ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আইসিসি ‘উন্মাদদের দ্বারা পরিচালিত বোকা সংস্থা’: মার্কো রুবিও


আইসিসি ‘উন্মাদদের দ্বারা পরিচালিত বোকা সংস্থা’: মার্কো রুবিও

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) উপর কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি আদালটিকে ‘বোকা একটি সংস্থা’ বলে মন্তব্য করেছেন এবং অভিযোগ করেছেন যে, আইসিসি এমন কিছু মানুষের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে যারা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক পদক্ষেপ নিতে চাইছে।

বৃহস্পতিবার ফিলিপিন্সের রাজধানী ম্যানিলায় আসিয়ান বৈঠকের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন রুবিও। এই সময় সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক আদালতের প্রয়োজন রয়েছে তবুও যুক্তরাষ্ট্র কেন আইসিসির বিরোধিতা করছে। জবাবে রুবিও বলেন যে, যুক্তরাষ্ট্র আইসিসির সদস্য নয় এবং কখনোই আদালটির প্রতিষ্ঠার চুক্তিতে অংশ নেয়নি। তাই মার্কিন নাগরিকদের বিরুদ্ধে আইসিসির কোনো বিচারিক ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্র মেনে নেবে না।

রুবিও আরও বলেন, ‘আমরা আইসিসির সদস্য নই। আমরা কখনো সেই চুক্তিতে সই করিনি। আমরা কখনো এতে যোগও দিইনি। এরপরও তারা দাবি করছে যে, যারা ওই চুক্তির সদস্য নয়, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার তাদের আছে।’

আরও পড়ুন: বিশ্বে ৩৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার ঋণের কবলে, বাড়ছে সুদের বোঝা

তিনি বলেন, আইসিসি রাষ্ট্রপ্রধানসহ বিভিন্ন ব্যক্তি বিচারের আওতায় আনার এবং কারাগারে পাঠানোর ক্ষমতা রাখে বলে দাবি করছে। যুক্তরাষ্ট্র মনে করে এটি আদালটির ক্ষমতার সীমা ছাড়িয়ে যাওয়া। রুবিও বলেন, ‘আইসিসিতে এমন কিছু উন্মাদ মানুষ আছে, যারা যুক্তরাষ্ট্রের সেনাসদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার কথা বলছে। এমনকি বর্তমান বা ভবিষ্যতের মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধেও অভিযোগ আনার কথা বলছে। এটা কখনোই হবে না।’

তিনি যোগ করেন, ‘যারা এই সংস্থার সদস্য হতে চায়, তারা হতে পারে। কিন্তু আমরা এর সদস্য হব না। তারা মার্কিন নাগরিকদের ওপর তাদের বিচারিক ক্ষমতাও প্রয়োগ করতে পারবে না।’

রুবিও জানান, যুক্তরাষ্ট্র এর আগে আইসিসিকে এ বিষয়ে সতর্ক করেছে। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন এখনো আদালটির দাবি মেনে নিচ্ছে না এবং ভবিষ্যতেও নেবে না। তাঁর এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আইসিসিকে মার্কিন সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে একটি নতুন উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দেয়। ১৩ জুলাই প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে একটি কর্মসূচি শুরু করেছেন। এর উদ্দেশ্য হলো আইসিসির কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা কমানো, মার্কিন সেনাসদস্য ও কর্মকর্তাদের লক্ষ্যবস্তু করার প্রচেষ্টা ঠেকানো এবং যুক্তরাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা।

বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র কখনোই আইসিসির প্রতিষ্ঠার মূল চুক্তি ‘রোম সংবিধি’-তে যোগ দেয়নি। এরপরও আদালতটি মার্কিন সেনাসদস্য ও কর্মকর্তাদের বিচার করার ক্ষমতা দাবি করছে। যুক্তরাষ্ট্র এটিকে ‘অসহনীয় হুমকি’ হিসেবে দেখছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের অভিযোগ, এর আগে আইসিসি মার্কিন সেনাসদস্য ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছিল। ওয়াশিংটনের দাবি, আদালতটি ধীরে ধীরে এমন একটি বৈশ্বিক বিচারিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করতে চাইছে, যার ওপর কোনো জবাবদিহি নেই।

