ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধে কঠিন অবস্থায় লেবাননের সেনারা


ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধে কঠিন অবস্থায় লেবাননের সেনারা

ছবি : রয়টার্স

দক্ষিণ লেবাননে সামরিক অভিযান ইসরায়েল অব্যাহত রেখেছে। একই সঙ্গে বিশ্লেষকরা দাবি করেছেন, অঞ্চলটির ভৌগোলিক এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিজেদের কৌশল অনুযায়ী পরিবর্তনের চেষ্টা করছে।

এই অবস্থার ফলে লেবানন সরকার ও দেশটির সেনাবাহিনী ক্রমেই কঠিন অবস্থার সন্মুখীন হচ্ছে।

আরও পড়ুন: একই নারীর সঙ্গে মামা-ভাগিনার প্রেমের জেরে ব্যবসায়ী হত্যা

লেভান্ট ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক সামি নাদের জানিয়েছেন, ইসরায়েল শুধু সামরিক অভিযানই চালাচ্ছে না, বরং দক্ষিণ লেবাননের বাস্তবতাকেও নতুনভাবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় রয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় তারা স্থল অভিযান ও বিভিন্ন এলাকা দখলের কার্যক্রমকেও অব্যাহত রেখেছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নাদের বলেন, চলমান পরিস্থিতি লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এবং সরকারের অবস্থানকে দুর্বল করে দিচ্ছে। এতে সরকারের চেষ্টা শুরু থেকেই লক্ষ্য থাকে যে, লেবাননের সংকটকে ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সঙ্গে এক করে না দেখা হয়।

তার মতে, লেবানন সরকার বারবার বলছে যে দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিকে আঞ্চলিক সংঘাত থেকে আলাদা রাখা প্রয়োজন। কিন্তু বাস্তবে পরিস্থিতি দিন দিন আরো জটিল হয়ে উঠছে।

নাদের বলেছেন, বিশেষ করে লেবাননের সেনাবাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করলে হিজবুল্লাহর রাজনৈতিক এবং প্রচারণামূলক অবস্থান আরো শক্তিশালী হয়ে যায়। এই অবস্থায় সরকারের এবং সেনাবাহিনীর জন্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন: জামায়াত-এনসিপির ৯০ এমপির মেধা-যোগ্যতা বনাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাশেদ খান

তিনি আরো বলেন, লেবানন শুরু থেকেই এ সংঘাতে জড়াতে চায়নি। কিন্তু আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং বিভিন্ন পক্ষের পদক্ষেপের কারণে দেশটি ক্রমেই সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুর দিকে চলে যাচ্ছে।

নাদেরের দাবি, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার উদ্দেশ্য হিজবুল্লাহ লেবাননকে এই যুদ্ধে টেনে এনেছে। তবে এই পরিস্থিতিতে লেবাননের সেনাবাহিনীর জন্য কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করা সহজ নয়।

তার ভাষায়, হিজবুল্লাহ এখনো লেবানন সরকারের সিদ্ধান্ত পুরোপুরি মেনে নিতে রাজি নয়। সংগঠনটি তাদের অস্ত্র জমা দিচ্ছে না। ফলে সরকারের নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

অন্যদিকে, ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে তাদের সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। নাদেরের মতে, এর মাধ্যমে ইসরায়েল ওই অঞ্চলের নিরাপত্তা এবং ভৌগোলিক বাস্তবতা নিজেদের স্বার্থ অনুযায়ী পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে।

আরও পড়ুন: সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে জানতে চেয়েছে সংসদীয় কমিটি

এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে কঠিন অবস্থায় রয়েছে লেবাননের সেনাবাহিনী। একদিকে হিজবুল্লাহর উপস্থিতি ও কার্যক্রম, অন্যদিকে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান- দুই পক্ষের চাপের মধ্যে সেনাবাহিনী কার্যত মাঝখানে আটকে গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে দক্ষিণ লেবাননে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা আরো কঠিন হয়ে পড়তে পারে। একই সঙ্গে লেবানন সরকারের জন্যও দেশের নিরাপত্তা এবং রাজনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে.

