বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:৩০ পি.এম
পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেছেন আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, যিনি হাঁটুর ইনজুরি কাটিয়ে মাঠে নামার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন। ইতিমধ্যে জাতীয় দলের সাথে অনুশীলনেও অংশগ্রহণ করেছেন তিনি।
আগামী শনিবার কেপ ভার্ডের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপ ফুটবলের রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে অংশগ্রহণে তিনি প্রস্তুত রয়েছেন। এই তথ্য ইএসপিএন নিশ্চিত করেছে।
বুধবার কানসাস সিটিতে আর্জেন্টিনার অনুশীলন সেশনে রোমেরো ঘাম ঝড়িয়েছেন।
গত ২২ জুন গ্রুপ পর্বে আস্ট্রিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় ম্যাচে তিনি হাঁটুতে চোট পান। স্ক্যান করার পর আর্জেন্টিনার মেডিকেল দল জানায় যে চোটটি গুরুতর নয়। যদিও হাঁটুতে ফোলা ভাব দেখা দিয়েছে কিন্তু এটি বড় কোন সমস্যা নয়।
সর্তকতার নিমিত্তে আর্জেন্টিনা জর্ডানের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে রোমেরোকে নিয়ে কোন ঝুঁকি নেয়নি। ৩-১ গোলে জয়ী ম্যাচে বিশ্রামে ছিলেন রোমেরো।
কেপ ভার্ডের বিপক্ষে ম্যাচের প্রস্তুতি হিসেবে গতকাল রাতে সন্ধ্যায় মায়ামির ফোর্ট লডারডেল এসে পৌঁছেছে লিওনেল মেসির নেতৃত্বাধীন আর্জেন্টিনা। আজ বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা ইন্টার মায়ামির ট্রেনিং সেন্টারে অনুশীলন করবে।
গ্রুপ 'জে'-তে তিনটি ম্যাচের সবগুলোতেই জয়ী হয়ে শেষ ৩২’এ জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। অস্ট্রিয়া, আলজেরিয়া ও জর্ডানের বিপক্ষে তারা মোট আটটি গোল করেছে, যার মধ্যে ছয়টি গোলই করেছেন মেসি।
আর্জেন্টিনা আগামী ৪ জুলাই ভোর ৪টায় শেষ ৩২’র ম্যাচে কেপ ভার্ডের মুখোমুখি হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ সময়ের পর ৯ বছর পর আগামীতে অনুষ্ঠিত হবে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ, যা হবে শ্রীলঙ্কায়। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ড (বিসিসিআই) সিরিজের সূচি ঘোষণা করেছে।
এই সিরিজে প্রথম টেস্ট মাঠে নামবে শুভমান গিল, যশস্বী জয়সওয়ালরা। ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবসের দিন শুরু হবে প্রথম টেস্ট। সিরিজটি ২০২৫-২৭ আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ বলেও জানা গেছে।
শ্রীলঙ্কার গল স্টেডিয়ামে প্রথম টেস্টটি অনুষ্ঠিত হবে ১৫ থেকে ১৯ আগস্ট। দ্বিতীয় টেস্টটি কলম্বোর সিংহলি স্পোর্টস ক্লাবে অনুষ্ঠিত হবে ২৩ থেকে ২৭ আগস্ট।
২০১৭ সালের পর শ্রীলঙ্কা সফরে যাচ্ছে ভারত। ৯ বছর আগে বিরাট কোহলির নেতৃত্বে ভারত শ্রীলঙ্কাকে তাদের ঘরের মাঠে ৩-০ ব্যবধানে পরাজিত করেছিল। আগেও শ্রীলঙ্কার মাটিতে ভারত দাপট দেখিয়েছে; ২০১৫ সালে তিন ম্যাচের সিরিজে পিছিয়ে থেকেও ভারত ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নেয়।
বর্তমানে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় শুভমানরা পঞ্চম স্থানে অবস্থান করছে। নয়টি টেস্ট খেলার পর ভারতের পয়েন্ট শতাংশ ৪৮.১৫। অন্যদিকে, একটি টেস্টে পরাজয়ের কারণে শ্রীলঙ্কা তিন ধাপ পিছিয়ে ছয়ে নেমে গেছে। তাদের পয়েন্ট শতাংশ ৪৪.৪৪। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে শ্রীলঙ্কা পরাজিত হওয়া টিম ইন্ডিয়ার জন্য কিছুটা সাহায্য করেছে।
ভারতীয় দল এখন চতুর্থ স্থান থেকে এক ধাপ উপরে উঠে এসেছে।