আরও পড়ুন: এরদোয়ান লিবিয়ার পার্লামেন্টের অনুমোদনকে স্বাগত জানালেন, ইতিবাচক ফলের আশা

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, আইসিসির বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপে কোনো কূটনৈতিক উদ্যোগ বাদ দেওয়া হবে না। যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে—মিত্র ও অংশীদার দেশগুলোকে মার্কিন নাগরিকদের ওপর আইসিসির বিচারিক ক্ষমতা প্রত্যাখ্যান করার জন্য উৎসাহিত করা, আইসিসিকে সমর্থনকারী দেশগুলোর ভূমিকা পর্যবেক্ষণ বৃদ্ধি করা এবং রোম সংবিধিতে যোগ না দেওয়া দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিকভাবে কাজ করা। এছাড়া আইসিসির কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আরো ভিসা নিষেধাজ্ঞা, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং অন্যান্য নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ও যুক্তরাষ্ট্র বিবেচনা করছে। রুবিওর মন্তব্য ও পররাষ্ট্র দপ্তরের এই উদ্যোগ আবারও স্পষ্ট করেছে যে, আইসিসির বিচারিক ক্ষমতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আদালটির দীর্ঘদিনের বিরোধ আবারও তীব্র হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন খানজাহান আলী মিশনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৯ এম


বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন খানজাহান আলী মিশনের

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়ন সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাগেরহাটের খানজাহান আলী মিশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার খানজাহান আলী মাজার মোড়ে আয়োজিত এই কর্মসূচির উদ্বোধনকালে জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন বলেছেন, ‘পরিবেশ রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তে বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক ও সেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর এই ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়।’

এ সময় মিশনের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক কামরুজ্জামান শিমুল, মিসেস মনিরা ইসলাম, জেলা মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক হারুন শেখ, রণবিজয়পুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ হুমায়ুন কবির, হাফেজ মাওলানা এনামুল কবির, মাজুর আলম বাবলা, হাওলাদার মাহামুদ আলী, কাজী শাকিল তারিক, রবিউল ইসলাম (রবি), হাসান শেখ, ফকির রফিকুল ইসলাম, শেখ শরিফুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ সিয়ামসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাহাজ-কার্গোর ক্ষতিপূরণ ইরানের অর্থ থেকে যুক্তরাষ্ট্র দেবে: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০৩ পি.এম


জাহাজ-কার্গোর ক্ষতিপূরণ ইরানের অর্থ থেকে যুক্তরাষ্ট্র দেবে: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার প্রেক্ষিতে। তিনি এইবার স্পষ্ট করে বলেছেন, ভবিষ্যতে যদি জাহাজ, পণ্য বা এ-সম্পর্কিত কোনো সম্পদের ক্ষতি হয়, তাহলে তার ক্ষতিপূরণ যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকা ইরানের অর্থ থেকে পরিশোধ করা হবে।

ট্রাম্প বৃহস্পতিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই ঘোষণা দেন। তিনি উল্লেখ করেন, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে। ট্রাম্প আরও যোগ করেন, এখন থেকে জাহাজ, পণ্য বা এ-সম্পর্কিত যেকোনো কিছুর ক্ষতিতে সংশ্লিষ্ট ক্ষতিপূরণ যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকা ইরানের অর্থ থেকে দেওয়া হবে। তিনি সতর্ক করেন যে, ক্ষতির পরিমাণ অনেক বড় হতে পারে।

তবে ট্রাম্পের মতানুসারে, এটিই ‘ন্যায্য ও সমান’ সিদ্ধান্ত। তার এই ঘোষণার মাধ্যমে তিনি ইরানের জব্দ থাকা অর্থ ব্যবহার করে সম্ভাব্য ক্ষতির অর্থ পরিশোধের ইঙ্গিত দেন। এদিকে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই ইরানের প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলারের অধিক সম্পদ জব্দ অবস্থায় রয়েছে এবং এসব সম্পদের ওপর বর্তমানে ইরানের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।

এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাগচি। তিনি বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা বাস্তব পরিস্থিতি না বুঝে আগ্রাসী অবস্থান নিচ্ছেন। আরাগচি দাবি করেন, এই নীতি শেষ পর্যন্ত উল্টো ফল বয়ে আনবে। তিনি আরও লেখেন, যুক্তরাষ্ট্রের কিছু নীতিনির্ধারক বাস্তবতা থেকে দূরে সরে গেছেন এবং মাঠের পরিস্থিতি উপেক্ষা করে ভবিষ্যতের রাজনৈতিক হিসাব নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন।

আরাগচি বলেন, এই ধরনের আগ্রাসী অবস্থান ট্রাম্পের জন্য কোনো সম্ভাব্য সমঝোতার মূল্য বাড়িয়ে দেবে।

এছাড়া, ট্রাম্প এর আগে বৃহস্পতিবার আরেকটি বক্তব্যে স্পষ্ট করে বলেন, ইরানকে কোনো অবস্থাতেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না। তিনি দাবি করেন, চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র শক্ত অবস্থানে রয়েছে এবং বলেন, ‘ইরানের বিরুদ্ধে আমরা খুব ভালো করছি। আমরা দারুণভাবে এগিয়ে আছি। তারা কিছু করতে চায়। কিন্তু আমি বলছি, তারা এখনো প্রস্তুত নয়। তাদের আরো একই ধরনের চাপ দরকার। তাদের কিছু খারাপ উদ্দেশ্য আছে। আমরা তাদের পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দিতে পারি না।’

ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানকে শুধুমাত্র পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা নয়, এমন চিন্তা করার সুযোগও দেওয়া হবে না। তিনি মন্তব্য করেন, ‘ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না। এই সমস্যা অনেক আগেই সমাধান হওয়া উচিত ছিল। যদি আমরা ব্যবস্থা না নিই, তাহলে আর কেউ নেবে না। আমরা সেই সক্ষমতা রাখি এবং প্রয়োজন হলে আমরা সেটাই করব।’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ট্রাম্পের এসব মন্তব্য দুই দেশের সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলতে পারে, এমন আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোদি সরকার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের দেশের শত্রু ভাবছে: সোনিয়া গান্ধী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০৬ পি.এম


মোদি সরকার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের দেশের শত্রু ভাবছে: সোনিয়া গান্ধী

ভারতে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষাব্যবস্থার অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের দমনপীড়ন নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তিনি তীব্রভাবে আক্রমণ চালিয়েছেন কংগ্রেস সংসদীয় দলের সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী।

ভারতের ইংরেজি দৈনিক ‌‌‘দ্য হিন্দু’-তে প্রকাশিত এক নিবন্ধে সোনিয়া গান্ধী অভিযোগ জানান যে, মোদি সরকার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের দেশের ভবিষ্যৎ হিসেবে না দেখে ‘দেশের শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করছে।

নিজের নিবন্ধে সাবেক এই কংগ্রেসপ্রধান লেখেন, আগামী দিনের ভবিষ্যৎ হিসেবে শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সরকারের দায়িত্বশীল হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার কাপুরুষোচিত ও নির্মম আচরণ করছে। বিগত ২০ জুলাইয়ের ঘটনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দিল্লির রাজপথে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনরত তরুণ-তরুণীদের ওপর লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস প্রয়োগ করে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী যে বর্বরতা চালিয়েছে, তা দেশের বিবেককে নাড়া দিয়েছে। সরকারের সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অধীনে থাকা পুলিশ বাহিনীর এমন আচরণ কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তিনি ২০২০ সালের সিএএ-বিরোধী আন্দোলন এবং নারী কুস্তিগীরদের ওপর নির্যাতনের স্মৃতিও মনে করিয়ে দেন।

