জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
০৯:৪৬ পি.এম
রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি থানাধীন নারুয়া ইউনিয়নে, এক পেঁয়াজ ব্যবসায়ীকে পথরোধ করে বেদম মারধর এবং নগদ অর্থ ও ব্যবহৃত দামী মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে।
পূর্ব শত্রুতার জের ধরে, ৯ জুন দুপুর আনুমানিক সাড়ে বারোটায় নারুয়া ইউনিয়নের বিলটাকাপোড়া গ্রামের মনসুর আলী কলেজের সামনের পাকা রাস্তায় এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার প্রেক্ষিতে ১৬ জুন (মঙ্গলবার) দুপুরে অভিযুক্ত প্রধান আসামি মিঠু শেখ (৩০)-কে গ্রেফতার করেছে বালিয়াকান্দি থানা পুলিশ।
পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোঃ রুহুল আমিন (৩৪) বিলটাকাপোড়া গ্রামের মৃত কালাম খানের পুত্র। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজ ও রসুনের ব্যবসা করে আসছেন। ঘটনার দিন, তিনি বাড়ি থেকে নিজের মালিকানাধীন একটি লাল রঙের মোটরসাইকেল যোগে পেঁয়াজ কেনার উদ্দেশ্যে স্থানীয় নারুয়া বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে, মনসুর আলী কলেজের সামনে পৌঁছালে, পূর্ব শত্রুতা ও বিরোধের জেরে একই এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী শেখের পুত্র মিঠু শেখ তার পথ বাধা দেয়। মিঠু শেখ ভুক্তভোগী রুহুল আমিনকে মোটরসাইকেল থেকে জোরপূর্বক টেনে-হেঁচড়ে রাস্তায় নামিয়ে দেয় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। গালিগালাজ করতে নিষেধ করায়, আসামি ক্ষিপ্ত হয়ে ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করে। একপর্যায়ে, ভুক্তভোগীর প্যান্টের পকেটে থাকা পেঁয়াজ ক্রয়ের নগদ ১,৪৫,০০০ টাকা ছিনিয়ে নেয়। শুধু তাই নয়, জোরপূর্বক মোটরসাইকেলের চাবিসহ ছিনিয়ে নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয়। যাওয়ার সময়, বিষয়টি পুলিশ বা থানাকে জানালে ভুক্তভোগীকে প্রাণনাশের হুমকিও প্রদান করা হয়।
পরবর্তীতে, ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী বালিয়াকান্দি থানায় হাজির হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর তদন্তে নামে বালিয়াকান্দি থানা পুলিশ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ পুলিশ পরিদর্শক মোঃ কাঞ্চন মিয়া আজ ১৬ জুন দুপুর ২ টার দিকে সঙ্গীয় ফোর্সসহ বালিয়াকান্দি বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামি মিঠু শেখকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে আসামির প্রত্যক্ষ জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
আজ বিকালেই গ্রেফতারকৃত আসামিকে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিসট্রেট, বালিয়াকান্দি আমলী আদালত, রাজবাড়ীতে প্রেরণ করা হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিনের আবেদন করলে, শুনানি শেষে আদালত জামিন নামুনজুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায়, স্থানীয় ব্যবসায়ী সমাজ ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং তারা দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১৬ জুন, ২০২৬,ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার পুলিশ এবং স্থানীয় জনগণ সোচ্চার হয়ে উঠেছে। এর ফলে ওই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে সচেতন জনগণ বিভিন্ন এলাকায় মাদক কারবারি ও মাদক সেবীদের হাতে নাতে ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করছে। একই সাথে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ নিয়মিতভাবে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছে। প্রযুক্তির অপব্যবহার, মাদকের সহজলভ্যতা এবং সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কারণে তরুণদের একটি অংশ বিপথগামী হচ্ছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে বর্তমানে শুধুমাত্র আইন প্রয়োগ নয় বরং সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে দেখা যাচ্ছে।
কালীগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, ২০২৬ সালের শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত ৪২টি মাদক মামলায় ৫৪ জন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। প্রায় ৫ কেজি গাঁজা, নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট ১৩৭২ পিস, ট্যাফেন্ডাল ট্যাবলেট ১১৪ পিস ফেনসিডিল (যৌথ অভিযানসহ) ৩৪৭ বোতল ও চোলাই মদ ১০০০ লিটার জব্দ করা হয়েছে। কালীগঞ্জ উপজেলা জুড়ে শতাধিক মাদক স্পট রয়েছে। স্থানীয় জনগণ মনে করেন, এসব স্পটে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে মাদক কারবারি ও মাদক সেবীদের আইনের আওতায় আনার ক্ষেত্রে থানা পুলিশকে আরও অগ্রনী ভূমিকায় থাকতে হবে।
