেবা নিশ্চিত করা, সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে নিরলস নজরদারি ও তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করা, জনগণের অংশীদারিত্বে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করে অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিভাগের বিভাগের কমিশনার ড. আ.ন.ম. বজলুর রশীদ।

আরও পড়ুন: ঈশ্বরদীতে বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে প্রাণ গেল খামারির

সভাটি র‌্যাব-৫ এর অধিনায়ক খন্দকার মো. মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, বিজিবি-১ রাজশাহীর অধিনায়ক লে. কর্নেল রিয়াজ শাহরিয়ার, রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. ইব্রাহিম আলী, উপাধ্যক্ষ প্রফেসর আবু মো. ইউনুছ আলী, পুলিশ সুপার রাজশাহী মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আলী আসলাম। এছাড়া বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর রাজশাহী রেঞ্জের পরিচালক ড. মো. শফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে রাজশাহী কলেজের তিন শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

আরও পড়ুন: ঘুষের ভিডিও ভাইরাল, বরিশালের ভূমি অফিসের ২ কর্মচারী প্রত্যাহার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সব মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত পদক্ষেপ চাইলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩০ পি.এম


বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সব মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত পদক্ষেপ চাইলেন

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সম্প্রতি ভারি বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যার পরিস্থিতি মোকাবিলা, ত্রাণ বিতরণ ও উদ্ধার অভিযানের সমন্বয়ে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সভার সভাপতিত্ব করেন।

সভাপতির বক্তব্যে শুরুতেই তিনি উদ্ভূত বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে সমন্বিত উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই। প্রত্যেক মন্ত্রণালয় ও সংস্থাকে তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে এবং দ্রুততম সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে সেবা ও সহায়তা পৌঁছে দিতে হবে। উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ এবং ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনরুদ্ধারে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন তিনি।

সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সরকার দুর্যোগ মোকাবিলায় সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে। তিনি বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে গুরুত্বারোপ করে বলেন, ত্রাণের মাধ্যমে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছানোর জন্য কোনো ধরনের দুর্নীতি করা যাবে না।

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য একটি নির্ভুল ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে, যাতে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল এবং কার্যকর হয়। পাশাপাশি তিনি সরবরাহ ব্যবস্থা (সাপ্লাই চেইন) এবং যোগাযোগ অবকাঠামো সচল রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাঙ্গায় ঘর থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৩ পি.এম


ভাঙ্গায় ঘর থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে লামিয়া বেগম (২২) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত লামিয়া উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়নের মালিগ্রাম গ্রামের জাবেদ আলী বেপারির স্ত্রী।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে ঘটনাটি ঘটে উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়নের মালিগ্রাম গ্রামের কলাতলা কারিকরপাড়া এলাকায়। ঘটনার পর পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে পরিবারের সদস্যরা ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় লামিয়ার মরদেহ দেখতে পান। এরপর তারা পুলিশকে খবর দেন।

খবর পাওয়ার সাথে সাথে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

লামিয়ার স্বামী জাবেদ বেপারি জানান, তিনি সকাল ৮টার দিকে ব্যবসার কাজে বাড়ি থেকে বের হন এবং দুপুরে পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে স্ত্রীর মৃত্যুর খবর পান।

চার বছর আগে তাদের বিয়ে হয়েছিল এবং তাদের একটি আড়াই বছরের ছেলে রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে স্ত্রীর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তার কোনো ধারণা নেই।

অন্যদিকে, লামিয়ার বড় ভাই জুয়েল জানিয়েছেন, তার বোনের স্বামীর সাথে সম্পর্ক ভালো ছিল না। মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো।

তিনি ঘটনার যথাযথ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দাবি জানান।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, খবর পাওয়ার সাথে সাথে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো সহায়তা থেকে বঞ্চিত হবে না’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৩ পি.এম


ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো সহায়তা থেকে বঞ্চিত হবে না’

