ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মেক্সিকো


শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মেক্সিকো

 

মেক্সিকো কেঁপে উঠেছে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের কারণে। মঙ্গলবার বাজা ক্যালিফোর্নিয়া উপদ্বীপের কিছু অংশে ৬ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে ক্যালিফোর্নিয়া উপসাগরে ভূমিকম্পটি ঘটে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল এল প্রোগ্রেসো থেকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে ছিল। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর এখনও পাওয়া যায়নি।

ভূমিকম্পটি ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৬ মাইল গভীরে সংঘটিত হয় এবং মেক্সিকোর সিনাওলা রাজ্যের লস মোচিস ও কুলিয়াকান শহরে হালকা কম্পন অনুভূত হয়েছে।

আরও পড়ুন: দীপকে সন্দেহ, সঙ্গের তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ

বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্পের আক্রমণ বেড়ে গেছে। বিশেষ করে ভেনেজুয়েলায় একটি ৭ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প এবং ৩৯ সেকেন্ড পর ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এ ঘটনাগুলিকে 'ডাবলেট' বলা হয়।

ডাবলেট বলতে বোঝায় কাছাকাছি সময়ে প্রায় একই মাত্রার দুটি ভূমিকম্প হওয়া, যা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণকে আরও বৃদ্ধি করে দিতে পারে।

ইউএসজিএস জানিয়েছে, ১৯ থেকে ২৬ জুনের মধ্যে বিশ্বজুড়ে ৪ দশমিক ৫ বা তার চেয়েও বেশি মাত্রার ৯৩টি ভূমিকম্প ঘটেছে। এটি বিশ্বব্যাপী ভূমিকম্পের তৎপরতা বৃদ্ধির একটি সতর্ক সংকেত।

আরও পড়ুন: সাবেক অতিরিক্ত আইজিপির গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত রিকশাচালক

এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ায় রেডউড ভ্যালির কাছে ৫ দশমিক ৬ মাত্রার একটি মাঝারি ধরনের ভূমিকম্পও অনুভূত হয়েছে। এর কেন্দ্রস্থল ছিল মেনডোসিনো কাউন্টিতে, যেখানে ভূমিকম্পটি ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৫ মাইল নিচে আঘাত করে।

সূত্র: ফক্স নিউজ

 

আরও পড়ুন: লাইভে রাশেদ খাঁনের পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় মিয়া গোলাম পরওয়ারের মন্তব্য

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হান সেওং-সুক দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১৭ পি.এম


হান সেওং-সুক দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন প্রধানমন্ত্রী

দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে হান সেওং-সুকের নিয়োগে অনুমোদন দিয়েছে দেশটির জাতীয় সংসদ। ৩০ জুন, মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত ভোটে তার নিয়োগ আনুষ্ঠানিকভাবে পাস হয়।

প্রযুক্তি ও ব্যবসা খাতে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কারণে পরিচিত হান সেওং-সুক এর আগে দক্ষিণ কোরিয়ার শীর্ষ ইন্টারনেটভিত্তিক প্রতিষ্ঠান নাভেরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসা পরিচালনায় তার দক্ষতা দেশজুড়ে প্রশংসিত।

প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের আগে, তিনি বর্তমান রাষ্ট্রপতি লি জে মিয়ংয়ের সরকারের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পবিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে কাজ করেন। ওই দায়িত্বে থাকাকালে, তিনি শিল্প খাতের উন্নয়ন, উদ্ভাবন এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহায়তায় বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রযুক্তি ও করপোরেট খাতে হান সেওং-সুকের অভিজ্ঞতা দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনীতি, শিল্পনীতি এবং উদ্ভাবনভিত্তিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব আনতে পারে। তার নিয়োগকে দেশটির প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে মুহূর্তেই হারাল ২৫ পরিবারের ঠিকানা, আতঙ্কে তীরবর্তী মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২১ পি.এম


ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে মুহূর্তেই হারাল ২৫ পরিবারের ঠিকানা, আতঙ্কে তীরবর্তী মানুষ

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার চিলমারী ইউনিয়নে ব্রহ্মপুত্র নদের ক্রমাগত ভাঙনের ফলে বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। গত তিন দিনে অন্তত ৫০ পরিবারের বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। আধা ঘণ্টার ব্যবধানে ২৫ বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অব্যাহত ভাঙনে শতশত একর আবাদি জমি হারিয়ে নদীপাড়ের মানুষ নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। তীব্র ভাঙনের কারণে আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে তীরবর্তী মানুষ।

জানা গেছে, চিলমারী ইউনিয়নের কয়েকটি স্থানে গত তিন দিন ধরে ব্রহ্মপুত্র নদের এই ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। এতে বিশারপাড়া আশ্রয়ণ এলাকায় সোমবার ভোরবেলায় ৩০ মিনিটের ভাঙনে ২৫ বাড়িসহ গত তিন দিনে অন্তত ৫০টি পরিবার বাড়িঘর হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে। এর পাশাপাশি বৈদ্যুতিক লাইনের ছয়টি খুঁটি এবং শত শত একর আবাদি জমিও নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ভাঙনের মুখে রয়েছে মনুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঢুষমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কড়াইবরিশাল নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কড়াইবরিশাল বাজার, চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, ইউনিয়ন ভূমি অফিস, নির্মাণাধীন বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রসহ বিভিন্ন স্থাপনা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ইউনিয়নের শাখাহাতী, কড়াইবরিশাল, বিশারপাড়া আশপাশের এলাকায় ভয়াবহ ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। প্রতিদিনই নদী গিলে খাচ্ছে ফসলি জমি ও বসতভিটা। ভাঙনের ফলে স্থানীয় আতিকুর রহমান, আনসার আলী, আ. হামিদ, বক্কর আলী, লাল মিয়া, শাহিন মিয়া, ফুলু মিয়া, মোনছোর মেম্বারসহ অনেকে ভিটেবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন। এছাড়া বৈদ্যুতিক খুঁটি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার কারণে প্রায় ৪০০ পরিবার বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়েছে। এই ঘটনার সময় ভাঙনের মুখে থাকা বাড়িঘর সরিয়ে নিতে দেখা যায় ভুক্তভোগীদের।

বিশারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. শাহিন মিয়া, তোফায়েল হোসেন এবং মুকুল মিয়া বলেন, 'ব্রহ্মপুত্র নদ আমাদের বসতবাড়ি কেড়ে নিয়েছে। সাজানো সংসার হারিয়ে ফেলেছি। লাখ লাখ টাকার সম্পদ নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। আমরা এখন মানবেতর জীবন যাপন করছি। ত্রাণ চাই না, চাই নদীভাঙন থেকে স্থায়ী রক্ষা।'

চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘গত দুই বছরে ইউনিয়নের প্রায় ৬৫০টি পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বর্তমানে যে হারে ভাঙন চলছে, তাতে দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নিলে ইউনিয়নের বড় একটি অংশ, সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আশ্রয়কেন্দ্র ও কড়াইবরিশাল বাজার নদীতে চলে যাবে। ইতিমধ্যে শত শত একর আবাদি জমিও বিলীন হয়েছে।'

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। ব্যাপক ভাঙন আসলে সামান্য কিছু দিয়ে রক্ষা করা কঠিন। ক্ষতিগ্রস্থদের পুনর্বাসনের জন্য সরকারিভাবে সহায়তা দেওয়া হবে তিনি জানান।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, চরাঞ্চলের এত দীর্ঘ ভাঙন নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। ভাঙন প্রতিরোধে প্রাথমিকভাবে মাত্র ১ হাজার ৫০০টি জিও বস্তা দেওয়া হয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অতি নগণ্য। তাই ভাঙনের মুখে থাকা স্থাপনাগুলো সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ তার সিদ্ধান্ত নিজেই নেবে; কারও নাক গলানো হবে শিষ্টাচারের চূড়ান্ত লঙ্ঘন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এম এ সাঈদ