মাদক নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় জনতা ও থানা পুলিশের যৌথ উদ্যোগ সবচেয়ে কার্যকর। স্থানীয় জনগণ যদি নিজস্ব এলাকায় মাদক বিরোধী সচেতনতা ও নজরদারি গড়ে তুলে অপরাধীদের তথ্য দিয়ে পুলিশের সহায়তা করে, তাহলে মাদক অভিযান আরও কার্যকরী হবে। তবে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না; মাদক বিক্রেতা বা আসক্তদের বিরুদ্ধে সরাসরি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য থানা পুলিশের কাছে যেতে হবে। সমাজ যখন মাদক বিস্তারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে, তখন পুলিশ আইনের যথাযথ প্রয়োগ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে। পুলিশ সদস্যরা মাঠ পর্যায়ে অনেক ক্ষেত্রেই ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন বলেও জানানো হয়েছে।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জেল্লাল হোসেন বলেন, মাদকের ব্যাপারে থানা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে কাজ করে যাচ্ছে। তবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, মাদক অভিযানের প্রেক্ষিতে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটি শুধু পুলিশের মনোবল নয়, সামগ্রিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে দুর্বল করার অপপ্রয়াস। তবে, মাদক অভিযানে যদি অনিয়ম বা আইনের ব্যত্যয় ঘটে, সেক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ থাকলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মূলত স্থানীয়ভাবে যারা আগে অনৈতিক সুবিধা পেতেন, বর্তমানে তা বন্ধ হওয়ায় প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করার কৌশল হিসেবে এ ধরনের প্রচার করা হচ্ছে। মাদকবিরোধী অভিযানের সফলতা জনসমর্থন ও তথ্যের সত্যতার উপর নির্ভর করে। বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই না করে প্রচার করলে অপরাধীরা সুবিধা পায়। এই অবস্থায় সত্য তথ্য যাচাই, গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণ এবং পুলিশের সঙ্গে জনগণের সহযোগিতা জরুরি বলেও তিনি উল্লেখ করেন। মাদকমুক্ত কালীগঞ্জ গড়তে পুলিশের পাশাপাশি সচেতন নাগরিক সমাজের সক্রিয় ভূমিকা এখন সময়ের দাবি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের ১০০ কোটিরও বেশি শিশু জলবায়ুজনিত অন্তত তিনটি ঝুঁকির মুখে রয়েছে বলে ইউনিসেফ সতর্কতা প্রকাশ করেছে। সংস্থা জানিয়েছে, বিশ্বের কিছু অঞ্চলে জিনিসগুলো তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি প্রভাবিত হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানাচ্ছে, সোমবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জাতিসংঘের এই সংস্থা একটি বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্বের প্রায় ২৪০ কোটি শিশুর বসবাসের স্থানের সাথে সম্পর্কিত আটটি জলবায়ুজনিত প্রভাবের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এই আটটি প্রভাব হলো: উপকূলীয় বন্যা, নদীভিত্তিক বন্যা, খরা, ক্রান্তীয় ঝড়, তাপপ্রবাহ (যেখানে অন্তত টানা তিন দিন উচ্চ তাপমাত্রা থাকে, তবে দেশভেদে ভিন্ন হয়), চরম তাপমাত্রা, দাবানল ও বালুজড়।
প্রতিবেদনটিতে মূলত ১১০ কোটি শিশুর ওপর আলোকপাত করা হয়েছে, যারা অন্তত তিনটি ঝুঁকির সম্মুখীন। এর মধ্যে অধিকাংশ স্থানে সর্বাধিক মিল পাওয়া যায় এমন তিন ঝুঁকি হলো- খরা, চরম তাপমাত্রা (৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে) এবং তাপপ্রবাহ। এই তিনটির যৌথ প্রভাবে প্রায় ২৯ কোটি ৬০ লাখ শিশুকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এতে জড়িত রয়েছে নাইজেরিয়ার ৭ কোটি ৪০ লাখ, পাকিস্তানের ৩ কোটি ৪০ লাখ এবং ভারতের ৩ কোটি ২০ লাখ শিশু।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২০ বছরে এই ‘তিনটি বা তার বেশি’ ঝুঁকিতে থাকা শিশুর সংখ্যা মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে। বিশ্বের প্রায় সব শিশু অন্তত একটি ঝুঁকির মুখে রয়েছে। ২০০ কোটি শিশু অন্তত দুটি ঝুঁকির মুখে, যেখানে ৩৬ কোটি ৪০ লাখ শিশু অন্তত চারটি ঝুঁকির সম্মুখীন। সাতটি বা তার বেশি জলবায়ু ঝুঁকির মধ্যে থাকা ১ লাখ ২৩ হাজার শিশুর মধ্যে প্রায় ৪৬ হাজার শিশুই রয়েছে মিয়ানমারে।