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, কোন ধরনের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা থেকে বঞ্চিত হবে না। সরকার প্রাথমিক থেকেই কক্সবাজারের বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে কক্সবাজারের ঝিলংজা ইউনিয়নে বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে প্রয়োজনীয় সহায়তার লক্ষ্যেই অতিরিক্ত ত্রাণ ও নগদ সহায়তার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সোমবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এক সমন্বয় সভায় গত কয়েক দিনের বন্যা পরিস্থিতি, ত্রাণ কার্যক্রম এবং পুনর্বাসন পরিকল্পনা পর্যালোচনা করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত সমস্ত পরিবারকে সহায়তার জন্য সভায় সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত চাহিদা গ্রহণের পাশাপাশি প্রতিটি উপজেলার জন্য আরও অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সরকারের লক্ষ্য কেবল ত্রাণ বিতরণ নয়, বরং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের স্বাভাবিক জীবন দ্রুত ফিরিয়ে আনা। আর এজন্য ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি মেরামতে সহায়তা, রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নতুন করে নির্মাণ এবং কৃষি, মৎস্য ও গবাদিপশুর ক্ষয়ক্ষতির তথ্য দ্রুত সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় পুনর্বাসন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

পাহাড়ধসে প্রাণহানির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সরকার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী ব্যক্তিদের বিকল্প স্থানে জমি ও গৃহ নির্মাণের মাধ্যমে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা নিয়েছে। এ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

তিনি বলেন, অবৈধভাবে পাহাড় কাটা কিংবা দখলের মতো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং প্রভাবশালী মহলকেও এই ধরনের কর্মকাণ্ডের অনুমতি দেওয়া হবে না।

ত্রাণ কার্যক্রমের সমন্বয় প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, জনপ্রতিনিধি এবং বেসরকারি সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টায় ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমকে আরো কার্যকর করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এই সমন্বয়কে আরও জোরদার করা হবে।

স্লুইস গেট ও বেড়িবাঁধ সংস্কারের বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, এই বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে কক্সবাজার সফর করে ক্ষতিগ্রস্ত স্লুইস গেট ও বেড়িবাঁধ সরেজমিনে পরিদর্শন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ত্রাণ বিতরণকালে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল, চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. নাজিমুল হক, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান এবং পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রি-কেস মেডিয়েশনে সুনামগঞ্জে বিরোধ নিষ্পত্তিতে এসেছে গতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৩ পি.এম


প্রি-কেস মেডিয়েশনে সুনামগঞ্জে বিরোধ নিষ্পত্তিতে এসেছে গতি

বাধ্যতামূলক প্রি-কেস মেডিয়েশন (মামলা পূর্ব বিরোধ মীমাংসা) চালুর ফলে সুনামগঞ্জে আইনি সেবা প্রাপ্তি এবং বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে একটি অভূতপূর্ব ও ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। গত এক বছরের মধ্যে লিগ্যাল এইড অফিসে প্রি-কেস আবেদনের সংখ্যা বেড়ে শতকরা ৯৮১ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সাথে, আপোষে আর্থিক আদায়ের পরিমাণ প্রায় ১৩ গুণ বেড়ে ২৬ লাখ ৫৯ হাজার ৮০০ টাকায় পৌঁছেছে।

জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার এবং সিভিল জজ মোহাম্মদ জুনাইদ জানান, আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী গত ১৮ সেপ্টেম্বর বাধ্যতামূলক প্রি-কেস মেডিয়েশন চালু হয়। এই পদক্ষেপের ফলে বিরোধ নিষ্পত্তিতে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটেছে।