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৫ পি.এম


বাংলাদেশ তার সিদ্ধান্ত নিজেই নেবে; কারও নাক গলানো হবে শিষ্টাচারের চূড়ান্ত লঙ্ঘন

বাংলাদেশ তার সিদ্ধান্ত নিজেই নেবে; কারও নাক গলানো হবে শিষ্টাচারের চূড়ান্ত লঙ্ঘন


দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে একটি বাস্তবতা এখন ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে—বাংলাদেশ আর সেই রাষ্ট্র নয়, যাকে পুরোনো মানসিকতার চশমা দিয়ে দেখা যাবে। স্বাধীনতার ৫৫ বছরেরও বেশি সময় পরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি, অর্থনীতি ও নিরাপত্তা কৌশল নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। ফলে বাংলাদেশের প্রতিটি সার্বভৌম সিদ্ধান্তকে "প্রতিবেশীর অনুমোদনসাপেক্ষ" বলে ধরে নেওয়ার যুগ শেষ হয়ে এসেছে।

অনেক বছর ধরে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে এমন একটি সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল, যেখানে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত, পররাষ্ট্রনীতি কিংবা নিরাপত্তা কৌশল নিয়ে কিছু প্রতিবেশী দেশ প্রকাশ্যে বা পরোক্ষভাবে মন্তব্য করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিল। কিন্তু আন্তর্জাতিক রাজনীতির নিয়ম একটাই—সার্বভৌম রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত সেই রাষ্ট্রই নেবে। অন্য কোনো দেশের প্রত্যাশা বা অস্বস্তি সেই সিদ্ধান্তের মাপকাঠি হতে পারে না।

আজকের বাংলাদেশ কেবল ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে গুরুত্বপূর্ণ নয়; এটি বঙ্গোপসাগর, ভারত মহাসাগর এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত রাষ্ট্র। বিশ্বের বড় অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক শক্তিগুলো বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে আগ্রহী। ফলে বাংলাদেশের কূটনীতি এখন বহুমাত্রিক। এক দেশের সঙ্গে সম্পর্ক মানেই অন্য দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান—এমন সেকেলে ধারণা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে আর কার্যকর নয়।
যে রাষ্ট্র নিজের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেয়, সে রাষ্ট্র কখনো একক নির্ভরশীলতার ফাঁদে আটকে থাকে না। বরং বিভিন্ন আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তির সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলে। বাংলাদেশের জন্যও সেটিই সবচেয়ে বাস্তবসম্মত পথ। কারণ জাতীয় স্বার্থ কোনো স্থায়ী বন্ধু বা স্থায়ী প্রতিপক্ষকে চেনে না; চেনে কেবল স্থায়ী স্বার্থকে।

প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্ব অবশ্যই কাম্য। কিন্তু বন্ধুত্ব কখনো আধিপত্যের সমার্থক হতে পারে না। সমতা, পারস্পরিক সম্মান এবং সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতির ওপর যে সম্পর্ক দাঁড়ায়, সেটিই দীর্ঘস্থায়ী হয়। অন্যদিকে, যদি কেউ মনে করে বাংলাদেশের প্রতিটি সিদ্ধান্তে তাদের মতামতই শেষ কথা হবে, তবে সেটি কূটনৈতিক বাস্তবতার নয়, অতীতের মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।

বাংলাদেশের জনগণ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন। তারা দেখতে চায় এমন একটি পররাষ্ট্রনীতি, যা কোনো একক শক্তির প্রভাববলয়ে আবদ্ধ থাকবে না; বরং দেশের অর্থনীতি, নিরাপত্তা, বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও কৌশলগত স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে। এই নীতিই বাংলাদেশকে আরও আত্মবিশ্বাসী ও মর্যাদাবান রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।

দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি ও স্থিতিশীলতার পূর্বশর্ত হলো—প্রতিটি রাষ্ট্রের স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকারকে নিঃশর্তভাবে সম্মান করা। বাংলাদেশ যেমন অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের নীতি সমর্থন করে না, তেমনি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বা সার্বভৌম সিদ্ধান্ত নিয়ে অযাচিত চাপ বা মন্তব্যও গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

বাংলাদেশ আজ এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, যেখানে তার কূটনৈতিক পরিসর বিস্তৃত হচ্ছে এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ এবং অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে। এই বহুমাত্রিক সম্পর্ককে সংকীর্ণ প্রতিযোগিতার চোখে দেখা ভুল হবে। কারণ একটি আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ কারও বিরুদ্ধে নয়; বরং নিজের স্বার্থের পক্ষে।

যারা এখনো মনে করেন, বাংলাদেশের প্রতিটি পদক্ষেপে তাদের "নাক গলানোর" পুরোনো অভ্যাস বহাল থাকবে, তাদের উপলব্ধি করা উচিত—এটি আর আগের বাংলাদেশ নয়। স্বাধীন রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত স্বাধীন রাষ্ট্রই নেবে। পারস্পরিক সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে বন্ধুত্ব টিকে থাকে; আধিপত্যের মানসিকতা শেষ পর্যন্ত কেবল অবিশ্বাসই সৃষ্টি করে।

বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব কোনো দরকষাকষির বিষয় নয়। এটি জনগণের অর্জন, সংবিধানের অঙ্গীকার এবং রাষ্ট্রের মর্যাদার প্রশ্ন। সেই মর্যাদা রক্ষার দায়িত্ব বাংলাদেশের, আর সেই মর্যাদাকে সম্মান করার দায়িত্ব প্রতিবেশীসহ সকল অংশীদার রাষ্ট্রের।
লেখকঃ সাংবাদিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলামিস্ট  

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তৃতীয় দফায় পেছালো শিশু আসমা হত্যা মামলার রায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৬ পি.এম


তৃতীয় দফায় পেছালো শিশু আসমা হত্যা মামলার রায়

তৃতীয় দফায় পেছালো নোয়াখালীর চাটখিলের বহুল আলোচিত ৫ বছরের শিশু আসমা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় । রায় ঘোষণার জন্য আগামী ৬ জুলাই নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।

বুধবার (১ জুলাই) জেলার বিশেষ শিশু ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারজানা আক্তার এ আদেশ দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শুক্লা সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলার রায় ঘোষণার তারিখ তৃতীয় দফা পরিবর্তন করে ৬ জুলাই নির্ধারণ করা হয়।

নিহত আসমা উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা গ্রামের মৃধা বাড়ির বাসিন্দা মাওলানা মো. শাহজাহানের মেয়ে। মামলার একমাত্র আসামি শাহাদাত (২৬) একই গ্রামের বাবুল হোসেনের ছেলে এবং নিহতের জেঠাতো ভাই।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৪ মার্চ দুপুর দেড়টার দিকে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় আসমা। ঘটনার নয় দিন পর বাড়ির পেছনের সেপটিক ট্যাংকি থেকে আসামির তথ্যের ভিত্তিতে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ভিকটিমের জেঠাতো ভাই শাহাদাত (২৬) কে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত চলাকালে শাহাদাত আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানায়, ধর্ষণের পর ঘটনা প্রকাশ হয়ে পড়ার আশঙ্কায় সে শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে এবং মরদেহ সেপটিক ট্যাংকিতে ফেলে রাখে।

উল্লেখ্য, ঘটনার পর পুরো নোয়াখালী জুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয়রা শুরু থেকেই দ্রুত বিচার ও আসামির ফাঁসির দাবি জানিয়ে আসছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%