এবার শ্রীলঙ্কার স্পিনারদের বিরুদ্ধে কেমন ব্যাটিং করে কেএল রাহুলরা, তা সমর্থকদের নজর থাকবে। গিলের নেতৃত্বে ভারত ইংল্যান্ডে ওয়ান ড্র সিরিজ দিয়ে চলতি ডব্লিউটিসি অভিযান শুরু করেছিল। এরপর ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২-০ ব্যবধানে পরাজিত করলেও, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ০-২ ব্যবধানে পরাজয়ে ফাইনালে যাওয়ার লড়াই কঠিন হয়ে পড়েছে।
জুন মাসে নিউ চণ্ডীগড়ে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ভারত একটি একমাত্র টেস্ট খেলেছে, তবে সেটি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অন্তর্ভুক্ত ছিল না। শ্রীলঙ্কা সফরের পর নভেম্বরে নিউজিল্যান্ডে ভারত দুটি টেস্টের সিরিজ খেলবে। আগামী বছরের শুরুতে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের বর্ডার-গাভাস্কর ট্রফি খেলবে ভারত।
ভারতের শ্রীলঙ্কা সফরের সূচি হলো:
প্রথম টেস্ট: ১৫-১৯ আগস্ট, গল
দ্বিতীয় টেস্ট: ২৩-২৭ আগস্ট, কলম্বো
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পাঁচ দফা নির্দেশনা জারি করেছে। এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য দেশের সব সিভিল সার্জনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমীর সই করা একটি চিঠিতে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, চিকিৎসকদের, নার্সদের এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের প্রয়োজনীয় সংখ্যক উপস্থিতি শয্যাসংখ্যা অনুযায়ী রাখা হবে। বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়েছে যে, ৫০ শয্যার একটি হাসপাতালে প্রতি শিফটে কমপক্ষে পাঁচজন মেডিকেল অফিসার উপস্থিত থাকতে হবে। এর মানে হল যে, প্রতি ১০ শয্যার বিপরীতে অন্তত একজন মেডিকেল অফিসার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় পাঁচটি পদক্ষেপ সিভিল সার্জনদের বাস্তবায়ন করার জন্য বলা হয়েছে। প্রথমত, জেলার সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক থেকে প্রতি মাসে চিকিৎসকদের ডিউটি রোস্টার সংগ্রহ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, প্রতিটি হাসপাতাল ও ক্লিনিক থেকে চিকিৎসকদের নাম, বিএমডিসি নিবন্ধন নম্বর ও মোবাইল নম্বরসহ হালনাগাদ তালিকা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। তৃতীয়ত, ডিউটি রোস্টার ও প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নিয়মিত যাচাই-বাছাই এবং আকস্মিক পরিদর্শন পরিচালনা করতে হবে।
চতুর্থত, প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক অনুপস্থিত থাকলে অথবা ভুল কিংবা অসম্পূর্ণ তথ্য দিলে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অবহিত করতে হবে। পঞ্চমত, মনিটরিং কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ প্রতিবেদন প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, রোগীদের নিরাপদ, মানসম্মত ও নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতেই এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বাস্তবায়নের জন্য সব সিভিল সার্জনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানায় ২ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে একটি গৃহবধূকে মারধর করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে ভুক্তভোগী গৃহবধূ বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এর আগে, বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মহানগরীর সাধুর মোড় এলাকায় একটি ভাড়াবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরে আহত গৃহবধূকে তার বাবার বাড়ির স্বজনরা উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ওসিসি ইউনিটে ভর্তি করেন। অভিযোগকারী হীরা ইয়াসমিন (৩৫) জানান, তিনি প্রায় ১৩ বছর ধরে স্বামী আল-মামুন সনেটের সঙ্গে সংসার করছেন। তাদের একটি ছেলে ও একটি মেয়ে রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন সময় যৌতুকের জন্য তাকে নির্যাতন করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, এর আগে বিভিন্ন সময়ে তার পরিবারের কাছ থেকে প্রায় ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে। প্রায় ১০ দিন আগে ব্যবসার কথা বলে তার কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করা হলে, তিনি এক ভরি স্বর্ণালঙ্কার বন্ধক রেখে ৭০ হাজার টাকা দেন। এরপর আবারো ২ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে স্বামী সনেট তাকে মারধর করেন। এক পর্যায়ে নাকে ঘুষি মারলে তিনি রক্তাক্ত হন এবং মাটিতে পড়ে যান। তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করতে এলে অভিযুক্ত ঘোড়ার চাবুক দিয়ে মারধর করেন। এতে তার পিঠে আঘাতের চিহ্ন সৃষ্টি হয়। এ সময় তাদের ছোট ছেলে-কে লাথি মারা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। ভুক্তভোগী হীরা ইয়াসমিনের দাবি, তার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। গত পাঁচ থেকে ছয় বছর ধরে তিনি নিয়মিত ইয়াবা এবং মদ সেবন করেন এবং নেশাগ্রস্ত অবস্থায় প্রায়ই তাকে শারীরিক নির্যাতন করেন। তিনি এ নির্যাতনের বিচার এবং নিরাপদ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের সুযোগ চান। এ বিষয়ে অভিযুক্ত আল-মামুন সনেটের বাবা আসলাম আলী জানান, তার ছেলে দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত এবং পরিবারের কারও কথা শোনেন না। তাকে শাসন করতে গেলে উল্টো মারমুখী আচরণ করেন এবং অশালীন ভাষায় গালিগালাজ ও নমরুদ বলে তিরস্কার করেন। তিনি বলেন, একজন বাবা হিসেবে তিনি নিজেকে ব্যর্থ মনে করেন এবং ছেলের আচরণে বিব্রত। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সনেট বক্তব্য দিতে রাজি হননি। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), মাসুমা মুস্তারী জানান, লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ভুয়া প্রবেশপত্র ব্যবহার করে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে আসা এক নারী পরীক্ষার্থী ও তার সহযোগীকে জরিমানা এবং কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে কসবা উপজেলা সদরের তফাজ্জল আলী ডিগ্রি কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে এইচএসসি-২০২৬ পরীক্ষা শুরুর আগে প্রবেশপত্র যাচাইয়ের সময় এ ঘটনা ধরা পড়ে। আটক দুইজন হলেন কসবা মহিলা কলেজের অকৃতকার্য শিক্ষার্থী তাসফিয়া রহমান (১৮) এবং তার ফুফাতো ভাই ইনজামুল হক (১৯)।
প্রসঙ্গত, পরীক্ষা কেন্দ্রের সূত্রে জানা যায়, তাসফিয়া রহমান তার ফুফাতো ভাইয়ের সহযোগিতায় একটি ভুয়া অ্যাডমিট কার্ড তৈরি করে পরীক্ষায় অংশ নিতে আসেন। পরীক্ষা শুরুর আগে অ্যাডমিট কার্ড যাচাইয়ের সময় কার্ডে উল্লেখিত কোড নম্বর ও পরীক্ষার বিষয়ের সঙ্গে অসঙ্গতি দেখা দেয়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও তফাজ্জল আলী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদ নিশ্চিত করেন যে, এটি ভুয়া।
অধ্যক্ষ মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, অ্যাডমিট কার্ড যাচাইয়ের সময় কোড নম্বর ও পরীক্ষার বিষয় মেলার ক্ষেত্রে তাদের সন্দেহ হয়। পরে তারা যাচাই করে নিশ্চিত হন যে কার্ডটি ভুয়া। তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানান। ঘটনার পর আটক দুইজনকে কেন্দ্রের অধ্যক্ষের কার্যালয়ে রাখা হয় এবং উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের ২০ হাজার টাকা করে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ছামিউল ইসলাম বলেন, ভুয়া অ্যাডমিট কার্ড নিয়ে পরীক্ষা দিতে এসে তারা আটক হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