এছাড়া সোনিয়া গান্ধী অভিযোগ করেন, মোদি সরকার দেশের পাবলিক শিক্ষাব্যবস্থা থেকে ক্রমাগত হাত গুটিয়ে নিচ্ছে এবং শিক্ষা বাজেট ব্যাপকভাবে হ্রাস করেছে। গত ১২ বছরে প্রায় এক লাখ সরকারি স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হলেও হাজার হাজার বেসরকারি স্কুল খোলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যার বেশিরভাগই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) সঙ্গে যুক্ত। একের পর এক পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা এবং ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির (এনটিএ) ব্যর্থতার দায় নিতে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান অস্বীকার করেছেন বলেও তিনি দাবি করেন।

সরকারের এই একগুঁয়েমি ও জবাবদিহিহীনতার কারণেই আজ ভারতের শিক্ষার্থীরা রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছে বলে সোনিয়া গান্ধী মন্তব্য করেন।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনার বাবা-মেয়ে হত্যা মামলায় ৫ আসামির মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টেও বহাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১৪ পি.এম


খুলনার বাবা-মেয়ে হত্যা মামলায় ৫ আসামির মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টেও বহাল

খুলনার বহুল আলোচিত এক্সিম ব্যাংক কর্মকর্তা পারভীন সুলতানা এবং তাঁর বাবা ইলিয়াস চৌধুরী হত্যার এবং ধর্ষণের মামলার দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে, নিম্ন আদালতের দেয়া ৫ আসামির মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টেও বহাল রাখা হয়েছে। তবে ধর্ষণ মামলায় ৫ আসামির মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের ২৯ নম্বর বিশেষ বেঞ্চে বিচারপতি বিশ্বদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি কে. এম. রাসেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে দীর্ঘ শুনানি শেষে এ রায় ঘোষণা করা হয়। দীর্ঘ ১১ বছর পর এ রায় ঘোষণা করা হলো। বাদির পক্ষের আইনজীবী বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা খুলনার সমন্বয়কারি এড. মোমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলো- লবণচরা বুড়ো মৌলভীর দরগা এলাকার আব্দুল জলিলের দুই ছেলে পিটিল এবং শরিফুল। একই এলাকার মৃত শিকদারের ছেলে পলাশ এবং অহিদুল ইসলামের ছেলে আবু সাঈদ ও লিটন। আসামিরা বর্তমানে কারাগারে রয়েছে।

এরআগে ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩-এর বিচারক, বর্তমানে খুলনা মহানগর দায়রা জজ মো. মহিদুজ্জামান দুই মামলায় পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছিলেন। পরবর্তীতে ডেথ রেফারেন্স নং ৭৬/২০১৯ ও ৭৭/২০১৯ এবং আসামিদের আপিলের দীর্ঘ শুনানি শেষে হাইকোর্ট এই রায় প্রদান করেন।

বাদির পক্ষের আইনজীবী এড. মোমিনুল ইসলাম রায়ের প্রতিক্রিয়ায় বলেন, এ রায় শুধু একটি মামলার রায় নয়; এটি একটি পরিবারের দীর্ঘ প্রতীক্ষার ফল। একই সঙ্গে এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়Ñন্যায়বিচারের পথ কখনো কখনো দীর্ঘ হয়, কঠিন হয়, কিন্তু আইনের প্রতি আস্থা ও ধৈর্য ধরে সেই পথে চলতে হয়।

তিনি বলেন, হাইকোর্টের রায়কে আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণ করছি। একই সঙ্গে এই মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট বিচারপতিগণ, বাদী এবং সকল আইনজীবী, ও সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে দ্রুত রায় কার্যকর করার দাবি জানান।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে খুলনা মহানগরীর লবণচরা থানার বুড়ো মৌলভী (রহ.) দরগাপাড়া এলাকার ‘ঢাকাইয়া হাউস’-এ সংঘবদ্ধভাবে পারভীন সুলতানাকে ধর্ষণের পর তাকে এবং তার বাবা ইলিয়াস চৌধুরীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে ফেলে গুমের চেষ্টা চালানো হয়। নিহত পারভীন সুলতানা এক্সিম ব্যাংকের খুলনা কালীবাড়ি শাখার ক্যাশ কর্মকর্তা ছিলেন। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে রেজাউল আলম চৌধুরী বিপ্লব লবণচরা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%