গত এক বছরের (জানুয়ারি-জুন ২০২৫ থেকে জানুয়ারি-জুন ২০২৬) প্রি-কেস আবেদন সংখ্যা বেড়ে ১৭১ থেকে ১ হাজার ৮৪৯ হয়েছে, যা প্রবৃদ্ধি ৯৮১%। প্রি-কেস মীমাংসা ৭৯টি থেকে বেড়ে ২৬৬টিতে পৌঁছেছে, এতে প্রবৃদ্ধি ২৩৬% হয়েছে। আপোষে আর্থিক আদায় ২ লাখ ৯০০ টাকা থেকে বেড়ে ২৬ লাখ ৫৯ হাজার ৮০০ টাকায় পৌঁছেছে, প্রবৃদ্ধি ১২২৩%। সরকারি আইনি সহায়তা গ্রহণকারীর সংখ্যা ১৫৭ জন থেকে বেড়ে ৭৪৬ জন হয়েছে, যা প্রবৃদ্ধি ৩৭৫%। আইনগত পরামর্শ গ্রহণকারীর সংখ্যা ৬২০ জন থেকে বেড়ে ৭৫৭ জন হয়েছে, প্রবৃদ্ধি ২২%।

সচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য অনুষ্ঠান সংখ্যা ৩টি থেকে বেড়ে ৪৬টি হয়েছে, প্রবৃদ্ধি ১৪৩৩%। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী সংখ্যা ৭৭ জন থেকে বেড়ে ১৯৯৫ জনে পৌঁছেছে, প্রবৃদ্ধি ২৪৯০%। মোট উপকারভোগীর সংখ্যা ৬৩৯ জন থেকে বেড়ে ২,৫১৩ জন হয়েছে, প্রবৃদ্ধি ২৯৩%। মোট নিষ্পত্তি সংখ্যা ১৮৫টি থেকে বেড়ে ১, ৮৩২টিতে পৌঁছেছে, প্রবৃদ্ধি ৮৯০%।

জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার মোহাম্মদ জুনাইদ আরও বলেন, অনেক মানুষ মনে করে, লিগ্যাল এইড অফিসের আপোষনামা সম্ভবত একটি অনানুষ্ঠানিক বোঝাপড়া। তবে প্রকৃত অর্থে, আইনগত সহায়তা প্রদান আইনের অনুসারে এই আপোষনামা আদালতের ডিক্রির সমপর্যায় লাভ করে। এটি আইনগতভাবে বলবৎযোগ্য একটি দলিল। কোনো পক্ষ যদি আপোষনামা অমান্য করে, তবে অপরপক্ষ আইনি প্রতিকার পেতে পারে।

তিনি জানান, যদি মীমাংসার সময়ে কোন পক্ষের স্বার্থ বা সম্পত্তির ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তবে প্রয়োজনীয় অন্তর্র্বতীকালীন আদেশ দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার সুরেষা বেগম বাসসের সাথে আলাপকালে বলেন, ‘আমাদের স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ ছিল। সরকারের লিগ্যাল এইডের সাহায্যে আমাদের দুই পক্ষের আলোচনায় মীমাংসা হয়েছে। এতে আমরা দুইজনই ন্যায্য বিচার পেয়েছি।’

দোয়ারাবাজার উপজেলার মো. দেলোয়ার হোসেন বলেছেন, ‘আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে ভাইয়েরা মধ্যে বিরোধ ছিল। সরকারের আইন সহায়তা নিয়ে নিষ্পত্তি হয়েছে। এজন্য আমাদের দীর্ঘদিন ধরে আদালতের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরতে হয়নি।’

লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা এবং সুবিধাভোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আলোচনা মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ পাওয়ায় নাগরিকরা নানাবিধ সুফল পাচ্ছেন। এতে একদিকে যেমন সময় ও অর্থের সাশ্রয় হচ্ছে, তেমনি পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্ক অটুট থাকছে।

তারা বলেন, প্রি-কেস মেডিয়েশন শুরু হওয়ার কারণে আদালতে নতুন মামলার চাপ কমছে। আইনগত বাধ্যবাধকতাসহ দ্রুত ও কার্যকর প্রতিকার নিশ্চিত হচ্ছে। ফলে সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক আস্থা সুদৃঢ় হচ্ছে।

সিভিল জজ মোহাম্মদ জুনাইদ বলেন, আমাদের লক্ষ্য কেবল মামলার সংখ্যা কমানো নয়, বরং মানুষের দরজায় দ্রুত, সহজ ও কার্যকর ন্যায়বিচার প্রদান করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%