ইউনিসেফের প্রধান ক্যাথরিন রাসেল জানান, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের ক্ষেত্রে শিশুরাই সবার আগে রয়েছে।’
শিশুদের জন্য সবচেয়ে খারপ পরিস্থিতি কোথায়- এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রতিবেদনের অন্যতম লেখক টম স্লেমেকার এএফপি-কে জানান, ‘এর সংক্ষিপ্ত কোনো উত্তর নেই।’
স্লেমেকার আরও যোগ করে বলেন, ‘তবে সব অঞ্চল সমান নয়। কিছু ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র আমরা দেখতে পাই। এগুলো মূলত সাব-সাহারান আফ্রিকা এবং দক্ষিণ এশিয়ার কিছু অংশে বেশি কেন্দ্রীভূত।’
বাংলাদেশ, ভারত, নাইজেরিয়া ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলো, যেখানে শিশু জনসংখ্যা বেশি, সেই দেশগুলো অন্তত তিনটি ঝুঁকির মুখে থাকা শিশুর সংখ্যা হিসাবে তালিকার শীর্ষে রয়েছে। তবে শতকরা হারে সাব-সাহারান আফ্রিকার দেশগুলো, বিশেষ করে সাহেল অঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। অনেক ক্ষেত্রে জলবায়ুজনিত দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকারের সীমিত সক্ষমতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।
উদাহরণ হিসেবে প্রতিবেদনে মধ্য আফ্রিকার দেশ চাদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। দেশটি বর্তমানে মানবিক সংকটে রয়েছে। সেখানে পানি, বিদ্যুৎ ও খাদ্যের প্রাপ্যতা সীমিত। প্রতিবেদনে উল্লিখিত যে, চাদের ৯৫ শতাংশের বেশি শিশু অন্তত তিনটি জলবায়ু ঝুঁকির মুখে রয়েছে।
বিশেষ ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে যুক্ত রয়েছে আরও ৩৯টি দ্বীপরাষ্ট্র। এসব দেশের সামনে সীমিত মিঠাপানির উৎস, আমদানি নির্ভরতা এবং ঘূর্ণিঝড়ের মতো দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য সহজে অন্যত্র আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ না থাকার মতো চ্যালেঞ্জ রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী ড. হরিণী অমরাসুরিয়া আজ জানিয়েছেন, তার দেশ বাংলাদেশর সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে চায়।
শ্রীলংকায় নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনার আন্দালিব ইলিয়াস যখন বিদায়ী সাক্ষাৎ করতে যান, তখন দেশটির প্রধানমন্ত্রী এই কথা বলেন।
শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশ মিশনের এক বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, হাইকমিশনারের মেয়াদকালে নেওয়া উদ্যোগগুলোর মধ্যে বিশেষ করে বাণিজ্য ও ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে এবং দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও গভীর করতে সহায়তা করবে, এটা নিয়ে অমরাসুরিয়া আশা প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ এশীয় দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারের জন্য হাইকমিশনার ইলিয়াসের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
শক্তিশালী অর্থনৈতিক সহযোগিতা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করে এবং পারস্পরিকভাবে লাভজনক সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বৈঠকের সময় উভয় দেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করার পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১৬ জুন, ২০২৬, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের ঝিনাইদহ জেলা কমিটির সভাপতি তোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল, যা পাঁচ সদস্য সমন্বয়ে গঠিত, খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মহোদয়ের সাথে সাক্ষাৎ করতে যান। এ প্রতিনিধি দল জেলা কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলামের নামে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী নিয়ে এসেছে। উল্লেখ্য যে, ডিআইজি মহোদয় ঢাকায় অবস্থান করায় নেতৃবৃন্দ অতিরিক্ত ডিআইজি মহোদয়ের সাথে সাক্ষাৎ করেন। উভয় পক্ষের মধ্যে আন্তরিক পরিবেশে আলোচনা হয় এবং অতিরিক্ত ডিআইজি মহোদয় সেটা নিশ্চিত করেন যে, কোন নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানীর শিকার না হয়। নেতৃবৃন্দ অতিরিক্ত ডিআইজি মহোদয়ের এই আশ্বাসের প্রতি আস্থা রেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং অবিলম্বে রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