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ইসরায়েলের দাবি

গাজায় হামাস কমান্ডার নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২৯ পি.এম


গাজায় হামাস কমান্ডার নিহত

দক্ষিণ গাজা উপত্যকায় পরিচালিত এক বিমান হামলায় হামাসের এক কমান্ডার নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।

নিহত সাকর আবু করিম হামাসের নোখবা ইউনিটের একটি সেলের কমান্ডার ছিলেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা আলজাজিরা।

রবিবার টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, গত মঙ্গলবার দক্ষিণ গাজায় চালানো এক হামলায় সাকর আবু করিম নিহত হন।

তাদের অভিযোগ, তিনি ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের কিসুফিম এলাকায় সংঘটিত হামলায় অংশ নেওয়া যোদ্ধাদের মধ্যে ছিলেন। একই হামলায় হামাসের আরেক সদস্যও নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েল। দেশটির সেনাবাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি সংগঠনটির ‘যোগাযোগ অপারেটিভ’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।

গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হামাসের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। অপরদিকে হামাস বলছে, এসব হামলায় বিপুলসংখ্যক বেসামরিক ফিলিস্তিনিও নিহত হচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকার নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অপরাধে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে অভিযানে ফিটনেস ও সনদহীন ৫ পরিবহনকে জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


সরকার নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অপরাধে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে অভিযানে ফিটনেস ও সনদহীন ৫ পরিবহনকে জরিমানা
 
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। যাত্রীদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত আদায়, ফিটনেস সনদ ও রুট পারমিট না থাকার অভিযোগে পাঁচ পরিবহনকে ৬৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছে মোবাইল কোর্ট।
গত শনিবার (৬ জুন) বিকেল ৫টার দিকে গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আশিকুজ্জামান ও মোঃ আশরাফুল ইসলাম।
পবিত্র ঈদুল আজহা পরবর্তী সময়ে জনসাধারণের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিতকরণ, কর্মস্থলে প্রত্যাবর্তন নির্বিঘ্ন রাখা এবং যাত্রী ভোগান্তি রোধকল্পে রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীনের নির্দেশনায় দৌলতদিয়া ফেরিঘাট ও আশপাশের এলাকায় মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন সময়ে দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট, লঞ্চঘাট ও বাস টার্মিনাল সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়। এ সময় লঞ্চ ও ফেরিতে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বহন না করা, ফেরিতে ওঠার পূর্বে গণপরিবহন থেকে সকল যাত্রীকে নামানো এবং সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা নির্দেশনা যথাযথভাবে প্রতিপালন করা হচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণ করা হয়। একই সঙ্গে যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন নৌযাত্রা নিশ্চিতকরণে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক করা হয়। পাশাপাশি, অভিযানকালে “সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮”-এর বিভিন্ন ধারা অনুযায়ী ফিটনেস সনদ ও রুট পারমিট না থাকা এবং যাত্রীদের নিকট থেকে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অপরাধে এসপি গোল্ডেন লাইন, রাবেয়া পরিবহন, ঝিনাইদহ লাইন, মাস্টার পরিবহন ও গোল্ডেন লাইন পরিবহনকে ৬৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। 
সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ আশরাফুল ইসলাম ও মোঃ আশিকুজ্জামান বলেন, জনস্বার্থে জেলা প্রশাসন, রাজবাড়ী এর এ ধরনের তদারকি ও সচেতনতামূলক অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
 
 
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্ত্রীকে ভিডিও কলে রেখে যুবকের আত্মহত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


স্ত্রীকে ভিডিও কলে রেখে যুবকের আত্মহত্যা

মাগুরা শহরের স্টেডিয়ামপাড়া এলাকায়, স্ত্রীকে ভিডিও কলে রেখে এক যুবক নামের জিহাদ আত্মহত্যা করেছেন।

জিহাদের মৃতদেহ সদর উপজেলার আমুড়িয়া ইউনিয়নের মিজানুর রহমানের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, জিহাদ পরিবার সাথে শহরের স্টেডিয়ামপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তার বিয়ে প্রায় এক বছর আগে হয়েছিল। তার স্ত্রী মিমের বাড়ি বরিশালের ঝালকাঠি এলাকায়। ঈদুল আজহার আগে, স্ত্রী বাবার বাড়িতে যাওয়ার পর থেকে তাদের দাম্পত্য কলহ বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।

পরিবারের সদস্য এবং প্রতিবেশীদের মতে, জিহাদের কোনো স্থায়ী পেশা না থাকা কারণে সংসারে আর্থিক সংকট থাকছিল। এসব বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই মনোমালিন্য ও বাকবিতণ্ডা হতো। তাদের কোনো সন্তানও ছিল না। রোববার (৭ মে) সকালে, জিহাদ নিজের কক্ষের দরজা বন্ধ করে রাখেন। দীর্ঘ সময় ধরে কোনো সাড়া না পেয়ে, পরিবারের সদস্যরা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে, তাকে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

স্থানীয়দের কথা অনুযায়ী, ঘটনার সময়ে জিহাদ তার স্ত্রীর সাথে ভিডিও কলে যুক্ত ছিলেন। ঘটনাস্থল থেকে তার মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। খবর পেয়ে মাগুরা সদর থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, পারিবারিক এবং দাম্পত্য জটিলতার কারণে, বেশ কিছুদিন ধরে জিহাদ মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ এই বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।

পুলিশ জানায়, এই বিষয়টি নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলছে। মরদেহের ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানানো হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাদি হত্যার অধিকতর তদন্ত ১৫ বার পেছাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৫ পি.এম


হাদি হত্যার অধিকতর তদন্ত ১৫  বার পেছাল

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৫তম বারের মত পিছিয়ে আগামী ১৭ জুন ধার্য করেছেন আদালত। রবিবার (৭ জুন) তদন্ত সংস্থা ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের ঢাকা মেট্রো (পূর্ব)-এর সহকারী পুলিশ সুপার আবদুর কাদির ভূঁঞা প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় ঢাকার এডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ এ দিন ধার্য করেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রুকনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

হাদি হত্যা মামলায় ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে গত ৬ জানুয়ারি অভিযোগপত্র দেয় ডিবি পুলিশ। কিন্তু অভিযোগপত্রে সন্তুষ্ট নয় ইনকিলাব মঞ্চ।

গত ১২ জানুয়ারি মামলাটি শুনানির জন্য ছিল।

আবদুল্লাহ আল জাবের সেদিন অভিযোগপত্র পর্যালোচনার জন্য দুদিন সময় চান। আদালত তা মঞ্জুর করে ১৫ জানুয়ারি অভিযোগপত্র গ্রহণের দিন ধার্য করেন। ‎ওইদিন ডিবি পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্র নিয়ে অসন্তোষ জানিয়ে নারাজি দাখিল করেছেন মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। পরে আদালত মামলাটি সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেয়।

 

‎জুলাই অভ্যুত্থান এবং আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পরিচিতি পাওয়া হাদি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। গত ১২ ডিসেম্বর গণসংযোগের জন্য বিজয়নগর এলাকায় গিয়ে তিনি হামলার শিকার হন। চলন্ত রিকশায় থাকা হাদিকে গুলি করেন চলন্ত মোটরসাইকেলের পেছনে বসে থাকা আততায়ী। গুরুতর আহত হাদিকে দ্রুত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে অস্ত্রোপচার করার পর রাতেই তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর দুদিন পর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে হাদিকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানে চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ১৮ ডিসেম্বর হাদির মৃত্যুর খবর আসে।

হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটিতে হত্যার ৩০২ ধারা যুক্ত হয়। এরপর থানা পুলিশের হাত ঘুরে মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় ডিবি পুলিশকে।

তদন্ত শেষে সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি, সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনকে আসামি করে গত ৬ জানুয়ারি হাদি হত্যা মামলার অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা পুলিশ।

 

অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিরা হলেন- প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ (৩৭), তার বাবা মো. হুমায়ুন কবির (৭০), মা হাসি বেগম (৬০), স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া (২৪), শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু (২৭), বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা (২১), মো. কবির (৩৩), মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল (৩৪), ভারতে পালাতে সহায়তার অভিযোগ থাকা সিবিয়ন দিউ (৩২), সঞ্জয় চিসিম (২৩), মো. আমিনুল ইসলাম ওরফে রাজু (৩৭) ও হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র-গুলি উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার মো. ফয়সাল (২৫), মো. আলমগীর হোসেন ওরফে আলমগীর শেখ (২৬), সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী, ভারতে পালাতে সহায়তাকারী ফিলিপ স্নাল (৩২), মুক্তি মাহমুদ (৫১) ও জেসমিন আক্তার (৪২)। তাদের মধ্যে ফয়সাল করিমসহ শেষের পাঁচজন পলাতক রয়েছেন।

অভিযোগপত্রে তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ জানান, আসামিদের রাজনৈতিক পরিচয় এবং বিভিন্ন সময়ে হাদির দেওয়া রাজনৈতিক বক্তব্য বিশ্লেষণ করে প্রাথমিকভাবে বোঝা গেছে, ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই’ হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

এছাড়া আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে ‘বাধাগ্রস্ত করতে’ এবং ভোটারদের মধ্যে ‘ভয়ভীতি তৈরি করতেই’ আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগীরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হাদির নির্বাচনি প্রচারে অনুপ্রবেশ করে বলে অভিযোগপত্রে তুলে ধরা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%